ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

এমপিদের উন্নয়ন প্রকল্পে সেন্টার থাকলেও নেই শিক্ষক-শিক্ষার্থী: প্রতিমন্ত্রী


এমপিদের উন্নয়ন প্রকল্পে সেন্টার থাকলেও নেই শিক্ষক-শিক্ষার্থী: প্রতিমন্ত্রী

এলাকার সংসদ সদস্যরা (এমপি) নিজেদের উন্নয়ন জাহির করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ট্রেনিং সেন্টার (প্রশিক্ষণ কেন্দ্র) তৈরি করলেও, সেগুলোতে কোনো শিক্ষক কিংবা শিক্ষার্থী নেই বলেই মন্তব্য করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর। এর ফলে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচির জন্য বরাদ্দকৃত তহবিল বা অর্থ কোনো কাজে আসছে না এবং কার্যকারিতা হারাচ্ছে বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে শিক্ষা ও কর্মসংস্থান বিষয়ক আয়োজিত ‘বাংলাদেশ-জাপান ডায়ালগ’-এ অংশ নিয়ে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে, প্রতিমন্ত্রী দেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভ্যন্তরীণ সেবা খাতের নানা সীমাবদ্ধতার বিষয় তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে এমন চারটি ট্রেনিং সেন্টার আছে, যেখানে শিক্ষক ছাড়াও ছাত্রও নেই। এগুলো মূলত এলাকার এমপিরা তাদের উন্নয়ন প্রদর্শনের জন্য তৈরি করেছিলেন। এসব অকার্যকর কর্মসূচির কারণে সরকারি ফান্ডের অপচয় হচ্ছে।’

আরও পড়ুন: পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীর হত্যা, স্বামী আতিয়ার রহমান থানায় আত্মসমর্পণ

বিদেশে দক্ষ জনশক্তি পাঠানোর উপর গুরুত্ব দিয়ে নুরুল হক বলেন, বাংলাদেশ এখন জাপানসহ ইউরোপের অন্যান্য দেশের শ্রমবাজারে (জব মার্কেটে) বড় পরিসরে কাজ করতে চায়। এই লক্ষ্য অর্জন এবং সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে দেশের নীতি বা পলিসির জায়গায় বড় পরিবর্তন প্রয়োজন।

প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোর দুরবস্থা কাটানোর জন্য নিজের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিকভাবে বিভাগীয় পর্যায়ের ট্রেনিং সেন্টারগুলোকে ‘মডেল’ হিসেবে তৈরি করা হবে। এর মাধ্যমে অন্যান্য কেন্দ্রের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হবে। এ সময় দেশের নিজস্ব আইডিয়া বা ভাবনাগুলোকে প্রচার না করার মানসিকতা থেকে বের হয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

সরকারি দফতরের সেবা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে নুরুল হক নুর বলেন, ‘সেবাগ্রহীতা হিসেবে যখন সাধারণ নাগরিকরা কোনো সরকারি দফতরে যান, তখন তারা এখনও সম্মানের সঙ্গে সেবা পায় না। এই সংস্কৃতির পরিবর্তন দরকার।’ তবে দেশের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর একটি চমৎকার ভিশন (লক্ষ্য) রয়েছে, উল্লেখ করে সেটি বাস্তবায়নে সবাইকে একসঙ্গে সামনে এগিয়ে যাওয়ার তাগিদ দেন তিনি।

ডায়ালগের এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ এবং জাপানের শিক্ষা, প্রযুক্তি ও কূটনৈতিক খাতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: ৭ নভেম্বর ঢাকায় বিএনপির শোভাযাত্রা, নেতৃত্ব দেবেন তারেক রহমান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সামাজিক মূল্যবোধ ও আচরণগত ইতিবাচক পরিবর্তন জরুরি: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৪৪ পি.এম


