ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইসরাইলের প্রতিরক্ষায় ৩ বছরে ১১ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে যুক্তরাষ্ট্র: আব্বাস আরাগচি


ইসরাইলের প্রতিরক্ষায় ৩ বছরে ১১ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে যুক্তরাষ্ট্র: আব্বাস আরাগচি

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি দাবি করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র গত তিন বছরে ইসরাইলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য তার করদাতাদের ১১ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে।

শুক্রবার তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এই দাবি তুলে ধরেন। খবরটি মেহেরের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

আরাগচি তার পোস্টে উল্লেখ করেন, ‘গত তিন বছরে যুক্তরাষ্ট্র ইসরাইলের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পেছনে তাদের করদাতাদের ১১ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে।’

আরও পড়ুন: ইরানের প্রেসিডেন্ট মুসলিম বিশ্বের ঐক্যের আহ্বান জানালেন মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যে পরিমাণ ইন্টারসেপ্টর (ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহতকারী অস্ত্র) ব্যবহার করেছে, তা ইসরাইলের ব্যবহারের চেয়ে বেশি। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘এটি কোনো প্রতীকী সম্পর্ক নয়; বরং এটি একটি পরজীবী সম্পর্ক।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিরাজগঞ্জে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো ‘চর উৎসব’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৩৭ পি.এম


সিরাজগঞ্জে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো ‘চর উৎসব’

দেশে প্রথমবারের মতো ‘চর উৎসব’ বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সিরাজগঞ্জ জেলার যমুনা নদীতে নৌভ্রমণ, চরাঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও গ্রামীণ জীবনযাত্রাকে পর্যটনের আকর্ষণ হিসেবে তুলে ধরা এবং বিচ্ছিন্ন জনপদের মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের লক্ষ্য নিয়ে এ উৎসবের আয়োজন করা হয়। উৎসবে শহরের বহু পরিবারের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। বিশেষ করে শিশুদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ পুরো আয়োজনকে প্রাণবন্ত করে তোলে।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার মেছড়া ইউনিয়নের চরাঞ্চলে দিনব্যাপী এ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। সমবায় ও সামাজিক সংগঠন ‘সমধারা’ আয়োজিত এ উৎসবের ইভেন্ট পার্টনার ছিল সিরাজগঞ্জের পর্যটন উদ্যোগ ‘স্মার্ট ট্যুরিজম’।

বাংলাদেশের পর্যটনে নদীকেন্দ্রিক ভ্রমণের গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে যমুনা নদীতে নৌভ্রমণ, নদীর বুকে জেগে ওঠা চর, বিস্তীর্ণ বালুচর এবং চরের মানুষের জীবনযাত্রা পর্যটকদের জন্য ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা তৈরি করতে পারে। এসব সম্ভাবনা তুলে ধরা এবং চরাঞ্চলকে ভিলেজ ট্যুরিজমের আকর্ষণীয় গন্তব্য হিসেবে পরিচিত করার ভাবনা থেকেই চর উৎসবের আয়োজন করা হয়।

চরের প্রকৃতি, গ্রামীণ জীবনযাত্রা, লোকসংস্কৃতি ও স্থানীয় ঐতিহ্যকে কেন্দ্র করে সাজানো হয় উৎসবের আয়োজন। এতে ছিল সিরাজগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী খাবার পিটুলি, বাউলসংগীত ও ঘুড়ি উৎসব। আকাশে উড়েছে নানা রঙের ঘুড়ি। উৎসবে শিশুদের মধ্যে ঘুড়ি ও খাবার বিতরণ করা হয়। চরের মানুষের অংশগ্রহণে উৎসবের সব আয়োজন সম্পন্ন হয়। সাজসজ্জায় ব্যবহার করা হয় সিরাজগঞ্জের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য গামছা। খাবার পরিবেশন থেকে শুরু করে সাজসজ্জার বিভিন্ন অনুষঙ্গে ছিল গ্রামীণ জনপদের নিজস্বতা ও ঐতিহ্যের ছোঁয়া।

