শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:০৬ এম
গত পাঁচ বছরে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি শিক্ষাঋণ ও অনুদান থেকে লাখ লাখ ডলার চুরি করেছে প্রতারকেরা। তারা কলেজশিক্ষার্থীর পরিচয় চুরি করে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়ে এসব অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন এবার এই প্রতারণা বন্ধ করতে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।
দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট জানায়, বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ কেনিয়ার পাঁচ নাগরিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, তারা সরকারি শিক্ষাসহায়তা থেকে ২০ লাখ ডলার অবৈধভাবে নিয়েছে। কর্মকর্তাদের মতে, অভিযুক্তরা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের পরিচয় চুরি করে বিভিন্ন কলেজে ভর্তি হন এবং এর পর সরকারি শিক্ষাঋণ ও অনুদানের জন্য আবেদন করেন।
নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের শিক্ষাঋণের একটি অংশ কলেজের টিউশন ফি ও অন্যান্য খরচ মেটাতে দেওয়া হয়। বাকি অর্থ শিক্ষার্থীদের হাতে চলে যায়। অভিযুক্তরা এই অর্থ নিজেদের কাছে রেখে কেনিয়ায় থাকা সহযোগীদের একটি চক্রের মধ্যে ভাগ করে দিতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এই ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রে ‘ভূত শিক্ষার্থী’ নামে পরিচিত প্রতারণা ঠেকাতে নেওয়া বড় অভিযানের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এ ধরনের প্রতারকেরা অন্যের পরিচয় ব্যবহার করে অনলাইনে কলেজে ভর্তি হয় এবং সরকারি আর্থিক সহায়তার জন্য আবেদন করে। টাকা পাওয়ার পর তারা উধাও হয়ে যায়।
এই প্রতারণার ফলে সরকারের অর্থের ক্ষতি হচ্ছে এবং পরিচয় চুরি হওয়া সাধারণ মানুষও বিপদে পড়ছেন। প্রতারকেরা তাদের নামে ঋণ নিচ্ছে, ফলে এসব ঋণ পরিশোধের দায়ও পরিচয় চুরি হওয়া ব্যক্তিদের ওপর পড়ছে।
বিচার বিভাগের জাতীয় প্রতারণা দমন বিভাগের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল কলিন এম. ম্যাকডোনাল্ড বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, "এসব ঘটনা বিচ্ছিন্ন কোনো ভুল নয়। এটি বড় পরিসরে পরিচালিত একটি সংঘবদ্ধ প্রতারণা।" তিনি আরো বলেন, প্রতারকেরা ভুয়া শিক্ষার্থীদের যতদিন সম্ভব কলেজে ভর্তি রাখার চেষ্টা করে, যার মূল উদ্দেশ্য সরকারি অর্থ, অর্থাৎ করদাতাদের টাকা চুরি করা। ম্যাকডোনাল্ড জানান, তদন্তকারীদের ধারণা, অন্তত ২০২১ সাল থেকে এই প্রতারণা চলছে এবং এতে চুরি হওয়া অর্থের পরিমাণ কয়েক শ কোটি ডলারে পৌঁছাতে পারে।
শিক্ষাসহায়তা নিয়ে প্রতারণা বন্ধ করতে বিচার বিভাগ দেশটির শিক্ষা বিভাগ ও কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআইয়ের সঙ্গে কাজ করছে। এফবিআইয়ের অপরাধ তদন্ত বিভাগের সহকারী পরিচালক হেইথ জানকে জানান, সংস্থাটির ২৬টি আঞ্চলিক কার্যালয়ে ভুয়া শিক্ষার্থী নিয়ে ৪৫টি মামলা তদন্তাধীন রয়েছে।
তদন্তে এখন পর্যন্ত প্রতারকদের খোলা ৮ লাখ ৩০ হাজারের বেশি ভুয়া শিক্ষাসহায়তা হিসাবের সন্ধান পাওয়া গেছে। এসব হিসাব খুলতে চুরি করা পরিচয় ব্যবহার করা হয়েছিল। এসব হিসাবের কারণে অন্তত ৩ কোটি ২০ লাখ ডলারের শিক্ষাসহায়তা ক্ষতির তথ্য পাওয়া গেছে। তবে জানকে মনে করেন, প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ আরও অনেক বেশি।
যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষা বিভাগের আন্ডারসেক্রেটারি নিকোলাস কেন্ট এই প্রতারণা বেড়ে যাওয়ার জন্য সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনকে দায়ী করেছেন। তার অভিযোগ, আগের প্রশাসন পরিচয় যাচাইয়ের নিয়ম শিথিল করায় প্রতারকেরা সহজে সরকারি শিক্ষাসহায়তা নিতে পেরেছে।
করোনাভাইরাস মহামারির সময় বাইডেন প্রশাসন পরিচয় ও তথ্য যাচাইয়ের কিছু শর্ত শিথিল করেছিল। এর ফলে নিম্ন আয়ের পরিবারের অনেক কলেজশিক্ষার্থীকে আর্থিক সহায়তার আবেদনে দেওয়া তথ্যের সত্যতা প্রমাণ করতে অতিরিক্ত কাগজপত্র জমা দিতে হতো না।
তখন বাইডেন প্রশাসন বলেছিল, পরিচয় চুরি ও প্রতারণা শনাক্ত করার বিষয়টি তারা গুরুত্বের সঙ্গে দেখবে। তবে এ বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছেন কেন্ট। তিনি বলেন, ট্রাম্প প্রশাসন আবারও প্রতারণা শনাক্ত করার উদ্যোগ জোরদার করেছে। পাশাপাশি শিক্ষাসহায়তার আবেদনকারীদের পরিচয় যাচাইয়ে নতুন নিয়ম চালু করেছে।