সামাজিক মূল্যবোধ ও আচরণগত ইতিবাচক পরিবর্তন জরুরি: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, মানুষের সামাজিক মূল্যবোধ ও আচরণগত ইতিবাচক পরিবর্তন জরুরি। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, জনসচেতনতা সৃষ্টিতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীনে স্বল্পদৈর্ঘ্য ভিডিওচিত্র (রিলস) তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, নারীর প্রতি সম্মান, বড়দের প্রতি শ্রদ্ধা, এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে নৈতিকতা বজায় রাখার বিষয়গুলো এই উদ্যোগে বিশেষ প্রাধান্য পাবে। আজ শনিবার ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘ইনসাইট ফর চেঞ্জ ফাউন্ডেশন’ (আইসিএফ)-এর আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। নাগরিক আচরণ পরিবর্তন ও সামাজিক মূল্যবোধ পুনর্গঠনের লক্ষ্যে আইসিএফ কাজ করবে বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়। তিনি আরো বলেন, কেবল মানব আচরণই নয়, বরং পশুপাখির প্রতি মমত্ববোধ জাগিয়ে তুলতেও তথ্য মন্ত্রণালয় কাজ করবে। এছাড়া সড়ক ব্যবহারের শৃঙ্খলা রক্ষা এবং রাস্তাঘাট নোংরা না করার মতো মৌলিক নাগরিক দায়িত্বগুলো প্রাথমিক স্তর থেকে মানুষকে শেখানোর প্রয়োজন রয়েছে। তিনি রাস্তায় যত্রতত্র থুথু না ফেলা এবং ময়লা-আবর্জনা না ফেলার জন্য জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে সবার প্রতি আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। তিনি বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী আমলে আমাদের দীর্ঘদিনের সামাজিক মূল্যবোধ ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে যেকোনো বয়স্ক মানুষকে অপমান করাকে অনেকে ‘স্মার্টনেস’ মনে করে, যা সম্পূর্ণ ভুল এবং অন্যায়। মানুষের আচরণগত ও অভ্যাসগত নেতিবাচক পরিবর্তনের কারণে সমাজে অল্প বয়সেই নানা জটিল রোগ বাড়ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার নতুন স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্য পরিচর্যাকে বিশেষ ফোকাস দিচ্ছে। সুস্থ থাকার জন্য তিনি নিয়মিত হাঁটার অভ্যাসে উদ্বুদ্ধ করার আহ্বান জানান। ইনসাইট ফর চেঞ্জ ফাউন্ডেশনের (আইসিএফ) প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার নওফেল জমিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বিশেষ অতিথি ছিলেন পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নওশাদ জমির এবং জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্রের পরিচালক আফসানা বেগম। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে আইসিএফ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার নওফেল জমির সংগঠনের মূল লক্ষ্য, ভবিষ্যৎ স্বপ্ন এবং সামাজিক রূপান্তরের কর্মপদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এরপর অনুষ্ঠানে নাগরিক আচরণ পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তার ওপর দু’টি তথ্যবহুল ভিডিওচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দ্বিতীয় বিয়েকে কেন্দ্র করে জটিলতায় ছাত্রদল নেতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৪৭ পি.এম


দ্বিতীয় বিয়েকে কেন্দ্র করে জটিলতায় ছাত্রদল নেতা

প্রথম বিয়ে গোপন রেখে দ্বিতীয়বার বিয়ে করতে গিয়েছিলেন সাব্বির আহমেদ সাদান নামের এক ছাত্রদল নেতা। কিন্তু, বিয়ের আসরে ফাঁস হয়ে যায় তার আগের বিয়ের কথা। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বর সাব্বির ও তার সঙ্গে যাওয়া লোকজনকে মারধর করে আটকে রাখেন কনের বাড়ির লোকেরা। শেষ পর্যন্ত কনেপক্ষকে পাঁচ লাখ টাকা দিয়ে সেখান থেকে ছাড়া পান তারা। 

চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার (১২ জুন) রাতে নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার পাইকুরা ইউনিয়নের সোনাকান্দা গ্রামে।

বর সাব্বির আহমেদ সাদান একই জেলার মদন উপজেলার তিয়শ্রী ইউনিয়নের ছাত্রদলের সভাপতি ও বাঘমারা গ্রামের আসাদুজ্জামান আজাদের ছেলে।

স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সাব্বিরের বাবা আসাদুজ্জামন আজাদ মদন উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি। ২০২২ সালে সাব্বির প্রতিবেশী ধনাই মিয়ার মেয়ে আইমনা আক্তারকে গোপনে বিয়ে করেন। আইমনা আক্তার সর্ম্পকে সাব্বিরের ভাতিজি হয়। বিয়ের পর থেকে তারা গোপনে সংসার করে আসছিলেন।

