মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:১৬ পি.এম
বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী আনুশকা শর্মা কি তৃতীয়বার মা হওয়ার পথে রয়েছেন? সম্প্রতি, স্বামী বিরাট কোহলির সঙ্গে তার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর নতুন করে এ বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে, এই তারকা দম্পতির পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।
ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, মেরুন রঙের ঢিলেঢালা আনারকলি পোশাকে আনুশকা একটি বোট থেকে নামছেন। তার খোলা চুল এবং মুখে মেকআপের কোনো ছাপ নেই। সিঁড়ি বেয়ে ওঠার সময় বিরাটকে স্ত্রীকে আগলে রাখতে দেখা যায়, তার মুখে ছিল মাস্ক।
সম্প্রতি, বিরাট এবং আনুশকা আলিবাগ থেকে মুম্বাইয়ে ফিরছিলেন। ইন্ডিয়া গেটের কাছে জেটিঘাটে তাদের এই মুহূর্তটি ক্যামেরাবন্দি করেন ছবিশিকারিরা। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর নেটিজেনদের নজর পড়ে আনুশকার ঢিলেঢালা পোশাকের দিকে। কিছু ব্যবহারকারী তার শারীরিক গঠন দেখে তৃতীয়বার মা হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। আবার অন্যদের কৌতূহল, ভামিকা ও অকায়ের কি এবার বড় ভাই-বোন হওয়ার সময় আসছে?
তবে, শুধুমাত্র একটি ভিডিও বা পোশাক দেখে আনুশকার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করার সুযোগ নেই। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত তারকা দম্পতির পক্ষ থেকেও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে, সম্প্রতি মুম্বাইয়ে আধ্যাত্মিক আবহে সময় কাটাতে দেখা গেছে বিরাট এবং আনুশকাকে। রবিবার, মার্কিন সংগীতশিল্পী কৃষ্ণ দাসের লাইভ কীর্তনে অংশ নেন তারা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে তাদের হাততালি দিয়ে কীর্তন উপভোগ করতে এবং মৃদুস্বরে ভক্তিগীতির সঙ্গে কণ্ঠ মেলাতে দেখা যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুদানের পশ্চিমাঞ্চলীয় দারফুরের নিয়ালা শহরে ড্রোন হামলায় অন্তত ২১ জন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৪০ জন। সোমবার সন্ধ্যায় শহরের উত্তরাঞ্চলের একটি বাজারে হামলাটি সংঘটিত হয়।
মঙ্গলবার বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে চিকিৎসক ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। নিয়ালা হাসপাতালের একজন চিকিৎসক এএফপিকে জানান, ‘গত রাতের হামলায় ২১ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৪০ জনের বেশি।’
শহরের এক বাসিন্দা জানিয়েছেন, স্থানীয় সময় সোমবার রাত ৮টার দিকে বাজারটিতে হামলার ঘটনা ঘটে। বাজারটিতে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি সশস্ত্র ব্যক্তিদেরও যাতায়াত ছিল। বিশেষ করে আধাসামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) সদস্যরা সেখানে আসতেন।
বর্তমানে নিয়ালা আরএসএফের কার্যত নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। বাহিনীটি সেখানে নিজস্ব প্রশাসন প্রতিষ্ঠা করেছে, যা খার্তুমভিত্তিক আন্তর্জাতিক স্বীকৃত সরকার ও দেশটির সামরিক বাহিনীর কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করছে।
২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সুদানের সেনাবাহিনী ও আরএসএফের মধ্যে সংঘাত চলছে। এই যুদ্ধে দেশটিতে ব্যাপক প্রাণহানি ঘটেছে এবং বিশ্বের অন্যতম ভয়াবহ ক্ষুধা ও বাস্তুচ্যুতির সংকট সৃষ্টি হয়েছে।
আরএসএফের নিয়ন্ত্রণে থাকা নিয়ালা শহরে সুদানের সেনাবাহিনী নিয়মিত হামলা চালিয়ে আসছে। সর্বশেষ ড্রোন হামলাটি কারা চালিয়েছে, তা প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রকৃতিতে শীতের আগমনী বার্তা আসতে শুরু করেছে; রোদের তীব্রতা ধীরে ধীরে কমছে। এই ঋতু পরিবর্তনের সময়ে কৃষকেরা শীতকালীন শাকসবজি চাষাবাদের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে জমি প্রস্তুত থেকে শুরু করে শীতকালীন শাকসবজি চাষের কাজে কৃষকদের এই ব্যস্ততা স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং বাজারদর ভালো হলে আগাম সবজিতে লাভবান হওয়ার আশা করছেন তারা।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে দেখা যায়, কৃষকরা জমি প্রস্তুত, সার প্রয়োগ, আগাছা পরিষ্কার এবং চারা রোপণসহ ক্ষেতের পরিচর্যা করছেন। কেউ নিজে জমির পরিচর্যা করছেন, আবার কেউ শ্রমিক নিয়োগ করে আগাম সবজি উৎপাদনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, মাঠের অধিকাংশ জমিতে ধান চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে কিছু জমিতে শীতকালীন সবজি চাষ চলছে। সবজিক্ষেতে মূলা, পালংশাক, লালশাক, ডাটা, ফুলকপি, বাঁধাকপি, টমেটো, শিম, আলু, সরিষা, মরিচ, বেগুন, ধনিয়া, মিষ্টিকুমড়া ও গাঁজরসহ বিভিন্ন ধরনের শীতকালীন শাকসবজি রয়েছে।
