মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৫২ পি.এম
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ব্যক্তিগত ভিডিও ফাঁস হওয়া এবং দ্বিতীয় স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের সদস্যপদ নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এই বিষয়ে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, ঘটনার প্রেক্ষিতে পুলিশের নেওয়া আইনি ব্যবস্থা তার সংসদ সদস্য পদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।
ঘটনার প্রেক্ষাপট ও দলীয় বহিষ্কার
চলতি বছরের ২২ জুলাই, ব্যক্তিগত মুহূর্তের একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর জামায়াতে ইসলামী গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করে। একই সঙ্গে, বিষয়টি জাতীয় সংসদের স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়। তবে, সংবিধানের বিধান অনুযায়ী, রাজনৈতিক দল থেকে বহিষ্কার হলে সংসদ সদস্যের পদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে শূন্য হয় না। দলীয় ও আইনি জটিলতার কারণে ইতিমধ্যে তাকে বিভিন্ন সংসদীয় কমিটি থেকেও বাদ দেওয়া হয়েছে।
দ্বিতীয় স্ত্রীর মৃত্যু ও আইনি জটিলতা
ঘটনাটি নতুন মোড় নেয় গত রবিবার, যখন রাজধানীর ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুলের ১৯ বছর বয়সী দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এই ঘটনায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মরিয়মের বাবা একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম এবং মরিয়মের মামাকে আসামি করা হয়েছে। বর্তমানে গাজী নজরুল পুলিশ রিমান্ডে রয়েছেন। অন্যদিকে, এক দিনের রিমান্ড শেষে তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদাকে ইতিমধ্যে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
সাংবিধানিক বিধান ও স্পিকারের বক্তব্য
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, সংসদ সদস্য পদ হারানোর বা অযোগ্য হওয়ার জন্য কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে:
সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নৈতিক স্খলনজনিত কোনো ফৌজদারি অপরাধে আদালত কর্তৃক কমপক্ষে দুই বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে কেউ সংসদ সদস্য থাকার যোগ্যতা হারান।
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, যদি কেউ নিজ থেকে পদত্যাগ করেন বা দলের বিপক্ষে ভোট দেন, তবে কেবল তখনই আসন শূন্য হয়; কিন্তু দল থেকে বহিষ্কার হলে সংসদ সদস্য পদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয় না।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, পুলিশ কী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং পরবর্তীতে আদালত বা নির্বাচন কমিশন কী সিদ্ধান্ত নেয়, তারা পুরো বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। আইনি প্রক্রিয়া ও সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সংবিধান ও সংসদীয় বিধি অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঋণের অর্থ পরিশোধ না করে আত্মসাতের অভিযোগে ফরিদপুরে সৈয়দ নাজমুল আলম পারভেজের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করা হয়েছে। তিনি ফরিদপুর শহরের রঘুনন্দন এলাকার বাসিন্দা ও মৃত সৈয়দ নজরুল আলমের ছেলে।
ফরিদপুর সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাংক লিমিটেডের পক্ষে ব্যাংকের সহকারী ব্যবস্থাপক আব্দুল মান্নান বাদী হয়ে সোমবার ফরিদপুরের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি করেন।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর সৈয়দ নাজমুল আলম পারভেজ ফরিদপুর সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাংক লিমিটেড থেকে এক লাখ টাকা ঋণ নেন। পরে তিনি আরও ৩০ হাজার টাকা ঋণ গ্রহণ করেন। ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, আসল, সুদ ও বিলম্ব সার্ভিস চার্জসহ বর্তমানে তার কাছে মোট ৫ লাখ ৬৪ হাজার ৫০০ টাকা পাওনা রয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়, ঋণ নেওয়ার পর ব্যাংকের নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী অর্থ পরিশোধ না করায় তিনি ঋণখেলাপিতে পরিণত হন। পাওনা অর্থ পরিশোধের জন্য ব্যাংকের কর্মকর্তারা একাধিকবার তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তবে তিনি বিভিন্ন সময়ে সময়ক্ষেপণ করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