কিন্তু, সম্প্রতি পারিবারিকভাবে কেন্দুয়া উপজেলার পাইকুরা ইউনিয়নের কৃষকদলের সভাপতি শাজাহান মিয়ার কলেজ পড়ুয়া মেয়ের সঙ্গে বিয়ে ঠিক হয় সাব্বিরের। প্রথম বিয়ের বিষয়টি গোপন রেখেই বিয়ের তারিখ অনুযায়ী শুক্রবার (১২ জুন) বরযাত্রী নিয়ে কনের বাড়িতে যান তিনি। খবর পেয়ে প্রথম স্ত্রী আইমন আক্তার কনের বাবা শাজাহান মিয়াকে তাদের বিয়ের বিষয়টি জানান। এ খবর পেয়ে কনেপক্ষের লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে বরপক্ষের লোকজনদের মারধর করে আটকে রাখেন। পরে কয়েক দফা আলোচনা করে ৫ লাখ টাকা দিয়ে ছাড়া পান বর ও তার সঙ্গে থাকা লোকজন।

তবে, ঘটনা এখানেই শেষ নয়; কনের বাড়ি থেকে ছাড়া পেয়ে শনিবার সকালে প্রথম স্ত্রী আইমনা আক্তারের বাড়িতে হামলা চালিয়েছেন সাব্বির ও তার লোকজন। হামলায় আইমনা আক্তারের বড় বোন সুমনা আক্তার আহত হন। 

হামলা থেকে রক্ষা পেতে ৯৯৯ নাম্বারে কল দেয় আইমনার পরিবার। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সাব্বিরের বাবা মদন উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আসাদুজ্জামান আজাদ বলেন, ‘আমার ছেলে আগে একটা বিয়ে করেছে সেটা আমার জানা ছিল না। আগে জানলে তো আর কেন্দুয়া গিয়ে ৫ লাখ টাকা জরিমানা দিতে হতো না।’

মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) অসীম কুসার দাস বলেন, ৯৯৯ নম্বরে কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থনে যায়। বিয়ে সংক্রান্ত ঘটনায় এক নারীকে মারধর করা হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় লিখিত দিলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুয়াকাটায় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৪৭ পি.এম


কুয়াকাটায় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠিত
পর্যটন নগরী কুয়াকাটায় সারা দেশের ন্যায় ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কাউসার হামিদ। ১৩ ই জুন, শনিবার শেষ বিকেলে কুয়াকাটা-ঢাকা মহাসড়কের পাশে কচ্ছপখালী মিয়াওকি ফরেস্ট বাগানে বিভিন্ন প্রকার ফলজ,বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণের মধ্যদিয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সুচনা করা হয়। পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ বিএনপির নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি ছিল। মালুমঘাটে সেই কর্মসূচি উদ্বোধন করে আরেকটি নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের কাজ শুরু করলেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তারই ধারাবাহিকতায় কুয়াকাটা পৌরসভা সহ কলাপাড়া উপজেলা ব্যাপী এ কর্মসূচি পালন করছে। এ কর্মসূচির আওতায় প্রথম ধাপে ২ হাজার বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
 
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও কুয়াকাটা পৌর প্রশাসক মো. ইয়াসিন সাদেক, কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান, কলাপাড়া উপজেলা মাধ্যমে শিক্ষা অফিসের একাডেমি সুপারভাইজার মো. মনিরুজ্জামান, কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আনোয়ার হোসেন আনু, কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হোসাইন আমির, পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আলাউদ্দিন ঘরামী প্রমুখ। এছাড়াও অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কুয়াকাটা পৌর সভার উপ সহকারী প্রকৌশলী সুজন আহমেদ, হিসাব নিরিক্ষন কর্মকর্তা আনোয়ার হোসাইন গাজী, নিন্মমান সহকারী জয়দেব গয়ালী সহ অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারীরা।
 
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নিরংকুষ জয়ের মধ্য দিয়ে সরকার গঠন করা বিএনপি ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস কর্মসূচির মতো নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে। এর বাইরে ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ ধর্মীয় নেতাদের সম্মানী ভাতা এবং ক্রীড়াবিদদের সন্মানী ও ক্রীড়া কার্ড প্রদান কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলার লক্ষ্যে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় আগামী ৫ বছরে এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে।
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কর্পোরেট প্রাঙ্গণে চিরায়ত ঐতিহ্য: ভৈরবে এনআরবিসি ব্যাংকের গ্রীষ্মকালীন ফল উৎসব অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শাহিন আলম, ভৈরব (কিশোরগঞ্জ)

