ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়াবে বিসিবি


বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়াবে বিসিবি

বেশ কয়েকদিন ধরে ভারী বর্ষণের ফলে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার এবং বান্দরবানসহ বেশ কিছু জেলা প্লাবিত হয়েছে, যার ফলে চলমান বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

টানা বর্ষণের কারণে চট্টগ্রামের বহু রাস্তাঘাট ডুবে যাওয়ায় দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে, এবং এর ফলে ব্যাপক জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। তীব্র জলাবদ্ধতার জন্য বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছে। অন্যদিকে, বন্যার পানিতে বিপর্যস্ত অঞ্চলজুড়ে লাখ লাখ মানুষ আটকা পড়েছেন।

আজ বন্যা দুর্গতদের সহায়তার ঘোষণা ফেসবুকের মাধ্যমে করেন বর্তমানে এডিনবরায় অবস্থানরত বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল।

আরও পড়ুন: সৌদি আরব থেকে ৯ মাসে ২ হাজার মরদেহ, নারী কর্মীরা সন্তানের বাবার পরিচয় জানেন না

তিনি তাঁর পোস্টে লিখেন, ‘চট্টগ্রাম-কক্সবাজার ও বান্দরবানসহ দেশের বহু এলাকা বর্তমানে জলমগ্ন। লক্ষ লক্ষ মানুষ বন্যার পানিতে আটকা পড়েছেন। অগণিত মানুষ অনিশ্চয়তা ও আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। এই দুর্যোগের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্থ সকলের প্রতি আমরা সংহতি জানাচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘বন্যা দুর্গতদের সাহায্য করার জন্য বিসিবির পক্ষ থেকে আমরা অবশ্যই সাধ্যমতো সবকিছু করব। আমি আশা করি এই দুর্যোগ দ্রুত কেটে যাবে। ততদিন পর্যন্ত আমি সকলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, দুঃস্থদের পাশে দাঁড়ানোর এবং নিজ নিজ সামর্থ্যানুযায়ী অবদান রাখার।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকায় চীনা দূতাবাসে সিপিসির ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪২ পি.এম


ঢাকায় চীনা দূতাবাসে সিপিসির ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

বাংলাদেশ-চীন অংশীদারিত্ব এবং দুই দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করে আজ ঢাকায় কমিউনিস্ট পার্টি অব চায়না’র (সিপিসি) ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেছে ঢাকাস্থ চীনা দূতাবাস।

এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক সেমিনারে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সেমিনারে সিপিসি’র সাধারণ সম্পাদক শি জিনপিংয়ের দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ ভাষণের বিস্তারিত তুলে ধরেন রাষ্ট্রদূত।

চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরকালে সিপিসি ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে। এটি দলগত যোগাযোগ ও সহযোগিতায় নতুন গতি এনেছে।

রাষ্ট্রদূত আরো জানান, দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নে বাংলাদেশের সব বন্ধুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত সিপিসি। একইসঙ্গে রাষ্ট্র পরিচালনা সংক্রান্ত অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং বিভিন্ন খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারে আগ্রহী চীন, যা দুই দেশের মানুষের জন্য সুফল বয়ে আনবে।

সেমিনারে অংশ নেওয়া অতিথিরা সিপিসি’র ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে অভিনন্দন জানান। তারা আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনে একটি যৌথ সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে বাংলাদেশ ও চীন একসঙ্গে কাজ করে যাবে।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী, সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির অধ্যাপক মজিবুর রহমান, এনসিপি’র মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, থিংক ট্যাংক ও শিক্ষাবিদরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চীনের একটি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষায় দুশ্চিন্তায় যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪৪ পি.এম


চীনের একটি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষায় দুশ্চিন্তায় যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা!

প্রশান্ত মহাসাগরের গভীরে হঠাৎ ভেসে ওঠে একটি সাবমেরিন। কিছু সেকেন্ডের মধ্যে আকাশ চিরে ছুটে যায় একটি বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র। এতে কোন বিস্ফোরক ছিল না। কিন্তু বিস্ফোরণের শব্দ ছাড়াই এই একটিমাত্র উৎক্ষেপণ যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডকে দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছে। এরপরই প্রশ্ন উঠেছে, চীন কি শুধুমাত্র একটি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করেছে, নাকি পুরো বিশ্বের উদ্দেশে শক্তির বার্তা পাঠিয়েছে?