উৎসবে অতিথিদের কলাপাতায় পরিবেশন করা হয় ঐতিহ্যবাহী পিটুলি। বাউলসংগীত, ঘুড়ি ওড়ানো এবং চরের পরিবেশ উপভোগের মধ্য দিয়ে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে আয়োজন। শহরের পরিবারগুলোর পাশাপাশি শিশুদের কাছে চরের প্রকৃতি, গ্রামীণ সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রার সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।

সমধারার সভাপতি ও সাংবাদিক আব্দুল্লাহ আল সাফি উৎসবে অংশ নেওয়া সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘চরের রয়েছে নিজস্ব সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পর্যটনের বিপুল সম্ভাবনা। যমুনা নদীতে নৌভ্রমণ এবং চরাঞ্চলের প্রকৃতিকে ঘিরে পর্যটনের নতুন ক্ষেত্র তৈরি হতে পারে। চর উৎসবের মধ্য দিয়ে আমরা চরের সম্ভাবনাকে সবার সামনে তুলে ধরতে চেয়েছি। চরের মানুষকে সম্পৃক্ত করে স্থানীয় খাবার, সাজসজ্জা ও সংস্কৃতিকে গুরুত্ব দিয়ে আয়োজনটি করা হয়েছে, যাতে শহরের মানুষ বিশেষ করে নতুন প্রজন্ম চরের জীবন ও ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত হতে পারে। আমাদের লক্ষ্য, এ ধরনের উৎসব ও জমায়েতের মাধ্যমে বিচ্ছিন্ন জনপদের মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক ও যোগাযোগ বাড়ানো, স্থানীয় ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং ভিলেজ ট্যুরিজমের বিকাশে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করা।’

সমধারার সাধারণ সম্পাদক ও সাংবাদিক প্রতীক মাহমুদ বলেন, ‘সিরাজগঞ্জে প্রথমবারের মতো চর উৎসবের আয়োজন করতে পেরে আমরা আনন্দিত। এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে চরের মানুষের জীবনযাপন, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সম্ভাবনাকে সবার সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। চরের সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি এখানকার মানুষের সঙ্গে অতিথিদের পরিচিত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। আমরা চাই, এ ধরনের আয়োজনের মধ্য দিয়ে চরাঞ্চল সম্পর্কে মানুষের আগ্রহ বাড়ুক এবং চরের মানুষের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হোক।’

স্মার্ট ট্যুরিজমের প্রতিষ্ঠাতা মো. আসলাম উদ্দিন বলেন, ‘সিরাজগঞ্জ তথা চরাঞ্চলের পর্যটন সম্ভাবনাকে তুলে ধরতে এ আয়োজন করতে পেরে আমরা গর্বিত। আমরা আশা করি, দেশের পর্যটনের নতুন ঠিকানা হিসেবে চরাঞ্চলকে পরিচিত করার ক্ষেত্রে চর উৎসব একটি নতুন সংযোজন হবে। সামনের দিনগুলোতে এ ধরনের আরও আয়োজনের মাধ্যমে আমরা ভিলেজ ট্যুরিজমকে এগিয়ে নিতে চাই।’

চর উৎসবে আরও উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম বাবু, লেখক ও সংগঠক শ্যামলী খান, কবি শামীমা আফরোজ হ্যাপি, উদ্যোক্তা শামীমা সুলতানা সাথী, সমধারার কোষাধ্যক্ষ বাবলা বাশার, ব্যবসায়ী এনামুল প্রবালসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা।

আয়োজকদের প্রত্যাশা, চর উৎসবের মতো উদ্যোগের মাধ্যমে যমুনা নদীকেন্দ্রিক নৌভ্রমণ ও চরাঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে পর্যটনের নতুন গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে শহরের মানুষের সঙ্গে চরের বাসিন্দাদের যোগাযোগ বাড়বে, নতুন প্রজন্ম গ্রামীণ ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত হবে এবং স্থানীয় মানুষের অংশগ্রহণে ভিলেজ ট্যুরিজমের বিকাশের পথ তৈরি হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমি এখন পীরগঞ্জের বিএনপি নেতাদের একজন':ঠাকুরগাঁওয়ে ইউএনওর বিতর্কিত বক্তব্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ জিয়াউর রহমান ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৩৭ পি.এম


আমি এখন পীরগঞ্জের বিএনপি নেতাদের একজন

ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুর রহমানের রাজনৈতিক বক্তব্যের সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গোলাম রব্বানী সরদারের হাততালি দেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওই ইউএনও বলেন, ‘ইউএনও হচ্ছে নাউ ওয়ান অব দ্য বিএনপি লিডারস অব পীরগঞ্জ।’

সম্প্রতি ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার ৯ নম্বর সেনগাঁও ইউনিয়নের একটি পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যান সংসদ সদস্য জাহিদুর রহমান। সেখানে বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘আমাকে আপনারা ধানের শীষে ভোট দিয়ে এমপি নির্বাচিত করেছেন। আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে আবারও বর্তমান ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান প্রার্থী হিসেবে থাকবেন। আপনারা সবাই তাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন।’

এমপির দুই মিনিটের বেশি সময়ের ওই বক্তব্যের সময় পাশে বসা পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম রব্বানী সরদারকে সবার আগে হাততালি দিতে দেখা যায়। পুরো বক্তব্যজুড়েই তাকে করতালি দিয়ে সমর্থন জানাতে দেখা গেছে। একজন সরকারি কর্মকর্তা হয়ে রাজনৈতিক ও নির্বাচনি বক্তব্যে এভাবে প্রকাশ্যে করতালি দেওয়ার ভিডিওটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনা ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়।
 
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম রব্বানী সরদার বলেন, ‘তাহলে লিখে দেন, এমপির সাথে ইউএনও নির্বাচনি প্রচারণায়। আপনি শোনেন, এভাবে বলেন যে, ইউএনও হচ্ছে নাউ ওয়ান অব দ্য বিএনপি লিডারস অব পীরগঞ্জ, ঠিক আছে?’
 
নিজের অবস্থানের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘যে সরকার থাকত, যে দলের সরকার থাকত, আমি সেই দলেরই নেতা। বোঝা গেছে মেসেজটা? আমার দল আছে। আমার দল কী? সরকারি দল। আমার আদর্শ সরকারি দলের আদর্শ। তাহলে আপনার ওই অংশটুকুই খালি ক্লিপে বের করেন আর লিখে দেন, যাতে করে আমি একটু ভাইরাল হই সারা দেশে। আই ওয়ান্ট টু বি ভাইরাল, ওকে?’
 
ইউএনও আরও বলেন, ‘এগুলোর বাইরে যাওয়ার ক্ষমতা আমার কেন, আমার সেক্রেটারিরই নাই, আমার ডিসি স্যারের নাই, আমার কমিশনার স্যারের নাই। পরিষদের আমি প্রশাসনিক কর্মকর্তা। সব কাজ সংসদ সদস্যকে জিজ্ঞেস করে করতে হবে। চিঠি আছে আমার কাছে, দেখবেন আপনি?’
 
সরকারি কর্মকর্তার এমন আচরণের তীব্র সমালোচনা করেছেন রাজনৈতিক নেতারা। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) ঠাকুরগাঁও জেলার সাধারণ সম্পাদক আবু সায়েম বলেন, ‘একজন সরকারি কর্মকর্তা কীভাবে একজন এমপির রাজনৈতিক বক্তব্যে হাততালি দিতে পারেন? যেখানে এমপি আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে একজনকে বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দিচ্ছেন, সেখানে ইউএনও অতিউৎসাহী হয়ে সবার আগে হাততালি দিয়ে সমর্থন জানাচ্ছেন, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।’
ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর থেকে নেটিজেনদের তীব্র প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনার মুখে পড়েছেন ওই কর্মকর্তা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রতিষ্ঠার দেড় যুগ পেরোলেও পাবিপ্রবিতে নেই অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৩৭ পি.এম


প্রতিষ্ঠার দেড় যুগ পেরোলেও পাবিপ্রবিতে নেই অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন

প্রতিষ্ঠার পর ১৮ বছর অতিক্রম করার পরও পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) কেন্দ্রীয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠিত হয়নি।

