রবিন বরকত উল্লাহ ( ব্যুরো চিফ ) ময়মনসিংহ
বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:০৪ পি.এম
ময়মনসিংহ নগরীকে আরও নান্দনিক, সৃজনশীল ও সাংস্কৃতিকভাবে সমৃদ্ধ করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কবি, শিল্পী, সাহিত্যিক, নৃত্যশিল্পী, সংস্কৃতিকর্মী ও কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন (মসিক)।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নগর ভবনের শহীদ শাহাবুদ্দিন মিলনায়তনে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় ময়মনসিংহ নগরী নিয়ে আগামীর ভাবনা, সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন কার্যক্রম এবং নগর উন্নয়নে সৃজনশীল অঙ্গনের ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
এ সময় নগরীর ইতিবাচক কর্মকাণ্ড ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরতে কবি, শিল্পী, সাহিত্যিক, সংস্কৃতিকর্মী ও কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের ভূমিকা নিয়েও আলোচনা হয়।আলোচনায় অংশ নেন
লেখক, এডভোকেট সালাউদ্দিন পাঠান কবি শামসুল ফয়েজ,কবি শরৎ সেলিম এবং তরুন কনটেন্ট ক্রিয়েটরগণ ।
পাশাপাশি শিল্প-সংস্কৃতির চর্চাকে সম্পৃক্ত করে একটি নান্দনিক ও মানবিক নগর গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন অংশগ্রহণকারীরা।
সভায় ময়মনসিংহ নগরীর সাংস্কৃতিক বিকাশ, সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের প্রসার এবং নগর উন্নয়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করার বিভিন্ন প্রস্তাব ও মতামত উঠে আসে।
মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ রুকুনোজ্জামান রোকন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ম্যানচেস্টার সিটি প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক নিয়ম ভঙ্গের সব অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছে, যা ২০০৯-১০ থেকে ২০১৭-১৮ মৌসুম পর্যন্ত প্রযোজ্য। স্বাধীন কমিশনের তদন্তে এটি প্রমাণিত হয়েছে যে, ক্লাবটি ভুয়া চুক্তি ও কৃত্রিম আয় দেখিয়ে প্রায় ৯০০ মিলিয়ন পাউন্ড (১.২ বিলিয়ন পাউন্ড) বাড়তি রাজস্ব দেখিয়েছে।
ইংল্যান্ডের শীর্ষ ফুটবল প্রতিযোগিতা প্রিমিয়ার লিগ বিষয়টি একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে।
তদন্ত ও অভিযোগ
২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে চার বছরের তদন্ত শেষে সিটির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। কমিশন জানিয়েছে, স্পন্সর কোম্পানিগুলো আংশিক অর্থ প্রদান করলেও বাকি অর্থ আসত আবুধাবি ইউনাইটেড গ্রুপ থেকে, যারা ক্লাবের মালিক। খরচও কৃত্রিমভাবে কম দেখানো হয়েছিল।
তদন্তের সময় আরও উঠে এসেছে যে, সিটি প্রিমিয়ার লিগের তদন্ত প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করেছে।
প্রতিক্রিয়া ও আপিল
প্রিমিয়ার লিগের প্রধান নির্বাহী রিচার্ড মাস্টার্স মন্তব্য করেছেন, “প্রায় এক দশক ধরে নিয়ম ভঙ্গের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, কী শাস্তি দেওয়া হবে।”
সিটি তাদের অবস্থান জানিয়ে বলেছে যে, তারা আপিল করবে, “আমরা নির্দোষ। প্রিমিয়ার লিগের মতামতে আইন ও তথ্যগত ভুল রয়েছে।”
সম্ভাব্য শাস্তি
প্রিমিয়ার লিগের নিয়ম অনুযায়ী শাস্তি হতে পারে জরিমানা, পয়েন্ট কাটা বা এমনকি লিগ থেকে বহিষ্কার।
এভারটন ও নটিংহ্যাম ফরেস্টকে ২০২৩-২৪ মৌসুমে একক ভঙ্গের জন্য পয়েন্ট কাটা হয়েছিল।
এক্ষেত্রে শতাধিক অভিযোগে দোষী সিটি অবনমনের মুখে পড়তে পারে।
প্রতিক্রিয়া
সাবেক চেয়ারম্যান ডেভিড বার্নস্টেইন বলেছেন, “এটি অবিশ্বাস্যভাবে গুরুতর অপরাধ। শুধু আর্থিক জরিমানা নয়, শাস্তি আরও কঠোর হতে হবে। আপিল ব্যর্থ হলে সিটিকে লিগে রাখা যাবে না।”
যুক্তরাজ্যের সংস্কৃতি, গণমাধ্যম ও ক্রীড়া সচিব লিসা ন্যান্ডি মন্তব্য করেছেন, “প্রিমিয়ার লিগের রিপোর্ট অত্যন্ত গুরুতর ও স্পষ্ট।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের ২৭৮ কিলোমিটার সীমান্তজুড়ে পাকা রাস্তা নির্মাণের পাশাপাশি চরাঞ্চলের অবকাঠামো উন্নয়ন ও সুপেয় পানি সরবরাহের জন্য ১০০ কোটি টাকার একটি বিশেষ প্রকল্প গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
