শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:৩০ এম
ফরিদপুরের সদরপুরে সরকারি খাল থেকে ড্রেজার ব্যবহার করে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। এ কারণে খালের পাড়, সংলগ্ন কৃষিজমি এবং আশপাশের সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। স্থানীয়রা অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার আকোটের চর ইউনিয়নের কোকারাম সরকারের কান্দি গ্রামের রামনগর খালে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কাজল ও মুন্নাফ নামের দুই ব্যক্তি সেখানে ড্রেজার দিয়ে বালু তুলছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এভাবে বালু উত্তোলন চলতে থাকলে খালের পাড় ভেঙে যাওয়া, কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং আশপাশের সড়ক ঝুঁকির মুখে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে খালের স্বাভাবিক পরিবেশ ও নাব্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, প্রকাশ্যে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। তারা সতর্ক করেছেন যে, এভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত থাকলে এলাকার কৃষিজমি ও সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
কোকারাম সরকারের কান্দি এলাকার এক কৃষক বলেন, "এ অঞ্চলের মানুষের প্রতিবছরই পদ্মা নদীর ভাঙনের শিকার হতে হয়। এর মধ্যে আবার প্রভাবশালীরা অবৈধভাবে বালু তুলছেন। এতে খালের পাশের কৃষিজমি সংকুচিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আমরা এসব বালু ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।"
ড্রেজার মালিক মুন্নাফ শেখের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, "এখান থেকে চুরি করে বালু উত্তোলন করছি। সরকারি কোনো অনুমোদন নেই।"
ড্রেজার মালিক কাজল বলেন, "এভাবে বালু উত্তোলনে কোনো অনুমোদন লাগে না। এটা সরকারি জায়গা নয়, ব্যক্তিগত জমি।"
সদরপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. পলাশ উদ্দিন বলেন, "সরকারি খাল থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কোনো সুযোগ নেই। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তিউনিসিয়ার রাজধানী তিউনিস এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর জেবিনিয়ানায় পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার, পুলিশি হেফাজতে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর ধাওয়ার কারণে দুই ব্যক্তির মৃত্যুর পর এই অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ে।
রাজধানীর উপকন্ঠ ইততাদামেন এলাকায় বিক্ষোভকারীরা সড়ক অবরোধ করে, টায়ারে আগুন ধরিয়ে এবং পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ করতে থাকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে। নিহত ব্যক্তির পরিবারের অভিযোগ, পুলিশের নির্যাতনের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে, স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাদক গিলে ফেলার পর ওই ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে।
জেবিনিয়ানায় নিরাপত্তা বাহিনীর ধাওয়ার সময় এক ব্যক্তির মৃত্যুর পর বিক্ষোভ শুরু হয়। একই সময়ে, স্ফাক্স শহরে এক ছাত্রীকে হাসপাতালে নিতে অ্যাম্বুলেন্সের দেরি হওয়ায় তার মৃত্যুর অভিযোগ তুলে শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদে নেমে আসে।
বিক্ষোভকারীরা একটি গাড়িতে আগুন দেয় এবং টায়ার পোড়ায়, পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে।
অর্থনৈতিক সংকট, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির পাশাপাশি জনসেবার অবনতি এই বিক্ষোভগুলোর পেছনে কারণ হিসেবে কাজ করছে, যা তিউনিসিয়ায় নতুন করে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা সৃষ্টি করেছে। এর আগে, শনিবার প্রেসিডেন্ট কায়েস সাঈদের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র ক্ষুণ্ন এবং অর্থনীতি সামাল দিতে ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে রাজধানীতে বড় বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
