ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

প্রাথমিক শনাক্ত হলে স্তন ক্যানসার পুরোপুরি নিরাময় সম্ভব : সমাজকল্যাণমন্ত্রী


প্রাথমিক শনাক্ত হলে স্তন ক্যানসার পুরোপুরি নিরাময় সম্ভব : সমাজকল্যাণমন্ত্রী

বর্তমানে স্তন ক্যানসার একটি রোগ যা প্রায় সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য। যদি প্রাথমিক পর্যায়ে রোগটি শনাক্ত করা যায়, তবে সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। অতীতে বলা হতো, ‘ক্যানসার মানেই কোনো উত্তর নেই’। তবে এখন পরিস্থিতি পরিবর্তিত হয়েছে। বিশ্বব্যাপী স্তন ক্যানসারের চিকিৎসা এত উন্নত হয়েছে যে, রোগটি থেকে সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়া সম্ভব হচ্ছে। এজন্য সচেতনতা এবং চিকিৎসা গ্রহণের মানসিকতা অত্যন্ত জরুরি। শুধুমাত্র এই দুটি বিষয় নিশ্চিত হলেই এটি সম্ভব হবে।

শনিবার বিকেলে দিনাজপুরের জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে অক্টোবর মাসব্যাপী স্তন ক্যানসার সচেতনতা কর্মসূচির সমাপনী ও বৈজ্ঞানিক অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এসব মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, অধ্যাপক ডা. হাবিবুল্লাহ তালুকদারের নেতৃত্বে স্তন ক্যানসার সচেতনতা ফোরাম দীর্ঘদিন ধরে এই রোগ নিয়ে কাজ করে আসছে। তারা শুধুমাত্র এই বছর নয়, বরং স্তন ক্যানসার প্রতিরোধ, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তের বিষয়ে কাজ করে চলেছে। অর্থাৎ, রোগটি দেরিতে শনাক্ত হওয়ার পরিবর্তে কীভাবে শুরুতেই শনাক্ত করা যায় এবং স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার হার কীভাবে কিছুটা কমানো যায়, সেই লক্ষ্যে তাদের এই উদ্যোগ। এরই ধারাবাহিকতায় সারা দেশে এ বছর তাদের কর্মসূচি পালিত হয়েছে। আজ ৩১ অক্টোবর মাসব্যাপী স্তন ক্যানসার সচেতনতা কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটছে।

আরও পড়ুন: কচুয়ায় উদ্যোক্তা আলোচনা ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

সমাজকল্যাণ এবং নারী ও শিশুবিষয়ক কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী আরও বলেন, যদি এটিকে একটি সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করা যায়, তবে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, নারী ও শিশু নির্যাতন বন্ধ এবং মাদক নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। জরায়ুমুখের ক্যানসার ও স্তন ক্যানসার প্রতিরোধ এবং আক্রান্ত ব্যক্তিদের দ্রুত চিকিৎসাসেবার আওতায় আনার জন্য সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

বাংলাদেশ স্তন ক্যানসার সচেতনতা ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান সমন্বয়কারী অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদের হুইপ মো. আখতারুজ্জামান মিয়া এমপি এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাসসহ আরও অনেকে।

অন্যান্য বক্তাদের মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোফাজ্জল হোসেন দুলাল।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে অস্ত্র ও বিস্ফোরকসহ যুবক গ্রেপ্তার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ শিক্ষার্থীদের, রাজীব পরিবহনের বাস বন্ধের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৪২ পি.এম


ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ শিক্ষার্থীদের, রাজীব পরিবহনের বাস বন্ধের দাবি

রাজীব পরিবহনের বাস চলাচল বন্ধের দাবিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা। সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুর ১টার দিকে ময়মনসিংহ নগরের দিঘারকান্দা বাইপাস মোড়ে তারা সড়ক অবরোধ করেন। ফলে মহাসড়কের দুই পাশে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ায় যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, রাজীব পরিবহনের বাসগুলো বেপরোয়া গতিতে চলাচল করে, যার ফলে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। এসব দুর্ঘটনায় প্রাণহানির পাশাপাশি অনেকেই আহত হচ্ছেন। গত ২ অক্টোবর ময়মনসিংহ নগরের পূর্ব গন্দ্রপা এলাকায় রাজীব পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে সাতজন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের চার সদস্য ছিলেন।

এছাড়া রোববার (১ নভেম্বর) সকালে ময়মনসিংহ সদরের চুরখাই এলাকায় রাজীব পরিবহনের বাসের চাপায় নটরডেম কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী জাকিউল ইসলাম নিহত হন। এসব ঘটনার প্রতিবাদে এবং মহাসড়কে রাজীব পরিবহনের বাস চলাচল বন্ধের দাবিতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছেন।

নটরডেম কলেজের একজন শিক্ষার্থী বলেন, ‘রোববার আমাদের বন্ধু জাকিউল মারা গেছেন। রাজীব পরিবহনের বেপরোয়া গতির কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে রাজীব পরিবহনের বাস চলাচল বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় আমাদের আন্দোলন চলবে।’

অন্যদিকে, অবরোধের কারণে বিভিন্ন গন্তব্যের যাত্রীরা যানজটে আটকা পড়ছেন। বাসে বসেই দীর্ঘ সময় যানজটে আটকে থাকতে হচ্ছে তাদের। জনদুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক ছেড়ে দেওয়া উচিত। তাদের মতে, আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা প্রয়োজন।

অবরোধের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, জনদুর্ভোগের বিষয়টি বুঝিয়ে শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে পুলিশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতে সাহাবিদের প্রথম আগমনের ইতিহাস ও ইসলামের প্রচার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৩ পি.এম


ভারতে সাহাবিদের প্রথম আগমনের ইতিহাস ও ইসলামের প্রচার

নবুয়ত লাভের পর রাসুলুল্লাহ (সা.) আরব উপদ্বীপের কাফির, মুশরিক, ইহুদি ও খ্রিস্টান ধর্মীয় সম্প্রদায়ের তীব্র বিরোধিতার সম্মুখীন হন। তাঁর মূল প্রচেষ্টা ছিল এসব মানুষকে ইসলামের ছায়াতলে নিয়ে আসা। আল্লাহর অসীম অনুগ্রহ এবং ২৩ বছরের অবিরাম প্রচেষ্টার মাধ্যমে পুরো আরব উপদ্বীপে ইসলামের আলো ছড়িয়ে পড়ে।

তাঁরা শুধু ইসলামের ছায়াতলে আশ্রয় নেননি, বরং নবীজি (সা.)-এর বরকতময় সান্নিধ্য এবং শিক্ষায় মুসলিম উম্মাহর জন্য আদর্শ মানুষে পরিণত হয়েছেন। তাঁরা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর শিক্ষা ও আদর্শকে এমনভাবে ধারণ করেছিলেন যে আল্লাহ পবিত্র কোরআনে তাঁদের প্রতি সন্তুষ্টির ঘোষণা দিয়েছেন। মহানবী (সা.) পৃথিবী থেকে বিদায় গ্রহণের পর তাঁরা দ্বিনের প্রচার ও প্রসারকে নিজেদের মিশন হিসেবে গ্রহণ করেন। তাঁরা সমগ্র পৃথিবীর সামনে ইসলামের সুমহান পতাকাকে সমুন্নত করেন।

ভারতে সাহাবিদের প্রথম আগমন

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ইন্তেকালের পর আবু বকর সিদ্দিক (রা.) মুসলিম জাহানের খলিফা মনোনীত হন, কিন্তু তাঁর সংক্ষিপ্ত শাসনকালে মুরতাদদের ফিতনার মতো ভয়াবহ সংকট মোকাবেলা করতে হয়েছিল। ফলে তিনি ভারতীয় উপমহাদেশের প্রতি মনোযোগ দিতে পারেননি। আবু বকর (রা.)-এর পর মুসলিম জাহানের খলিফা হন ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)। অভ্যন্তরীণ সংকট কেটে যাওয়ার পর তিনি আরব দুনিয়ার বাইরে ইসলামের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তাঁর শাসনামলে ইসলামের বার্তা ও বিজয় নিশান দূর-দূরান্ত পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে।

ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) খলিফা মনোনীত হওয়ার পর ১৫ হিজরিতে উসমান ইবনে আবুল আস (রা.)-কে বাহরাইন ও আম্মানের প্রশাসক নিযুক্ত করেন। উসমান (রা.) নিজের ভাই হাকাম বিন আবুল আস (রা.)-কে সেনাপতি নিযুক্ত করে ভারতবর্ষের বন্দরনগরী থানাহ ও ভুরুচের উদ্দেশে প্রেরণ করেন। অপর ভাই মুগিরা বিন আবুল আস (রা.)-এর নেতৃত্বে আরেকটি বাহিনী ডাভেলের (করাচি) উদ্দেশে পাঠান।

তবে এগুলো ছিল বিচ্ছিন্ন সংঘাতের মতো। নিয়মতান্ত্রিক কোনো সামরিক অভিযান ছিল না। ফলে ইতিহাস গ্রন্থগুলোতে এর বিবরণ পাওয়া যায় না। ইতিহাসের বিভিন্ন বর্ণনায় মাকরান, কিরমান, রণ, বেলুচিস্তান, লসবিলা, মুলতান, লাহোরসহ ভারতবর্ষের বিভিন্ন অঞ্চলে সাহাবিদের পদচারণার বর্ণনা পাওয়া যায়।

ভারতবর্ষে আগমনকারী সাহাবি ও তাবেঈদের সংখ্যা

আল্লামা কাজি মুহাম্মদ আতহার মোবারকপুরী (রহ.)-এর গবেষণা অনুযায়ী ভারতীয় উপমহাদেশে ১৭ জন সাহাবির আগমন ঘটেছে। আধুনিক যুগের ইতিহাস গবেষক মুহাম্মদ ইসহাক ভাট্টির গবেষণা অনুযায়ী ভারতে আগমনকারী সাহাবিদের সংখ্যা ২৫। কাজি আতহার মোবারকপুরী (রহ.) তাবেঈদের সংখ্যাও উল্লেখ করেছেন। মুহাম্মদ ইসহাক ভাট্টি বলেছেন, ভারতে ৪২ জন তাবেঈ এবং ১৮ জন তাবে-তাবেঈর আগমন হয়েছিল। (বিস্তারিত দেখুন : খেলাফতে রাশেদা আওয়ার হিন্দুস্তান ও বিররে মে ইসলাম কে আউয়ালিন নুকুশ)

ভারতে আগমানকারী সাহাবি

কাজি আতহার মোবারকপুরী (রহ.)-এর গবেষণা অনুসারে নিম্নোক্ত সাহাবিরা ভারতবর্ষে আগমন করেছিলেন। তাঁরা হলেন—১. হাকাম বিন আবুল আস (রা.), ২. হাকাম বিন আমর সালাবি গিফারি (রা.), ৩. খিররিত বিন রাশেদ নাজি সামি (রা.), ৪. রুবাই বিন জিয়াদ হারেসি (রা.), ৫. সিনান বিন সালামা হাজালি (রা.), ৬. সাহাল বিন আদি খাজরাজি আনসারি (রা.), ৭. সাহহার বিন আব্বাস আবদি (রা.), ৮. আসেম বিন আমর তামিমি (রা.), ৯. আবদুল্লাহ বিন আবদুল্লাহ বিন ইতবান আনসারি (রা.), ১০. আবদুল্লাহ বিন উমায়ের আশজায়ি (রা.), ১১. আবদুর রহমান বিন সামুরা কুরাশি (রা.), ১২. উবায়দুল্লাহ বিন মা’মার কুরাশি তাইমি (রা.), ১৩. উসমান বিন আবুল আস সাকাফি (রা.), ১৪. উমায়ের বিন উসমান বিন সাআদ (রা.), ১৫. মুজাশি বিন মাসউদ সালামি (রা.), ১৬. মুগিরা বিন আবুল আস সাকাফি (রা.), ১৭. মুনজির বিন জারুদ আবদি (রা)। (খেলাফতে রাশেদা আওয়ার হিন্দুস্তান)

