মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:১১ পি.এম
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের তিন বোনের ৩০ দিনের আটকাদেশের বিরুদ্ধে লাহোর হাইকোর্টে একটি আবেদন দাখিল করা হয়েছে। আবেদনকারীরা তাদের দ্রুত মুক্তির দাবি জানিয়েছেন। সোমবার দাখিল করা এই আবেদনে আটকাদেশগুলো বাতিল করার অনুরোধ করা হয়েছে।
দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইমরান খানের বোন আলিমা খানের ছেলে শাহরাইজ খান আবেদনটি করেছেন। তিনি আদালতের কাছে তার মা এবং ইমরান খানের অন্য দুই বোনের বিরুদ্ধে জারি করা আটকাদেশকে অবৈধ ঘোষণা করার আবেদন করেছেন। এএনআই নিউজ জানাচ্ছে, পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) ২৭ সেপ্টেম্বরের বিক্ষোভ কর্মসূচির আগে এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর আগে ২০ সেপ্টেম্বর লাহোরের ডেপুটি কমিশনার জনশৃঙ্খলা রক্ষা অধ্যাদেশের ৩ নম্বর ধারার আওতায় ৩০ দিনের আটকাদেশ জারি করেন। এই আদেশে ইমরান খানের বোন আলিমা খান, উজমা খান ও নরিন নিয়াজিককে আটক করার ব্যবস্থা করা হয়। তাদের মধ্যে আলিমা খানকে এর আগেই আটক করা হয়েছিল। পরে সোমবার উজমা খান ও নরিন নিয়াজিককেও আটক করা হয়।
আবেদনে শাহরাইজ খান উল্লেখ করেন, লাহোরের ডেপুটি কমিশনারের জারি করা আটকাদেশ আইনসম্মত নয়। তিনি দাবি করেন, আলিমা খানকে ব্যক্তিগত কাজে যাওয়ার সময় আটক করা হয়েছিল। ওই সময় জনশৃঙ্খলা বা জননিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করতে পারে এমন কোনো জনসমাবেশ বা পরিস্থিতি ছিল না। আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আলিমা খান এবং তার গাড়িচালক মুহাম্মদ আমিরকে লাহোর সেন্ট্রাল জেলে রাখা হয়েছে। শাহরাইজ খান তার মাকে আইন মান্যকারী একজন নাগরিক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার দাবি, আলিমা খান কখনো এমন কোনো কাজে জড়িত ছিলেন না, যা জননিরাপত্তা বা জনস্বার্থের ক্ষতি করতে পারে।
আবেদনকারীর অভিযোগ, রাজনৈতিক বিরোধীদের চাপ এবং পুলিশের মৌখিক পরামর্শের ভিত্তিতে স্থানীয় প্রশাসন এই আটকাদেশ জারি করেছে। তার দাবি, আটকাদেশের সরকারি নথিতে আলিমা খান, উজমা খান ও নরিন নিয়াজিকের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ উল্লেখ করা হয়নি। আবেদনে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, লাহোরের ডেপুটি কমিশনার, লাহোর পুলিশের প্রধান এবং লাহোর সেন্ট্রাল জেলের কারা তত্ত্বাবধায়ককে বিবাদী করা হয়েছে। ইমরান খানের পরিবারের সদস্যদের একের পর এক আটকের ঘটনায় তার ছেলে কাসিম খানও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি এসব ঘটনাকে ‘অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড’ বলে উল্লেখ করেছেন এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে কাসিম খান অভিযোগ করেন, তার খালা উজমা খান ও নরিন নিয়াজিক এবং তার চাচাতো ভাই শেরশাহ ও শাহরাইজ খানকে তাদের বাড়ি থেকে জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাদের কেন আটক করা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি। কাসিম খান আরো বলেন, তাদের কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তার ভাষ্য, এ ধরনের ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না এবং পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিকভাবে পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। পিটিআইয়ের ২৭ সেপ্টেম্বরের বিক্ষোভ কর্মসূচিকে সামনে রেখে ইমরান খানের পরিবারের সদস্যদের এই আটকের ঘটনা ঘটেছে। আটকাদেশের বৈধতা নিয়ে করা আবেদনটি বর্তমানে লাহোর হাইকোর্টে