০২:১৮ এম
মেঘনা নদীতে নিষিদ্ধ সময়ে ডিমওয়ালা মা ইলিশ শিকার ও পরিবহনের দায়ে লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে চারজনকে জেল-জরিমানা করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মদ আরাফাত হুসাইন তাদেরকে এই দণ্ড প্রদান করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন—উপজেলার চরফলকন এলাকার জেলে ফরহাদ হোসেন ও ইসমাইল হোসেন এবং একই এলাকার বাসিন্দা মো. নোমান ও মো. বাচ্চু। ফরহাদ ও ইসমাইলকে ১৩ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে নোমান ও বাচ্চুকে এক হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তূর্য সাহা জানিয়েছেন, জাতীয় মাছ ইলিশের ভরা প্রজনন মৌসুমে ডিমওয়ালা মা ইলিশ সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে সরকার ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মেঘনা নদীর বিভিন্ন অববাহিকায় সকল ধরনের মাছধরার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এই ২২ দিন নদীতে সব ধরনের মাছধরা নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি ইলিশ ক্রয়-বিক্রয়, বাজারজাতকরণ, সংরক্ষণ এবং পরিবহনও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে ডিজিটাল ‘মব সন্ত্রাস’: কারা এর পেছনে?
এ নিষেধাজ্ঞার বাস্তবায়নে শুক্রবার সকালে মেঘনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে মৎস্য বিভাগ ও কোস্টগার্ড যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। ওই সময় পাটারীরহাট মাছঘাট এলাকা থেকে মাছ শিকারকালে দুই জেলে এবং মাছ পরিবহনের অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে প্রায় ৮০ কেজি ইলিশ মাছসহ আটক করা হয়। পরে তাদেরকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে বিচারক দুই জেলেকে ১৩ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অপর দুই ব্যক্তিকে এক হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডের রায় দেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মদ আরাফাত হুসাইন জানান, মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ আইনে এ দণ্ড প্রদান করা হয়েছে। কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জেলেদের থানা পুলিশের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত দুইজন নগদ অর্থ প্রদান করে ছাড়া পেয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন