ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জাপান বাংলাদেশকে ৩৮০০ কোটি টাকা ঋণ সহায়তা দিতে প্রস্তুত


জাপান বাংলাদেশকে ৩৮০০ কোটি টাকা ঋণ সহায়তা দিতে প্রস্তুত

বাংলাদেশ সরকার এবং জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) এর মধ্যে একটি ঋণচুক্তি সই হয়েছে, যা দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার সক্ষমতা জোরদারে সহায়ক হবে। এই ঋণচুক্তির অধীনে ৫০ বিলিয়ন জাপানি ইয়েনের ঋণ সহায়তা প্রদান করা হবে।

‘ইমার্জেন্সি সাপোর্ট লোন ফর এনহ্যান্সিং ইকোনমিক রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড স্টেবল এনার্জি সাপ্লাই’ শিরোনামের অধীনে জাইকা বাংলাদেশকে ৫০ বিলিয়ন জাপানি ইয়েন বা প্রায় ৩ হাজার ৮০০ কোটি টাকার ঋণ দেবে। এই সহায়তা দেশের চলমান অর্থনৈতিক সংস্কার কার্যক্রম এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে।

এর আগে, জাপান সরকারের ‘পার্টনারশিপ অন ওয়াইড এনার্জি অ্যান্ড রিসোর্সেস রেজিলিয়েন্স এশিয়া (POWERR Asia)’ উদ্যোগের আওতায় এটি প্রথম সরকারি উন্নয়ন সহায়তা (ওডিএ) ঋণ হিসেবে কার্যকর হচ্ছে। এ উদ্যোগের লক্ষ্য হলো এশিয়ার দেশগুলোতে জ্বালানি সরবরাহ সংক্রান্ত ঝুঁকি এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থার অনিশ্চয়তা মোকাবিলা করা।

আরও পড়ুন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিনের সঙ্গে উইনরক ইন্টারন্যাশনালের প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ

ঋণচুক্তিতে সই করেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহ্‌রিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং জাইকা বাংলাদেশ অফিসের চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ তাকাহাশি জুনকো। একই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ও জাপান সরকারের পক্ষে নোট বিনিময় (এক্সচেঞ্জ অব নোটস) চুক্তিতে সই করেন মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি।

এই কর্মসূচির মূল ভিত্তি দুটি প্রধান বিষয়ের ওপর কাজ করবে। প্রথমত, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং দ্বিতীয়ত, অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা ও সুশাসন শক্তিশালী করা। এ কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন নীতিগত পদক্ষেপের মাধ্যমে স্থিতিশীল বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উৎসের বহুমুখীকরণ এবং জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সহায়তা দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলোর টেকসই পরিচালনা, বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থার উন্নত পরিকল্পনা এবং জ্বালানি সাশ্রয় কার্যক্রমের উন্নয়ন করতে হবে। পাশাপাশি, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) সহ-অর্থায়নে অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা ও সুশাসন সংক্রান্ত সংস্কার কার্যক্রমেও সহায়তা প্রদান করা হবে।

এই উদ্যোগের ফলে দেশটির সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, জ্বালানি খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কাঠামোকে শক্তিশালীকরণে সহায়তা পাওয়া যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলাদেশ বর্তমানে টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনা করছে, সেক্ষেত্রে এমন একটি সময়ে এই সহায়তা পাওয়া গেল।

জাপানের সাথে এই চুক্তি সইয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও জাপানের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন অংশীদারিত্ব আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। পাশাপাশি বাংলাদেশের টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্য পেতে জাইকার অব্যাহত সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত হলো।

আরও পড়ুন: হাসপাতালে সাংবাদিক এনাম সরকারের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিলেন রিজভী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় পরিবেশ পদকে ভূষিত ঢাবির উপ-উপাচার্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:২৭ পি.এম


জাতীয় পরিবেশ পদকে ভূষিত ঢাবির উপ-উপাচার্য

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম ‘জাতীয় পরিবেশ পদক ২০২৫’ অর্জন করেছেন।

