শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৩৭ পি.এম
মাদারীপুরের শিবচর এলাকায় ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে একটি বাস পেছন থেকে আরেকটি বাসের দ্বারা ধাক্কা খেয়ে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু ঘটে। এ ঘটনায় অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাখরেরকান্দি এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
ফায়ার সার্ভিস ও প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, গোপালগঞ্জ থেকে যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করা পালকী পরিবহনের একটি বাস বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের মাদারীপুরের শিবচরের বাখরেরকান্দি এলাকায় পৌঁছালে বাসটির চাকা বিকল হয়ে যায়। এ সময় হানিফ পরিবহনের আরেকটি বাস পালকী পরিবহনের বাসটিকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়, যার ফলে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হন। আহতদের মধ্যে অন্তত ১৫ জনকে স্থানীয় ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। খবর পেয়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আহতদের উদ্ধার করেন।
দুর্ঘটনার পর ঢাকা মুখী লেনে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে শিবচর হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কিছু সময় পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে।
ফরিদপুরের ভাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আবু জাফর সরদার জানান, দুর্ঘটনার ফলে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু ঘটে। পালকী পরিবহন এক্সপ্রেসওয়ে পার্কিং করে রাখা ছিল। এ সময় দ্রুত গতির হানিফ পরিবহনের বাসটি সামনের বিকল বাসটিকে ধাক্কা দেয়। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।
মাদারীপুরের শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এইচএম ইবনে মিজান জানান, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসকে উদ্ধার কাজের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নিহতদের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বইয়ের ব্যাগ হাতে কেউ, আবার কেউ স্কুলের পোশাক কাঁধে নিয়ে আছে। তাদের চোখে স্বপ্ন- পড়াশোনা করে মানুষের মতো মানুষ হওয়া; কিন্তু বিদ্যালয়ে পৌঁছানোর জন্য প্রতিদিন ভয় আর শঙ্কায় ভরা এক পথ পাড়ি দিতে হয়। পাকা রাস্তা কিংবা সেতুর অভাবে ড্রামের তৈরি ভেলাই তাদের একমাত্র ভরসা।
খুলনার কয়রা উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের প্রতাপ স্মরণী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাশে শাকবাড়িয়া বদ্ধ নদীর তীরে ২০০৯ সালের ঘূর্ণিঝড় আইলায় ভেঙে যাওয়া বাঁধটি ১৭ বছরেও নির্মাণ হয়নি। প্রায় ১৭০ মিটার দীর্ঘ ভাঙা অংশটি এখন ছোট একটি নদীতে পরিণত হয়েছে। এই পানিপথ পেরিয়েই কোমলমতি শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন স্কুলে যাতায়াত করছে। দেড় যুগ ধরে চলা এই দুর্দশার মধ্যে কোনো বাস্তব পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ভাঙা বাঁধের এক পাশে প্রতাপ স্মরণী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও একটি কমিউনিটি ক্লিনিক রয়েছে। অন্যপাশ থেকে বিদ্যালয়ের দিকে যেতে হলে শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের ড্রামের তৈরি ভেলায় উঠতে হয়। ভেলা যাতে স্রোতে ভেসে না যায়, তার জন্য দুই পাশে বাঁধা রশি ধরে টেনে টেনে পার হতে হয়। সামান্য অসতর্কতা কিংবা ভারসাম্য হারালেই পানিতে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।
ভেলায় উঠলেই বুক কাঁপে
প্রতাপ স্মরণী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী তাহসিন আহমেদ বলেন, "প্রতিদিন ড্রামের ভেলায় চড়ে স্কুলে যেতে হয়। ভেলায় উঠলেই ভয় লাগে কখন যে উল্টে যাই।" তবুও পড়াশোনার জন্য প্রতিদিন এই ঝুঁকি নিতে হয়। তিনি আরও বলেন, "আমরা চাই এখানে দ্রুত একটি রাস্তা নির্মাণ করা হোক।"
পূর্ব মঠবাড়ি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাদিয়া আক্তার জানায়, "ড্রামে চড়ে ওপারে স্কুলে যেতে খুব ভয় লাগে। একবার ভেলা উল্টে নদীতে পড়ে গিয়েছিলাম। বইয়ের ব্যাগসহ সবকিছু পানিতে ভিজে যায়।" তিনি বলেন, "পাশে মানুষ থাকায় কোনোমতে প্রাণে বেঁচেছি। আমরা চাই এখানে একটা রাস্তা হোক, যাতে নিরাপদে স্কুলে যেতে পারি।"
শিক্ষার্থীদের এ অবস্থার কারণে উদ্বেগে থাকেন অভিভাবকরাও। প্রতাপ স্মরণী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক হোসনেয়ারা খাতুন বলেন, "বাচ্চাদের স্কুলে পাঠানোর পর খুব চিন্তায় থাকতে হয়। একবার ভেলায় পার হওয়ার সময় আমার মেয়েসহ কয়েকজন শিশু পানিতে পড়ে গিয়েছিল।" তিনি জানান, "কোনোমতে প্রাণে বেঁচেছে। আমরা চাই দ্রুত রাস্তাটি নির্মাণ করা হোক।"
তিনি আরও বলেন, "রাস্তা নির্মাণ করা না হলেও স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য একটি ড্রাম সেতু নির্মাণ করা হোক।"
স্থানীয় বাসিন্দা মো. আছাদুল ইসলাম জানান, দীর্ঘদিন ধরে বাঁধ নির্মাণের দাবি জানানো হলেও স্থায়ী সমাধান হয়নি। বর্ষায় নদীর পানি বাড়লে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। শিক্ষার্থী, নারী, শিশু ও বয়স্কদের তখন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয়।
স্থানীয়দের মতে, এখানে একটি স্থায়ী বাঁধ ও নিরাপদ সড়ক নির্মাণ করা হলে শুধু দুটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগই কমবে না, আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থাও সহজ হবে।
বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী কমছে
প্রতাপ স্মরণী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রণজিৎ কুমার মণ্ডল বলেন, "২০০৯ সালে আইলায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত এখানে বাঁধ নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি।" তিনি জানান, "প্রতিনিয়ত বাচ্চাদের ঝুঁকি নিয়ে ড্রামের ভেলায় পার হতে হয়। অনেক অভিভাবক যাতায়াতের সমস্যার কারণে সন্তানদের এই স্কুলে ভর্তি করাতে চান না। আমরা দ্রুত শাকবাড়িয়া বদ্ধ নদীর বাঁধ নির্মাণের দাবি জানাই।"
মহারাজপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আবু সাঈদ মোল্লা বলেন, "১৭০ মিটারের বেশি এই ভাঙা অংশ ইউনিয়ন পরিষদের সামান্য বরাদ্দ দিয়ে সংস্কার করা সম্ভব নয়।" তিনি উল্লেখ করেন, "জায়গাটি গভীর এবং বড় আকারের। একটি ভাসমান সেতু কিংবা স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা গেলে দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান হবে।"
পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) খুলনার উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. সুলতান মাহমুদ জানান, "প্রতাপ স্মরণী মাধ্যমিক বিদ্যালয়সংলগ্ন বাঁধটি পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বরাদ্দের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।" তিনি বলেন, "বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।"
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আব্দুল্লাহ আল বাকী বলেন, "বিষয়টি জানতে পেরেছি। সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী মন্তব্য করেন, "দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঁধ নির্মাণ না হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক।" তিনি বলেন, "বিশেষ করে শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষকে ড্রামের ভেলায় ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হচ্ছে এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।" তিনি জানান, "বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নীলফামারী, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : আজ জেলা সদরে পাঁচদিন ব্যাপী স্কাউটস সমাবেশের উদ্বোধন করা হয়েছে।
আজ শুক্রবার বেলা ১১ টায় নীলফামারী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধন করেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুবাশ্বিরা আমাতুল্লাহ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলা স্কাউটসের কমিশনার বদরুন নাহার, এবং সঞ্চালনা করেন উপজেলা কাব লিডার সাফিনা আক্তার সাথী। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন নীলফামারী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মহিতুর রহমান, জেলা স্কাউটসের সাধারণ সম্পাদক মো. আতাউর রহমান, এবং সদর উপজেলা স্কাউটসের সাধারণ সম্পাদক মো. মশিউর রহমান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য মো. ফজলার রহমান, মো. শফিকুল ইসলাম, মো. আব্দুল আলিম লেমন, এবং মো. সাইফুল ইসলাম মানিক।
আয়োজকরা জানিয়েছেন, সদর উপজেলা স্কাউটসের উদ্যোগে আয়োজিত এই পাঁচদিন ব্যাপী সমাবেশ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে শুরু হয় এবং আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় শেষ হবে। সমাবেশে সদর উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ১৮টি স্কাউটস দল অংশগ্রহণ করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের জেদ্দায় শুরু হয়েছে চার দিনব্যাপী চতুর্থ ‘সৌদি ফ্যাশন অ্যান্ড টেক্স এক্সপো ২০২৬’। এই মেলা জেদ্দা ইন্টারন্যাশনাল এক্সিবিশন অ্যান্ড কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যেখানে বাংলাদেশের ১১টি পোশাক ও ফ্যাশন প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করছে। বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন স্থাপনে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) আর্থিক সহায়তা এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও জেদ্দায় বাংলাদেশ কনসুলেট জেনারেলের সহযোগিতা রয়েছে।