গেলো সোমবার, চীন পারমাণবিক শক্তিচালিত একটি সাবমেরিন থেকে আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বা আইসিবিএম উৎক্ষেপণ করে। দেশটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এটি ছিল বার্ষিক সামরিক প্রশিক্ষণের অংশ। এই পরীক্ষায় কোন নির্দিষ্ট দেশকে লক্ষ্য করে পরিচালনা করা হয়নি এবং ক্ষেপণাস্ত্রটিতে কোন পারমাণবিক ওয়ারহেডও ছিল না। সংবাদমাধ্যম ইনডিপেনডেন্টের প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ পেয়েছে।

তবে উদ্বেগের একটি ভিন্ন দিক রয়েছে। এটি ছিল প্রায় দুই বছর পরে প্রশান্ত মহাসাগরে চীনের প্রথম আইসিবিএম পরীক্ষা। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের মতে, ক্ষেপণাস্ত্রটি বিশেষ ধরনের হতে পারে, যা চীনের উপকূল থেকে উৎক্ষেপণ করেও যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে পৌঁছাতে সক্ষম। চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া গত মঙ্গলবার ক্ষেপণাস্ত্রটির একটি ছবি প্রকাশ করেছে। এই ছবিটি দেখে অনেক বিশ্লেষকের ধারণা, এটি জেএল-৩ অথবা জেএল-২ শ্রেণির সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র। বিশেষ করে জেএল-৩-এর পাল্লা ১০ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি। অর্থাৎ, পৃথিবীর বহু দূরের লক্ষ্যবস্তুতে এটি পৌঁছাতে পারে। চীনের রাষ্ট্র-সমর্থিত সংবাদপত্র গ্লোবাল টাইমস ও এ তথ্য জানায়।

এবং এখানেই আন্তর্জাতিক বিতর্কের সূচনা হয়েছে। কারণ, ক্ষেপণাস্ত্রটি উৎক্ষেপণ করা হয়েছে প্রশান্ত মহাসাগরের সেই অঞ্চলে, যেটিকে ১৯৮৬ সালের রারোটোঙ্গা চুক্তির মাধ্যমে পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল। চীন নিজেও পরে সেই চুক্তির সংশ্লিষ্ট প্রটোকলে সম্মতি জানিয়েছিল।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র, টমি পিগট জানায়, বিশ্ব যখন পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে, তখন চীন ঠিক উল্টোপথে হাঁটছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বক্তব্য, বেইজিংয়ের এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ প্রচেষ্টাকে দুর্বল করে দিচ্ছে। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানিজও এই পরীক্ষাকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেছেন। তার অভিযোগ, এত বড় ধরনের সামরিক পরীক্ষা চালানোর আগে প্রতিবেশী দেশগুলোকে মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে জানানো হয়েছে। এতে আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরী হয়েছে।

নিউজিল্যান্ড একে অনাকাঙ্ক্ষিত বলেছে এবং তাইওয়ানের দাবি, এটি ভয় দেখানোর একটি কৌশল। এমনকি চীনের বন্ধুরাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত সলোমন দ্বীপপুঞ্জের প্রধানমন্ত্রী ম্যাথিউ ওয়ালে বলেছেন, বন্ধু হলে, তাহলে ভয় দেখানোর প্রয়োজন নেই।

বিশ্লেষকদের মতে, এই পরীক্ষার সময়সূচী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঠিক তখনই অস্ট্রেলিয়া ও ফিজি নতুন প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করছিল। অনেকের ধারণা, সেই প্রেক্ষাপটে চীন তার সামরিক সক্ষমতার একটি স্পষ্ট বার্তা দিতে চেয়েছে। তবে বেইজিং সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের বক্তব্য, এটি ছিল নিয়মিত সামরিক মহড়ার অংশ এবং পুরো প্রক্রিয়া নিরাপদ ও পেশাদারভাবেই সম্পন্ন হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যাকবলিত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ করলেন দীপেন দেওয়ান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪৬ পি.এম


বন্যাকবলিত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ করলেন দীপেন দেওয়ান

তিনি এলাকায় পরিদর্শনসহ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে শুকনো খাবার, আর্থিক সহায়তা, ঢেউ টিন এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছেন। আজ সোমবার দুপুর থেকে দীপেন দেওয়ান সরকারি দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে বাঘাইছড়ি উপজেলার বিভিন্ন বন্যাকবলিত এলাকা ও আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করেন এবং সহায়তা প্রদান করেন।

এ সময় বিস্তারিত বলে তিনি জানান, সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সকল ধরনের সাহায্য-সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে এবং কোনো মানুষকে না খেয়ে থাকতে হবে না। তিনি আরো বলেন, দুর্যোগকালে বন্যাকবলিত অসহায় মানুষের দুর্ভোগ কমাতে সরকার যথেষ্ট পরিমাণ সহায়তা দিচ্ছে। বর্তমানে এই দুর্যোগকালীন পরিস্থিতিতে বাঘাইছড়িতে সব ধরনের এনজিও’র কিস্তি আদায় বন্ধ রাখতে তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।

