সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:৫৬ পি.এম
রাঙামাটির সাজেক সড়কের অচলাবস্থা নিরসনের লক্ষ্যে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে দুই সংসদ সদস্য উপস্থিত ছিলেন। তবে, সংকট এখনও কাটেনি। আন্দোলনকারীরা সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (পিসিজেএসএস) সশস্ত্র সদস্যদের এলাকা থেকে সরিয়ে দেওয়ার দাবিতে অনড় রয়েছেন।
বৈঠক শেষে সোমবার রাতে ফেসবুক লাইভে এসে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক বাবুধন চাকমা জানিয়েছেন, তারা অনির্দিষ্টকালের জন্য সড়ক অবরোধ কর্মসূচি অব্যাহত রাখবেন। তিনি পর্যটকদের সাজেক ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করার কথাও উল্লেখ করেছেন।
অন্যদিকে, খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূঁইয়া সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানান, আন্দোলনকারীদের উত্থাপিত পাঁচ দফা দাবির মধ্যে চারটির প্রতি সরকার ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, বাকি দাবিটির বিষয়ে আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে একটি সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হবে।
সোমবার বিকেলে সাজেক সড়কের উজোবাজারে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আন্দোলনকারীদের দাবিগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। তবে, সশস্ত্র সদস্যদের সরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো আশ্বাস না পাওয়ায় বৈঠকের পরও অচলাবস্থা অব্যাহত রয়েছে। পাঁচ দিন ধরে সাজেক সড়কে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ থাকায় ওই এলাকার পর্যটন খাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং স্থানীয় যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণরূপে ব্যাহত হচ্ছে।
উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূঁইয়া, রাঙামাটির সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটির জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার এবং গঠিত কমিটির অন্যান্য সদস্যরা। বৈঠকে আন্দোলনকারীদের একটি প্রতিনিধিদল বাবুধন চাকমার নেতৃত্বে অংশগ্রহণ করে।
এর আগে, দুই সংসদ সদস্যসহ খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি—দুই জেলার জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপার সাজেক সড়কের উজোবাজার এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
এমএইচ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুর জেলা শহরের অপরাধমুক্ত রাখার এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে বসানো সিসিটিভি ক্যামেরাগুলোর অধিকাংশই বর্তমানে নষ্ট হয়ে গেছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। আইনশৃঙ্খলার তদারকির জন্য স্থাপন করা ৪০টি ক্যামেরার মধ্যে ৩০টিরও বেশি ক্যামেরা বছর যেতে না যেতেই বিকল হয়ে পড়েছে। গত ছয় মাস ধরে ওইসব এলাকায় নজরদারি ব্যবস্থা প্রায় অচল হয়ে পড়ায়, সম্প্রতি সচল করা হয়েছে মাত্র ৪টি ক্যামেরা। এর ফলে শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে তদারকি কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
শোনা যাচ্ছে, শেরপুর পৌরসভার অর্থায়ন ও সদর থানার সহায়তায় প্রায় ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে ক্যামেরা স্থাপন করা হয়। ক্যামেরাগুলো চালুর পর থেকে থানা ও পৌরসভা কার্যালয় ২ স্থান থেকেই শহর পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা রেখেছিল।
কিন্তু স্থাপনের পর বছর যেতে না যেতেই অধিকাংশ সিসি ক্যামেরা বিকল হয়ে পড়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এর ফলে পুরো নজরদারি ব্যবস্থায় সমস্যা দেখা দিয়েছে, যা অপরাধ সংঘটন প্রতিরোধ, অপরাধীদের শনাক্তকরণ এবং জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।
জানা গেছে, সড়কের পাশের কিছু খুঁটিতে এক বা একাধিক সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। কয়েকটি স্থানে ক্যামেরা থাকলেও সংযোগের তার নেই। আবার কোথাও ক্যামেরার সামনে জমে আছে ময়লা-আবর্জনা, যা ক্যামেরার কার্যকারিতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