বিচারাধীন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুক্তির প্রায় এক বছর আগে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা প্যান-ইন্ডিয়া সিনেমা ‘রাকা’ গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লিখিয়ে বিশ্বমঞ্চে একটি নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। তেলুগু সুপারস্টার আল্লু অর্জুন এবং প্রখ্যাত তামিল পরিচালক অ্যাটলি নির্মিত এই সিনেমাটি একসঙ্গে ৩৭ জন শিল্পীর রিয়েল-টাইম মোশন-ক্যাপচার করার মাধ্যমে এই অনন্য কীর্তি অর্জন করেছে। খবরটি প্রকাশ করেছে হিন্দুস্তান টাইমস।
গত সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর), সিনেমার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সান পিকচার্স সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ছবি শেয়ার করে এই তথ্য জানায়, যেখানে আল্লু অর্জুন এবং পরিচালক অ্যাটলিকে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের সার্টিফিকেট হাতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট অনুযায়ী, এই রেকর্ডটি ১৫ সেপ্টেম্বর মুম্বাইয়ে গড়া হয়েছে।
ছবিটির প্রযুক্তিগত বিশালতা নিয়ে চলচ্চিত্র মহলে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রশংসার জোয়ার বইছে। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে পরিচালক সিবী চক্রবর্তী মন্তব্য করেন, ছবিটির ভিজ্যুয়ালের মান এতটাই অসাধারণ যে এটি হলিউডের ‘অ্যাভাটার’-এর সঙ্গেও তুলনা করা যেতে পারে।
তিনি পরিচালক অ্যাটলিকে এস এস রাজামৌলির সঙ্গে তুলনা করে বলেন যে, রাজামৌলির মতো অ্যাটলিও ভারতীয় সিনেমাকে বিশ্বমঞ্চে নিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়া ছবির গীতিকার বিবেকও মন্তব্য করেছেন যে, এমন বিশাল পরিসরের কাজ সাধারণত হলিউডেই দেখা যায়।
চলতি বছরের এপ্রিল মাসে আল্লু অর্জুনের জন্মদিনে ছবিটির প্রথম লুক প্রকাশ করা হয়েছিল, যেখানে তাকে সম্পূর্ণ নতুন একটি লুকে দেখা গিয়েছিল। পরিচালক অ্যাটলি জানিয়েছেন যে, এই গল্পটি তিনি দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে নিজের মনে লালন করে আসছেন।
সান পিকচার্স প্রযোজিত এবং সাই অভ্যাঙ্করের সংগীতে দীপিকা পাড়ুকোন ও আল্লু অর্জুন জুটির এই সিনেমাটি কেবল একটি চলচ্চিত্র নয়, বরং ভারতীয় সিনেমার পরিধি ও মানকে বিশ্বমানের বিনোদনের দরবারে পৌঁছে দেওয়ার একটি অনন্য উদ্যোগ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর মন্তব্য করেছেন যে, এলডিসি থেকে উত্তরণ মসৃণ, টেকসই ও স্থিতিশীল হতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, এলডিসি থেকে উত্তরণ একটি দেশের উন্নয়নযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত না করে বরং তা আরও শক্তিশালী করতে হবে।
আজ নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ‘এলডিসি-জিআইএফ মেকানিজম ইন্ট্রোডাকশন অ্যান্ড হাই-লেভেল ডায়ালগ’ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
ড. তিতুমীর জানান, উত্তরণের পথে থাকা দেশগুলো এখনো কাঠামোগত প্রতিবন্ধকতা ও সীমিত উৎপাদন সক্ষমতার মুখোমুখি রয়েছে। এই পরিস্থিতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছে ভূরাজনৈতিক সংঘাত, সরবরাহব্যবস্থায় বিঘ্ন, বাণিজ্য অনিশ্চয়তা, মূল্যস্ফীতি এবং অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন অভিঘাত, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
তিনি আরও বলেন, শিল্পায়ন, সমন্বিত উদ্যোগ, জ্বালানি রূপান্তর এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে একটি মসৃণ, টেকসই ও অপরিবর্তনীয় উত্তরণ নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত সহায়তা প্রয়োজন।
