রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:১৮ পি.এম
রাজধানীর একটি ভবনের কার্নিশ বেয়ে চুরি করতে ওঠার সময় এক যুবকের মৃত্যু ঘটে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোরে কামরাঙ্গীরচরের মাদবর বাজার এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
নিহত যুবকের নাম হৃদয় (২৬), তিনি কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার হিলোছিয়া গ্রামের মো. শাহজাহানের পুত্র। বর্তমানে হৃদয় কামরাঙ্গীরচরের পাকাপোল এলাকায় বসবাস করতেন।
কামরাঙ্গীরচর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রাকিব হোসাইন জানান, হৃদয় নামের ওই যুবক গত রাতে মাদবর বাজার এলাকার একটি তিনতলা ভবনের কার্নিশ বেয়ে ভবনের ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন। এ সময় সম্ভবত তার পা পিছলে গিয়ে তিনি নিচে পড়ে মারা যান।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, চুরি করার উদ্দেশ্যে তিনি ভবনটিতে প্রবেশের জন্য কার্নিশ বেয়ে উঠেছিলেন। এ ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত চলছে।
নিহত হৃদয়ের বড় ভাই মো. কাওসার জানান, হৃদয়ের তিন মাস বয়সী একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। তিনি অটোরিকশা চালাতেন এবং মাদকাসক্ত ছিলেন। শনিবার দুপুরে বাসা থেকে বের হওয়ার পর তিনি আর ফিরে আসেননি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বক্তব্য রাখার সময় কূটনীতিকদের ‘নৈতিক ভীরু’ হিসেবে উল্লেখ করেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় আইসল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী থরগেরদুর ক্যাটরিন গুনারসদোত্তির বলেন, নৈতিক ভীরু হচ্ছে তারা, যারা ন্যায্য ও স্থায়ী শান্তির জন্য আলোচনা করতে অস্বীকার করেন, মানবিক সহায়তা আটকে রাখেন এবং বারবার আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেন।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় আইসল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন। গাজা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে তিনি নেতানিয়াহুর ব্যবহৃত ‘নৈতিক ভীরু’ শব্দের উল্লেখ করে তার নিজস্ব ব্যাখ্যা তুলে ধরেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে নেতানিয়াহুর বক্তব্য শুরু হওয়ার সময় বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা সভাকক্ষ ত্যাগ করেন। এ সময় নেতানিয়াহু বলেন, যারা এখনো হল ছেড়ে যাননি, তারা যেন চলে যান। তিনি তাদের ‘নৈতিক ভীরু’ বলে অভিহিত করেন।
নেতানিয়াহুর বক্তব্যের পরের দিন আইসল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নৈতিক ভীরু বলতে তিনি বোঝাতে চান সেই নেতাদের, যারা ন্যায্য ও স্থায়ী শান্তির জন্য আলোচনা করতে অস্বীকার করেন। তিনি মানবিক সহায়তা পৌঁছাতে বাধা দেওয়া এবং আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের বিষয়টিও উল্লেখ করেন।
গাজা পরিস্থিতি নিয়ে আইসল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে মানবিক সহায়তা এবং আন্তর্জাতিক আইন বিষয়ক গুরুত্ব উঠে আসে। চলতি মাসের শুরুতে আইসল্যান্ডসহ কয়েকটি দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের কর্মকাণ্ড নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের পক্ষে যৌথ বিবৃতি দেন। তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী জেলা প্রশাসন এবং বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) এর বিভাগীয় কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে রবিবার দুপুর ১.৩০ ঘটিকায় রাজশাহী মহানগরীতে একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এই আদালতে নগরীর মহিলা কলেজের নিকটে অবস্থিত রাজ বেকস লাইভ বেকারীকে ৫,০০০/- (পাঁচ হাজার টাকা মাত্র) জরিমানা করা হয়।
প্রতিষ্ঠানটি বিএসটিআই’র গুণগত মানসনদ গ্রহণ না করেই ‘বিস্কুট, পাউরুটি ও কেক’ উৎপাদন ও বিক্রি-বিতরণ করে আসছিল। এছাড়া, পণ্যের উৎপাদন ও মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখসহ অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় তথ্য সম্বলিত লেবেল ব্যবহার করা হচ্ছিল না।