এই ঘোষণা বুধবার সকালে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জেলা আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির যৌথ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি করেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, কুড়িগ্রাম জেলা ভারতের তিনটি অঙ্গরাজ্য—পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও মেঘালয় সীমান্তঘেঁষা। এই জেলার ২৭৮ কিলোমিটার সীমান্তজুড়ে মোট ৩৫টি বিওপি (বর্ডার পর্যবেক্ষণ চৌকি) রয়েছে। সীমান্তে নিরাপত্তা ও টহল ব্যবস্থা জোরদার করার লক্ষ্যে পুরো এলাকা জুড়ে যোগাযোগের সুবিধার্থে পাকা রাস্তা নির্মাণের জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরকে (এলজিইডি) প্রকল্প তৈরির নির্দেশ দেন তিনি।
দারিদ্র্য বিমোচন এবং যুবসমাজকে বিদেশমুখী ও আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থানের উপযোগী করে তোলার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি বলেন, তরুণদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে এবং বৈদেশিক কর্মসংস্থান বাড়াতে তাদের বিদেশি ভাষা শেখার ওপর জোর দিতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, কুড়িগ্রামের নদীবেষ্টিত প্রায় সাড়ে চার শ চরের অবহেলিত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। বিশেষ করে চরাঞ্চলের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করতে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করা হবে।
এছাড়াও, জেলাজুড়ে বিশুদ্ধ পানির সংকট দূরীকরণে ১০০ কোটি টাকার বিশেষ উন্নয়ন প্যাকেজ ঘোষণার কথা জানান মন্ত্রী। এর মধ্যে কুড়িগ্রাম সদর, রাজারহাট ও ফুলবাড়ী উপজেলার সুপেয় পানি সরবরাহের জন্য ৫০ কোটি টাকা এবং নাগেশ্বরী ও ভূরুঙ্গামারী উপজেলার জন্য ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ রেখে মোট ১০০ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।
যৌথ সভায় আরও বক্তব্য দেন কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আতিকুর রহমান মোজাহিদ, কুড়িগ্রাম-৩ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী, পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি, জেলা পরিষদের প্রশাসক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তফাফিজার রহমান মোস্তফা, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু, পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট বজলুর রশিদ ও কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি সফি খান প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গ্রামের নিরীহ ও সাধারণ নারীদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার নামে আইরিশ (চোখের ছাপ), আঙুলের ছাপ এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) মতো সংবেদনশীল বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ করছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র। এই তথ্যের অপব্যবহার করে বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় জড়িয়ে পড়ছে এসব নারীরা।
সম্প্রতি, দেশের বিভিন্ন জেলায় দায়ের হওয়া সাইবার ও প্রতারণা মামলায় ঝিনাইদহের নারীদের নাম ও পরিচয় অনুসন্ধানের চিঠি পৌঁছানোর পর পুরো এলাকা জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হলিধানী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে কিছুদিন ধরে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার দোহাই দিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে নারীদের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছিল। সাধারণ নারীরা এটিকে স্বাভাবিক সরকারি বা বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম ভেবে নিজেদের জাতীয় পরিচয়পত্র ও বায়োমেট্রিক তথ্য দিয়ে দেন। কিন্তু কিছুদিন যেতে না যেতেই সামনে আসে আসল প্রতারণার চিত্র।
