ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক তৃতীয় দেশের ওপর নির্ভরশীল নয়: ভারতীয় হাইকমিশনার


ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক তৃতীয় দেশের ওপর নির্ভরশীল নয়: ভারতীয় হাইকমিশনার

ঢাকা, ৩ অক্টোবর, ২০২৬ : ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী মন্তব্য করেছেন যে, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক অন্য কোনো দেশের সঙ্গে ঢাকার সম্পর্কের ওপর নির্ভরশীল নয়।

তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ এবং নিজস্ব জাতীয় স্বার্থ বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার রাখে। একইভাবে প্রতিবেশী দেশগুলোরও একে অপরের সার্বভৌমত্ব ও অভ্যন্তরীণ নীতির প্রতি সম্মান দেখানো উচিত।

ঢাকায় চলমান ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন’-এর একটি আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘ভারতের দিক থেকে আমরা মনে করি, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক বাংলাদেশের অন্য দেশগুলোর সঙ্গে কী ধরনের সম্পর্ক রয়েছে তার ওপর নির্ভর করে না।

আরও পড়ুন: পিএসসির দুই সদস্যের পদত্যাগ, সদস্য সংখ্যা ২০ থেকে ১৮

’

‘পাওয়ার অ্যান্ড প্রুডেন্স : ম্যানেজিং গ্রেট-পাওয়ার কম্পিটিশন উইদাউট কনফ্লিক্ট’ শীর্ষক অধিবেশনে তিনি বলেন, বাংলাদেশ তার নিরাপত্তাগত স্বার্থ সম্পর্কে অবগত এবং নিজস্ব সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার রাখে।

ত্রিবেদী বলেন, ‘বাংলাদেশ সম্পূর্ণ স্বাধীন একটি দেশ এবং জনগণ গণতান্ত্রিকভাবে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করেছে। তাই বাংলাদেশ যে সিদ্ধান্তই নিক, সেটি বাংলাদেশ সরকারের সিদ্ধান্ত।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘বাংলাদেশের কী করা উচিত, তা কাউকে বলে দেওয়ার প্রয়োজন নেই।’ একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, উভয় দেশেরই নিজ নিজ জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষার অধিকার রয়েছে।

আরও পড়ুন: নারায়ণগঞ্জে মেয়েসহ ছিনতাইয়ের কবলে সিনিয়র সাংবাদিক আরিফ আলম দিপু

তিনি বলেন, দুর্যোগ বা নিরাপত্তাগত চ্যালেঞ্জের সময় প্রতিবেশীদের একে অপরকে সহযোগিতা করা উচিত। তবে এর পাশাপাশি একে অপরের সার্বভৌমত্ব ও অভ্যন্তরীণ নীতির প্রতি সম্মান দেখাতে হবে।

ত্রিবেদী বলেন, ‘একই সময়ে কোনো প্রতিবেশীরই একে অপরের নীতিতে হস্তক্ষেপ করার কোনো কারণ নেই।’

দ্বিপক্ষীয় অমীমাংসিত বিষয়গুলোর সমাধানে অব্যাহত সংলাপের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি পানি, বাণিজ্য, সংস্কৃতি, খেলাধুলা, যোগাযোগ ও পরিবহনসহ বিভিন্ন বিষয়ে উপযুক্ত ফোরামের মাধ্যমে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ‘বিষয়গুলো লুকিয়ে রাখার কোনো অর্থ নেই এবং বিষয়গুলো নিয়ে কথা না বলারও কোনো অর্থ নেই।’

আরও পড়ুন: অমর একুশে বইমেলা ৭ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে

হাইকমিশনার বলেন, দ্বিপক্ষীয় সংলাপ অব্যাহত রাখতে হবে। আলোচনার অগ্রগতি ধীর হতে পারে, তবে প্রক্রিয়া থেমে যায়নি।

তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদের নিশ্চয়তা দিতে পারি, প্রক্রিয়া থেমে নেই। প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।’

ত্রিবেদী বলেন, ‘বিশ্বাস করুন, এর একটি সমাধান হতে হবে এবং একটি সমাধান হবেই।’

প্রতিবেশী দুই গণতান্ত্রিক দেশের মধ্যে মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব মতপার্থক্য নিরসনের প্রচেষ্টার ভিত্তি হতে হবে পারস্পরিক আস্থা।

আরও পড়ুন: ক্ষমতার জন্য বিএনপির সঙ্গে থাকলেও জামায়াতের মনে আ. লীগের প্রভাব: রিজভী

তিনি বলেন, ‘বিষয়গুলোর সমাধান কেবল সংলাপ ও পরামর্শের মাধ্যমেই হতে পারে। আর সেই সংলাপের ভিত্তি হলো আস্থা।’

ত্রিবেদী বলেন, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক শুধু লেনদেনভিত্তিক নয়; এর ভিত্তি গভীর সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক বন্ধন।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমরা শুধু লেনদেনভিত্তিক সম্পর্কের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাই না, এর পরিধি অনেক বিস্তৃত এবং এর মধ্যে সাংস্কৃতিক সম্পর্কও রয়েছে। এই সাংস্কৃতিক বন্ধনটি অত্যন্ত, অত্যন্ত দৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত।’

পশ্চিমবঙ্গ থেকে আসার কথা উল্লেখ করে ত্রিবেদী দুই দেশের সম্পর্কের সাংস্কৃতিক ভিত্তির উদাহরণ হিসেবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অভিন্ন ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরেন।

আরও পড়ুন: গাইবান্ধায় চেয়ারম্যান পদে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ৫৬ জন

তিনি বলেন, দুই দেশের জনগণের মধ্যে শক্তিশালী যোগাযোগ ও সম্পর্ক ভবিষ্যতেও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।

তিনি বলেন, ‘এটি টিকে থাকবে-- এ বিষয়ে আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে।’

আলোচনায় বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজের সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) এএনএম মুনিরুজ্জামান, সাবেক ভারতীয় সেনা কমান্ডার অরুণ কুমার সাহনি, জর্জটাউন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ক্যারল ক্রিস্টিন ফেয়ার এবং ইস্তাম্বুল মেট্রোপলিটন মিউনিসিপ্যালিটির পররাষ্ট্র সম্পর্কবিষয়ক উপদেষ্টা মুস্তাফা ওসমান তুরান অংশ নেন।

বসনিয়া ও হার্জেগোভিনাভিত্তিক ‘সিএনএসএলটিজি-বিএসএনএসএস-ডিভিএলপিএমএনটি’-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারিস হাদ্রোভিচ অধিবেশনটি সঞ্চালনা করেন।

আরও পড়ুন: সাইবার সুরক্ষা আইন সরকারের জন্য আত্মঘাতী হবে: ড. ইফতেখারুজ্জামান

বাংলাদেশে তুরস্কের সাবেক রাষ্ট্রদূত তুরান বলেন, কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের অর্থ শুধু মাঝামাঝি অবস্থানে বসে থাকা নয়।

অধিবেশনটিতে ক্রমবর্ধমান ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা কীভাবে সামাল দেওয়া যায় এবং উত্তেজনা বাড়ার ঝুঁকি কীভাবে কমানো যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিঙ্গাপুরে সরকারি কর্মীদের জন্য ‘ফার্স্ট ডেট’ ডেটিং অ্যাপ চালু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৪২ পি.এম


সিঙ্গাপুরে সরকারি কর্মীদের জন্য ‘ফার্স্ট ডেট’ ডেটিং অ্যাপ চালু

সিঙ্গাপুর সরকার রেকর্ড পরিমাণ কম জন্মহারের ফলে জনসংখ্যা সংকটের মোকাবিলায় সরকারি কর্মীদের জন্য একটি ডেটিং অ্যাপ চালু করেছে।

এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে পরিচয় ও সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং তাদের সন্তান জন্মদানে উৎসাহিত করা।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, চলতি মাসে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হওয়া ‘ফার্স্ট ডেট’ নামের অ্যাপটি বর্তমানে শুধুমাত্র সিঙ্গাপুরের সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য উন্মুক্ত। ২১ থেকে ৩৫ বছর বয়সি সরকারি কর্মীরা এতে নিবন্ধন করার সুযোগ পাবেন।

অ্যাপটিতে ব্যবহারকারীদের পছন্দ, মূল্যবোধ ও ব্যক্তিগত অগ্রাধিকার সম্পর্কে বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। এরপর একটি নোবেলজয়ী অ্যালগরিদম সেই তথ্য বিশ্লেষণ করে একবারে একটি সম্ভাব্য জুটি বা ম্যাচ তৈরি করবে।

এতে প্রচলিত ডেটিং অ্যাপের মতো একের পর এক প্রোফাইল সোয়াইপ করার সুযোগ নেই। বরং ‘সোয়াইপ ফ্যাটিগ’ এড়ানোর পাশাপাশি অর্থপূর্ণ সম্পর্ক তৈরিতে সহায়তা করাই অ্যাপটির মূল লক্ষ্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

অ্যাপটির ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে, জুটি তৈরিতে ‘গেইল-শ্যাপলে স্টেবল ম্যারিজ’ অ্যালগরিদম ব্যবহৃত হচ্ছে। কোনো জুটি ম্যাচ হওয়ার পর তাদের সাক্ষাৎ বা ডেট করার জন্য তিন দিন সময় দেওয়া হয়। সম্পর্কের শুরুতে অস্বস্তি কাটাতে ‘ডেট কোয়েস্ট’ নামে বিভিন্ন কার্যক্রমের ধারণাও অ্যাপটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

সিঙ্গাপুরের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২৯ বছর বয়সি কর্মী এলিজাবেথ জানিয়েছেন, অন্য ডেটিং অ্যাপগুলোর তুলনায় এখানে সাক্ষাতের অভিজ্ঞতা খুব একটা আলাদা নয়। তবে প্রতারিত হওয়ার আশঙ্কা কম থাকায় তিনি স্বস্তি বোধ করছেন। কারণ, অ্যাপটির ব্যবহারকারীরা সবাই সরকারি চাকরিজীবী এবং জীবনসঙ্গী খুঁজছেন।

সিঙ্গাপুরে জনসংখ্যা সংকট মোকাবিলায় সরকারি উদ্যোগে ঘটকালির এটি প্রথম প্রচেষ্টা নয়। এর আগে ১৯৮৪ সালে বিশ্ববিদ্যালয় স্নাতকদের মধ্যে জুটি গঠনে উৎসাহ দিতে ‘সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ইউনিট’ নামে একটি ম্যাচমেকিং এজেন্সি চালু করেছিল দেশটির সরকার।

তবে কয়েক দশক পরও দেশটির জন্মহার কমার প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। ২০২৫ সালে সিঙ্গাপুরে ৩০ হাজারের কম শিশু জন্ম নিয়েছে, যা গত ৬০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। ওই বছরে নারীপ্রতি মোট জন্মহার বা টিএফআর কমে দাঁড়িয়েছে শূন্য দশমিক ৮৭-তে। জনসংখ্যা স্থিতিশীল রাখতে সাধারণত যে ২ দশমিক ১ টিএফআর প্রয়োজন, বর্তমান হার তার তুলনায় অনেক কম।

