ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এক হাজার গোলের লক্ষ্য নিয়ে আশাবাদী রোনালদো


এক হাজার গোলের লক্ষ্য নিয়ে আশাবাদী রোনালদো

ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো পর্তুগালের ফুটবল সামিটের মঞ্চে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য রাখলেন। তিনি ভরা আসরে দাঁড়িয়ে শুরুতেই জানান, তিনি কিছুটা নার্ভাস অনুভব করছেন। এরপর তিনি বিগত দুই দশক ধরে বলে আসা বক্তব্যের মতোই আলোচনা শুরু করেন।

নানা সমালোচনার জবাব দিতে গিয়ে তিনি বলেন, তার ক্যারিয়ারের শেষ বাঁশি এখনো বাজেনি। ৪১ বছর বয়সি এই পর্তুগাল ফুটবল অধিনায়ক বৃহস্পতিবার ওয়েলসের বিপক্ষে উয়েফা নেশনস লিগের ম্যাচের আগে বুধবার পর্তুগাল ফুটবল সামিটের মূল মঞ্চে এসব কথা বলেন।

তিনি জানান, জাতীয় দলের হয়ে এখনো অনেক কিছু দেওয়ার বাকি রয়েছে। নতুন কোচ জর্জ জেসুসের অধীনে এটি পর্তুগালের প্রথম ম্যাচ হতে যাচ্ছে। বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে স্পেনের কাছে পর্তুগালের হারের পর কোচ রবার্তো মার্টিনেজের জায়গায় দায়িত্ব নিয়েছেন জর্জ জেসুস।

আরও পড়ুন: অ্যান্ডি ফ্লাওয়ারকে ছাড়িয়ে ব্রেন্ডান টেলরের নতুন ইতিহাস

রোনালদোর ক্যারিয়ারে বর্তমানে ৯৭৯টি গোল রয়েছে। এর মধ্যে ক্লাবের হয়ে ৮৩৩টি গোল এবং পর্তুগালের হয়ে ১৪৬টি গোল অর্জন করেছেন। এক হাজার গোলের মাইলফলক ছুঁতে তার মাত্র ২১ গোল প্রয়োজন।

এক সাক্ষাতকারে তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, ন্যাশনস লিগ জেতা নাকি এক হাজার গোল করা- কোনটি তার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তিনি হেসে উত্তর দেন, "দুটোই"। রোনালদো বলেন, লক্ষ্য একটাই— এক হাজার গোল করা এবং জাতীয় দলের হয়ে ন্যাশনস লিগ জেতার চেষ্টা করা।

নতুন কোচ জর্জ জেসুসকে নিয়ে রোনালদো আশাবাদী। তিনি বলেন, "জর্জ জেসুসের সঙ্গে এটি আমাদের নতুনভাবে সূচনা। আমরা সবাই তাকে ভালো করে চিনি। আমরা আশা করি, তার জন্য সবকিছু ভালোভাবে এগোবে।"

রোনালদো পর্তুগালের জার্সিতে এক হাজার গোলের লক্ষ্য নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তিত নন, বরং তিনি মনে করেন, যদি পর্তুগালের জার্সিতে এক হাজার গোল অর্জন করতে পারেন তবে সেটি হবে একটি সোনার মুকুট। তিনি বলেন, "জাতীয় দলের হয়ে এক হাজার গোল করতে পারলে সেটা হবে একটি সুন্দর গল্পের পরিণতি।"

আরও পড়ুন: তরুণদের খেলাধুলার প্রতি উৎসাহিত করতে নিয়মিত টুর্নামেন্ট আয়োজনের ঘোষণা আসাদুল হাবিব দুলুর

তিনি আরও বলেন, "আমি স্বীকার করছি আমি এই লক্ষ্য অর্জন করতে চাই এবং করবোও। তবে এটা কোনো আবেশ নয়। আমি বাকি সময়টা উপভোগ করতে চাই।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চার আর্থিক প্রতিষ্ঠানের আমানতকারীদের ফেরত ৫০ লাখ টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:২২ পি.এম


চার আর্থিক প্রতিষ্ঠানের আমানতকারীদের ফেরত ৫০ লাখ টাকা

বাংলাদেশ ব্যাংক চারটি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের (এনবিএফআই) ব্যক্তি আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দেওয়ার জন্য একটি স্কিম তৈরি করেছে, যেগুলি বন্ধের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। প্রাথমিকভাবে, ব্যক্তি আমানতকারীদের মূল টাকার ৫০ লাখ টাকা ফেরত দেওয়া হবে। নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ কেটে ফেরত দিতে হলে, এর বেশি অর্থ নিতে হবে। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান।