২০২৫ সালের জুনে শিক্ষা বিভাগ নতুন নিয়ম কার্যকর করবে। এই নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের নিজেদের পরিচয় প্রমাণ করতে সরকার থেকে দেওয়া পরিচয়পত্র কলেজে দেখাতে হবে। তবে নতুন নিয়ম নিয়ে উচ্চশিক্ষা খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় শিক্ষার্থী আর্থিক সহায়তা প্রশাসক সমিতির নীতিবিশ্লেষণ বিভাগের পরিচালক জিল দেজঁ বলেন, কিছু আর্থিক সহায়তা কর্মকর্তা মনে করছেন, এখনো অনেক প্রতারক যাচাইয়ের ফাঁক গলে বেরিয়ে যাচ্ছে। আবার কেউ কেউ মনে করছেন, যথেষ্ট কারণ ছাড়াই অনেক মানুষকে সন্দেহের চোখে দেখা হচ্ছে।
দেজঁ বলেন, নতুন উদ্যোগগুলো সঠিক ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে নেওয়া হচ্ছে কি না এবং এ ধরনের বড় প্রতারণা বন্ধে কতটা কার্যকর হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তিনি আরো বলেন, গত কয়েক বছরে শিক্ষাসহায়তা নিয়ে প্রতারণা বড় সমস্যা হয়ে উঠেছে।
কলেজগুলো অভিযোগ করেছে, শিক্ষার্থীদের পরিচয় ব্যবহার করে আর্থিক সহায়তার অর্থ চুরি করতে আসা প্রতারকদের কারণে তারা সমস্যায় পড়ছে। প্রতারকের সংখ্যা এত বেড়েছে যে তাদের সামাল দিতে কলেজগুলোকে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
কর্মকর্তারা জানান, প্রতারকদের প্রধান লক্ষ্য কমিউনিটি কলেজগুলো। এসব কলেজে পড়াশোনার খরচ তুলনামূলক কম। ফলে টিউশন ফি ও অন্যান্য খরচ মেটানোর পর শিক্ষার্থীদের হাতে শিক্ষাঋণ বা অনুদানের বেশি অর্থ থাকে। প্রতারকেরা মূলত এই অর্থই হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরান যুক্তরাষ্ট্র ও তার সমর্থকদের দায়ী করেছে হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তাহীনতা এবং আঞ্চলিক জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ার জন্য।
জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাঈদ ইরাভানি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ ইরানের ওপর জাতিসংঘ সনদের লঙ্ঘন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এই অবরোধ সাধারণ মানুষের ওপর ‘সম্মিলিত শাস্তি’ চাপিয়ে দেওয়ার সমান।
আইআরআইবি, ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম, জানিয়েছে যে, এসব মন্তব্য তিনি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে বক্তব্য দেওয়ার সময় করেছেন।
ইরাভানি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধের ফলে বেসামরিক মানুষের খাদ্য, ওষুধ, জ্বালানি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পণ্য পাওয়ার সুযোগ হুমকির মুখে পড়েছে। তিনি এই ধরনের পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থি বলে অভিহিত করেছেন এবং বলেছেন যে, এর ফলে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি এবং আঞ্চলিক নৌ চলাচল ব্যাহত হওয়ার জন্য ওয়াশিংটন এবং তাদের সমর্থকরা দায়ী। যুক্তরাষ্ট্রের নেওয়া এসব পদক্ষেপকে তিনি সম্মিলিত শাস্তি হিসেবে অভিহিত করেন।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে যে, তাদের নৌ অবরোধ ইরানের ওপর কার্যকর রয়েছে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, কোনো ইরানি জাহাজই হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে পারেনি।
এএম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়ার গায়ের রং এবং শারীরিক সৌন্দর্য নিয়ে প্রবীণ অভিনেতা আন্নু কাপুরের মন্তব্যের কারণে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। তাঁর মন্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে। অনেকেই মন্তব্যটিকে আপত্তিকর ও যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ বলে আখ্যা দেন। এতদিন পর, তামান্না ভাটিয়া সেই বিতর্ক নিয়ে কথা বলেছেন। তবে তিনি বিষয়টি নিয়ে আর পড়ে থাকতে চান না। তাঁর মনোযোগ বর্তমানে নিজের কাজ এবং অভিনয়জীবনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায়।
সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তামান্না বলেন, একজন সৃষ্টিশীল মানুষের জন্য অন্যের কথা শোনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে কোন কথাকে গুরুত্ব দিতে হবে এবং কোনটি এড়িয়ে যেতে হবে, সেই বোধও থাকা প্রয়োজন।
তামান্নার ভাষায়, ‘একজন সৃষ্টিশীল মানুষ হিসেবে আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো শোনা। কিন্তু কী শুনছি, তার মধ্যে কোনটা গ্রহণ করব আর কোনটায় কান দেব না, সেটা বোঝাও জরুরি।’
এ ধরনের বিতর্কে মনোযোগ দেওয়ার পরিণতি সম্পর্কেও নিজের মত প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী। তিনি বলেন, ‘আমরা যদি এই ধরনের বিষয়কে গুরুত্ব দিতে শুরু করি, তাহলে হয়তো জীবনে এগিয়ে যাওয়াই কঠিন হয়ে পড়বে।’