অর্থ উপদেষ্টা এলডিসিগুলোর জন্য আর্থিক, প্রযুক্তিগত ও সক্ষমতা বৃদ্ধির সহায়তা জোরদারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রয়োজনের তুলনায় এসব দেশে প্রযুক্তি হস্তান্তর এখনো অপ্রতুল।
ড. তিতুমীর আশা প্রকাশ করেন যে, এলডিসি গ্রিন ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজেশন ফ্যাসিলিটেশন (এলডিসি-জিআইএফ) উদ্যোগ প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং শিল্পে এর প্রয়োগ ত্বরান্বিত করার পাশাপাশি উৎপাদন সক্ষমতা, কাঠামোগত রূপান্তর ও টেকসই উত্তরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বলিউডের অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের সাবেক ম্যানেজার দিশা সালিয়ানের মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটনের লক্ষ্যে নতুন করে তদন্ত শুরু করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। ৬ বছরেরও বেশি সময় আগে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় মুম্বাই হাইকোর্টের নির্দেশনার পর একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। দিশার বাবা সতীশ সালিয়ান এতে তৎকালীন পুলিশ কর্মকর্তা, কিছু মন্ত্রী ও প্রভাবশালী রাজনীতিবিদদের বিরুদ্ধে প্রমাণ লোপাট এবং গণধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ তুলেছেন।
২০২০ সালের ৮ জুন রাতে মুম্বাইয়ের একটি ১২ তলা ভবন থেকে পড়ে মারা যান ২৮ বছর বয়সী দিশা সালিয়ান। বিবিসির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রথম দিকে পুলিশ এটিকে মদ্যপ অবস্থায় দুর্ঘটনাবশত পড়ে যাওয়া এবং পরে আত্মহত্যা হিসেবে চিহ্নিত করলেও তার পরিবার শুরু থেকেই এটিকে হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করে আসছিল।
গত ২ সেপ্টেম্বর মুম্বাই হাইকোর্ট পূর্বের পুলিশি তদন্তের ব্যাপারে তীব্র সমালোচনা করে জানায়, দীর্ঘ সময় ধরে দুই ধাপে করা তদন্তে অসংখ্য স্পষ্ট অসঙ্গতি রয়েছে। আদালত মন্তব্য করে বলেন, ময়নাতদন্তের আঘাতের চিহ্ন ১২ তলা থেকে পড়ে যাওয়ার সাথে মেলে না। যেখানে লাশ পাওয়া গেছে, সেখানে রক্তের কোনো আলামতও পাওয়া যায়নি। ঘটনাটিকে অস্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে দেখা হলেও পুলিশ কোনো এফআইআর দায়ের করেনি। আদালত উল্লেখ করে, পুলিশের এই তদন্ত সমাধানের চেয়ে আরো বেশি প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
সিবিআইয়ের কাছে দাখিল করা অভিযোগে দিশার বাবা উল্লেখ করেন, একটি আন্তর্জাতিক চক্রের সাথে প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ ও অভিনেতাদের মাদক পাচার এবং শিশু নির্যাতনের মতো অপরাধমূলক তথ্যের প্রমাণ দিশার হাতে এসেছিল। দিশা এই তথ্য সুশান্ত সিং রাজপুতকে জানান এবং দুজনে মিলে সংবাদ সম্মেলন করে তা ফাঁসের পরিকল্পনা করেছিলেন। অভিযোগে বলা হয়, সেই তথ্য ফাঁস হওয়া রোধ করতে দিশাকে গণধর্ষণ ও হত্যা করে প্রমাণ লোপাট করা হয়। এর ঠিক এক সপ্তাহের মাথায় সুশান্ত সিং রাজপুতকেও তার বাসায় মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়, যা সারা ভারতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।
