০৬:২২ পি.এম
ফ্রান্স এবারে বিশ্বকাপে নিঃসন্দেহে সবচেয়ে বড় ফেভারিটের তকমা গায়ে নিয়ে আমেরিকা যাচ্ছে। দেম্বেলে, এমবাপ্পে ও ওলিসে যেমন সম্মুখভাগের তারকা, তেমনি কান্তে, চুয়ামেনি ও রাবিওদের মতো মিডফিল্ডাররা দল নির্বাচনে দিদিয়ের দেশমের হাতে কোনো বিকল্পের অভাব ছিল না।
তরুণ এই দলের রয়েছে টানা দুইবার বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলার অভিজ্ঞতা! ২০১৮ সালের বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে সহজ জয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। তবে ২০২২ সালের বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে মহাকাব্যিক ফাইনালে হেরে রানার্সআপ হয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল ফ্রান্সকে। এবার সেই ক্ষত ভুলে তৃতীয় শিরোপা জয়ের লক্ষ্যেই মাঠে নামবে ফ্রান্স।
কোচ হিসেবে দিদিয়ের দেশমের নেতৃত্বে আছেন অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে।
আরও পড়ুন: সড়ক-ফুটপাতে হকার বসলেই মামলা ও মালামাল ক্রোক: ডিএসসিসি প্রশাসক
বিশ্বকাপের ইতিহাস অনুযায়ী ফ্রান্সের সেরা সাফল্য হলো ১৯৯৮ ও ২০১৮ সালে বিশ্বকাপ জয়। সর্বশেষ তারা ২০২২ সালে রানার্সআপ হয়। ফ্রান্সের প্রথম বিশ্বকাপ অংশগ্রহণ ছিল ১৯৩০ সালে, এবং তারা এখন পর্যন্ত ১৭ বার বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করেছে। বর্তমান ফিফা র্যাংকিংয়ে তারা ৩ নম্বরে রয়েছে।
স্কোয়াডের গোলরক্ষকরা হলেন মাইক মেনিওঁ, রবিন রিসার, ব্রাইস সাম্বা।
ডিফেন্ডারদের মধ্যে রয়েছে লুকাস দিনিয়ে, মালো গুস্টো, লুকাস এর্নান্দেস, থিয়ো এর্নান্দেস, ইব্রাহিমা কোনাতে, ম্যাক্সেন্স লাক্রো, জুলস কুন্দে, উইলিয়াম সালিবা এবং দায়োত উপমেকানো।
মিডফিল্ডারদের মধ্যে আছেন এনগোলো কান্তে, মানু কোনে, আদ্রিয়েন রাবিও, অহেলিয়ান চুয়ামেনি এবং ওয়ারেন জাইর-এমেরি।
আরও পড়ুন: রিজভী: গোলাম পরওয়ার মিথ্যাচার ও অপপ্রচার করছেন
ফরওয়ার্ডদের মধ্যে রয়েছে ম্যাগনেস আক্লিওশ, ব্র্যাডলি বারকোলা, রায়ান চেরকি, উসমান দেম্বেলে, দেজিরে দুয়ে, মাইকেল ওলিসে, কিলিয়ান এমবাপ্পে, জঁ ফিলিপ মাতেতা এবং মার্কাস থুরাম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন