মোঃ সোহেল রানা, রাঙামাটি প্রতিনিধি
০৫:৩৪ পি.এম
রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালের সেবার মানোন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, যাতে রোগীদের উন্নত চিকিৎসাসেবা, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং সহানুভূতিশীল আচরণ নিশ্চিত করা যায়। এই উদ্দেশ্যে, হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের নিয়ে একটি বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে অনুষ্ঠিত সভায় সিভিল সার্জন সভাপতিত্ব করেন। সভার মূল লক্ষ্য ছিল হাসপাতালের সার্বিক চিকিৎসাসেবা ও ব্যবস্থাপনার কার্যকারিতা বৃদ্ধি করা এবং রোগীদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
সভায় রোগীদের স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন, হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা এবং ব্যবস্থাপনা উন্নত করার বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সেবাগ্রহীতা এবং তাদের স্বজনদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ ও সহানুভূতিশীল আচরণ এবং চিকিৎসক-নার্সসহ স্বাস্থ্যকর্মীদের কর্মক্ষেত্রের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের বিষয়গুলোও আলোচনায় আসে।
বক্তারা সভায় উল্লেখ করেন যে, শুধুমাত্র চিকিৎসা প্রদানই নয়, রোগীদের জন্য নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন এবং মানবিক পরিবেশ নিশ্চিত করাও হাসপাতাল ব্যবস্থাপনার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। এজন্য চিকিৎসক, নার্স এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, রোগীদের সর্বোচ্চ মানের সেবা প্রদানের পাশাপাশি রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালকে আরও আধুনিক, পরিচ্ছন্ন এবং রোগীবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে পদ্মা সেতুর ঢালে একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গেছে। এই ঘটনায় বাসের ৮ যাত্রী আহত হয়েছেন।
আজ সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুর দেড়টার দিকে দুর্ঘটনাটি ঘটে। খবর পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।
মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ফায়ার সার্ভিসের সূত্রে জানা যায়, সোমবার দুপুর ১টা ৩৭ মিনিটের দিকে মাগুরা থেকে ঢাকাগামী নিউ গ্রীন লাইন এক্সপ্রেসের বাসটি পদ্মা সেতুর ঢালে পৌঁছালে অতিরিক্ত গতির কারণে চালক নিয়ন্ত্রণ হারান।
এ সময় বাসটি সড়কের পাশের রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা খেয়ে উল্টে যায়। দুর্ঘটনার পর বাসের ভেতরে বেশ কয়েকজন যাত্রী আটকা পড়ে যান।
মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের আঘাত গুরুতর হওয়ায় তাদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
দুর্ঘটনার পর বাসটি সড়ক থেকে সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করার ব্যবস্থা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য, সংগীত এবং সাম্য-অসাম্প্রদায়িকতার চেতনা নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে নাটোরের বড়াইগ্রামে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে একটি দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বড়াইগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস। এই দিনব্যাপী আয়োজনে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা নজরুলসংগীত এবং কবিতা আবৃত্তির প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাটোর-৪ (বড়াইগ্রাম-গুরুদাসপুর) আসনের সংসদ সদস্য মোঃ আব্দুল আজিজ। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) জুবায়ের জাহাঙ্গীর, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ এমদাদুল হক, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা উমিরুল ইসলাম, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ হেলাল উদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা সরদার বয়েত রেজা, বি এন পি নেতা প্রভাষক আব্দুল আলিম এবং বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম মোল্লা সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
দিনভর শিক্ষার্থীদের কবিতা আবৃত্তি, গান এবং নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অনুষ্ঠানস্থল প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। আয়োজকেরা জানান, নজরুলের মানবতাবাদ, সাম্য এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনা তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে এ ধরনের আয়োজন একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। পাশাপাশি, শিক্ষার্থীদের সুপ্ত সাংস্কৃতিক প্রতিভা বিকাশে এমন আয়োজন সহায়ক হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ কোরিয়ার একটি আদালত বিতর্কিত ইউনিফিকেশন চার্চের নেত্রী হান হাক-জাকে ঘুষ প্রদান ও রাজনৈতিক অর্থায়ন সংক্রান্ত অপরাধে দুই বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেছে।
আদালতের তথ্য অনুযায়ী, হান হাক-জার নেতৃত্বাধীন চার্চটি দক্ষিণ কোরিয়ার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলের স্ত্রী এবং সাবেক ফার্স্ট লেডি কিম কিওন হিকে দুটি শ্যানেল ব্যাগ ও একটি হীরার নেকলেস উপহার দিয়েছিল।
এই উপহারের মোট মূল্য প্রায় ৮০ মিলিয়ন ওন, যা ৫৭ হাজার ৯০০ মার্কিন ডলার বা ৪২ হাজার ৫০০ পাউন্ডের সমান।
চলতি বছরের শুরুতে, কিম কিওন হিকেও চার্চের কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে ২০ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে ৮৩ বছর বয়সী হান হাক-জা অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছেন। ইউনিফিকেশন চার্চের প্রতিষ্ঠাতা সান মিয়ং মুনের বিধবা হান বারবার অভিযোগগুলোকে ‘মিথ্যা’ বলে দাবি করেছেন।
মামলাটির তদন্তে নিয়োজিত বিশেষ পরামর্শক দল জানিয়েছে, ২০২২ সালের এপ্রিল থেকে জুলাইয়ের মধ্যে কিম কিওন হি ব্যবসায়িক ও রাজনৈতিক সুবিধা পাওয়ার বিনিময়ে চার্চের কাছ থেকে বিলাসবহুল পণ্য গ্রহণ করেছিলেন।
প্রসিকিউটরদের মতে, এই তদন্তের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তারের জন্য ইউনিফিকেশন চার্চের অর্থ ও উপহার ব্যবহারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। তদন্ত চলাকালীন, হান হাক-জার ব্যক্তিগত সিন্দুক থেকে প্রায় ১৯ মিলিয়ন ডলার বা ১৪ মিলিয়ন পাউন্ড মূল্যের নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়। এর ছবি প্রকাশ করা হয়েছে।
কিম কিওন হি শ্যানেল ব্যাগ পাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। তবে তিনি দাবি করেছেন যে, তিনি ব্যাগগুলো ব্যবহার করেননি এবং পরে সেগুলো ফেরত দিয়েছিলেন।
গত আগস্টে জিজ্ঞাসাবাদের সময় কিম প্রকাশ্যে ক্ষমা চান। তিনি বলেন, ‘আমি সত্যিই দুঃখিত যে আমার মতো একজন নগণ্য ব্যক্তি জনগণের উদ্বেগের কারণ হয়েছেন।’
ইউনিফিকেশন চার্চের আনুষ্ঠানিক নাম ‘দ্য ফ্যামিলি ফেডারেশন ফর ওয়ার্ল্ড পিস অ্যান্ড ইউনিফিকেশন’।
১৯৫০-এর দশকে দক্ষিণ কোরিয়ায় সান মিয়ং মুন এটি প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি নিজেকে মসিহ বা ত্রাণকর্তা হিসেবে দাবি করেছিলেন।
চার্চটি বিশাল আকারের গণবিবাহের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। এসব অনুষ্ঠানে একসঙ্গে হাজার হাজার দম্পতির বিয়ে দেওয়া হয়েছে। এমন একটি অনুষ্ঠানে হান হাক-জা ও তার প্রয়াত স্বামী এবং চার্চের প্রতিষ্ঠাতা সান মিয়ং মুনও হাজার হাজার দম্পতির বিয়ে দিয়েছিলেন।
সমালোচকেরা সংগঠনটিকে ‘কাল্ট-সদৃশ’ বলে বর্ণনা করেন। আইনজীবীদের অভিযোগ, সংগঠনটি তার অনুসারীদের বিপুল পরিমাণ অর্থ দান করতে চাপ দেয়। চার্চের অনুসারীদের অনেক সময় ‘মুনিজ’ বলা হয়। তবে সমালোচকদের ব্যবহৃত এই শব্দটি অনেক চার্চ সদস্যের কাছে আপত্তিকর।
জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের হত্যাকাণ্ডের পর ইউনিফিকেশন চার্চ দেশটিতে ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসে। আবের হত্যাকারী দাবি করেছিলেন যে, এই সংগঠন তার পরিবারকে আর্থিকভাবে দেউলিয়া করে দিয়েছিল। একই সঙ্গে তিনি আবের বিরুদ্ধে সংগঠনটির প্রচার করার অভিযোগে ক্ষুব্ধ ছিলেন।
ইউনিফিকেশন চার্চের দাবি, সিউল, টোকিও এমনকি ওয়াশিংটনের রাজনীতিবিদদের সঙ্গেও তাদের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। ২০২১ সালে চার্চের একটি অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনীতিবিদ ভিডিও বার্তা পাঠিয়ে সংগঠনটির নতুন থিংক ট্যাংকে অভিনন্দন জানান। তাদের মধ্যে ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, সাবেক মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স, জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে এবং সিউল ও বুসানের মেয়ররা।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সংগঠনটির কার্যক্রম নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। সিঙ্গাপুরসহ কয়েকটি দেশে এটি নিষিদ্ধ। আর জাপানে সংগঠনটিকে বিলুপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৩১ আগস্ট, ২০২৬ : বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সফরের সময় ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন (আইপিইউ)-এর সেক্রেটারি জেনারেল অ্যান্ডা ফিলিপ বলেছেন, সংসদের ভূমিকা গণতন্ত্র, মানবাধিকার, অন্তর্ভুক্তিমূলক সংসদীয় ব্যবস্থা এবং শান্তিপূর্ণ সংলাপের মাধ্যমে মতপার্থক্য নিরসনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনর্গঠনে আইপিইউ’র সমর্থন থাকার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।
