ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফোন দূরে রাখলেই পুরস্কার, বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের অভিনব উদ্যোগ দর্শকদের জন্য


ফোন দূরে রাখলেই পুরস্কার, বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের অভিনব উদ্যোগ দর্শকদের জন্য

খেলা দেখতে গ্যালারিতে গিয়ে অনেক দর্শকের মন মোবাইল ফোনে পড়ে থাকে। সেলফি তোলা, ভিডিও করা কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যস্ততায় মাঠের উত্তেজনা হারিয়ে যায়।

এবার সেই অভ্যাস পরিবর্তনের জন্য অভিনব উদ্যোগ গ্রহণ করেছে জার্মান ক্লাব বরুসিয়া ডর্টমুন্ড। ম্যাচ চলাকালে ফোনের ব্যবহার কমাতে পারলে দর্শকদের জন্য থাকবে স্বাক্ষর করা জার্সি এবং ক্লাবের পণ্য কেনার জন্য উপহার কার্ড।

গোল ডটকমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ডর্টমুন্ডের নিজস্ব অ্যাপে ‘ফ্যান মোড’ নামের একটি সুবিধা সংযুক্ত করা হয়েছে। এই সুবিধা চালু করলে ম্যাচ চলাকালে কতবার ফোন ব্যবহার করা হচ্ছে, তা হিসাব করা হবে। বিরতির সময় ফোনের ব্যবহার হিসাবের বাইরে থাকবে। ফোন যত কম ব্যবহার করা হবে, তত বেশি পয়েন্ট জমা হবে। সর্বাধিক পয়েন্ট অর্জনকারীদের পুরস্কৃত করা হবে।

আরও পড়ুন: ৯ম ড্যাফোডিল ক্যাপ্টেনস্ কাপ গলফ টুর্নামেন্টের সমাপনী কুর্মিটোলা গলফ ক্লাবে

গতকাল (২৪ অক্টোবর) রাতে নিজেদের মাঠ সিগনাল ইদুনা পার্কে আইনট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্টের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বরুসিয়া ডর্টমুন্ড এই উদ্যোগের সূচনা করেছে। তবে এতে দর্শকদের অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক ছিল না এবং ফোন ব্যবহারে কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়নি।

বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের প্রধান নির্বাহী কার্স্টেন ক্রেমার এ বিষয়ে মন্তব্য করেছেন, ‘স্টেডিয়ামে ৮১ হাজারের বেশি মানুষ একসঙ্গে গান গাইছেন, উল্লাস করছেন, একই মুহূর্তে উৎকণ্ঠায় নিঃশ্বাস আটকে রাখছেন—এই মুহূর্ত, এই অভিজ্ঞতার কোনো বিকল্প নেই।’

জার্মান ফুটবলে গ্যালারির পরিবেশকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কনটেন্টে পরিণত করার প্রবণতা নিয়ে অসন্তোষ দিন দিন বাড়ছে। এর আগে হার্থা বার্লিন ও ডায়নামো ড্রেসডেন বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ভিডিও ধারণে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে।

তবে ডর্টমুন্ডের এই অভিনব উদ্যোগের লক্ষ্য হলো, দর্শকরা যেন পর্দায় নয়, মাঠের খেলায় মনোযোগ দেন এবং গ্যালারির সম্মিলিত উন্মাদনা উপভোগ করেন।

আরও পড়ুন: শেষ উইকেটে বিশ্বরেকর্ড গড়ে পাকিস্তানকে জয় উপহার দিলো শাদাব খান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
আল জাজিরার এক্সপ্লেইনার

ইসরাইলের নির্বাচনের সম্ভাব্য ৮ ফলাফল প্রকাশিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৫১ পি.এম


ইসরাইলের নির্বাচনের সম্ভাব্য ৮ ফলাফল প্রকাশিত

ইসরাইলে আগামী ২৭ অক্টোবর সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দীর্ঘদিনের ক্ষমতা ধরে রাখার সম্ভাবনা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। সরকার গঠন নিয়ে জোটগুলোর দর-কষাকষির মধ্যে তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎও ঝুলে আছে।

নির্বাচনটি ইসরাইলের পার্লামেন্ট নেসেটের ১২০টি আসনে অনুষ্ঠিত হবে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বে ইসরাইলে হামলার পর এটি দেশটির প্রথম নির্বাচন। ওই হামলার পর গাজায় ইসরাইলের যুদ্ধ শুরু হয়। পরবর্তী সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে হামলা চালিয়ে আঞ্চলিক সংঘাতও বিস্তৃত করেছে ইসরাইল।

সাম্প্রতিক জনমত জরিপে দেখা যাচ্ছে, নেতানিয়াহুর ডানপন্থি জোট এবং ইহুদিদের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের আসনসংখ্যার ব্যবধান খুব বেশি নয়। তবে নির্বাচনে নেতানিয়াহুকে পরাজিত করলে যে তিনি ক্ষমতা হারাবেন, বিষয়টি এমন নয়।