সিসিটিভি ক্যামেরার সুবিধা বন্ধ থাকায় এলাকায় চুরি, ছিনতাই ও মাদকের বিস্তার বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে রাতে শহরের প্রধান প্রধান পথ ও নির্জন গলি পথে যাতায়াত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত অচল ক্যামেরাগুলো মেরামত করে নজরদারি ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার করা উচিত। এছাড়া ক্যামেরাগুলোর নিয়মিত পরিচর্যা, কারিগরি ত্রুটি এবং সংযোগ তার চুরি ঠেকাতে ব্যবস্থা গ্রহণ করাও জরুরি।
রাতে চলাচলে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন শহরের গৃদ্দা নারায়ণপুরের বাসিন্দা রুবেল মিয়া। তিনি মন্তব্য করেন, বিশেষ করে নারীদের নিরাপদ চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে নজরদারি ব্যবস্থা কার্যকর থাকা প্রয়োজন। এছাড়া কোথাও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে, তদন্তের স্বার্থে তথ্য প্রমাণ পাওয়া কঠিন হবে।
অপরদিকে, অকেজো ক্যামেরাগুলো স্বচল করার কথা জানিয়েছেন শেরপুর পৌরসভার প্রশাসক আরিফা সিদ্দিকা। তিনি জানান, আবহাওয়াজনিত প্রভাব ও বিভিন্ন কারিগরি ক্রুটিতে যে সব ক্যামেরা বিকল হয়েছে, সেগুলো মেরামতের কার্যক্রম চলছে। ভবিষ্যতে পৌরসভার আরও কয়েক স্থানে নতুন সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
পৌর প্রশাসক বলেন, শহরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুদৃঢ় করতে এই প্রযুক্তি কাজে আসবে। ক্যামেরাগুলো পর্যবেক্ষণে শুধু পৌরসভা নয়, থানা থেকেও ব্যবস্থা রয়েছে। এ বিষয়ে পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হচ্ছে।
শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান ভূঁঞা বলেন, অপরাধ প্রতিরোধ ও তদন্তের কাজে সিসিটিভি ক্যামেরা আধুনিক পুলিশিং ব্যবস্থার একটি কার্যকর প্রযুক্তি। জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্থাপন করা ক্যামেরাগুলো অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে সহায়তা করছে। অপরাধ সংঘটনের ক্ষেত্রে মানুষের মধ্যে সতর্কতা তৈরি করা এবং কোনো ঘটনার পর আলামত সংগ্রহ ও অপরাধ প্রমাণে ক্যামেরা গুরুত্বপূর্ণ।
ব্যক্তিগতভাবে সিসিটিভি ক্যামেরা ব্যবহারকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বাড়ি, দোকান কিংবা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ক্যামেরা স্থাপন করা থাকলে অন্তত একটি ক্যামেরা সড়কমুখী করে রাখা উচিত। এতে রাস্তায় অপরাধ বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ এবং তদন্ত কাজে পুলিশ বাড়তি সহযোগিতা পাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রেমিকের হাত ধরে বাড়ি ছেড়ে যাওয়া পুলিশ কনস্টেবল রানা মাসুদের কন্যা তাছনিয়া তামান্না ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার পর আদালতের নির্দেশে নিজের জিম্মায় থাকার অধিকার লাভ করেছেন। তবে আদালত চত্বর থেকে বের হওয়ার পরই তাকে নিজেদের সঙ্গে নিয়ে যেতে চান তার বাবা-মা। এ নিয়ে তামান্নাকে মাইক্রোবাসে তোলার চেষ্টা, টানাটানি ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ সদস্যদের হিমশিম খেতে হয়।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) বগুড়ার আদালত চত্বরে এ ঘটনাটি ঘটে। একদিকে নিজের পছন্দের মানুষের কাছে ফিরে যাওয়ার আকুতি, অন্যদিকে মেয়েকে নিজেদের কাছে নিয়ে যেতে বাবা-মায়ের চেষ্টা নিয়ে আদালত এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
আদালত সূত্রে জানা যায়, বগুড়ার আদমদীঘি থানায় কর্মরত পুলিশ কনস্টেবল রানা মাসুদের কন্যা তাছনিয়া তামান্নার সঙ্গে জয়পুরহাটের শহীদ হোসেনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ১ মে তামান্নাকে নিয়ে পালিয়ে যান শহীদ। এ ঘটনায় আদমদীঘি থানা মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে অভিযোগ করে আদালতে মামলা করেন রানা মাসুদ। পরে আদালতের নির্দেশে ৭ মে মামলাটি থানায় রেকর্ড করা হয়।
এরপর সংবাদ সম্মেলন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুলিশের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেন রানা মাসুদ। অন্যদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাবার বিরুদ্ধে নির্যাতনসহ বিভিন্ন অভিযোগ তোলেন তামান্না। এ নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
পরে ২৩ জুন বগুড়া গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) জয়পুরহাটের পাঁচবিবি থেকে তামান্নাকে উদ্ধার করে। এ সময় তার প্রেমিক শহীদসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে আদালতের নির্দেশে তামান্নাকে চার মাসের জন্য রাজশাহীর একটি সেফ হোমে রাখা হয়।