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫০ পি.এম


কর্পোরেট প্রাঙ্গণে চিরায়ত ঐতিহ্য: ভৈরবে এনআরবিসি ব্যাংকের গ্রীষ্মকালীন ফল উৎসব অনুষ্ঠিত

মধুমাস জ্যৈষ্ঠের আমেজে দেশীয় ফলের ঘ্রাণ আর আন্তরিক সম্পর্কের উষ্ণতায় মুখর হয়ে উঠেছিল এনআরবিসি ব্যাংক পিএলসি ভৈরব শাখা। ব্যাংক ও গ্রাহকের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে ব্যতিক্রমী আয়োজন হিসেবে শাখাটিতে অনুষ্ঠিত হয় “সামার ফ্রুট ফেস্টিভাল”।
উৎসবে আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, আনারস, ডেওয়া, লটকন ও জামরুলসহ বিভিন্ন মৌসুমি ও দেশীয় ফল দিয়ে আপ্যায়ন করা হয় গ্রাহক, শুভানুধ্যায়ী ও অতিথিদের। দিনব্যাপী আয়োজনে শতাধিক গ্রাহক ও শুভাকাঙ্ক্ষী অংশগ্রহণ করেন।
শাখার অপারেশন ম্যানেজার সাজন খান বলেন, “ব্যাংক কেবল একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান নয়, এটি সম্পর্কেরও একটি জায়গা। গ্রাহকদের সঙ্গে পারিবারিক বন্ধনের আবহ তৈরি করতেই এই আয়োজন করা হয়েছে।”
অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া গ্রাহক ফখরুল ইসলাম, ফুরকান মিয়া, সিদ্দিকুর রহমান, তানভীর আহমেদ নাগিব, আহসানুল হক পিন্টু, আরমান হোসেন চঞ্চল ও মেহেদী পারভেজসহ অনেকে বলেন, ব্যাংকে এমন আন্তরিক আতিথেয়তা ও দেশীয় ফলের স্বাদ গ্রহণের সুযোগ তাদের জন্য ছিল এক অনন্য অভিজ্ঞতা।
ব্যাংকের জিবি কর্মকর্তা ইমরুল কায়েস, ক্যাশ কর্মকর্তা ফজলে রাব্বি এবং ক্রেডিট কর্মকর্তা এমদাদুল হক জানান, প্রতিদিনের ব্যস্ত ব্যাংকিং কার্যক্রমের মাঝেও গ্রাহকদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করার সুযোগ পেয়ে তারা আনন্দিত। তাদের মতে, ব্যবসায়িক সম্পর্কের পাশাপাশি মানবিক ও সামাজিক বন্ধন গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ভৈরব মহিলা কলেজের শিক্ষক শাহ এমএস বাবুল এবং সংস্কৃতিজন খাইরুল ইসলাম সবুজ বলেন, এটি শুধু একটি কর্পোরেট অনুষ্ঠান নয়, বরং সংস্কৃতি ও অর্থনীতির এক সুন্দর মেলবন্ধন। এমন আয়োজন নতুন প্রজন্মকে দেশীয় ফল ও ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত করার পাশাপাশি সামাজিক মূল্যবোধও জাগ্রত করে।
শাখা ব্যবস্থাপক রকিবুল হাসান সবুজ বলেন, “একটি ব্যাংকের সবচেয়ে বড় শক্তি তার গ্রাহকদের আস্থা। মধুমাসের এই ফল উৎসবের মাধ্যমে সেই আস্থার বন্ধনকে আরও দৃঢ় করার চেষ্টা করেছি। উৎসব শেষে গ্রাহকদের হাসিমুখই আমাদের আগামী দিনের প্রেরণা।”
ব্যতিক্রমী এ আয়োজনের মাধ্যমে এনআরবিসি ব্যাংক ভৈরব শাখা কর্পোরেট পরিবেশে দেশীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে নতুনভাবে তুলে ধরার একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে উপস্থিত অতিথিরা অভিমত ব্যক্ত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%