রাজশাহী জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোসা: ফারহানা হোসেনের নেতৃত্বে পরিচালিত এই মোবাইল কোর্টে বিএসটিআই বিভাগীয় অফিস, রাজশাহীর সার্টিফিকেশন মার্কস উইং কর্মকর্তা প্রকৌশলী জুনায়েদ আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
এসময় রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের সদস্যবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন। জনস্বার্থে ভেজাল প্রতিরোধ এবং গুণগত মানসম্পন্ন খাদ্যপণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এধরণের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতে নতুন ভোটার হিসেবে ১৮ বছর পূর্ণ করা জেন-জিদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার বার্ষিক হালনাগাদ প্রক্রিয়া বর্তমানে থমকে রয়েছে। নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্যের কারণে ২০২৬-২৭ সালের এই কার্যক্রম নির্ধারিত মে-জুন সময়সীমার মধ্যেও শুরু হয়নি বলে জানানো হয়েছে দ্য ইকোনমিক টাইমস ।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালের পর দেশজুড়ে নিয়মিত বার্ষিক ভোটার তালিকা হালনাগাদ প্রক্রিয়া আর চালু হয়নি। ২০২৫ সালে বিহারে বিশেষ নিবিড় সংশোধন কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর বিষয়টি আরও জটিল হয়ে ওঠে। নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক জোশী নিয়মিত হালনাগাদ প্রক্রিয়া পুনরায় চালুর পক্ষে মত দিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের বক্তব্য হলো, বিশেষ নিবিড় সংশোধন চললেও নতুন ১৮ বছর বয়সী ভোটারদের তালিকায় যুক্ত করতে নিয়মিত হালনাগাদ প্রয়োজন।
ভারতে সাধারণত প্রতি বছর ভোটার তালিকার খসড়া প্রস্তুত ও সংশোধনের পর জানুয়ারির শুরুতে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়। এ প্রক্রিয়ায় নতুন ভোটার হিসেবে জেন-জিদের অন্তর্ভুক্তির পাশাপাশি ভোটারদের তথ্যের ভুল, অসংগতি ও অমিলও যাচাই করা হয়। ১ জানুয়ারির পর ১৮ বছর পূর্ণ করা নাগরিকদের জন্য ১ এপ্রিল, ১ জুলাই ও ১ অক্টোবর—এই অতিরিক্ত যোগ্যতার তারিখগুলোও রাখা হয়েছে, যাতে ভোটার হওয়ার জন্য তাদের পুরো এক বছর অপেক্ষা করতে না হয়।
তবে ২০২৬-২৭ সালের হালনাগাদ প্রক্রিয়া শুরু না হওয়ায় জেন-জিদের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ২০২৭ সালে যেসব রাজ্যে নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে, সেসব রাজ্যে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
এদিকে নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য নিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদন প্রকাশের পর কমিশন জানিয়েছে, গত এক বছরে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো পূর্ণ কমিশনের সম্মতিতেই নেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই মতপার্থক্যের প্রভাব কমিশনের প্রশাসনিক কাজেও পড়েছে। প্রায় ৫০ জন কর্মকর্তা ও উপ-নির্বাচন কমিশনারের বার্ষিক কর্মদক্ষতা মূল্যায়ন প্রতিবেদনও আটকে থাকার কথা জানিয়েছে দ্য ইকোনমিক টাইমস।
সূত্র: দ্য ইকোনমিক টাইমস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন। বিশেষত সন্ধ্যার পর আবাসিক হলসহ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে মশার উৎপাত দেখা যাচ্ছে। এর ফলে ক্যাম্পাসজুড়ে ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া সহ মশাবাহিত রোগের আতঙ্ক বিরাজ করছে, যা শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক জীবনকে ব্যাহত করছে।
সম্প্রতি হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মনিরুল ইসলাম সাকিব ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। জানা যায়, তিনি ২১ সেপ্টেম্বর থেকে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটেছে এবং শরীরের প্লাটিলেট কমে গেছে।