আন্নু কাপুরের মন্তব্য তাঁকে কতটা প্রভাবিত করেছে, সে বিষয়ে তামান্না স্পষ্ট করে জানান, তিনি এসব নিয়ে ভাবতে চান না। বরং নিজের কাজের দিকেই মনোযোগী থাকতে পছন্দ করেন।
অভিনেত্রীর কথায়, ‘আমি এসব বিষয় দেখিই না। আমি আমার কাজের দিকে মন দিই। কী তৈরি করতে চাই, কীভাবে আমার অভিনয়জীবনকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই, সেদিকেই নজর রাখি।’
শুধু অভিনয় নয়, নিজের কাজকে মানুষের প্রতি একধরনের সেবা হিসেবেও দেখেন তামান্না। তাঁর বিশ্বাস, কাজের পেছনে সৎ উদ্দেশ্য থাকলে তা মানুষের কাছে পৌঁছায়।
যে মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক
গত বছর তামান্নার ‘আজ কি রাত’ গানের দৃশ্য নিয়ে আলোচনার সময় আন্নু কাপুর তাঁর গায়ের রং ও শারীরিক সৌন্দর্য নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন। অভিনেত্রীর সৌন্দর্যের প্রশংসা করতে গিয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘মাশাআল্লাহ! কী দুধের মতো ফর্সা শরীর!’
তবে শুধু প্রশংসাতেই সীমাবদ্ধ থাকেননি প্রবীণ এই অভিনেতা। তামান্নাকে উদ্দেশ করে তাঁর আরও কিছু মন্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর বিতর্ক শুরু হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে মন্তব্যগুলোকে আপত্তিকর ও যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ বলে সমালোচনা করেন।
সেই বিতর্কের রেশ ধরেই এবার নিজের অবস্থান জানালেন তামান্না। তবে অন্যের মন্তব্য নিয়ে পড়ে না থেকে নিজের কাজেই মনোযোগী থাকার বার্তা দিয়েছেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এ বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হবে। সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে একটি অনুষ্ঠানে ফল প্রকাশের ঘোষণা দেওয়া হবে। পূর্বে, অনুষ্ঠানটি সেগুনবাগিচার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত হওয়ার পরিকল্পনা ছিল।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির প্রকাশিত সংশোধিত বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল গত ২ জুলাই। এবারের পরীক্ষায় নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী ছিলেন। তবে পরীক্ষায় কিছু সংখ্যক পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন।
শিক্ষার্থীরা তাদের নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ফল সংগ্রহ করতে পারবেন। এছাড়া, eduboardresults.gov.bd এবং educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে ফল পাওয়া যাবে। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে এসএমএসের সাহায্যে ফল জানার জন্য HSC লিখে একটি স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর, এরপর রোল নম্বর ও পরীক্ষার বছর লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন আগামী ১ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত নেওয়া হবে। এ-সংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশনা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গতকাল বৃহস্পতিবার পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি রিজিয়নের বাঘাইহাট জোনের সেনা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। সেনা ক্যাম্প পরিদর্শনের অংশ হিসেবে তিনি খাগড়াছড়ি রিজিয়নে যান। এই তথ্য আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
আইএসপিআর-এর তথ্য অনুযায়ী, পরিদর্শনের সময় সেনাবাহিনীপ্রধান মোতায়েনরত সেনাসদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের দায়িত্ব পালনের বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজখবর নেন। তিনি বলেন, "প্রতিকূল পরিবেশ ও সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও পার্বত্য অঞ্চলের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে সেনাসদস্যদের নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।" এ সময় তিনি সবাইকে সর্বোচ্চ পেশাদারত্ব, সতর্কতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে অর্পিত কর্তব্য পালন অব্যাহত রাখার নির্দেশনা দেন।
এছাড়াও, পরিদর্শনের সময় সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার ইন চিফ, ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, চট্টগ্রাম এরিয়া কমান্ডার এবং সেনাসদর ও সংশ্লিষ্ট এরিয়ার ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সেনাসদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