সভা সূত্রে জানা যায়, ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত এই চার প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তি আমানতকারীদের মূল অর্থ ফেরত দেওয়া হবে। যাদের জমা অর্থ এর বেশি, তাদের মূল অর্থ থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ কেটে রেখে ফেরত দেওয়া হবে। ১ কোটি টাকা পর্যন্ত যাদের আমানত রয়েছে, তারা সর্বোচ্চ ৬০ লাখ টাকা ফেরত পাবেন। ১ কোটি থেকে দেড় কোটি টাকা যাদের আমানত রয়েছে, তারা ৮০ লাখ টাকা পাবেন। দেড় কোটি থেকে ২ কোটি টাকা পর্যন্ত আমানতকারীরা ১ কোটি ৫ লাখ টাকা পাবেন। ২ কোটির বেশি যাদের আমানত রয়েছে, তারা ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা ফেরত পাবেন।

চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান হলো—আভিভা ফাইন্যান্স, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, এফএএস ফাইন্যান্স এবং ইন্টারন্যাশনাল লিজিং। গত ৯ আগস্ট, বাংলাদেশ ব্যাংক চারটি প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ বিলুপ্ত ঘোষণা করে। একই সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে, বাংলাদেশ ব্যাংক চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে। প্রশাসকদের সহায়তার জন্য প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে আরও দুজন করে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, বন্ধের প্রক্রিয়ায় থাকা চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণের হার ৯৩ শতাংশ থেকে প্রায় ১০০ শতাংশে পৌঁছেছে। এই কারণে প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চারটি প্রতিষ্ঠানে মোট আমানতের পরিমাণ ১২ হাজার ৪৮৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ে ৩ হাজার ১২ কোটি টাকা, আভিভা ফাইন্যান্সে ৫ হাজার ৩৬৮ কোটি টাকা, এফএএস ফাইন্যান্সে ১ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা এবং ফারইস্ট ফাইন্যান্সে ৪৪৯ কোটি টাকা আমানত রয়েছে।

গত বছরের মে মাসে, গ্রাহকের আমানত ফেরত দিতে ব্যর্থ ২০টি এনবিএফআইয়ের নিবন্ধন সনদ বা লাইসেন্স বাতিলের উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। সে সময়, কেন তাদের লাইসেন্স বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোকে চিঠি দেওয়া হয়। পরে ২০টির মধ্যে নয়টি প্রতিষ্ঠানকে প্রথম ধাপে বন্ধের জন্য বেছে নেওয়া হয়। কারণ, এসব প্রতিষ্ঠানের জবাব সন্তোষজনক ছিল না। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পাঁচটি প্রতিষ্ঠান বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হয়। পিপলস লিজিংকে ঘিরে মামলা-সংক্রান্ত জটিলতা থাকায় সেটি বন্ধের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। বাকি চারটি প্রতিষ্ঠানকে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য তিন মাস সময় দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি করতে না পারলে, ওই চার প্রতিষ্ঠানকেও বন্ধ করে দেওয়া হবে।

ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য সময় পাওয়া চারটি প্রতিষ্ঠান হলো—প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি লিমিটেড (বিআইএফসি) এবং প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স লিমিটেড।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফতুল্লায় সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ১৬ জন গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৩০ পি.এম


ফতুল্লায় সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ১৬ জন গ্রেপ্তার

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকায় সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে পুলিশ ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ভোরে ফতুল্লার ইসদাইর ওসমানী পৌর স্টেডিয়ামের সামনে থেকে তাদের আটক করা হয়।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নারায়ণগঞ্জের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য এবং নাশকতা ও সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধের লক্ষ্যে ফতুল্লা মডেল থানার অধীনে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার ভোর ৫টা ৫০ মিনিটের দিকে ইসদাইর ওসমানী পৌর স্টেডিয়ামের সামনে পাকা রাস্তায় নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্যে কয়েকজনের একত্রিত হওয়ার খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালানো হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন মো. রাজু (৩৯), মো. সিয়াম (২২), মো. রাসেল বাবু (৩৫), জয় দাস (২৫), মো. মেহেদী হাসান (২১), মো. লিটন (৪২), মো. হুমায়ন আহম্মেদ (৪০), মো. দিন ইসলাম নয়ন (২১), মো. সুমন (২০), মো. সিফাত (২১), মো. হাসান জামিল (২১), মেহেদী হাসান মাহিন (২০), মো. জাহাঙ্গীর আলম (২৩), মো. অভি (১৭), মো. আব্দুল্লাহ (১৭) এবং মো. ফেরদৌস (১৬)। পুলিশ জানিয়েছে, তাদের মধ্যে কয়েকজন নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকার এবং অন্যরা দেশের বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা।