ইসরাইলের আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বভিত্তিক নির্বাচনী ব্যবস্থায় সরকার গঠনের জন্য দলগুলোকে জোট করতে হয়। দেশটির ইতিহাসে কোনো একক দল এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। সরকার গঠনের জন্য নেসেটের অন্তত ৬১টি আসনের সমর্থন প্রয়োজন।

সাম্প্রতিক জরিপ অনুযায়ী, বিরোধী জোট ৫২টি আসন পেতে পারে। অন্যদিকে নেতানিয়াহুর ধর্মীয় জাতীয়তাবাদী জোটের সম্ভাব্য আসনসংখ্যা ৫০। ফলে সরকার গঠনে ফিলিস্তিনিদের নেতৃত্বাধীন দলগুলোও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ইসরাইলের নির্বাচনে সম্ভাব্য আটটি পরিস্থিতি তুলে ধরা হলো।

আবারও সরকার গঠন করতে পারেন নেতানিয়াহু।

জনমত জরিপে কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও, নিজের লিকুদ পার্টির মাধ্যমে পুরোনো মিত্রদের সমর্থন ধরে রেখে অথবা নতুন জোটসঙ্গী খুঁজে নিয়ে আবারও সরকার গঠন করতে পারেন নেতানিয়াহু।

তার ঐতিহ্যগত মিত্রদের মধ্যে রয়েছেন কট্টর ডানপন্থি জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের জিউইশ পাওয়ার পার্টি এবং অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচের রিলিজিয়াস জায়নিস্ট পার্টি।

এ ছাড়া অতি-রক্ষণশীল ইহুদিদের প্রতিনিধিত্বকারী শাস ও ইউনাইটেড তোরাহ জুডাইজম পার্টিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। অতীতে একাধিকবার নেতানিয়াহুর জোট সরকারে যোগ দিলেও, দল দুটি বিভিন্ন সময়ে জোট থেকে বেরিয়ে গেছে। সর্বশেষ ২০২৫ সালে তারা জোট ছেড়েছিল।

বিরোধীদের নেতৃত্বে সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার।

নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরানোর লক্ষ্যে গত সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে চারটি বিরোধী দল একে অপরের বিরুদ্ধে আগ্রাসী অবস্থান না নেওয়ার বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছায়।

দলগুলো হলো ইয়াশার পার্টি, দ্য ডেমোক্র্যাটস, ইসরাইল বেইতেনু পার্টি এবং টুগেদার জোট। তারা ‘ইহুদি ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে ইসরাইলকে সংরক্ষণ ও শক্তিশালী করার’ লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছে।

তবে বিরোধী জোট এখনো জানায়নি, সরকার গঠন করতে পারলে কে প্রধানমন্ত্রী হবেন। ইয়াশার পার্টির নেতা ও সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোটকে এ পদের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেটও সম্ভাব্য প্রার্থী। তিনি ইয়ার লাপিদের সঙ্গে টুগেদার জোটের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

রা’আমকে নিয়ে জোট সরকার

ইসরাইলের ফিলিস্তিনি নাগরিকদের প্রতিনিধিত্বকারী আরব নেতৃত্বাধীন দুটি দল জয়েন্ট লিস্ট ও রা’আম। দেশটির মোট জনসংখ্যার প্রায় ২০ শতাংশ ফিলিস্তিনি নাগরিক। জনমত জরিপ অনুযায়ী, দল দুটি মিলিয়ে প্রায় ১৩টি আসন পেতে পারে।

রা’আম, যার পূর্ণ নাম ইউনাইটেড আরব লিস্ট, ২০২১ সালে নাফতালি বেনেটের জোট সরকারে যোগ দিয়ে ইতিহাস গড়েছিল। ইসরাইলের কোনো সরকারে অংশ নেওয়া প্রথম আরব নেতৃত্বাধীন দল ছিল এটি।

রা’ামের নেতা মনসুর আব্বাস ইঙ্গিত দিয়েছেন, বিরোধী জোটের সরকার গঠনে অতিরিক্ত আসনের প্রয়োজন হলে তারা আবারও একই ধরনের সমঝোতায় যেতে পারেন।

ফিলিস্তিনি সম্প্রদায়ের মধ্যে বেড়ে চলা সহিংস অপরাধ দমন এবং আবাসনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বৈষম্যমূলক সরকারি নীতির পরিবর্তনকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলেছেন তিনি।

তবে বিরোধী জোটের অধিকাংশ নেতা, এমনকি গাদি আইজেনকোটও রা’আমকে নিয়ে জোট গঠনের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন।

সংখ্যালঘু সরকার গঠন

কোনো জোট ৬১টি আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে ব্যর্থ হলে অন্য দলগুলোর বাইরের সমর্থন নিয়ে সংখ্যালঘু সরকার গঠনের চেষ্টা করতে পারে। এ ক্ষেত্রে সমর্থন দেওয়া দলগুলো সরকারে সরাসরি অংশ না নিয়েও পার্লামেন্টে সরকারকে সহযোগিতা করতে পারে।