এক্সপোর উদ্বোধন করেন বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) জেদ্দা চেম্বার অব কমার্সের ভাইস চেয়ারম্যান ইমাদ মোহাম্মদ আল আবউদ। পরে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং সৌদি ফেডারেশন অব চেম্বারের সদস্য ও সৌদি রিজিওনাল বিজনেস কাউন্সিল ফর সাউথ ইস্ট এশিয়ার এক্সিকিউটিভ বোর্ড সদস্য ওসামা কোউকানদি যৌথভাবে বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মিনিস্টার (কমার্শিয়াল) সৈয়দা নাহিদা হাবিবা, কনসুলেটের কর্মকর্তা, সৌদি ব্যবসায়ী, আমদানিকারক, প্রবাসী ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীরা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো হলো জাকারিয়া নিটওয়্যার লিমিটেড, আলেয়া এপারেলস লিমিটেড, এম এস এএইচ কিউ অ্যাপপেরেলস, মডেস্ট অ্যাট্যায়ার বাই জাহান, ইতন ফ্যাশনস লিমিটেড, স্বপ্নীল হাউজ, বনুম গার্মেন্টস লিমিটেড, বেল বটম লিমিটেড, মার্কার, সাওদা ফ্যাশন ও আল নূর গার্মেন্টস লিমিটেড।
ইপিবির উদ্যোগে একটি পৃথক বুথে বাংলাদেশের ঐতিহ্য, উৎপাদন সক্ষমতা ও রপ্তানিযোগ্য পণ্য নিয়ে তথ্যচিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হচ্ছে।
আয়োজক পিরামিডস গ্রুপের তথ্য অনুযায়ী, এবারের এক্সপোয় ৫৫০টির বেশি বুথ রয়েছে। বিশ্বের ২৫টির বেশি দেশ থেকে প্রায় ১০ হাজার বাণিজ্য দর্শনার্থী ও ক্রেতার অংশগ্রহণ প্রত্যাশা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এ মেলার মাধ্যমে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল পণ্যের নতুন ক্রেতার সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হবে। প্রদর্শনী চলবে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান এবং শেখ হাসিনা সরকারের শেষ কয়েক সপ্তাহের তাণ্ডব ও রাজনৈতিক ঘটনাবলী নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র ‘হাসিনা: ৩৬ ডেজ ইন জুলাই’ সম্মানজনক ইন্টারন্যাশনাল এমি অ্যাওয়ার্ডসে মনোনয়ন লাভ করেছে। এই অনুসন্ধানী প্রামাণ্যচিত্রটি আল জাজিরা ইংলিশের ইনভেস্টিগেটিভ ইউনিটের (আই-ইউনিট) দ্বারা তৈরি করা হয়েছে এবং এটি ২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক এমি অ্যাওয়ার্ডসের ‘কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স’ বিভাগে স্থান পেয়েছে।
আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এই ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে নির্মিত আল জাজিরার এই প্রামাণ্যচিত্রটি ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য এবং ব্রাজিলের তিনটি বিখ্যাত প্রযোজনার সঙ্গে তীব্র প্রতিযোগিতায় রয়েছে। আগামী ২৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে চূড়ান্ত বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের জুলাইয়ে আল জাজিরার আই-ইউনিট এই আলোচিত প্রামাণ্যচিত্রটি প্রকাশ করে। প্রামাণ্যচিত্রে গোপন ফোনালাপ, ফাঁস হওয়া স্পর্শকাতর নথি এবং আন্দোলন চলাকালীন প্রত্যক্ষদর্শীদের ভয়াবহ সাক্ষ্যের ভিত্তিতে শেখ হাসিনা সরকারের পতন ও তার শেষ মুহূর্তের সিদ্ধান্তগুলোর চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। এতে আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ড, দেশজুড়ে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট এবং আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার ওপর প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ সংক্রান্ত চাঞ্চল্যকর অডিও রেকর্ডও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
মার্কিন বিনোদনভিত্তিক সাময়িকী ভ্যারাইটি-এর এক প্রতিবেদনের মাধ্যমে এবং প্রামাণ্যচিত্রটিতে কাজ করা প্রবাসী বাংলাদেশি সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়েরের বরাতে এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।
তবে, আওয়ামী লীগ এই প্রামাণ্যচিত্রে প্রদর্শিত তথ্য এবং ফাঁস হওয়া অডিও রেকর্ডের ব্যাখ্যা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে। দলটির দাবি, শেখ হাসিনা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সরাসরি বা সুনির্দিষ্টভাবে কোনো প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের অনুমোদন দেননি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