পরিবেশবিষয়ক গবেষণা এবং প্রযুক্তি উদ্ভাবনে অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এ পদকে ভূষিত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে গত ৭ জুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।

এ সম্মানজনক পদক অর্জন করায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালামকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

এক অভিনন্দন বার্তায় তিনি বলেন, ‘অধ্যাপক ড. আবদুস সালামের এ অর্জনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার গর্বিত।’

উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) এবং রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম পরিবেশ, বায়ুদূষণ ও প্রযুক্তি বিষয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

তার অসংখ্য গবেষণা প্রবন্ধ দেশ-বিদেশের খ্যাতিমান জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাইবার সিকিউরিটি স্ট্র্যাটেজি প্রণয়ন করছে সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৩০ পি.এম


সাইবার সিকিউরিটি স্ট্র্যাটেজি প্রণয়ন করছে সরকার

দেশের সাইবার নিরাপত্তা কাঠামোকে আরো শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সরকার ‘সাইবার সিকিউরিটি স্ট্র্যাটেজি (২০২৬-২০৩০)’ প্রণয়নের কাজ করছে বলেই জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।

তিনি আজ সংসদে গাজীপুর-৫ আসনের সরকারি দলের সংসদ সদস্য এ কে এম ফজলুল হক মিলনের একটি তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানিয়েছেন।

মন্ত্রী জানান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীন জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা দেশের সাইবার নিরাপত্তা আরো জোরদারের লক্ষ্যে ‘সাইবার সিকিউরিটি স্ট্র্যাটেজি (২০২৬-২০৩০)’ প্রণয়নের কাজ করছে। এর প্রাথমিক খসড়া ইতোমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে।

একটি অন্য তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ আল আমিনকে তিনি জানান, জনগণের জন্য ইন্টারনেট ও মোবাইল সেবা যথেষ্ট সাশ্রয়ী করার লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ এবং বাস্তবায়ন করছে।

তিনি বলেন, ইন্টারনেট এবং মোবাইল ব্যবহারের খরচ সহনীয় পর্যায়ে আনতে সরকার ‘ওয়ান কান্ট্রি, ওয়ান রেট’ নীতি বাস্তবায়িত করেছে। এর ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) সমস্ত ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান (আইএসপি) এবং আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট গেটওয়ে (আইআইজি)-কে নির্দেশনা দিয়েছে যাতে ইন্টারনেটের মূল্য কমিয়ে প্রান্তিক জনগণের নাগালের মধ্যে আনা যায়।

মন্ত্রী আরো জানান, ২০২৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি বিটিআরসি ফিক্সড ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের নতুন ট্যারিফ নির্ধারণ করবে। এর আওতায় ৫ এমবিপিএস সংযোগের মাসিক মূল্য ৪০০ টাকা, ১০ এমবিপিএসের জন্য ৫০০ টাকা, ২০ এমবিপিএসের জন্য ৮০০ টাকা এবং ৪০ এমবিপিএস সংযোগের জন্য ১ হাজার ২০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

নওগাঁ-৫ আসনের সরকারি দলের অপর সদস্য জাহিদুল ইসলাম ধলুর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী দাবি করেন, দেশের সব এলাকায় ইতোমধ্যে ফোর-জি (৪জি) প্রযুক্তি চালু করা হয়েছে এবং বাণিজ্যিকভাবে ফাইভ-জি (৫জি) সেবা সম্প্রসারণে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি জানান, বর্তমানে ঢাকার বিমানবন্দর, রেলস্টেশন, গুরুত্বপূর্ণ আবাসিক এলাকা ও বাণিজ্যিক কেন্দ্রসহ প্রায় ৪০টি স্থানে সীমিত পরিসরে ৫জি সেবা চালু রয়েছে।