২৬ অক্টোবর ১৮ বছর পূর্ণ হলে বগুড়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তামান্নাকে নিজের জিম্মায় থাকার আদেশ দেন। এরপর আদালত থেকে বের হওয়ার পর তাকে নিজেদের সঙ্গে নিয়ে যেতে চান বাবা-মা। এ সময় তামান্নাকে মাইক্রোবাসে তোলার চেষ্টা ঘিরে টানাটানি ও ধস্তাধস্তি শুরু হয়।
বগুড়া সদর থানা-পুলিশের ওসি ইব্রাহীম আলী জানান, নিরাপত্তার স্বার্থে তামান্নাকে বগুড়া সদর থানার হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। আদালতের আদেশ অনুযায়ী পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, তামান্নার বাবার করা অপহরণ মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন তার প্রেমিক শহীদ হোসেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার গোবিন্দপুর উচ্চবিদ্যালয়ে ৩৩ লাখ ১৫ হাজার ৮০৯ টাকার অনিয়মের অভিযোগে প্রধান শিক্ষক কবির আহমেদ এবং অফিস সহকারী সাইফুল ইসলামকে দুই মাসের জন্য সাময়িক বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি।
এ সিদ্ধান্তটি সোমবার (২৬ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত কমিটির সভায় গৃহীত হয়। তবে, দুজনেই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, ২০২১ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত ক্যাশবই ও ব্যাংক হিসাবের নিরীক্ষার মাধ্যমে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি ওই অর্থের অনিয়ম শনাক্ত করেছে। গত ১৮ অক্টোবর তাদের সাত দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য চিঠি দেওয়া হলেও তারা তা গ্রহণ করেননি এবং টাকা ফেরত দেননি বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সোহেল বেপারী আরও অভিযোগ করেন, প্রধান শিক্ষক ও অফিস সহকারীর বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্য, শিক্ষকদের সঙ্গে অসদাচরণসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। তিনি দাবি করেন, অফিস সহকারী ভুয়া মেডিকেল সনদে প্রায় নয় মাস প্রবাসে থাকলেও প্রধান শিক্ষক তা বৈধ করেছেন।
অন্যদিকে, প্রধান শিক্ষক কবির আহমেদ জানান, তার বিরুদ্ধে তদন্তের এক্তিয়ার নিয়ে আপত্তি থাকায় তিনি চিঠি গ্রহণ করেননি। তিনি দাবি করেন, কোনো টাকা আত্মসাৎ করেননি। অফিস সহকারী সাইফুল ইসলামও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিদ্যালয়ের অর্থ কমিটি হিসাব-নিকাশ দেখভাল করেছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. মোস্তফা কামাল বলেন, অনিয়ম হয়ে থাকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিকে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালনার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মধ্যপ্রাচ্য এবং বৃহত্তর অঞ্চলে শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার উদ্দেশ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক আয়োজন করেছে ইরান এবং ‘মক্কা এলায়েন্স’ (Mecca Alliance)-এর সদস্য রাষ্ট্রগুলো। অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিরা আঞ্চলিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার জন্য ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছেন।
ফার্স নিউজ এজেন্সির উদ্ধৃতি দিয়ে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মক্কা এলায়েন্সের সদস্য দেশগুলোর সাথে ইরানের এই বৈঠক অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে। বৈঠকে অংশগ্রহণকারী পক্ষগুলো চারটি আঞ্চলিক দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক এবং সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য একত্রে কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন।
ইরানের নিরাপত্তা প্রধান মোহসেন রেজায়ীর আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন— সউদী আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির এবং তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান ইব্রাহিম কালিন। বৈঠকে মূলত আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়াদি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।
বিশ্লেষকদের অভিমত, আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতির বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই বৈঠক মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমানো এবং দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে কাজ করবে। সূত্র: ফার্স নিউজ এজেন্সি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