উল্লিখিত নামগুলোর বাইরে ঐতিহাসিক মুহাম্মদ ইসহাক ভাট্টি ভারতে আগমনকারী আরো যেসব সাহাবির নাম উল্লেখ করেছেন। তাঁরা হলেন—১৮. শিহাব বিন মুখারিক বিন শিহাব তামিমি (রা.), ১৯. নুসাইর বিন দাইসুম বিন সাউর ইজলি (রা.), ২০. হাকিম বিন জাবালাহ আসাদি (রা.), ২১. কুলাইব আবু ওয়াইল (রা.), ২২. মুহাল্লাব বিন আবু সাফরা আজদি আতেকি (রা.), ২৩. আবদুল্লাহ বিন সাউয়ার আবদি (রা.), ২৪. ইয়াসির বিন সাউয়ার আবদি (রা.), ২৫. আবদুল্লাহ সুওয়াইদ তামিমি (রা.)। অবশ্য এদের ভেতর কারো কারো ব্যাপারে এই বিতর্ক রয়েছে যে তারা সাহাবি নাকি তাবেঈ। (বিররে মে ইসলাম কে আউয়ালিন নুকুশ)

ভারতে আগমনকারী তাবেঈ

ঐতিহাসিক মুহাম্মদ ইসহাক ভাট্টির বর্ণনা অনুসারে ভারতে আগমনকারী ৪২ জন তাবেঈ হলেন—

১. সাগির ইবনে জাআর (রহ.), ২. হারিস বাইলামানি (রহ.), ৩. হাকিম ইবনে জাবালা (রহ.), ৪. হাসান ইবনে আবুল হাসান ইয়াসার বাসরি (রহ.), ৫. সাঈদ ইবনে হিশাম আনসারি (রহ.), ৬. সাঈদ ইবনে কিন্দিয়া কুশাইরি (রহ.), ৭. শিহাব ইবনে মুখারিক তামিমি (রহ.), ৮. সাইফি ইবনে ফুসাইল শাইবানি (রহ.), ৯. নুসাইর ইবনে ওয়াসিম ইজলি (রহ.), ১০. ইবনে উসাইদ ইবনে আখনাস (রহ.), ১১. আবু শাইবা জাওহারি (রহ.), ১২. হাতিম ইবনে কুবাইসা (রহ.), ১৩. রাশিদ ইবনে আমর জাদিদি (রহ.), ১৪. জায়েদা বিন উমাইর আত-তায়ি (রহ.), ১৫. জিয়াদ ইবনে হাওয়ারি আম্মি (রহ.), ১৬. আবু কায়েস জিয়াদ ইবনে রাবাহ কায়সি বাসরি (রহ.), ১৭. হাকাম ইবনে আওয়ানা কালবি (রহ.), ১৮. মুয়াবিয়া ইবনে কুর্রাহ মুজানি বাসরি (রহ.), ১৯. মাকহুল ইবনে আবদুল্লাহ সিন্দি (রহ.), ২০. আবদুর রহমান ইবনে আব্বাস (রহ.), ২১. আবদুর রহমান সিন্দি (রহ.),