রাজধানীর বাইরে চট্টগ্রাম, রাজশাহী, রংপুর, বরিশাল, খুলনা ও সিলেট বিভাগীয় শহরসহ কক্সবাজারের ৪০০টিরও বেশি স্থানে সীমিত আকারে ৫জি সেবা চালু করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার ‘সবার জন্য দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট’ বাস্তবায়নের অগ্রগতি তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি পিএলসি (বিএসসিপিএলসি) বর্তমানে কক্সবাজার ও কুয়াকাটার ল্যান্ডিং স্টেশনের মাধ্যমে দু’টি সাবমেরিন কেবল ব্যবস্থাÑসী-মি-উই-৪ এবং সী-মি-উই-৫ পরিচালনা করছে।

এই দু’টি ব্যবস্থার সম্মিলিত ব্যান্ডউইথ সক্ষমতা ৭ হাজার ২২০ জিবিপিএস।

বর্তমানে প্রায় ৪ হাজার ১০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ সারা দেশে সরবরাহ করা হচ্ছে এবং নেটওয়ার্কের নির্ভরযোগ্যতা ৯৯ দশমিক ৯৯৯ শতাংশ বজায় রাখা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

মন্ত্রী আরো বলেন, চলমান সী-মি-উই-৬ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে ৫জি সেবার ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণ এবং গ্রামীণ এলাকায় ব্রডব্যান্ড সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সক্ষম হবে।

তিনি জানিয়েছেন, ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ প্রকল্পটি চালু হলে অতিরিক্ত ৩০ হাজার জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ যুক্ত হবে।

ফলে দেশের মোট আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইথ সক্ষমতা প্রায় ৩৮ হাজার জিবিপিএসে উন্নীত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নওগাঁ সদর মডেল থানা দ্বি-বার্ষিক পরিদর্শন করেন অ্যাডিশনাল ডিআইজি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ মাহবুব আলম শাওন নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৩১ পি.এম


নওগাঁ সদর মডেল থানা দ্বি-বার্ষিক পরিদর্শন করেন অ্যাডিশনাল ডিআইজি

 

অদ্য ৯ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে খন্দকার মোঃ শামীম হোসেন, অ্যাডিশনাল ডিআইজি (ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট), অতিরিক্ত দায়িত্বে অ্যাডিশনাল ডিআইজি (প্রশাসন ও অর্থ) ও অ্যাডিশনাল ডিআইজি (অপারেশনস), নওগাঁ সদর মডেল থানার দ্বি-বার্ষিক পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে তিনি থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধ দমন কার্যক্রম, মামলার তদন্তের অগ্রগতি, ওয়ারেন্ট ও জিআর পরোয়ানা তামিলের অবস্থা, মাদক,৫ চোরাচালান ও অন্যান্য অপরাধ প্রতিরোধে গৃহীত পদক্ষেপসমূহ পর্যালোচনা করেন। এছাড়াও থানার বিভিন্ন রেজিস্টার, মালখানা, অস্ত্রাগার, হাজতখানা, ডিউটি অফিস, সিসিটিভি মনিটরিং ব্যবস্থা এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক নথিপত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন।

তিনি থানার কর্মকর্তা ও সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন এবং জনগণকে আরও উন্নত, মানবিক ও পেশাদার পুলিশি সেবা প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। বিশেষ করে সেবাপ্রার্থীদের প্রতি আন্তরিক আচরণ, মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত, বিট পুলিশিং কার্যক্রম জোরদারকরণ, নারী, শিশু ও বয়স্কদের প্রতি সংবেদনশীল সেবা নিশ্চিতকরণ এবং তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর পুলিশিং কার্যক্রম আরও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

পরিদর্শন শেষে তিনি থানার সার্বিক কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জনসেবার মান আরও উন্নত করার লক্ষ্যে সকল কর্মকর্তা ও সদস্যকে নিষ্ঠা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

এ সময় নওগাঁ জেলার ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাবৃন্দ, নওগাঁ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জসহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্টার্টআপ বাংলাদেশের ১০৯ কোটি টাকার বিনিয়োগে ৩৬ প্রযুক্তি স্টার্টআপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৩৫ পি.এম


