সিলেট প্রতিনিধি আবুল কাশেম রুমন
০১:০৯ পি.এম
সিলেটের গোয়াইনঘাটে ঘটেছে এক মৃত্যুর ঘটনা, যেখানে এক ব্যক্তির ঘুষিতে প্রাণ যায়। বিষয়টি মেয়েকে উত্ত্যক্ত করার কারণে শুরু হয়। ঘটনাটি ঘটে সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার চাওড়াতল চা বাগানে। এই ঘটনায় নিহত ব্যক্তির নাম চতন্য গোয়ালা। প্রতিবেশি সুমন প্রধান (৪২) কে পুলিশ আটক করেছে। শনিবার (৬ জুন ২০২৬ইং) বিকেল ৪টার সময় চাওড়াতল চা বাগানে ঘটে এই মারাত্মক ঘটনা। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনার সুত্রপাত হয়েছিল মেয়েকে উত্ত্যক্ত করার কারণে। নিহত ব্যক্তির বয়স ৪৩ বছর। দুইজনই চাওড়াতল চা বাগানের শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন এবং তারা একই বাগানে বসবাস করতেন। শনিবার (৬ জুন ২০২৬ইং) বিকেল অনুমানিক ৪টার সময় সুমন প্রধানের মেয়েকে উত্ত্যক্ত করে চতন্য গোয়ালা। এরপর তাদের মধ্যে মারামারি শুরু হয়। একপর্যায়ে সুমনের ঘুষিতে প্রাণ হারান চতন্য। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে খবর দেন, পরে পুলিশ ঘটনা¯’লে গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে এবং সুমনকে আটক করে। গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘চাওড়াতল চা বাগানে একটি মেয়েকে উত্ত্যক্তের জের ধরে একটি হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনা¯’ল পরিদর্শন করে একজনকে আটক করেছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যব¯’া প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাষ্ট্রের সব যন্ত্র সক্রিয়ভাবে কাজ করার ফলে রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণের পর গলাকেটে হত্যা মামলার বিচার দ্রুত সম্ভব হয়েছে, এ কথা জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস কাজল।
রোববার (৭ জুন) শিশু রামিসা হত্যা ও ধর্ষণ মামলার রায় ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় সুপ্রিম কোর্টে তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে এই মন্তব্য করেন।
অ্যাসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ডের রায়কে বিচারিক প্রক্রিয়ার মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা বলেন, "এত কম সময়ে শিশু রামিসা হত্যা ও ধর্ষণ মামলার বিচার সম্পন্ন করে রাষ্ট্র তার অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করেছে।"৷ তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রের সব যন্ত্র সক্রিয়ভাবে কাজ করেছে বলেই এত দ্রুত বিচার করা সম্ভব হয়েছে।
অ্যাটর্নি জেনারেল জানিয়েছেন, রামিসা হত্যা মামলার রায়ের রেকর্ড পাওয়ার পর হাইকোর্টে দ্রুত সময়ের মধ্যে মামলার শুনানি ও আপিল নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সেইসঙ্গে প্রধান বিচারপতি এই মামলার বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন মোহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস কাজল।
এর আগে আলোচিত এই মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে আদালত মৃত্যুদণ্ড দেন। রোববার ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এই রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি প্রধান আসামি সোহেল রানাকে ৫ লাখ টাকা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। এই অর্থদণ্ডের পুরো টাকা ভুক্তভোগী শিশু রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারী (মা-বাবা) পাবেন। আদালত নির্দেশ দিয়েছেন যে, আসামিরা যদি এই ক্ষতিপূরণ না দেয়, তবে তাদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে রামিসার পরিবারকে দিতে হবে।
মামলার বিবরণ অনুসারে, নিহত রামিসা স্থানীয় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকালে সে ঘর থেকে বের হলে, আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে নিজেদের কক্ষে নিয়ে যান। এরপর সেখানে রামিসাকে ধর্ষণের পর পৈশাচিক উপায়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়।
মেয়ের খোঁজ না পেয়ে খুঁজতে গিয়ে আসামিদের ঘরের সামনে রামিসার জুতা দেখতে পান তার মা। ডাকাডাকিতে সাড়া না পেয়ে বিরোধীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ঘরের ভেতর থেকে রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এর মাধ্যমে পুলিশ এসে স্বপ্নাকে আটক করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেফতার করে। এই ঘটনায় ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।
এই লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষে রেকর্ড গড়ে মাত্র ৫ দিনের মধ্যে (২৪ মে) আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছিল পুলিশ। এরপর ১ জুন এসে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। ট্রাইব্যুনালে মোট ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষে ঘটনার মাত্র ১৯ দিনের মধ্যে আজ এই মামলার চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করা হলো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ধানমন্ডি লেককে কোনোভাবেই বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করতে দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম। তিনি বলেন, লেকের সৌন্দর্য সংরক্ষণ, পানির মান উন্নয়ন ও জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে হকার ও রিকশাচালকদের নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে।