২২. কুতুন ইবনে মুদরিক কিলাবি (রহ.), ২৩. কায়েস ইবনে সালাবা (রহ.), ২৪. কামস ইবনে হাসান বাসরি (রহ.), ২৫. ইয়াজিদ ইবনে আবি কাবশাহ সাকসাকি দিমাশকি (রহ.), ২৬. মুসা সাইলানি (রহ.), ২৭. মুসা ইবনে ইয়াকুব সাকাফি (রহ.), ২৮. আবদুর রহমান কিন্দি (রহ.), ২৯. আবদুর রহমান বাইলামানি (রহ.), ৩০. ওমর ইবনে উবাইদুল্লাহ কুরাশি তাইমি (রহ.), ৩১. শিমার ইবনে আতিয়্যাহ আসাদি (রহ.), ৩২. সাঈদ ইবনে আসলাম কিলাবি (রহ.), ৩৩. হুবাব ইবনে ফাজালাহ জুহলি (রহ.), ৩৪. আবদুর রহমান ইবনে আবদুল্লাহ কাউআশি (রহ.), ৩৫. হারিস ইবনে মুররাহ আবদি (রহ.), ৩৬. আইয়ুব ইবনে জায়িদ হিলালি (রহ.), ৩৭. হুরাই ইবনে হুরাই বাহেলি (রহ.), ৩৮. ইবাদ ইবনে জিয়াদ উমাবি (রহ.), ৩৯. ইয়াজিদ ইবনে মুফাররিগ হিময়ারি (রহ.), ৪০. রাবি ইবনে সুবাইহ সু’দা বসরি (রহ.), ৪১. মুজাআহ ইবনে সি’র তামিমি (রহ.), ৪২. আতিয়্যাহ ইবনে সাআদ আউফি (রহ.), ৪৩. আবু সালামা জুত্তি (রহ.), ৪৪. মুহাম্মদ ইবনে কাসিম সাকাফি (রহ.)। (বিররে মে ইসলাম কে আউয়ালিন নুকুশ)

যদিও ঐতিহাসিকভাবে উল্লিখিত ব্যক্তিদের মধ্যে কিছু কিছু নিয়ে বিতর্ক রয়েছে যে তারা সাহাবি নাকি তাবেঈ এবং তাঁরা ভারতবর্ষে আগমন করেছেন কি না, তবে এ বিষয়ে কোনো বিতর্ক নেই যে ভারতবর্ষে বহুসংখ্যক সাহাবি ও তাবেঈর আগমন ঘটেছিল। আল্লাহ তাঁদের সবাইকে উত্তম প্রতিদান দিন। আমিন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পল্লী বিদ্যুতের মিটার চুরির ঘটনায় টাকা দাবি, প্রতিকার পাচ্ছে না গ্রাহক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৩ পি.এম


পল্লী বিদ্যুতের মিটার চুরির ঘটনায় টাকা দাবি, প্রতিকার পাচ্ছে না গ্রাহক

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় পল্লী বিদ্যুতের সেচ ও শিল্প মিটার চুরির ঘটনা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। মিটার চুরি হওয়ার পর চোরচক্রের সদস্যদের পক্ষ থেকে টাকা দাবি করার অভিযোগ উঠেছে। এর ফলে বিদ্যুৎ গ্রাহকরা একদিকে হয়রানির শিকার হচ্ছেন, অন্যদিকে মিটার ফেরত পেতে অতিরিক্ত অর্থ খেসারত দেওয়ার চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, থানায় অভিযোগ ও সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করলেও তারা কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না।

উপজেলার পানেয়া গ্রামের সোলেমান আলী জানান, গত শুক্রবার রাতে পানেয়া কদমতলী এলাকা থেকে দুটি শিল্প মিটার চুরি হয়েছে। এ ঘটনায় তিনি পীরগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, এলাকায় প্রায়ই সেচ ও শিল্প মিটার চুরির ঘটনা ঘটলেও প্রশাসন এখন পর্যন্ত কোনো চোরকে আটক করতে পারেনি।

ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করছেন, মিটার চুরির পর ঘটনাস্থলে একটি মোবাইল ফোন নম্বর লিখে রেখে যায় চোরচক্রের সদস্যরা। ওই নম্বরে যোগাযোগ করলে চুরি হওয়া মিটার ফেরত দেওয়ার বিনিময়ে টাকা দাবি করা হয়। এতে বিদ্যুতের গ্রাহকরা বিপাকে পড়েছেন।

