জাকির হোসেন পাটোয়ারী রাজবাড়ী প্রতিনিধি
১০:২৬ পি.এম
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলায় অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মো. সাইফুল ইসলাম (৩১) নামে একজন ব্যক্তিকে আটক করেছে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন ২০২৬) সকাল ৮টা থেকে ৮টা ২০ মিনিটের মধ্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, রাজবাড়ীর একটি আভিযানিক দলপরিদর্শক মো. রাসেল আলীর নেতৃত্বে বালিয়াকান্দি থানার জামালপুর গ্রামে এ অভিযান চালিয়েছে।
অভিযানকালে মো. সাইফুল ইসলামের নিজ বাসভবনে তল্লাশি চালানোর পর তাকে আটক করা হয়। পরে তার দেহে তল্লাশি করে ১১০ (একশত দশ) গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়।
আটক হওয়া সাইফুল ইসলাম (৩১) জামালপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি আবুল হোসেন হাওলাদারের ছেলে।
এ ঘটনার ফলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় বালিয়াকান্দি থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার নম্বর-০৪, তারিখ ৪ জুন ২০২৬। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পঞ্চগড়ে বজ্রপাতে শাহাদাত হোসেন (১৯) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সন্ধ্যায় পঞ্চগড় সদর উপজেলার অমরখানা ইউনিয়নের বানিয়াপাড়া এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটে। জানা গেছে, শাহাদাত হোসেন একই এলাকার কেরামত আলীর ছেলে।
স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, শাহাদাত ট্রাক্টরের সহকারী হিসেবে কাজ করতেন। বিকেলবেলা তিনি ট্রাক্টরচালকের সঙ্গে ফসলি জমি থেকে ভুট্টা পরিবহন করছিলেন। এই সময় ট্রাক্টরের চাকা নরম মাটিতে দেবে যায়। বাড়ির কাছাকাছি অবস্থিত থাকায়, ট্রাক্টরকে তুলতে গিয়ে একটি বেলচা আনতে তিনি বাড়িতে যান। বেলচা নিয়ে ঘটনাস্থলে ফেরার পথে হঠাৎ করে বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাতে শাহাদাত গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে দ্রুত উদ্ধার করে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পঞ্চগড় সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আশীষ কুমার শীল বজ্রপাতে তরুণের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন এবং জানান, মরদেহ সুরতহাল সম্পন্ন করার পর পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন করে তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ বিভাজন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। দলের একটি অংশের বিদ্রোহী অবস্থান এবং বেশ কয়েকজন মুসলিম বিধায়কের সেই শিবিরে যোগ দেওয়ার ঘটনায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা বিশ্লেষণ সামনে এসেছে।
তৃণমূল কংগ্রেসের সূত্রে জানা গেছে, দলটির নির্বাচিত ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে ৩৪ জন মুসলিম। এর মধ্যে ১৭ জন বিধায়ক বিদ্রোহী শিবিরের সঙ্গে অবস্থান নিয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দেওয়া বিধায়কদের মধ্যে রয়েছেন জাবেদ আহমেদ খান, আখরুজ্জামান, সাবিনা ইয়াসমিন, গোলাম রাব্বানী, নিয়ামত শেখ, ইমানি বিশ্বাস, গুলশান মল্লিক এবং মো. তৌসিফুর রহমানসহ আরও কয়েকজন।
বিদ্রোহী শিবিরের পক্ষ থেকে বিধানসভার স্পিকারের কাছে একটি স্বাক্ষরিত চিঠি জমা দেওয়া হয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে সমর্থনের কথা।
ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, “১৮তম বিধানসভায় ঘাসফুল প্রতীকে নির্বাচিত সদস্যদের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আমাদের সঙ্গে রয়েছেন। সংসদীয় রীতি অনুযায়ী, আমরাই প্রকৃত বিরোধী দল।”
একসময় দলের সিদ্ধান্তে মুখ্য ভূমিকা পালনকারী মমতা ব্যানার্জিকে এখন কেবল পরামর্শদাতা হিসেবে রাখার প্রস্তাবও দিয়েছে বিদ্রোহী শিবির। এ ব্যাপারে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “মাননীয় মমতা ব্যানার্জিকে আমাদের পরিষদীয় দলের প্রধান পরামর্শদাতা হিসেবে থাকার অনুরোধ জানাচ্ছি।”