সরজমিনে দেখা যায়, মশার অস্বাভাবিক বিস্তারের অন্যতম কারণ হলো যত্রতত্র জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা। বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলের আশপাশে নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ না হওয়া এবং বিভিন্ন জায়গার ড্রেনের খোলা অবস্থায় পানির প্রবাহ না থাকার কারণে, সেখানে মশার নিরাপদ প্রজননক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। পচনশীল আবর্জনা ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ মশার বংশবিস্তারে সহায়তা করছে, যা পুরো ক্যাম্পাসের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন, বিকেলের পর আবাসিক হল, রিডিং রুম, ডরমেটরি, দোকানপাট, ক্যাফেটেরিয়া এবং কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির আশপাশে মশার কামড় অসহনীয় হয়ে উঠছে। এতে পড়াশোনার স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে, এমনকি অবসরে ক্যাম্পাসে আড্ডা দেওয়ার মুহূর্তও সম্ভব হচ্ছে না।
বিশ্ববিদ্যালয়ের দোলনচাঁপা হলের শিক্ষার্থী রিফাইয়া ইসলাম সূচনা বলেন, "মশার উপদ্রব একদম অস্বাভাবিক। সবসময় মশার প্যানপ্যানানি শব্দ আছেই। মনে হয় যেন সব সময়ই কনসার্ট চলে বিশ্ববিদ্যালয়ে!" সন্ধ্যার পর এটি আরও বেড়ে যায়। তিনি আরও জানান, "কয়েল জ্বালিয়ে বা মশারি টাঙানো ছাড়া পড়ালেখা করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। মাঝে মাঝে কয়েল জ্বালিয়েও কোনো কাজ হয় না। রাতে ঘুমাতেও অনেক সমস্যা হয়। মশার কামড় থেকে বাঁচতে সব সময় সতর্ক থাকতে হচ্ছে। এভাবে নিয়মিত মশার উপদ্রবের মধ্যে থাকা খুবই বিরক্তিকর এবং পড়াশোনা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রায়ও সমস্যা হচ্ছে।"
বিদ্রোহী হলের এক আবাসিক শিক্ষার্থী জানান, "আমরা যারা নিচের তলার রুমগুলোতে থাকি, তারা মশার সহজ শিকারে পরিণত হচ্ছি। হলের চারপাশের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা এর মূল কারণ।" তিনি অভিযোগ করেন, "এই বিষয়ে হল প্রশাসনের উদ্যোগ নেই বললেই চলে, ফলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা মশাবাহিত রোগের তীব্র ঝুঁকিতে রয়েছে।"
শিউলিমালা হলের আবাসিক শিক্ষার্থী জাকিয়া সুলতানা বলেন, "পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত মশানিধন স্প্রে করা এবং হলের নিচের ড্রেনসহ চারপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা অতীব জরুরি।"
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারের অতিরিক্ত চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. আবুল খায়ের মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন মন্তব্য করেন, "কয়েকজন শিক্ষার্থীর মধ্যে ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দেওয়ায় তাদেরকে বিশেষ নজরদারিতে রাখা হয়েছে।" তিনি সতর্কতা জারি করে বলেন, "এই পরিস্থিতিতে ডেঙ্গু সংক্রমণ রোধে আমাদের সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি টাঙাতে হবে এবং বাসা-বাড়ি বা ক্যাম্পাসের টব ও অন্যান্য স্থানে জমে থাকা ময়লা পানি দ্রুত পরিষ্কার করতে হবে। এছাড়া কেউ ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে আতঙ্কিত না হয়ে পর্যাপ্ত ডাবের পানি ও অন্যান্য তরল খাবার গ্রহণ করতে হবে।"
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, "সম্প্রতি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং একজন আক্রান্ত হওয়ায় উদ্ভূত পরিস্থিতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদারকি করছে।" তিনি জানান, "গত দুই মাস আগে মাত্র শিউলিমালা হলে ফগার মেশিন দিয়ে মশা নিধন করা হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব সরঞ্জাম না থাকা এবং পৌরসভার নানান জটিলতার কারণে অন্যান্য হলে ওষুধ হলেও, সম্ভব হয়নি। তবে, শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় দ্রুততম সময়ে বাকি হলগুলোতে পুনরায় সমন্বিতভাবে মশক নিধন কার্যক্রম চালুর লক্ষ্যে পৌরসভাকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