অভিযোগ রয়েছে, চোরচক্রের সদস্যরা নিজেদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নম্বর চালু রেখে প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করলেও তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে। ফলে একের পর এক মিটার চুরির ঘটনা ঘটলেও চোরচক্রকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হচ্ছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

মিটার চুরির ঘটনায় স্থানীয় শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের মালিকদের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। মিটার চুরি হওয়ার কারণে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকছে, যা ব্যবসা-বাণিজ্য, সেচ কার্যক্রম ও স্বাভাবিক কর্মকাণ্ডে ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে। নতুন মিটার সংগ্রহ ও সংযোগ চালু করতে গিয়ে গ্রাহকদের অতিরিক্ত ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

ভুক্তভোগীরা দ্রুত মিটার চোরচক্রকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা, চুরি হওয়া মিটার উদ্ধার এবং গ্রাহকদের হয়রানি বন্ধে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ বিষয়ে রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি -১ পীরগঞ্জ সাব স্টেশনের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) রবিউল ইসলাম জানান, তাঁর কার্যালয়ের আওতাধীন এলাকায় অনেক মিটার চুরির ঘটনা ঘটেছে। মিটার চুরির ঘটনায় গ্রাহকরা সাধারণত সংশ্লিষ্ট থানায় জিডি করে থাকেন।

চোরদের মোবাইল ফোন নম্বরে যোগাযোগ করে টাকা দাবি করার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, "চোরদের কোনো ধরনের টাকা দেওয়া যাবে না।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক আসাদকে ঘিরে অপপ্রচারের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৩ পি.এম


সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক আসাদকে ঘিরে অপপ্রচারের অভিযোগ

 প্রতারণার অভিযোগে সংবাদ প্রকাশের পর সাংবাদিককে বিতর্কিত করার চেষ্টা, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

অসহায় ও দরিদ্র মানুষের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে একটি চক্রের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের পর সাংবাদিক আসাদকে ঘিরে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে। পরিকল্পিতভাবে তাঁর বিরুদ্ধে নেতিবাচক তথ্য ছড়িয়ে পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের।

অভিযোগ রয়েছে, অসহায় মানুষের সঙ্গে প্রতারণার বিষয়টি সংবাদমাধ্যমে তুলে ধরার পর থেকেই সাংবাদিক আসাদকে বিভিন্নভাবে বিতর্কিত করার চেষ্টা চলছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে তাঁকে নিয়ে নানা ধরনের নেতিবাচক প্রচারণা চালানো হচ্ছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, প্রতারণার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের কারণে ক্ষুব্ধ একটি মহল সাংবাদিক আসাদকে চাপে রাখতে অপপ্রচারের আশ্রয় নিচ্ছে। এমনকি তাঁর বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াতে একটি মহলকে অনৈতিক সুবিধা দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য ও স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রকৃত ঘটনা আরও স্পষ্ট হবে।

সাংবাদিকতার মূল দায়িত্ব হলো সত্য ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় তুলে ধরা। কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তা যথাযথ তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা উচিত। একই সঙ্গে সংবাদ প্রকাশের জেরে কোনো সাংবাদিককে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি কিংবা অপপ্রচারের শিকার করা হলে তা স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য উদ্বেগজনক।

এদিকে সাংবাদিক আসাদকে ঘিরে প্রচারিত অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল। তাঁদের মতে, প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটনে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ এবং তথ্য-প্রমাণ যাচাই করা প্রয়োজন।

সাংবাদিক আসাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।

সম্পাদনা-সংক্রান্ত পরামর্শ: প্রকাশের আগে সাংবাদিক আসাদের বক্তব্য, অভিযুক্ত চক্রের বক্তব্য এবং অপপ্রচারের সুনির্দিষ্ট উদাহরণ বা প্রমাণ যুক্ত করলে সংবাদটি আরও তথ্যনির্ভর ও বিশ্বাসযোগ্য হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%