বিদ্রোহী শিবিরের বিধায়ক শিউলি সাহা বলেন, “তিনি পরামর্শদাতা হিসেবে থাকুন, আমাদের পরামর্শ দিন এবং আমাদের কাজ করতে দিন।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, তৃণমূল কংগ্রেসের এই বিভাজন পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বিশেষ করে সংখ্যালঘু ভোটের ভবিষ্যৎ অবস্থান নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
অধ্যাপক প্রতীপ চট্টোপাধ্যায় বলেন, মমতা ব্যানার্জি বর্তমানে আগের মতো ক্ষমতার কেন্দ্রে নেই। ফলে মুসলিম জনগোষ্ঠীর একটি অংশও তার কাছ থেকে দূরে সরে যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। তাদের ধারণা, বর্তমান নেতৃত্বের বাইরে গেলে তারা বেশি নিরাপত্তা পাবে।
বুধবার বিরোধী দলনেতা নির্বাচন নিয়েও দলের ভেতরে মতবিরোধ দেখা যায়। সূত্রগুলোর দাবি, মমতা ব্যানার্জির পছন্দ ছিল শোভন দেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করা। তবে দলের একটি বড় অংশ সেই অবস্থানের বিপরীতে অবস্থান নেয়।
অধ্যাপক রাজাগোপাল ধর চক্রবর্তী বলেন, মুসলিম সমাজের মধ্যে একটি নতুন রাজনৈতিক সচেতনতা তৈরি হবে বলে আমরা ভেবেছিলাম। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, মমতা ব্যানার্জির প্রতি আগের মতো সমর্থন আর নেই। অনেকের অভিযোগ, প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন ঘটেনি।
এদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের সাবেক বিধায়ক এবং আম জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীরও দলটির ভাঙন নিয়ে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, একটি দলের সর্বোচ্চ নেত্রী হয়েও যদি অন্যদের হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে এমন পরিস্থিতি তৈরি হতেই পারে।
বৃহস্পতিবার তিনি আরও বলেন, মমতা ব্যানার্জি নির্বাচনে জয়ী হলে এবং নেতৃত্ব ধরে রাখতে পারলে বর্তমান পরিস্থিতি তৈরি হতো না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর কবিরহাট বাজার এলাকায় ছয়তলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার চাপরাশিরহাট ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডের রামেশ্বপুর গ্রামের রাজবাড়ি থেকে এ মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এর আগে, একই দিন দুপুর সোয়া ১টার দিকে উপজেলার কবিরহাট পৌরসভার কবিরহাট বাজারের হাসপাতাল রোডে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রতন দেবনাথ (৫২) উপজেলার চাপরাশীরহাট ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডের রামেশ্বপুর গ্রামের রাজবাড়ির মনোরঞ্জন দেবনাথের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, নিহত রতন পেশায় একজন পান দোকানদার ছিলেন। তিনি মানসিক ভাবে অসুস্থ ছিলেন। তার স্ত্রী মনিকা রানী দেবনাথ কবিরহাট বাজারের জননী হাসপাতালের আয়া হিসেবে কাজ করেন। তার স্বামী স্ত্রী ও ছেলের সহযোগিতায় হাসপাতালের পাশেয় পান দোকান করতেন। দুপুর সোয়া ১টার দিকে জননী হাসপাতালের উত্তর পাশে স্বামীকে গুরুত্বর আহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন তার স্ত্রী। তাৎক্ষণিক তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
পরিবার এবং স্থানীয় লোকজনের ভাষ্যমতে ভিকটিম জননী হাপাতালের ছয়তলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে মারা যায়। পরবর্তীতে হাসপাতাল থেকে মরদেহ সৎকার করতে বাড়িতে নিয়ে যায় পরিবারের সদস্যরা। খবর পেয়ে সন্ধ্যা ৭টার দিকে পুলিশ বাড়ি থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। নিহতের মৃত্যু নিয়ে তার পরিবারের সদস্যদের কোন অভিযোগ নেই।
কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, ভিকটিম মানসিক ভাবে অসুস্থ ছিলেন। সিসি টিভির ফুটেজে দুপুর ১২টা ৫৯ মিনিটে দেখা যায় ওই ব্যক্তি ভবনে উঠছে। এরপর ১টা ৯মিনিটের দিকে তার মরদেহ নিচে পড়ে থাকতে দেখে তার স্ত্রী। প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে ওই ব্যবসায়ী ছাদ থেকে অসাবধানতাবশত পড়ে যায় অথবা ছাদ থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করে। তার ডান হাত আর বাম পা ভাঙ্গা ছিল। খবর পেয়ে পুলিশ নিহতের বাড়ি থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় থানায় নিয়ে আসে। শুক্রবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জলবায়ু সংকট বর্তমান সময়ের অন্যতম বৃহৎ বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে সমগ্র মানবজাতির জন্য। এই ঝুঁকি মোকাবিলায় কৃষিকে টেকসই, আধুনিক এবং জলবায়ু-সহিষ্ণু করতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিশ্ব পরিবেশ ও জলবায়ু দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এ বিষয়গুলো তুলে ধরেন।