এ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনেকেই দেশের ও বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন এবং গবেষণায় অবদান রাখছেন। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন সাবেক শিক্ষার্থী বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকাতেও স্থান করে নিয়েছেন। শিক্ষার্থীদের এই সাফল্যের বিপরীতে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে একটি কেন্দ্রীয় অ্যালামনাই নেটওয়ার্কের অভাব রয়েছে, যা সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মধ্যে সমন্বিত যোগাযোগ, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পেশাগত সহযোগিতার সুযোগকে কতটা কাজে লাগানো যাচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়টি উচ্চশিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর জ্ঞানচর্চা এবং গবেষণায় ক্রমাগত এগিয়ে যাচ্ছে।

সাবেক শিক্ষার্থীরা বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন পেশাগত ক্ষেত্রে কাজ করছেন। তাদের অনেকেই দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নিজেদের দক্ষতা ও যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা, গবেষণা এবং পেশাগত অঙ্গনে সাবেক শিক্ষার্থীদের এই অগ্রযাত্রা বর্তমান শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, একটি কার্যকর কেন্দ্রীয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গড়ে উঠলে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে যোগাযোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি বর্তমান শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার গঠন, উচ্চশিক্ষা, গবেষণা এবং পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। অভিজ্ঞ প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা মেন্টরশিপ, ক্যারিয়ারবিষয়ক পরামর্শ, ইন্টার্নশিপের সুযোগ এবং কর্মক্ষেত্রের বাস্তব অভিজ্ঞতা ভাগাভাগির মাধ্যমে নবীনদের এগিয়ে যেতে সহায়তা করতে পারবেন। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা, শিক্ষা ও সামগ্রিক উন্নয়নেও তাদের সম্পৃক্ততা বাড়বে। এইভাবে প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মধ্যে একটি স্থায়ী সেতুবন্ধন তৈরি হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রা আরও বেগবান হবে।

বর্তমান শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, শিক্ষক, সাবেক শিক্ষার্থী এবং শিক্ষার্থীদের সমন্বিত উদ্যোগে একটি কার্যকর কেন্দ্রীয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গড়ে তোলা হবে। এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগ ও ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থীদের একটি অভিন্ন নেটওয়ার্কে যুক্ত করা, তাদের কর্মক্ষেত্র ও গবেষণার অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করা এবং বর্তমান শিক্ষার্থীদের জন্য নিয়মিত ক্যারিয়ারবিষয়ক কার্যক্রম আয়োজন করা সম্ভব হবে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ব্যাচের ইইই বিভাগের শিক্ষার্থী এবং ইইই অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক অহিদুল ইসলাম, বর্তমানে সিটিগ্রুপের ইউকে বাংলা সিমেন্ট লিমিটেডে ডেপুটি ম্যানেজার ও ইন-চার্জ (ইলেকট্রিক্যাল) হিসেবে কর্মরত।

তিনি বলেন, "প্রায় ১৮ বছর পার হলেও পাবিপ্রবিতে একটি কার্যকর কেন্দ্রীয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গড়ে না ওঠা হতাশাজনক। একটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন নবীন শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার গাইডলাইন, চাকরির প্রস্তুতি, ইন্টার্নশিপ, উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় সহযোগিতার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সম্পর্ক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে, Outcome-Based Education (OBE) বাস্তবায়ন ও শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতা ও মতামত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা চাই, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত উদ্যোগে দ্রুত একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কেন্দ্রীয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গড়ে উঠুক, যা সব ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থীর অভিন্ন প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।"

বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ ব্যাচের ইইসিই বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী জি এম মেহেদী হাসান বর্তমানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের ‘কানেক্টেড বাংলাদেশ’ প্রকল্পে সহকারী নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