আরএ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার পূর্ব নাখালপাড়ার একটি বাসা থেকে রোজিনা খাতুন (৩২) নামের এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনার পর নিহতের স্বামী আরিফ ও তার স্কুলপড়ুয়া দুই ছেলেকে থানায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে পূর্ব নাখালপাড়ার ৩০০/বি নম্বর বাসা থেকে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোজিনা সপরিবার পূর্ব নাখালপাড়ায় বসবাস করতেন। তার স্বামী আরিফ হাসান বৈদ্যুতিক সামগ্রীর ব্যবসা করেন। তাদের দুটি স্কুলপড়ুয়া ছেলে রয়েছে। জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’ নম্বরে খবর পেয়ে পুলিশ ওই বাসা থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী আরিফ হাসানকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গৃহবধূর মৃত্যু সন্দেহজনক। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হারুন অর রশীদ জানিয়েছেন, রোজিনার মরদেহ মেঝেতে পড়ে ছিল। তার গলায় ফাঁস লাগানোর চিহ্ন রয়েছে। মরদেহ উদ্ধারের সময় রোজিনার স্বামী আরিফ হাসান বাসায় উপস্থিত ছিলেন। তাকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। তার কথাবার্তা অসংলগ্ন। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর রোজিনার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যদি নতুন করে হামলা চালায়, তাহলে উপসাগরীয় অঞ্চলের সাতটি দেশের তেল স্থাপনা, সমুদ্রতলের যোগাযোগ ক্যাবল, ডেটা সেন্টার এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসংক্রান্ত স্থাপনায় হামলা হবে বলে সতর্ক করেছেন ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মোহসিন রেজায়ি।
মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের উপদেষ্টা মেহদি মোহাম্মদি, যিনি ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাত বন্ধে আলোচনায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তিনি বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নীতিগতভাবে নতুন হামলার বিষয়ে একমত হয়েছেন। তবে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এ হামলায় সফলতা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা পরবর্তী সংঘাতকে অস্তিত্বের জন্য হুমকি হিসেবে দেখছি। দুই বছরের মধ্যে তৃতীয় যুদ্ধ আমাদের অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। আমাদের কৌশল হলো, কোনো সীমারেখা না মানা।’
মোহাম্মদি আরও বলেন, ‘আমরা সংঘাতের সময় ও ভৌগোলিক পরিসর—দুই ক্ষেত্রেই প্রচলিত সীমা ভেঙে দেব। শত্রুপক্ষ যতটা ধারণা করছে, যুদ্ধ তার চেয়ে দীর্ঘস্থায়ী হবে এবং আরও বিস্তৃত ভৌগোলিক এলাকায় ছড়িয়ে পড়বে।’
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সম্ভাব্য হামলার জবাবে ইরান এ ধরনের অভিযান চালানোর সক্ষমতা রাখে কি না এবং চীন বা রাশিয়ার কাছ থেকে অনানুষ্ঠানিক কোনো সহায়তা পায় কি না, তা যুদ্ধ শুরুর বিষয়ে ওয়াশিংটনের সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
রেজায়ি বলেছেন, ‘যুদ্ধ শুরু হলে যোগাযোগ ক্যাবল, ডেটা সেন্টার ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসংক্রান্ত স্থাপনাও হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। সংঘাত আবার শুরু হলে আমাদের আরও বিস্তৃত পরিকল্পনা থাকবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইরানের অর্থনৈতিক জীবনরেখায় হামলা চালানো হবে, অথচ এসব হামলা চালাতে সহায়তাকারী অর্থনৈতিক অবকাঠামোকে নিরাপদ ও হামলার আওতামুক্ত রাখা হবে—এমন কোনো ব্যবস্থা হতে পারে না।’
মার্কিন সংবাদমাধ্যমের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে নতুন করে যৌথ হামলা চালানোর জন্য দেশটির সামরিক উপদেষ্টারা লক্ষ্যবস্তুর একটি বিস্তারিত তালিকা তৈরি করেছেন।
এদিকে, ইরান, ইয়েমেন ও ফিলিস্তিনের সংকট নিয়ে সমন্বিত নীতি নির্ধারণে শুক্রবার ইস্তাম্বুলে বৈঠকে বসবেন তিনটি ইউরোপীয় দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং তুরস্ক, সৌদি আরব, পাকিস্তান ও মিসরের প্রতিনিধিরা। তেহরান ও ওয়াশিংটন—উভয় পক্ষই নতুন করে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে আশঙ্কা বাড়ছে।
বুধবার, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের চেষ্টা করা চারটি বাণিজ্যিক জাহাজে একই সময়ে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) নৌবাহিনী। জাহাজগুলো থেকে অন্য জাহাজে তেল স্থানান্তর করা হচ্ছিল বলে দাবি করা হয়েছে।
আইআরজিসি আরও দাবি করেছে, প্রণালিতে মাইন বিস্ফোরণে আরও তিনটি জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এসব জাহাজে হামলার সংখ্যা ও ঘটনার বিষয়ে স্বাধীনভাবে কোনো যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে, ইরানে নতুন করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১৩ দশমিক ৪ ডলারে পৌঁছেছে, যা সাম্প্রতিক সময়ের সর্বোচ্চ পর্যায়ের একটি।
গত চার মাসে সাতবার ইরানে নতুন করে হামলার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন ট্রাম্প। তবে কূটনৈতিক আলোচনা অচলাবস্থায় পড়ায় যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা সম্ভাব্য নতুন সামরিক অভিযানের বিষয়ে আলোচনা করছেন। এ অভিযানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনা, তেল অবকাঠামো ও পারমাণবিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।