মামলার নথিতে আরও উল্লেখ করা হয়, পাওনা অর্থ পরিশোধের জন্য ব্যাংকের পক্ষ থেকে রেজিস্ট্রি ডাকযোগে নোটিশ পাঠানো হলেও তিনি তা গ্রহণ না করে ফেরত পাঠান। পরে ব্যাংকের কর্মকর্তারা সরাসরি যোগাযোগ করেও পাওনা অর্থ আদায় করতে পারেননি বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
মামলা দায়েরের পর অভিযোগটি তদন্তের জন্য সিআইডিতে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত বলে আইনজীবী সূত্রে জানা গেছে।
মামলার বাদী আব্দুল মান্নান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আসামি ঋণের অর্থ পরিশোধের আশ্বাস দিয়ে সময়ক্ষেপণ করছিলেন। সর্বশেষ পাওনা অর্থ পরিশোধে অস্বীকৃতি জানানোর পর ব্যাংকের অর্থ আদায়ে আদালতের আশ্রয় নেওয়া হয়েছে।
তবে মামলার আসামি সৈয়দ নাজমুল আলম পারভেজের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
সৈয়দ নাজমুল আলম পারভেজ কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব), ফরিদপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানা গেছে।
এ ছাড়া, তার বিরুদ্ধে চেক সংক্রান্ত তিনটি মামলায় আদালতের রায়ে কারাদণ্ড হওয়ার এবং কয়েক মাস ফরিদপুর জেলা কারাগারে সাজা ভোগের পর বর্তমানে জামিনে থাকার তথ্য পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। পাশাপাশি বাগেরহাট আদালতে চেক সংক্রান্ত আরও একটি মামলা চলমান রয়েছে বলেও জানা গেছে।
সম্প্রতি ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার কাদিরদী বাজারে তার মালিকানাধীন ‘আজকের সারাদেশ হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার’ নামের একটি চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠানে অনুমোদন না থাকার অভিযোগে উপজেলা প্রশাসনের পরিচালিত মোবাইল কোর্ট অভিযান চালিয়ে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেয় বলে জানা গেছে।
এ ছাড়া, সম্প্রতি তার মালিকানাধীন একটি পত্রিকা হস্তান্তর ও বিক্রির বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় আসে। তিনি ওই হস্তান্তর ও বিক্রির বিষয়টি অস্বীকার করেন। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে বলেও জানা গেছে।
তবে এসব অভিযোগ ও মামলার বিষয়ে সৈয়দ নাজমুল আলম পারভেজের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশের সরকার পতন ঘটানোর জন্য বিদেশে বসে এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে ভিডিও তৈরি করা সম্ভব নয়, এমন মন্তব্য করেছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।
সোমবার, চট্টগ্রামের হাটহাজারি উপজেলার ধলই কাটিরহাট বাজারে পতিত স্বৈরাচার এবং নিষিদ্ধ আওয়ামী সন্ত্রাসীদের নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশ ও গণমিছিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, পলাতক দোসরদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন-আপনারা নিষিদ্ধ হয়েছেন, কর্মীদের ফেলে স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে বিদেশে পালিয়েছেন। এখন হাটহাজারীসহ দেশের অন্যান্য এলাকার দরিদ্র পরিবারের ছেলেদের জীবন বিপন্ন করছেন, এটি করবেন না। যদি নিজেদের নির্দোষ মনে করেন, তাহলে সৎ সাহস নিয়ে দেশে ফিরে আসুন এবং আইনের কাছে আত্মসমর্পণ করুন; বিচারের সম্মুখীন হন।
তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের নেতা প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং তাঁর নেতৃত্বাধীন দুই-তৃতীয়াংশ সংসদ সদস্য আমি-ডামি কিংবা রাতের ভোটে নির্বাচিত হয়নি। রাজপথে থেকে জনগণের অধিকার আদায় করে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন।’