মুমুরদিয়া ইউনিয়নের পিপুলিয়া এলাকার কৃষক রমজান জানান, তিনি ৪০ শতাংশ জমিতে মরিচের আবাদ করেছেন। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে তিনি ভালো ফলন পাবেন বলে আশা করছেন। তার মতো অনেক কৃষক এবার শীতকালীন সবজি চাষাবাদ করেছেন বলে তিনি জানান।
জালালপুর ইউনিয়নের পূর্ব ফেকামারা গ্রামের কৃষক হেকিমের ভাষ্য, আগাম সবজি বাজারে তুলতে পারলে ভালো দাম পাওয়া যায়। এতে উৎপাদন খরচ বাদ দিয়ে লাভের মুখ দেখার সম্ভাবনা থাকে। তবে আগাম সবজি চাষে বাড়তি খরচ ও রোগবালাইয়ের ঝুঁকি রয়েছে।
হেকিম জানান, সময়মতো জমি তৈরি, সার প্রয়োগ, সেচ এবং পোকামাকড় ও রোগবালাই দমনে বাড়তি অর্থ ব্যয় করতে হয়। ফলে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি কাঙ্খিত দাম না পেলে লোকসানের আশঙ্কাও থাকে।
কটিয়াদী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘উপজেলার কৃষকরা শীতকালীন আগাম সবজি চাষ শুরু করেছেন। মৌসুমের শুরুতে ভালো দাম পাওয়ার আশায় অনেক কৃষক আগেভাগে ফসল বাজারে তুলতে চান। এ ক্ষেত্রে সঠিক জাত নির্বাচন, জমি ও মাটির উপযোগী সার ব্যবস্থাপনা এবং সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা অনুসরণ করা জরুরি।
কৃষি কর্মকর্তা বলেন, ‘সঠিক পদ্ধতি অনুসরণে উৎপাদন খরচ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি রোগ-বালাইয়ের ঝুঁকিও কমানো সম্ভব। মাঠপর্যায়ে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা নিয়মিত কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় সংসদের হুইপ মো. আখতারুজ্জামান মিয়া এমপি বলেছেন, মাদক, চুরি ছিনতাই, আত্মহত্যা, বাল্যবিবাহসহ সামাজিক অবক্ষয় এবং মোবাইলের অপব্যবহার রোধের জন্য সামাজিকভাবে উদ্যোগ গ্রহণ করা আবশ্যক।
সমাজ সংস্কারের জন্য সমাজের দায়িত্বশীল ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, ঈমাম, পুরোহিতদের এগিয়ে আসতে হবে। সামাজিক অবস্থান বর্তমানে নড়বড়ে হয়ে গেছে।
সম্মিলিতভাবে এই সমস্যাগুলোর সমাধান করতে হবে। উল্লিখিত বক্তব্যগুলি তিনি গতকাল ২৭ অক্টোবর মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তুলে ধরেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেহা তুজ জোহরার সভাপতিত্বে, এসময় সহকারি কমিশনার (ভুমি) শাহানা আফরোজ, থানার অফিসার ইনচার্জ মাহমুদুন নবীসহ অন্যান্য কর্মকর্তাগণ, সাংবাদিক, প্রতিষ্ঠান প্রধান, বীর মুক্তিযোদ্ধা, ঈমাম, বিজিবি এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদক, কিশোর গ্যাং ও বাল্যবিবাহের মতো সামাজিক ব্যাধি প্রতিরোধে মাদারীপুরের কালকিনিতে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা, কিশোর গ্যাংয়ের অপসংস্কৃতি রোধ এবং বাল্যবিবাহ নির্মূলে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মির্জা মর্জিনা আক্তার। এতে সভাপতিত্ব করেন কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কিশোর কুমার দাস। এ সময় উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মিজ্ মর্জিনা আক্তার বলেন, তরুণ সমাজকে মাদকের করাল গ্রাস ও কিশোর গ্যাংয়ের অপসংস্কৃতি থেকে রক্ষা করতে হবে। একই সঙ্গে বাল্যবিবাহের মতো সামাজিক অভিশাপ নির্মূলে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে অভিভাবক ও শিক্ষকদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
এর আগে জেলা প্রশাসক কালকিনি উপজেলার বিভিন্ন দপ্তর আকস্মিক পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বিভিন্ন উন্নয়নমূলক ও জনকল্যাণমুখী কার্যক্রমে অংশ নেন। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় উৎসাহিত করতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়ন বাড়াতে শিক্ষার্থীদের হাতে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়।
সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষা ও পরিবেশবান্ধব কার্যক্রম জোরদারের মাধ্যমে একটি সুন্দর, নিরাপদ ও সচেতন সমাজ গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