তিনি বলেন, "একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাফল্য শুধু অবকাঠামো, শিক্ষাক্রম কিংবা ডিগ্রি প্রদানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এর প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা সমাজ, রাষ্ট্র ও কর্মক্ষেত্রে কতটা অবদান রাখছেন, সেটিও সাফল্যের গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ড। পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮ বছরের পথচলায় বিভিন্ন বিভাগের অসংখ্য শিক্ষার্থী কর্মক্ষেত্র, শিক্ষকতা, গবেষণা ও উচ্চশিক্ষায় নিজেদের অবস্থান তৈরি করেছেন। তাদের অর্জন, অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান সম্পদ। কিন্তু এসব প্রাক্তন শিক্ষার্থীকে একটি সুসংগঠিত প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর আওতায় আনার উদ্যোগ এখনও দৃশ্যমান নয়, যা হতাশাজনক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তেজগাঁওয়ে কনকর্ডের নতুন বাণিজ্যিক ভবন ‘কনকর্ড হরাইজন টাওয়ার’ নির্মাণ শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৩৯ পি.এম


তেজগাঁওয়ে কনকর্ডের নতুন বাণিজ্যিক ভবন ‘কনকর্ড হরাইজন টাওয়ার’ নির্মাণ শুরু

ঢাকার তেজগাঁও শিল্প এলাকায় বহুতল বাণিজ্যিক ভবন 'কনকর্ড হরাইজন টাওয়ার'-এর আনুষ্ঠানিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন (গ্রাউন্ডব্রেকিং) সম্পন্ন করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় আবাসন ও নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান কনকর্ড গ্রুপ।

এই দৃষ্টিনন্দন বহুতল ভবনটি প্রায় ৪০ কাঠা জমির ওপর নির্মিত হতে যাচ্ছে, যেখানে ৪টি বেজমেন্ট ও গ্রাউন্ড ফ্লোরসহ মোট ১১টি সুপরিসর ফ্লোর স্পেস থাকবে। আধুনিক ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রয়োজনীয়তা এবং রাজধানীর কেন্দ্রস্থলে সহজ যোগাযোগ সুবিধা নিশ্চিত করতে 'কনকর্ড হরাইজন টাওয়ার'-এর নকশা ও পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রকল্পটিতে আধুনিক স্থাপত্যশৈলী, সুপরিকল্পিত ফ্লোর স্পেস এবং সর্বাধুনিক বিল্ডিং সিস্টেমের অনন্য সমন্বয় ঘটানো হবে।

টাওয়ারটিতে ৪টি প্যাসেঞ্জার লিফট এবং সুপরিসর পার্কিং সুবিধা থাকবে। বিভিন্ন ফ্লোরে প্রয়োজন অনুযায়ী বৈচিত্র্যময় স্পেস থাকবে, যার মধ্যে বেশ কয়েকটি ফ্লোরে ১২ হাজার বর্গফুটেরও বেশি আয়তনের বিশাল অফিস স্পেস রাখা হয়েছে।

অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্বলিত এ ভবনে সর্বোচ্চ মানের অগ্নিনির্বাপণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা, বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড অটোমেশন সিস্টেম, পরিবেশবান্ধব ও শক্তি সাশ্রয়ী প্রযুক্তি এবং স্মার্ট অ্যাক্সেস কন্ট্রোলসহ অফিস অটোমেশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হচ্ছে। এ ছাড়া উন্নত কর্মপরিবেশ গড়ে তুলতে ভবনে আধুনিক ক্যাফে, জিমনেশিয়াম ও সুইমিং পুলের মতো কমন অ্যামেনিটিজ থাকবে।

তেজগাঁও শিল্প এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় 'কনকর্ড হরাইজন টাওয়ার' থেকে ঢাকার অন্যান্য প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় যাতায়াত অত্যন্ত সহজ হবে। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মধ্য দিয়ে ভবনটির নির্মাণকাজের আনুষ্ঠানিক সূচনা হলো, যা কনকর্ডের পোর্টফোলিওতে নতুন এক মাইলফলক যুক্ত করল।

বিগত কয়েক দশক ধরে কনকর্ড বাংলাদেশের আবাসিক, বাণিজ্যিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে অনন্য ভূমিকা রেখে চলেছে। নতুন এ বাণিজ্যিক ভবনটির মাধ্যমে আধুনিক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি মর্যাদাপূর্ণ ঠিকানা তৈরির পাশাপাশি ঢাকার দ্রুত রূপান্তরশীল বাণিজ্যিক প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে প্রতিষ্ঠানটি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%