তিনি দলের নেতা-কর্মীদের আহ্বান জানান যে, তারা ঐক্যবদ্ধ থেকে গুপ্ত, সুপ্ত এবং পলাতক নিষিদ্ধ অপরাধীদের থেকে নিজেদের এলাকা মুক্ত রাখবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চার বছর বয়সী শিশু রাকিবা আক্তার রুহির লাশ অবশেষে উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ভোরে দিনাজপুর সদর উপজেলার জামতলী এলাকার আসামি রিপন টুডুর বসতবাড়ীর পাশে নারিকেল বাগান থেকে মাটি খনন করে তার গলিত লাশ উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামিদের নিয়ে রাতভর অভিযান চালানো হয়। প্রায় সাড়ে তিন মাস আগে ঘটে যাওয়া এই ঘটনার রহস্য উদঘাটনে পুলিশ সফল হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দিনাজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) আনোয়ার হোসেন পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে প্রেস ব্রিফিংয়ে ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন। হত্যার অভিযোগে শিশুর মা জিন্নাতুন (১৯), তার প্রেমিক রিপন টুডু (৩৪) এবং সহযোগি সুজন টুডুকে (২০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের আদালতে হাজির করা হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন জানান, জিন্নাতুনের সঙ্গে ৫ বছর আগে স্বধর্মীয় রুবেলের বিয়ে হয়েছিল। বিয়ে বিচ্ছেদের সময় ৪ বছর বয়সী রাকিবা আক্তার রুহি মায়ের সাথে নানার বাড়িতে ছিল। এর পর জিন্নাতুন নশিপুরের জামতলী এলাকায় রিপন টুডুর সাথে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তুলে। সাড়ে তিন মাস আগে রুহিকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে তারা।
ঘটনার পর লাশ গুম করতে বাড়ির কাছে ৬ ফুট গভীর কুপ খনন করে রুহির বস্তাবন্ধী লাশ পুতে ফেলা হয়। দুর্গন্ধ এড়াতে রিপনসহ জড়িতরা একটি কুকুরকে মেরে অন্য একটি গর্তে পুতে রাখে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, ‘শিশুটির মায়ের অভিযোগ পাওয়ার পর থেকেই থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশ কাজ শুরু করে। গত সোমবার তথ্য প্রযুক্তির সাহায্যে দুজনকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রিপন হত্যাকাণ্ড ও লাশ গুমের কথা স্বীকার করেছে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।’
এদিকে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, লাশ উদ্ধার এবং জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে গত রোববার জামতলী এলাকায় রিপন টুডুর বাড়ি-ঘরে হামলা চালায় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। তারা বাড়ির মালামাল রাস্তায় এনে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং দিনাজপুর-রংপুর মহাসড়ক অবরোধ করে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয় এমপি সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম দাবি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সামনে দুটি ভিন্ন পথের প্রস্তাব উপস্থাপন করেছেন।
একদিকে, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তি করে পুনর্গঠনের সুযোগের কথা উল্লেখ করেছেন, অন্যদিকে, চুক্তি না হলে ইরানকে সম্ভাব্য ভয়াবহ সংঘাতের মুখে পড়ার সতর্কতা দিয়েছেন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, “আমি কী তাদের এমন এক নরকের দিকে ঠেলে দেব, যেখানে টিকে থাকার কোনো সুযোগ থাকবে না। এতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য মহান হওয়ারও কোনো আশা থাকবে না।”
তবে, এই কঠোর সতর্কতার মধ্যেও ট্রাম্প আশা প্রকাশ করেছেন যে, শেষ পর্যন্ত ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি হবে। তিনি উল্লেখ করেছেন, নির্বাচন শেষ হওয়ার পরপরই চুক্তি হতে পারে। তার মতে, “তেহরানের জন্য চুক্তিতে রাজি না হওয়ার কোনো যৌক্তিকতা নেই।”
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ার কারণে আলোচনা স্থবির হয়ে পড়েছে, ফলে কূটনৈতিক উদ্যোগ আবারও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। এই পরিস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা পুনরায় শুরু করা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