মেয়ের জন্য ৬ বছর ধরে লড়াই করে আসা সতীশ সালিয়ান আদালতের এই আদেশে কিছুটা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তিনি তার একমাত্র সন্তানের জন্য সুবিচারের দাবি জানিয়ে অপরাধীদের কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন। তবে আদালত স্পষ্ট করে জানায়, এফআইআর দায়ের হওয়া মানেই কারও বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত হওয়া নয়। আপাতত এফআইআর-এ উল্লিখিত তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে সিবিআই নতুন করে নিরপেক্ষ তদন্ত শুরু করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এমপি এবং পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এমপির নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের সরকারি প্রতিনিধিদল কক্সবাজারে পৌঁছেছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে আকাশপথে কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছালে জেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা তাঁদের ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা জানান।
এ সময় কক্সবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি শাহজাহান চৌধুরী এমপি, কক্সবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য আলমগীর ফরিদ, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য শামিম আরা স্বপ্না, কক্সবাজার জেলা পরিষদের প্রশাসক এ.টি.এম. নুরুল বশর চৌধুরীসহ অন্যান্য বিএনপি নেতৃবৃন্দ ও ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সফরসূচি অনুযায়ী, মঙ্গলবার পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলার নাফ নদীসংলগ্ন পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিভিন্ন পোল্ডার ও বেড়িবাঁধ পুনর্বাসন প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করবেন। এই প্রকল্পগুলোর মধ্যে পোল্ডার ৬৭/এ, ৬৭, ৬৭/বি ও ৬৮-এর পুনর্বাসন কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। পরিদর্শনের পর তিনি স্থানীয় প্রশাসন ও প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
অন্যদিকে, দুই দিনের সরকারি সফরে আসা পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদও মঙ্গলবার উখিয়া-টেকনাফের নাফ নদী বরাবর পোল্ডারগুলোর পুনর্বাসন কাজ সরেজমিনে পরিদর্শন করবেন। সেখানে তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ডের চলমান কার্যক্রম, বাঁধের বর্তমান অবস্থা এবং উপকূলীয় ও সীমান্ত এলাকার সুরক্ষা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করার পরিকল্পনা করেছেন।
সফরের দ্বিতীয় দিন বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) প্রতিমন্ত্রী কুতুবদিয়া সফর করবেন। সেখানে তিনি পোল্ডার নং-৭১ এলাকায় প্রস্তাবিত ‘সুপার ডাইক নির্মাণসহ টেকসই পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা’ প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করবেন। প্রথম পর্যায়ে কুতুবদিয়ায় প্রায় ৬ কিলোমিটার টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরিদর্শনকালে তিনি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা এবং স্থানীয় জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
কুতুবদিয়া ছাড়াও প্রতিমন্ত্রীর পেকুয়া উপজেলার উপকূলীয় পোল্ডার পুনর্বাসন প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনের পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে তিনি বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি নিষ্কাশন ও সেচব্যবস্থার উন্নয়ন সংক্রান্ত কার্যক্রম পর্যালোচনা করবেন।
উল্লেখ্য, কক্সবাজারের উপকূলীয় ও সীমান্তবর্তী এলাকার বেড়িবাঁধগুলো ভাঙন, জলোচ্ছ্বাস ও বন্যার ঝুঁকি মোকাবিলায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ফলে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর এই যৌথ পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে চলমান প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি, বাঁধের স্থায়িত্ব বৃদ্ধি এবং উপকূলীয় জনপদের নিরাপত্তা নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