দুই দেশের পাল্টাপাল্টি হুমকির পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথ সামরিক মহড়া চালিয়ে যাচ্ছে। ইরাকের আকাশসীমার ওপর দিয়ে উড্ডয়নসহ বিভিন্ন অভিযানের অনুশীলনও চলছে। সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি সপ্তাহের শুরুতে ইসরাইলের কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান ইরানের সীমান্তের কাছাকাছি উড়েছে।
এ ছাড়া, মধ্য ইরানের আরাক শহরের একটি বড় অ্যালুমিনিয়াম কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এর মাধ্যমে দেশটির ভেতরে অন্তর্ঘাতমূলক অভিযান চলার আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে।
সোমবার, ইসরাইলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সঙ্গে বৈঠক করেন নেতানিয়াহু। সেখানে সম্ভাব্য যৌথ হামলার সময় ও উদ্দেশ্য নিয়ে আলোচনা হয়। এ হামলা নেতানিয়াহুর পুনর্নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনায় কী প্রভাব ফেলতে পারে, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেতানিয়াহু চান ইরান আগে হামলা চালাক। সোমবারের বৈঠকে তিনি হেগসেথকে এ মনোভাবের কথা জানিয়েছেন বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে।
ট্রাম্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নভেম্বরের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে তিনটি বিমানবাহী রণতরি, কয়েক হাজার মেরিন সেনা, যুদ্ধবিমান ও বিশেষ অভিযান পরিচালনাকারী বাহিনী মোতায়েন করা হবে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঘনিষ্ঠ আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ রেজা নাসরি সতর্ক করে বলেছেন, যুদ্ধের তৃতীয় ধাপ শুরু হলে তা কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় সীমাবদ্ধ থাকবে না।
তিনি বলেন, ‘পুরো অঞ্চলের বিদ্যুৎ গ্রিড, লবণাক্ত পানি পরিশোধন কেন্দ্র, তেল শোধনাগার ও বন্দরগুলোতে আগুন জ্বলবে। কোটি কোটি মানুষ পানি ও বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়বে। আরব দেশগুলো থেকে বিপুলসংখ্যক শরণার্থী ইউরোপের দিকে ছুটবে।’
নাসরি আরও বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে, তেলের দাম আকাশচুম্বী হবে এবং বিশ্ব অর্থনীতি মন্দার মুখে পড়বে। সেনা মোতায়েন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এমনিতেই চাপে থাকা ইসরাইলের অর্থনীতি দীর্ঘস্থায়ী ক্ষয়িষ্ণু যুদ্ধের ধকল সামলাতে পারবে না। আর ট্রাম্প এমন এক সংকটে আটকে পড়বেন, যা তার প্রেসিডেন্সির বাকি সময়কে গ্রাস করবে এবং পরবর্তী প্রশাসনের জন্য ধ্বংসস্তূপ রেখে যাবে।’
আইআরজিসির ঘনিষ্ঠ সংবাদ সংস্থা ফার্স জানিয়েছে, ইরান তার বিভিন্ন সামরিক ও অভিযান পরিচালনাকারী ইউনিটকে নির্দেশনা দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, নতুন করে বড় ধরনের যুদ্ধ শুরু হলে, বিশেষ করে ইরানি কর্মকর্তাদের হত্যা ও বেসামরিক নাগরিকদের প্রাণহানির ঘটনা ঘটলে, ইরানের পাল্টা জবাব শুধু সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে সীমাবদ্ধ থাকবে না; রাজনৈতিক লক্ষ্যবস্তুও হামলার আওতায় আসবে।
এদিকে, যুদ্ধবিরতির পথ খুঁজতে ইরান ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারীরা চলতি সপ্তাহে আবারও আলোচনা করেছেন। আলোচনায় আগের কিছু প্রস্তাব নতুনভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ তুলে নেওয়া, জাতিসংঘের অস্ত্র পরিদর্শকদের বোমা হামলার শিকার ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো পরিদর্শনের সুযোগ দেওয়া এবং দেশটির উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত তৃতীয় কোনো দেশে পাঠানোর বিনিময়ে ইরানকে কয়েক বিলিয়ন ডলারের জব্দ সম্পদ ফিরিয়ে দেওয়া। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার কুশুলিয়া ইউনিয়নের ঘোজাডাঙা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক শহীদুল ইসলামের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের সাথে অশালিন আচরণ, বিদ্যালয়ের বিভিন্নখাতে বরাদ্দের টাকা আত্মসাৎসহ নানা অভিযোগ এনে তার বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে অভিযোগ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের সহসভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ও সাবেক সভাপতি মতিয়ার রহমানসহ পরিচালনা কমিটির তিনজন সদস্য, কয়েকজন অবিভাবক গত রবিবার এ অভিযোগ করেন। আবেদনপত্রে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম, ১ নং ওয়ার্ড সদস্য আবু মুছা সরদার সুপারিশ করেছেন।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে যে, গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে শহীদুল ইসলাম ঘোজাডাঙা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলী হয়ে আসেন। এ বিদ্যালয়ে যোগদানের পর থেকে শহীদুল ইসলাম ছাত্রীদের ছবি উঠিয়ে ব্লাক মেইল করার চেষ্টা, শ্লীলতাহানির অভিযোগের পাশাপাশি অভিভাবকদের সাথে খারাপ ব্যবহারের
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