তিনি রোববার (৭ জুন) সকালে ধানমন্ডি লেক সংলগ্ন রাশিয়ান কালচারাল সেন্টারে ডিএসসিসি গণশুনানিতে এসব মন্তব্য করেছেন। নাগরিক সেবা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও মশক নিধন কার্যক্রম আরও কার্যকর করার জন্য এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
ডিএসসিসির প্রশাসক আজ বলেন, সিটি করপোরেশন জনগণের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে কাজ করবে এবং সাধারণ মানুষের সমস্যা শুনে তা দ্রুত সমাধান করবে। তিনি বর্জ্য অপসারণে রেকর্ড অগ্রগতির উল্লেখ করেন এবং নাগরিকদের নিয়ম মানার আহ্বান জানান।
আবদুস সালাম জানান, গত কয়েকটি ঈদে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণে সিটি করপোরেশন আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে কাজ করেছে। তবে পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ে তোলার জন্য নাগরিকদেরও দায়িত্বশীল হতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বর্জ্য ফেলতে হবে নির্দিষ্ট স্থানে, কারণ যেকোনো সময় বর্জ্য ফেলা হলে তা দ্রুত অপসারণ করা সম্ভব হয় না।
তিনি বলেন, সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে লেক ও আশপাশের পরিবেশ সংরক্ষণে কাজ চলছে। এই বিষয়ে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকেও সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে। তবে লেকের পরিবেশ ও সৌন্দর্য রক্ষায় সবার সম্মিলিত উদ্যোগের প্রয়োজন।
লেক এলাকার কোনো অংশকে বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে দেয়া হবে না জানিয়ে ডিএসসিসির প্রশাসক বলেন, এটি একটি উন্মুক্ত ও সাংস্কৃতিক পরিবেশসমৃদ্ধ স্থান হিসেবে সংরক্ষণ করতে হবে, যেখানে এলাকার মানুষ অবাধে হাঁটাচলা ও অবসর কাটাতে পারবেন। শুধুমাত্র সীমিত পরিসরে কিছু সুযোগ-সুবিধা থাকতে পারে, তবে পুরো এলাকাকে রেস্টুরেন্ট বা বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রে পরিণত করা যাবে না।
এছাড়াও তিনি বলেন, ধানমন্ডিকে একটি পরিকল্পিত ও বাসযোগ্য আবাসিক এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। খেলার মাঠ, উন্মুক্ত স্থান ও জনসেবামূলক অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে এলাকাটির পরিবেশ আরও সুন্দর ও সুশৃঙ্খল রাখার জন্য পরিকল্পনা রয়েছে।
আবদুস সালাম জানান, এই অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্র নিউ মার্কেটকেও আরও পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক বাজার হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা চলছে। বাজার ও আশপাশের এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতা প্রয়োজন।
তিনি মন্তব্য করেন, অনেক স্থানে হকারদের কারণে ফুটপাত ও সড়ক দখল হয়ে যাচ্ছে এবং ময়লা-আবর্জনার কারণে পরিবেশেরও ক্ষতি হচ্ছে। অথচ স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা নিয়মিত কর ও সেবামূল্য পরিশোধ করলেও হকাররা অনেক ক্ষেত্রে সেই সুবিধা ভোগ করছেন, কিন্তু পরিচ্ছন্নতা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় সমান দায়িত্ব পালন করছেন না। তাই সবার জন্য সমান নিয়ম ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৭ জুন, ২০২৬ : এবছর সরকার রাষ্ট্রীয়ভাবে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপনের জন্য ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। বুধবার, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ যথাযোগ্য সম্মানের সঙ্গে ও ব্যাপক কর্মসূচির মাধ্যমে উদযাপন করার লক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর, সংস্থা ও মাঠ প্রশাসনের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পাঠিয়েছে।
একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার কার্যবিবরণী এই উপলক্ষে সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়েছে এবং সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। সম্প্রতি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন-২ শাখা থেকে উপ সচিব শবনম মুস্তারী রিক্তা স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এ চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ পালন করার জন্য গত ৩ মে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার কার্যবিবরণী সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার কাছে পাঠানো হয়েছে। সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের চিঠি অনুযায়ী, দিবসটি রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের লক্ষ্যে সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে শুরু করে মাঠ প্রশাসন পর্যন্ত ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