ফতুল্লা মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে এসআই জহিরুল, এসআই মফিজ, এএসআই জহির, এএসআই জুয়েলসহ পুলিশের একটি দল অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় কিছু ব্যক্তি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে আরও কয়েকজন পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

নারায়ণগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী জানিয়েছেন, সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ড ও অপরাধ সংঘটনের চেষ্টার অভিযোগে ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফিলিস্তিনিরা মাতৃভূমি ছাড়বে না, বাস্তুচ্যুতিও মানবে না: মাহমুদ আব্বাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৩০ পি.এম


ফিলিস্তিনিরা মাতৃভূমি ছাড়বে না, বাস্তুচ্যুতিও মানবে না: মাহমুদ আব্বাস

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রদত্ত ভিডিও বার্তায় ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস মন্তব্য করেছেন যে, ফিলিস্তিনিরা তাদের মাতৃভূমি ত্যাগ করবে না এবং বাস্তুচ্যুতির বিষয়টিও মেনে নেবে না। তিনি আরও বলেন, নিজেদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার অন্য কাউকে হস্তান্তর করবে না।

ফিলিস্তিনের জনগণের উদ্দেশে বক্তব্যে আব্বাস উল্লেখ করেন, নিজেদের ভূমি, ঐক্য এবং বৈধ অধিকার রক্ষা করে ফিলিস্তিনিরা গর্ব ও মর্যাদার এক অনন্য উদাহরণ স্থাপন করেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, গত সেপ্টেম্বরে আরব ও ইসলামি দেশগুলোর নেতাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা জরুরি। এই প্রতিশ্রুতির মধ্যে রয়েছে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড দখল বা সংযুক্তিকরণ প্রতিরোধ করা এবং ফিলিস্তিনিদের বাস্তুচ্যুতি প্রত্যাখ্যান করা।

তিনি আরও বলেন, ইসরায়েলের ভূমি দখলের কর্মকাণ্ড ফিলিস্তিনি প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করা এবং তাদের আর্থিক সম্পদ নিঃশেষ করার প্রচেষ্টার অংশ। এসব পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো ফিলিস্তিনিদের নিজেদের ভূমিতে টিকে থাকার সক্ষমতা দুর্বল করা।

আব্বাস দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক অবিচারের পাশাপাশি ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে ফিলিস্তিনিদের হত্যা, ধ্বংস, অনাহার ও বাস্তুচ্যুতির চেষ্টার শিকার হওয়ার বিষয়টিও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘ফিলিস্তিনি জনগণ তাদের ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ সময়ের মুখোমুখি।’

গাজায় চলমান যুদ্ধকে তিনি ‘গণহত্যামূলক যুদ্ধ’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এর ফলে নজিরবিহীন মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে। এই যুদ্ধে আবাসিক এলাকা, শহর, শরণার্থীশিবির, প্রতিষ্ঠান, স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল, মসজিদ এবং গির্জা ধ্বংস হয়েছে। পাশাপাশি মানুষের জীবনধারণের মৌলিক প্রয়োজন এবং পুরো প্রজন্মের ভবিষ্যৎও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমের পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন আব্বাস। তিনি বলেন, সেখানে ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণ দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে, পশ্চিম তীরকে খণ্ডিত করা হচ্ছে এবং জেরুজালেমকে বিচ্ছিন্ন ও নিয়ন্ত্রণের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, দখলদার বাহিনীর সুরক্ষায় বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভূমি দখল, বাড়িঘর ধ্বংস, চেকপোস্ট স্থাপন এবং অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যানের কারণে টানা দ্বিতীয় বছরের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে সশরীর উপস্থিত থাকতে পারেননি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস। তবে তিনি অধিকৃত পশ্চিম তীরের রামাল্লা থেকে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে বক্তব্য প্রদান করেন।

অনুমতি অনুযায়ী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ১৫২ ভোটে আব্বাসের ভার্চুয়াল বক্তব্যের অনুমতি দেওয়া হয়। বিপক্ষে ভোট পড়ে তিনটি; চারটি দেশ ভোটদানে বিরত থাকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৯ বছর পর মুখোমুখি আয়ারল্যান্ড-ইসরায়েল, ম্যাচ ঘিরে তীব্র বিতর্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৩১ পি.এম