পরিদর্শনের সময় দীপেন দেওয়ান উপজেলা প্রশাসনের স্কুল এন্ড কলেজ আশ্রয়কেন্দ্রসহ বিভিন্ন প্লাবিত এলাকায় যান। সেখানকার পানিবন্দী ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নেন এবং তাদের সাথে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন। তিনি প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে শুকনো খাবার, আর্থিক সহায়তা, ঢেউ টিন এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন।

অন্যদিকে, উপস্থিত ছিলেন বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমেনা মারজান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) সুপ্তশ্রী সাহা, বাঘাইছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাছির উদ্দীন মজুমদার, জেলা BNP’র সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম চৌধুরী ভুট্টো, সাইফুল ইসলাম পনির, দপ্তর সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুছ, সহ-কৃষি বিষয়ক সম্পাদক সেলিম উদ্দিন বাহারী এবং জেলা শ্রমিকদলের সভাপতি মমতাজ মিয়া।

বন্যা পরিস্থিতি ও আশ্রয়কেন্দ্রগুলো পরিদর্শন শেষে দীপেন দেওয়ান উপজেলা পরিষদে তার ব্যক্তিগত কার্যালয়ে এক জরুরি মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। সেখানে অনুষ্ঠিত সভায় উপজেলা প্রশাসনের সকল স্তরের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে বাঘাইছড়ির সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা, দ্রুত ত্রাণ পৌঁছানো এবং দুর্যোগ পরবর্তী পুনর্বাসন প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাইবার স্পেসে মাদক ব্যবসায় মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে সংশোধনী বিল পাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫০ পি.এম


সাইবার স্পেসে মাদক ব্যবসায় মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে সংশোধনী বিল পাস

 

সাইবার স্পেস ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে অবৈধ মাদক ব্যবসার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে মাদক নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) বিল, ২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।

আজ সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিলটি উত্থাপন করেন। জনমত যাচাই, সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে প্রেরণ এবং সংশোধনী প্রস্তাব নিষ্পত্তির পর কণ্ঠভোটের মাধ্যমে বিলটি পাস হয়।

সংশোধিত বিলে, সংসদীয় কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে, প্রযুক্তিনির্ভর মাদক-সংক্রান্ত অপরাধকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন আইনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সাইবার স্পেস, ডিজিটাল ডিভাইস, ওয়েবসাইট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, মোবাইল অ্যাপ, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, ইলেকট্রনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা অথবা অন্য কোনো ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে মাদকদ্রব্য বা মনঃপ্রভাবকারী পদার্থ কেনাবেচা, সরবরাহ, প্রস্তাব, বিজ্ঞাপন, যোগাযোগ, সহায়তা, অথবা অন্য কোনো অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করেন, তবে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

এছাড়া, ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম, ই-ওয়ালেট, ভার্চুয়াল অ্যাসেট বা ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহার বা ব্যবহারের চেষ্টা করে এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করলে সেটিও অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।

আইনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সংঘটিত মাদক-সংক্রান্ত অপরাধের বিচার করতে অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে মাদক উদ্ধার হওয়া বাধ্যতামূলক হবে না।

এ ধরনের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে যেকোনো মেয়াদের কারাদণ্ড থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ড এবং সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

যদি কোনো অপরাধ আন্তর্জাতিক বা সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের অংশ হিসেবে সংঘটিত হয়, তবে অপরাধীকে যেকোনো মেয়াদের কারাদণ্ড, সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড দেওয়া যাবে।

আইন অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট আদালত অথবা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে মাদক অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সাইবার স্পেসের বিভিন্ন রিসোর্স, ডিজিটাল ডিভাইস, ডিজিটাল অ্যাকাউন্ট, ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম, ই-ওয়ালেট, ভার্চুয়াল অ্যাসেট ও ক্রিপ্টোকারেন্সি জব্দ, অপসারণ, বাজেয়াপ্ত অথবা রাষ্ট্রের অনুকূলে জব্দ করার নির্দেশ দিতে পারবে।

সংশোধিত আইনে সাধারণ আদালতের এখতিয়ার বহাল রাখার পাশাপাশি মাদক-প্রবণ এলাকায় পৃথক মাদক অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল গঠনের বিধান পুনর্বহাল করা হয়েছে।

এছাড়া, প্রযুক্তিনির্ভর মাদক অপরাধ, বিশেষ করে সাইবার স্পেসে সংঘটিত অপরাধ দমনে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে আগ্নেয়াস্ত্র বহন এবং ডগ স্কোয়াড গঠনের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

বিলের ওপর আলোচনা করতে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। এ ধরনের অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থাও গ্রহণ কর হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%