স্টার্টআপ বাংলাদেশের ১০৯ কোটি টাকার বিনিয়োগে ৩৬ প্রযুক্তি স্টার্টআপ

সরকারের ফ্ল্যাগশিপ উদ্যোগ ‘স্টার্টআপ বাংলাদেশ’-এর মাধ্যমে এই পর্যন্ত অনুমোদিত ৩৬টি প্রযুক্তিনির্ভর স্টার্টআপে প্রায় ১০৯ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে, জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।

আজ জাতীয় সংসদে নরসিংদী-৫ আসনের সরকারি দলের সদস্য মো. আশরাফ উদ্দিনের তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য দেন।

মন্ত্রী বলেন, স্টার্টআপ খাতে নতুন অর্থায়নের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে বর্তমানে ‘স্টার্টআপ বাংলাদেশ’ একটি সমন্বিত তহবিল কাঠামোর আওতায় কার্যক্রম পরিচালনা করছে, যার মধ্যে রয়েছে প্রস্তাবিত ৪০০ কোটি টাকার ‘ফান্ড অব ফান্ডস’ এবং ৩০০ কোটি টাকার ‘কো-ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড’ও।

তিনি জানান, স্টার্টআপ অর্থায়ন সম্প্রসারণ এবং বেসরকারি ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে সরকার পর্যায়ক্রমে মোট তহবিলের আকার এক হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম জানান, প্রাথমিকভাবে স্টার্টআপ বাংলাদেশের বিনিয়োগের জন্য ৫৫টি স্টার্টআপ অনুমোদন পেয়েছিল। তবে যথাযথ যাচাই-বাছাই (ডিউ ডিলিজেন্স) ও বিনিয়োগের শর্তাবলির বিষয়ে মতপার্থক্যের কারণে পরবর্তী সময়ে ১৯টি স্টার্টআপ বাদ পড়ে যায়।

চূড়ান্তভাবে অনুমোদিত ৩৬টি স্টার্টআপের মধ্যে রাইড-শেয়ারিং, এডটেক, ফিনটেক, লজিস্টিকস, হেলথটেক এবং ই-কমার্স খাতের বিভিন্ন প্রযুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করা হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পাঠাও লিমিটেড, চালডাল লিমিটেড, ১০ মিনিট স্কুল, সহজ, শিখো, মেডইজি এবং আরও কিছু উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এসব বিনিয়োগ দেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। এর ফলে সাত হাজারের অধিক প্রত্যক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে এবং পোর্টফোলিওভুক্ত কোম্পানিগুলোর গড় রাজস্ব প্রবৃদ্ধি প্রায় পাঁচ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া এসব স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান ১৮০ কোটি টাকারও বেশি কর পরিশোধ করেছে, যা স্টার্টআপ বাংলাদেশের মোট বিনিয়োগের প্রায় ১ দশমিক ৭ গুণ।

মন্ত্রী জানান, পোর্টফোলিওভুক্ত কোম্পানিগুলো বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে কার্যক্রম সম্প্রসারণ করছে, নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ করছে এবং টেকসই ব্যবসায়িক মডেল গড়ে তুলছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী মোট বিনিয়োগের প্রায় ৮০ শতাংশ ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।

তবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এ বিষয়টি স্পষ্ট করেছে যে, স্টার্টআপ বাংলাদেশ সরাসরি ঋণ প্রদান করে না। প্রতিষ্ঠানটির মূল কার্যক্রম সম্ভাবনাময় স্টার্টআপে ইক্যুইটি ও ইক্যুইটি-সংযুক্ত বিনিয়োগের মধ্যে সীমাবদ্ধ বলে জানানো হয়েছে।

দেশের প্রাথমিক পর্যায়ের উদ্ভাবনী উদ্যোগগুলোর অর্থায়ন ঘাটতি দূর করতে সরকার বিশেষায়িত অর্থায়ন ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করছে বলেও জানান মন্ত্রী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%