১৯ বছর পর মুখোমুখি আয়ারল্যান্ড-ইসরায়েল, ম্যাচ ঘিরে তীব্র বিতর্ক

দীর্ঘ ১৯ বছর পর ফের সবুজ গালিচায় মুখোমুখি হচ্ছে দুই দেশ। কিন্তু বল গড়ানোর আগেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ময়দান। এর পেছনে রয়েছে আন্তর্জাতিক রাজনীতি। আসন্ন উয়েফা নেশনস লিগের জোড়া ম্যাচে আয়ারল্যান্ড-ইসরায়েল মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। এই খেলা ঘিরে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। গাজা-ইজরায়েল যুদ্ধের কারণে আয়ারল্যান্ড ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে ম্যাচ বয়কটের আহ্বান জানানো হয়েছে। যদিও অনিশ্চয়তার মেঘ কিছুটা কাটলেও, দুই শিবিরের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনার পারদ ক্রমশ চড়ছে।

দ্য ওয়ালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথম লড়াই অনুষ্ঠিত হবে গত রবিবার হাঙ্গেরির ডেব্রেসেনে। আর ৪ অক্টোবর সার্বিয়ার বাকা টোপোলায় হবে দ্বিতীয় সাক্ষাৎ। আয়ারল্যান্ডের প্রধান কোচ হেইমির হলগ্রিমসনের মন্তব্য বিতর্কের আগুনে ঘি পড়েছে। তিনি সম্প্রতি বলেছেন, ‘আমরা ইজরায়েলের সঙ্গে নয়, আমরা গণহত্যার বিরুদ্ধে খেলছি।’

এরপরই ইজরায়েল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। গত ফেব্রুয়ারিতে নেশনস লিগের ড্র ঘোষণার পর থেকে অস্বস্তি শুরু হয়। গ্রুপ বি-থ্রি-তে কসোভো এবং অস্ট্রিয়ার পাশাপাশি ইজরায়েলকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পায় আয়ারল্যান্ড। চার মাস আগে প্যালেসস্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সম্মতি ছাড়া ইজরায়েলের টুর্নামেন্ট আয়োজনের বিরুদ্ধে তীব্র বিরোধিতা করে আইরিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। তারা উয়েফার কাছে ইজরায়েলকে নিষিদ্ধ করার দাবিও পেশ করে। মে মাসে ডাবলিনে কাতারের বিরুদ্ধে প্রীতি ম্যাচে আইরিশ সমর্থকরা প্যালেস্টাইনের পতাকা সম্বলিত টেনিস বল মাঠে ছুড়ে প্রতিবাদ জানায়।

গত প্রায় তিন বছর ধরে প্যালেস্টাইনীয়দের সমর্থন জানিয়ে আসছে আয়ারল্যান্ড সরকার। ২০২৪ সালে প্যালেস্টাইনকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতিও দেয় তারা। গাজায় যুদ্ধের কারণে দেশের প্রধানমন্ত্রী ইজরায়েলকে ‘গণহত্যা’র দায়ে অভিযুক্ত করেছেন। এই প্রবল রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দুই দেশের ফুটবল ম্যাচ বাড়তি মাত্রা যোগ করেছে।

খেলা বাতিলের দাবি তুলেছিলেন আয়ারল্যান্ডের ১৬০ জনের বেশি ক্রীড়াবিদ। আইরিশ দলের প্রাক্তন তারকা ফুটবলার কেভিন কিলবানে স্পষ্ট জানান, ‘গণহত্যা চলাকালীন ইজরায়েলের সঙ্গে খেলা উচিত নয়।’

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালও উয়েফাকে একহাত নিয়েছে। তবে বয়কট করলে উয়েফার কড়া শাস্তির মুখে পড়তে হবে। মূলত সেই আশঙ্কায় শেষমেশ ভোটাভুটির মাধ্যমে মাঠে নামার সিদ্ধান্ত নেয় আয়ারল্যান্ড।

প্রবল জনরোষের আশঙ্কায় আইরিশদের ঘরের মাঠ ডাবলিনে এই ম্যাচ আয়োজন করা কার্যত অসম্ভব ছিল। তাই বিকল্প ভেন্যু হিসেবে সার্বিয়ার বাকা টোপোলাকে বেছে নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে গাজা যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই ইজরায়েলের ‘অস্থায়ী হোম ভেন্যু’ হয়ে উঠেছে হাঙ্গেরি। সে দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর ওরবান ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ। তাই আগামী রবিবার ডেব্রেসেনেই বল গড়াবে। খেলা হবে। তবে ফুটবল সেখানে উপলক্ষ মাত্র।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%