শুক্রবার, সারা বিশ্বের প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে ৫ জুনকে মনে করা হয়, যা বিশ্ব পরিবেশ ও জলবায়ু দিবস হিসেবে পালিত হয়। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার অর্থাৎ ৪ জুন গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, তাপদাহ, বৃষ্টি-পাতের অনিয়ম, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, আকস্মিক বন্যা, খরা এবং জীববৈচিত্র্য ক্ষতির মতো বিষয়গুলো বিশ্বজুড়ে পরিবেশ, অর্থনীতি ও মানুষের জীবনে গভীরভাবে প্রভাব ফেলছে।
প্রধানমন্ত্রী এই সময়ে আরও উল্লেখ করেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান অভিঘাত আজকের দিনে বিশ্ববাসীর জন্য একটি কঠিন বাস্তবতা তৈরি করেছে। তিনি আরও বলেন, এর প্রেক্ষাপটে বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৬ বিশেষ তাৎপর্য নিয়ে আসছে। জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির (ইউএনইপি) ঘোষিত এবারের প্রতিপাদ্য 'ক্লাইমেট অ্যাকশন' বিশ্বজুড়ে জলবায়ু উদ্যোগগুলোকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানায়।
বাংলাদেশ, যদিও তেমন বেশি গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ করে না, তবুও এর ভৌগোলিক অবস্থান, উচ্চ জনঘনত্ব এবং জলবায়ু-সংবেদনশীল অর্থনীতির কারণে বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ক্লাইমেট রিস্ক ইনডেক্স-২০২৬ অনুসারে বাংলাদেশ বর্তমানে উচ্চ জলবায়ু ঝুঁকিতে রয়েছে। লবণাক্ততার বৃদ্ধি, কৃষির উৎপাদন হ্রাস, জলবায়ুজনিত বাস্তুচ্যুতি এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্রমবর্ধমান তীব্রতা দেশের উন্নয়নে সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তিনি বিবৃতিতে জানান, জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় বাংলাদেশ ইতোমধ্যে একটি জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা এবং জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে সমন্বিত ও দূরদর্শী নীতি কাঠামো গ্রহণ করেছে। পাশাপাশি উপকূলীয় সুরক্ষা, সামাজিক বনায়ন, দুর্যোগ প্রস্তুতি, জলবায়ুজনিত বাস্তুচ্যুত জনগণের পুনর্বাসন এবং প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধানের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, বর্তমান সরকার পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু-সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়নকে সর্বাধিক অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এই লক্ষ্যে আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে, যা পরিবেশ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। একই সময়ে সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখননের কাজ শুরু হয়েছে।
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় গবেষণা, উদ্ভাবন, প্রশিক্ষণ এবং সম্প্রসারণ কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে, পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি, সবুজ শিল্পায়ন, পরিবেশবান্ধব নগরায়ণ, উন্নত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, গণপরিবহন উন্নয়ন এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহার পাশাপাশি বাড়ানোর কথা বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়াও কার্বন ক্রেডিট এবং বৈশ্বিক কার্বন বাজারের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর জন্য কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও প্রধানমন্ত্রী জানান।
সমন্বিত উদ্যোগ, পরিবেশ সচেতনতা এবং দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমে একটি সবুজ, নিরাপদ, বাসযোগ্য এবং জলবায়ু-সহনশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব—এটি সরকারের দৃঢ় প্রত্যয় বলে প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতিতে পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