আজ জাতীয় সংসদে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নারী ও তরুণ সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল এবং চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি।
নারীদের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের প্রসঙ্গে আইপিইউ’র সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, নেতিবাচক সামাজিক রীতি, কুসংস্কার ও অনলাইন বিদ্বেষের মতো সমস্যাগুলির মোকাবিলায় আইপিইউ কিছু কার্যকর উপায় তৈরি করেছে।
তিনি সংসদে নারীদের মধ্যে সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বাংলাদেশের নারী সংসদ সদস্যদের আইপিইউ’র নারী ফোরাম, জাতিসংঘবিষয়ক স্থায়ী কমিটি ও অন্যান্য কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, সংসদ একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক স্থান, যেখানে বিভিন্ন জাতিগত ও সামাজিক সম্প্রদায়ের কণ্ঠস্বর শোনা প্রয়োজন।
গণঅভ্যুত্থানের সময় তরুণদের অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, সত্য ও ন্যায়বিচারের পাশাপাশি পুনর্মিলন ও ঐক্যও গুরুত্বপূর্ণ। এ প্রসঙ্গে তিনি নেলসন ম্যান্ডেলার সংগ্রাম এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় একটি নতুন ‘রেইনবো নেশন’ গড়ে তোলার অভিজ্ঞতা উল্লেখ করেন।
এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম জানান, বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে ৩০০টি সরাসরি নির্বাচিত আসন এবং নারীদের জন্য ৫০টি সংরক্ষিত আসন রয়েছে। তিনি জানান, গত ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে প্রায় ৪০ জন নারী সংসদ সদস্য অংশগ্রহণ করেন, যাদের মধ্যে ছয়জন সরাসরি নির্বাচিত হয়েছেন।
স্পিকার বলেন, বাংলাদেশে পূর্ববর্তী শাসনামলে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে আইপিইউ’র সেক্রেটারি জেনারেল ও তার প্রতিনিধিদলকে সংশ্লিষ্ট স্থানগুলো সরেজমিনে পরিদর্শনের সুযোগ দেওয়া হবে। তারা জুলাই স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করবেন এবং নির্যাতিত সংসদ সদস্য, তাদের পরিবার এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তিদের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলবেন।
তিনি বলেন, এসব বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য না করে আইপিইউ’র সেক্রেটারি জেনারেল ও তার প্রতিনিধিদলকে ঘটনাগুলো সরাসরি দেখার এবং কূটনৈতিক সম্প্রদায়সহ অন্যান্য নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের কাছ থেকে তথ্য জানার সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন। এরপর বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা যেতে পারে।
স্পিকার পূর্ববর্তী সরকারের সময় জাতিসংঘের একটি তদন্ত প্রতিবেদনের কথাও উল্লেখ করেন এবং আইপিইউ’র সেক্রেটারি জেনারেল ও তার প্রতিনিধিদলকে প্রতিবেদনটি পড়ার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, এটি জাতিসংঘ পরিচালিত একটি স্বাধীন প্রতিবেদন এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের এ প্রতিবেদন প্রণয়ন বা প্রকাশে কোনো ভূমিকা ছিল না।
চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বলেন, গণতন্ত্র পুনর্গঠনে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা প্রয়োজন। দেশের মানুষ অনেক কিছু হারিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং মানুষ হিসেবে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যেতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, তরুণদের অংশগ্রহণ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। গণতন্ত্রের জন্য দেশের মানুষ দীর্ঘ সময় ধরে অনেক কষ্ট সহ্য করেছে এবং গণতন্ত্র পুনর্গঠনের লক্ষ্যে তরুণদের অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
চিফ হুইপ এ সময় আইপিইউ’র সেক্রেটারি জেনারেল ও প্রতিনিধিদলকে বাংলাদেশ সফরের জন্য ধন্যবাদ জানান।
মতবিনিময় সভায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি জহরত আদিব চৌধুরী, সাঈদ আল নোমান, মোছা. তাহসিনা রুশদী, আখতার হোসেন, সানসিলা জেবরিন, মানসুরা আক্তার, মোছা. সানজিদা ইয়াসমিন, মাধবী মার্মা, মারদিয়া মমতাজ এবং মোছা. নুসরাত তাবাসসুম জ্যোতি ফ্যাসিস্ট আমলের নির্যাতনের বিষয়গুলো তুলে ধরেন।
সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূইয়াসহ সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