অন্যদিকে, দেশটিতে মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়ছে। ২০২৫ সালে প্রায় ২৬ হাজার ৫০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ফলে কম জন্মহার ও বাড়তে থাকা মৃত্যুহারের সমন্বয়ে জনসংখ্যাগত চাপ আরও তীব্র হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সম্পর্ক ও পরিবার গঠনে উৎসাহ দিতে সরকারি পর্যায়ে নতুন উদ্যোগ হিসেবে ডেটিং অ্যাপটি চালু করেছে সিঙ্গাপুর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বঙ্গোপসাগরকে বাহ্যিক সামরিক হস্তক্ষেপমুক্ত রাখ‌তে চায় বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৩ পি.এম


বঙ্গোপসাগরকে বাহ্যিক সামরিক হস্তক্ষেপমুক্ত রাখ‌তে চায় বাংলাদেশ

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজের সভাপতি, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল আ ন ম মুনীরুজ্জামান উল্লেখ করেছেন যে, বঙ্গোপসাগরকে বাহ্যিক সামরিক হস্তক্ষেপমুক্ত একটি নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে রাখতে চায় বাংলাদেশ।

শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীতে অনুষ্ঠিত পঞ্চম বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনের একটি সেশনে প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন।

মুনীরুজ্জামানের কাছে প্রশ্ন রাখা হয়, চীন ও ভারতের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে এবং ভারসাম্য বজায় রাখতে বাংলাদেশ কী ভূমিকা পালন করতে পারে। তিনি জবাবে বলেন, দক্ষিণ এশিয়া এবং আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতিতে বাংলাদেশ বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ পক্ষ হয়ে উঠেছে। ভারত ও চীন উভয়কেই বাংলাদেশ অনেক কিছু দিতে পারে।

সামুদ্রিক স্থিতিশীলতার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বঙ্গোপসাগর বাংলাদেশের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার। এই সাগর কেবল এই অঞ্চলের জন্য নয়, বরং ভারত মহাসাগরের জন্যও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ভারত মহাসাগর ও ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলগত পরিকল্পনায় এই বিশাল উপসাগরের ভৌগোলিক অবস্থান অত্যন্ত সংবেদনশীল। বাংলাদেশ এখানে সামুদ্রিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে পারে, যা ভারত ও চীন উভয়ের জন্য অপরিহার্য। "আমরা বঙ্গোপসাগরকে যে কোনো বাহ্যিক সামরিক হস্তক্ষেপমুক্ত একটি নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে রাখতে চাই।"

আঞ্চলিক সংযোগের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে উদাহরণ দিয়ে মুনীরুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশ দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে একটি সংযোগকারী সেতু হিসেবে কাজ করে। দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের ভূ-কৌশলগত স্বার্থ রয়েছে। যদি বাংলাদেশ চীনের ইউনান প্রদেশ থেকে দক্ষিণ এশিয়া পর্যন্ত একটি স্থলপথ বা করিডোর তৈরি করে, তবে আঞ্চলিক বাণিজ্য ও সংযোগের মাধ্যমে ভারত ও চীন উভয় ব্যাপকভাবে উপকৃত হবে।

তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে একটি। এই সংকট এবং এর ফলে সৃষ্ট নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় বাংলাদেশ বর্তমানে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে বাংলাদেশের ভূমিকা ভারত ও চীন উভয়ের জন্য উপকারী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাতক্ষীরায় আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস ২০২৬ পালিত, আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৩ পি.এম


সাতক্ষীরায় আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস ২০২৬ পালিত, আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

সাতক্ষীরা, ৩ অক্টোবর, ২০২৬ : আজ আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে ‘দীর্ঘ জীবনের জন্য নতুন ভাবনা’ শীর্ষক প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে র‌্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।

সকাল বেলা সাতক্ষীরা স্টেডিয়াম সংলগ্ন জেলা প্রবীণ কল্যাণ সংস্থার নিজস্ব কার্যালয়ে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ।

সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. সুশান্ত কুমার ঘোষ এবং নির্বাহী সদস্য শহীদুর রহমান সঞ্চালনা করেন। সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক রোকনুজ্জামান, অধ্যাপক আব্দুল হামিদ, ফজলুর রহমান, প্রকৌশলী আবিদুর রহমান, রোকেয়া রহমান, কাজী আবু হেলাল প্রমুখ।

জেলা প্রশাসক মন্তব্য করেন, প্রবীণদের সুচিন্তিত মতামত ও দিকনির্দেশনা নতুন প্রজন্মকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে পারে এবং সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি উল্লেখ করেন, দেশে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় বর্তমানে বয়স্ক ভাতার কভারেজ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। পাশাপাশি, মানুষের জীবনযাত্রার মান ও চিকিৎসা সেবার উন্নতির ফলে গড় আয়ু বেড়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএনপির কমিটি ভেঙে দেওয়ায় ওসি নোমান হোসেনের আবেগঘন পোস্ট, সমালোচনার ঝড়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৪ পি.এম


বিএনপির কমিটি ভেঙে দেওয়ায় ওসি নোমান হোসেনের আবেগঘন পোস্ট, সমালোচনার ঝড়

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ তারিখে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির ৫১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত করা হয়। এই কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক এবং সদস্য সচিব ছিলেন মো. মোস্তফা জামান।

একটি চিঠির মাধ্যমে, যা বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক মুহম্মদ মুনির হোসেনের স্বাক্ষরিত, কমিটি বিলুপ্তির বিষয়টি জানানো হয়।

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির কমিটি ভেঙে দেওয়ার পর দুই দিন পর, বিলুপ্ত কমিটির একজন শীর্ষ নেতা, যিনি ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে পুনরায় দেখতে চেয়েছিলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেন রূপনগর থানার ওসি নোমান হোসেন।

ওসি নোমান তার পোস্টে উল্লেখ করেন, ‘যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক স্যার একজন সৎ, নীতিবান, আদর্শবান ও পরোপকারী মানুষ। আমরা ঢাকা মহানগর উত্তরের সব জনগণ আবার ঢাকা মহানগর উত্তরের বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে আমিনুল হক স্যারকে দেখতে চাই। ঢাকা মহানগর উত্তরের সব জনগণের চাওয়া একটাই- আমিনুল হক স্যারের বিকল্প নেই। যিনি সরকারি দায়িত্ব শেষ করে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের জন্য ভোররাত পাঁচটা/ছয়টা পর্যন্ত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সব জনগণ আবার আমিনুল হক স্যারকে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সভাপতি হিসেবে দেখতে চায়। সব ভোলাবাসীর ভালোবাসা, দোয়া, সবসময় কাম্য। ভালোবাসি ভোলা জেলার সব মানুষকে।’

ওসির এই পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং তা ভাইরাল হয়ে যায়। অনেকেই এ নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা-সমালোচনা শুরু করেন। একজন সরকারি কর্মচারী হিসেবে একটি রাজনৈতিক দলের কমিটি নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার কারণে অনেকে ওসির শাস্তির দাবি করেন। আবার কিছু মন্তব্যে ওসিকে দালাল হিসেবে আখ্যায়িত করে পুলিশের ঊর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। অনেকে আবার ওসিকে নতুন কমিটি না দেওয়া পর্যন্ত মনোবল চাঙা রাখার পরামর্শ দেন।

রূপনগর থানার ওসি নোমান হোসেনকে এই বিষয়ে কয়েক দফা ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার জানান, রূপনগর থানার ওসির স্ট্যাটাসটি তিনি দেখেছেন। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং এটি তদন্ত করা হচ্ছে। যদি তিনি দোষী সাব্যস্ত হন, তবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে, এ ঘটনার উপর গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হতে পারে এমনটি জানার পর শনিবার বিকালে ওসি নোমান তার ফেসবুক পোস্টটি ডিলিট করেন। তবে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংবাদকর্মীদের কাছে এ ঘটনার তথ্য-প্রমাণ রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%