এ উপলক্ষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, জেলা প্রশাসন, সিটি করপোরেশন, উপজেলা প্রশাসনসহ দেশের প্রায় সকল সরকারি প্রতিষ্ঠানকে এতে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।
কার্যবিবরণী বাস্তবায়নের জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, তিন বাহিনীর প্রধান, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও সচিবদের কাছে স্মারক পাঠানো হয়েছে।
একই সঙ্গে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি, কোস্ট গার্ড, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই), প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই) এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা সংস্থাগুলোকেও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার, তথ্য অধিদপ্তর এবং গণযোগাযোগ অধিদপ্তরকে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে প্রচার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বলা হয়েছে।
জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন আলোচনা সভা, স্মৃতিচারণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোকচিত্র প্রদর্শনী এবং বিশেষ প্রকাশনার উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়েও কার্যবিবরণীতে নির্দেশনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
মাঠ প্রশাসনের অংশ হিসেবে দেশ বরাবরের সকল বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পুলিশ সুপার এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কাছে কার্যবিবরণী পাঠানো হয়েছে। ফলে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির পাশাপাশি বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও দিবসটি উদযাপনের জন্য সমন্বিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দিবসটি উদযাপনের প্রস্তুতির সঙ্গে শিক্ষা, সংস্কৃতি, যুব ও ক্রীড়া, স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য, কৃষি, পরিবহন, ধর্ম, সমাজকল্যাণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, মহিলা ও শিশু বিষয়ক, প্রবাসী কল্যাণ, পরিবেশ, বাণিজ্য এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।
এতে জাতীয় পর্যায়ের কর্মসূচির পাশাপাশি বিভিন্ন খাতভিত্তিক বিশেষ আয়োজনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
এদিকে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, বাংলাদেশ স্কাউটস, বিএনসিসি এবং বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদকেও কার্যক্রমে অংশগ্রহণের জন্য অবহিত করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো দিবসটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরতে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারে বলে জানা গেছে। সরকারি সূত্রগুলো বলছে, julho গণঅভ্যুত্থান দিবসকে জাতীয় পর্যায়ে মর্যাদাপূর্ণভাবে পালনের লক্ষ্যে সারাদেশে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
দিবসটি উপলক্ষ্যে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে বিশেষ কর্মসূচি আয়োজন, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় আলোকসজ্জা, আলোচনা সভা, দোয়া ও প্রার্থনা অনুষ্ঠান এবং গণসচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ যথাযথভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে দিবসটির গুরুত্ব জনগণের কাছে তুলে ধরা হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রস্তুতি সম্পন্ন করার জন্য বলা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর গলাকেটে হত্যার মামলায় আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ডের রায় বিচারিক প্রক্রিয়ার মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেছেন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
তিনি মন্তব্য করেন, শিশু রামিসা আক্তার হত্যা ও ধর্ষণের মামলায় রাষ্ট্রের সব যন্ত্র সক্রিয়ভাবে কাজ করেছে, যার ফলস্বরূপ এত দ্রুত বিচারের জন্য এটি সম্ভব হয়েছে।
রবিবার শিশু রামিসা হত্যা ও ধর্ষণ মামলার রায়ের ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় তিনি সুপ্রিম কোর্টে একটি সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন।
তিনি আরো উল্লেখ করেন, এত কম সময়ে শিশু রামিসা হত্যা ও ধর্ষণ মামলার বিচার সম্পন্ন করে রাষ্ট্র তার অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করেছে।
এর আগে, রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর গলাকেটে হত্যার মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দেন আদালত। রবিবার ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এই রায় ঘোষণা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