রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:২২ এম
রাজধানীর ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে চিকিৎসা সম্পন্ন করে বাসায় ফিরে আসার পর, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে দেখতে গিয়েছেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, যিনি দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য।
শনিবার রাতে, রাজধানীর আদাবরে টুকুর নিজ বাসভবনে গিয়ে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় তাঁর শারীরিক অবস্থার ব্যাপারে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন। তিনি সেখানে দীর্ঘ সময় অবস্থান করেন এবং জ্যেষ্ঠ নেতার চিকিৎসার অগ্রগতি ও শারীরিক অবস্থার সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বেশ কয়েক দিন ধরে জ্বর নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে শাহবাগের ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। পরবর্তীতে, তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় চিকিৎসকদের পরামর্শে আজ তাঁকে রাজধানীর আদাবরের বাসায় নিয়ে আসা হয়।
চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে, বাসায় তাঁর পরবর্তী চিকিৎসা ও পরিচর্যা অব্যাহত রয়েছে। গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের এই সাক্ষাৎকালে আরও উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য রুমানা মাহমুদ, বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলিম এমপি এবং সিরাজগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আবদুল্লাহ আল কায়েস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর মাইজদী শহরের দত্তেরহাট ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় মো.মোসলিম (১২) নামে এক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মোসলিম লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগর উপজেলার চরকাদিরা ইউনিয়নের চরবসু গ্রামের মাহফুজুর রহমানের ছেলে। অভিযুক্ত প্যারামেডিকস আবুল হোসেন নোয়াখালী সদর উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ছোট হাজী বাড়ির মৃত আবুল কালামের ছেলে এবং দত্তেরহাট ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কমলনগরের চরবসু গ্রামে বাড়ির পাশে খেলাধুলার সময় হঠাৎ লাঠির একটি অংশ মোসলিমের বাম চোখে লাগে। পরে তার বাবা-মা তাকে সিএনজিযোগে নোয়াখালীর মাইজদী শহরের দত্তেরহাট ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালে নিয়ে যান।
অভিযোগ রয়েছে, হাসপাতালে কর্তব্যরত প্যারামেডিকস আবুল হোসেন শিশুটির চোখে অ্যানেসথেসিয়া দেন। অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার পর মোসলিম বমি করতে শুরু করলে তাকে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে রেফার করা হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা মোসলিমকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে প্যারামেডিকস ও দত্তেরহাট ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল হোসেন অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে বলেন, চোখের ওপরের ও নিচের পাতায় লোকাল অ্যানেসথেসিয়ার ড্রপ দেওয়া হয়েছিল। চিকিৎসকের মতে, এ ধরনের অ্যানেসথেসিয়ার কারণে মৃত্যুর কোনো আশঙ্কা নেই।
নোয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. রাজীব আহমেদ চৌধুরী বলেন, মৃত অবস্থায় শিশুটিকে আমাদের হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। মরদেহ মর্গে রাখা আছে। বিষয়টি সুধারম থানার পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।
সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, নিহতের স্বজনেরা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করে বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেন। মরদেহ নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ঘটনাস্থল লক্ষ্মীপুরের কমলনগর এলাকায় হওয়ায় সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
নোয়াখালী সিভিল সার্জন ডাঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, নিহতের স্বজনদের অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার পরপরই আমি দত্তেরহাট ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতাল পরিদর্শন করি। প্রাথমিক ভাবে হাসপাতালটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। নিহতের স্বজনদের লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা এবং শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে জানা যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার উদয়কাঠী ইউনিয়নের তেতলা এলাকা থেকে পুলিশ মো. সাখাওয়াত হোসেন হাওলাদার (৩৮) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে, যার কাছে ১০০ গ্রাম গাঁজা ছিল।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বানারীপাড়া থানার আওতাধীন উদয়কাঠী ইউনিয়নের তেতলা এলাকা, শাহজাহান মিয়ার পুরাতন বাড়ির উত্তর পাশে অবস্থিত একটি সুপারি বাগান থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটক হওয়া সাখাওয়াত হোসেন হাওলাদার গোয়ালিয়া গ্রামের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং মো. ছালেক হাওলাদারের পুত্র।
পুলিশের সূত্র অনুযায়ী, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে সুপারি বাগান থেকে তার কাছ থেকে ১০০ (একশত) গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
এই ঘটনার পর আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জর্ডানের ক্যাম্প তিতিন ঘাঁটিতে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) দ্বারা বিধ্বংসী ব্যালিস্টিক মিসাইল হামলা চালানো হয়। মার্কিন বাহিনীর নৃশংস বিমান হামলায় এক শিশুসহ পাঁচজন নিহত এবং প্রায় ৭০ জন আহত হওয়ার প্রতিশোধ হিসেবে এই সামরিক অভিযানটি পরিচালিত হয়েছে, যা ইরানের দক্ষিণ অঞ্চলের সিরিক এলাকায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে ঘটে।
আইআরজিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই সফল হামলায় বিপুল সংখ্যক মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে এবং ঘাঁটিটির বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও অ্যাটাক হেলিকপ্টার সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে।
ইরানি সংবাদমাধ্যম ফার্স এবং তাসনিম এজেন্সির তথ্য অনুযায়ী, ক্যাম্প তিতিন লোহিত সাগরের উত্তরাংশে আকাবা ও ইলাত বন্দরের কাছাকাছি এবং সৌদি সীমান্তের নিকটবর্তী একটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে অবস্থিত। মার্কিন মেরিন কোরের প্রশিক্ষণ এবং দ্রুত সেনা মোতায়েনের সুবিধার্থে ব্যবহৃত এই ঘাঁটিতে সম্প্রতি আমেরিকা গোপনে কিছু সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম সরিয়ে নিয়েছিল। মার্কিন সামরিক কৌশলবিদদের ধারণা ছিল যে, এই নতুন স্থাপনা এবং গোপন স্থানান্তর সম্পর্কে ইরানের কাছে কোনো গোয়েন্দা তথ্য নেই। তবে আইআরজিসির এই অতর্কিত ও নিখুঁত হামলা প্রমাণ করেছে যে, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক গতিবিধির ওপর তেহরানের অত্যন্ত শক্তিশালী ও বিস্তারিত গোয়েন্দা নজরদারি বজায় রয়েছে।
সূত্র: আল মায়াদিন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মদিনার সব মসজিদে নারীদের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সুযোগ প্রদান করা হয়েছে।
সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মদিনার সকল মসজিদে নারীদের জন্য নির্ধারিত নামাজের স্থান প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময় খোলা রাখার অনুমতি দিয়েছে দেশটির সরকার।
সম্প্রতি সৌদি আরবের ইসলামবিষয়ক মন্ত্রী শেখ ড. আবদুল লতিফ আল-শেখ এই অনুমোদন প্রদান করেন। নতুন ব্যবস্থার আওতায় মদিনার ঐতিহাসিক মসজিদগুলোর পাশাপাশি শহরের বিভিন্ন এলাকার বড় ও সাধারণ মসজিদও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে কর্মস্থল, কেনাকাটা, ভ্রমণ অথবা অন্যান্য প্রয়োজনে বাইরে থাকা নারীদের আর বাড়ি ফিরে নামাজ আদায় করতে হবে না। তারা কাছাকাছি মসজিদে গিয়ে নারীদের জন্য নির্ধারিত স্থানে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করতে পারবেন।
এর আগে, মদিনার অনেক মসজিদে নারীদের নামাজের স্থান সীমিত সময়ের জন্য খোলা থাকত। বিশেষ করে জুমা, তারাবিহ ও ঈদের নামাজের সময় অথবা ভিড়ের মৌসুমে এসব স্থান খোলা থাকত। অন্য সময়, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তা বন্ধ রাখা হতো। নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে নারীদের জন্য প্রতিদিনের পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের সময়ও নির্ধারিত স্থান ব্যবহারের সুযোগ থাকবে।
তবে, এই সিদ্ধান্তের আওতায় মসজিদে নববি অন্তর্ভুক্ত নয়। বিশ্বের অন্যতম পবিত্র এই মসজিদে নারীদের জন্য পৃথক নামাজের ব্যবস্থা আগে থেকেই বিদ্যমান রয়েছে।
নারীদের জন্য নির্ধারিত নামাজের স্থানগুলোর পরিচালনা, ব্যবস্থাপনা ও তদারকিতে নারীদের মাঠকর্মীরা দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি ঐতিহাসিক মসজিদগুলোতে নারীদের নামাজের স্থান এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে ১১৫ জন নারীকে মসজিদ পরিদর্শক ও নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