সম্প্রতি চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন থানার একটি সাইবার মামলায় ঝিনাইদহ সদরের রামচন্দ্রপুর এলাকার জাহানারা বেগমের নাম উঠে আসে এবং সাতক্ষীরার তালা থানার একটি মামলায় একইভাবে হলিধানী এলাকার নাছিমা খাতুনের পরিচয় ও পুলিশ রেকর্ড যাচাইয়ের জন্য পিবিআই থেকে ঝিনাইদহ সদর থানায় অনুসন্ধান স্লিপ পাঠানো হয়। এর পরেই মূলত জালিয়াতির বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।
হলিধানী ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুরের জামিলা খাতুন, সোনিয়া খাতুন, রহিমা খাতুন ও আব্দুল হকসহ একাধিক বাসিন্দার অভিযোগ, কেবল এই দু-এক জন নন, এলাকাটির প্রায় ৩০০ নারীর কাছ থেকে একইভাবে চোখ ও আঙুলের ছাপ নেওয়া হয়েছে।
ভুক্তভোগী রহিমা খাতুন ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, তারা কখনো বিকাশ বা নগদ দিয়ে কোনো অর্থ আত্মসাৎ করেননি। স্বাস্থ্যসেবার নামে তাদের তথ্য নিয়ে এখন কীভাবে অন্য জেলার মামলায় তাদের নাম জড়িয়ে যাচ্ছে, তা ভেবে তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
ঘটনাটির সুষ্ঠ তদন্ত দাবি করে স্থানীয় জাহিদুল ইসলাম বাবু জানান, একটি সুসংগঠিত চক্র এই ডিজিটাল তথ্য হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক জালিয়াতি চালাচ্ছে এবং নিরীহ মানুষকে আইনি জটিলতায় ফেলছে।
ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান বুধবার দুপুরে জানান, বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। পুরো ঘটনা তদন্তের পরই প্রকৃত সত্য জানা যাবে। এর পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে তিনি জানান, বাড়িতে গিয়ে অপরিচিত কেউ যদি জাতীয় পরিচয়পত্র, চোখের বা আঙুলের ছাপসহ ব্যক্তিগত তথ্য চায়, তবে তা কোনো অবস্থাতেই যেন দেওয়া না হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে নিজের ‘অপ্রত্যাশিত’ সম্পর্ক নিয়ে এবার বক্তব্য রেখেছেন নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি। সম্প্রতি তিনি জনপ্রিয় টেলিভিশন অনুষ্ঠান ‘জিমি কিমেল লাইভ!’-এ অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে এ বিষয়ে আলোচনা করেন।
গত সপ্তাহে মেয়রের সরকারি বাসভবন ‘গ্রেসি ম্যানশন’-এ ট্রাম্পের সঙ্গে একটি বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় মামদানির।
এই বৈঠকটি ৪৪ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো ঘটেছে, যখন কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিউইয়র্ক মেয়রের বাসভবনে গিয়েছেন। বৈঠকের পর ট্রাম্প মামদানির প্রশংসা করে মন্তব্য করেন যে, তিনি খুব ভালো কাজ শুরু করেছেন এবং সফল মেয়র হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে, এই বৈঠকটি অনেককে অবাক করেছে। কারণ মামদানি একজন ডেমোক্রেটিক সোশ্যালিস্ট (সমাজতান্ত্রিক দলনেতা), আর ট্রাম্প তার রাজনৈতিক সভায় সমাজতন্ত্রের তীব্র সমালোচনা করে থাকেন।
টেলিভিশন শো-তে সঞ্চালক জিমি কিমেল রসিকতা করে জানতে চান, ‘আপনাদের কি শুরুতেই ভালো জমে গিয়েছিল? নাকি প্রেসিডেন্টকে পটিয়ে নিজের দিকে টানার জন্য আপনি কোনো কৌশল ব্যবহার করেছেন?’
মেয়র মামদানি উত্তরে বলেন, ‘না ভাই, একদমই তা নয়। প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আমার অনেক বিষয়ে বড় বড় মতবিরোধ রয়েছে।’
মামদানি জানান, তাদের আলোচনার মূল বিষয় ছিল নিউইয়র্ক শহরের উন্নয়ন। তারা দুজনেই নিউইয়র্ক শহরকে ভালোবাসেন এবং আলোচনাটি শুধুমাত্র শহরের মানুষের স্বার্থে সীমাবদ্ধ ছিল।
কিমেল জানতে চান, তারা কি একে অপরকে টেক্সট বা মেসেজ করেন? মামদানি জবাবে বলেন, ‘হ্যাঁ, মাঝে মধ্যে কথা বা বার্তা লেনদেন হয়। তবে সেটা সানিসাইড ইয়ার্ড আবাসন প্রকল্প এবং শহরের মানুষের কাছে কাজের সুযোগ পৌঁছে দেওয়ার বিষয় নিয়ে।’
কথোপকথনের এক পর্যায়ে কিমেল বলেন, ‘তাহলে ট্রাম্পকে এখনই আমাদের একটা সেলফি তুলে পাঠিয়ে দিন!’
মেয়র সঙ্গে সঙ্গে সেই প্রস্তাব নাকচ করে দিয়ে বলেন, ‘জিমি, আমি তোমাকে ভালোবাসি ঠিকই, কিন্তু আমি নিউইয়র্কের মানুষের আবাসন বা থাকার ব্যবস্থাকে আরও বেশি ভালোবাসি।’
এভাবে মেয়র মামদানি স্পষ্ট করে দিলেন যে, প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ট্রাম্প-কিমেলের পুরোনো শত্রুতা নিয়ে টিভি শো-তে মজা করার চেয়ে নিউইয়র্কবাসীর জন্য কাজ আদায় করে নেওয়াটাই তার কাছে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