জয়েন্ট লিস্ট জানিয়েছে, নেতানিয়াহুবিরোধী জোট সরকার গঠন করলে তারা আস্থাভোটে সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান না নিয়ে এক ধরনের ‘সুরক্ষা বলয়’ তৈরি করতে পারে।

এর বিনিময়ে ফিলিস্তিনিদের রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি এবং সংগঠিত অপরাধ দমনের মতো বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার শর্ত দিতে পারে দলটি।

তবে এ ধরনের সরকার গঠিত হলে জোটের কোনো সদস্য সমর্থন প্রত্যাহার করলে কিংবা গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত বিষয়ে মতবিরোধ দেখা দিলে সরকার সংকটে পড়তে পারে।

জাতীয় ঐক্যের সরকার

ইসরাইলের পার্লামেন্টের সংজ্ঞা অনুযায়ী, জাতীয় ঐক্যের সরকার হলো এমন একটি সরকার, যেখানে বিভিন্ন প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক গোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা বৃহত্তর জোটের অংশ হিসেবে একসঙ্গে কাজ করেন।

সাধারণত যুদ্ধ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা অর্থনৈতিক সংকটের মতো জাতীয় জরুরি পরিস্থিতিতে এ ধরনের সরকার গঠন করা হয়।

২০২০ সালের মে মাসে টানা তিনটি নির্বাচনে সরকার গঠন নিয়ে অচলাবস্থার পর নেতানিয়াহু ও বেনি গান্তজ জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠন করেছিলেন। তবে এক বছরের মধ্যেই সেই সমঝোতা ভেঙে যায়।

২০২৩ সালে হামাসের নেতৃত্বে ইসরাইলে হামলার পর গান্তজ ও তার দলের সদস্যরা আবারও নেতানিয়াহুর জোটে যোগ দেন। এর আগে নেতানিয়াহুর বিরোধিতা করলেও জরুরি পরিস্থিতিতে তারা ঐক্যবদ্ধ সরকারে অংশ নিয়েছিলেন।

নতুন নির্বাচনের পরও রাজনৈতিক অচলাবস্থা তৈরি হলে জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠনের সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে।

পালাক্রমে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সমঝোতা

সরকার গঠনের সংকট কাটাতে দুই রাজনৈতিক নেতা পালাক্রমে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের বিষয়ে সমঝোতা করতে পারেন।

২০২০ সালে নেতানিয়াহু ও বেনি গান্তজ এমন একটি সমঝোতায় পৌঁছেছিলেন। কিন্তু জোট ভেঙে যাওয়ায় গান্তজের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়া সম্ভব হয়নি।

২০২১ সালে নাফতালি বেনেট ও ইয়ার লাপিদও একই ধরনের চুক্তি করেছিলেন। ওই সমঝোতা অনুযায়ী, বেনেট প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর নির্দিষ্ট সময় শেষে লাপিদের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরের কথা ছিল।

কিন্তু ২০২২ সালের জুনে বেনেটের জোট পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায়। পরের মাসে লাপিদ তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন।

নতুন নির্বাচনের পর কোনো একক জোটের পক্ষে স্থিতিশীল সরকার গঠন সম্ভব না হলে একই ধরনের সমঝোতা আবারও আলোচনায় আসতে পারে।

সমঝোতা না হলে আবারও নির্বাচন

কোনো নেতা নেসেটে প্রয়োজনীয় সমর্থন নিশ্চিত করতে না পারলে ইসরাইলকে আবারও নির্বাচনের পথে হাঁটতে হতে পারে।

২০১৯ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে দেশটিতে পাঁচবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক জোটগুলো স্থিতিশীল সরকার গঠনে বারবার ব্যর্থ হওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

নতুন নির্বাচনেও সরকার গঠনের মতো সমর্থন নিশ্চিত করা না গেলে দেশটিতে আবারও রাজনৈতিক অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।

এমন পরিস্থিতিতে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়া পর্যন্ত তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন নেতানিয়াহু।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বর্ণ চুরি করে গাড়ি কিনে গ্রেপ্তার যুবক সমর চ্যবন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৫২ পি.এম


স্বর্ণ চুরি করে গাড়ি কিনে গ্রেপ্তার যুবক সমর চ্যবন

কাকার বাড়ি থেকে স্বর্ণ চুরি করে সেই টাকায় গাড়ি কিনেছিল যুবক। নতুন গাড়ির পূজার অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল কাকাকেও। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। স্বর্ণ চুরির তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশের জালে ধরা পড়ে যায় চোর। ঘটনাটি ভারতের মহারাষ্ট্রের কোলহাপুর জেলার পনহালা তহসিলের সাতভে গ্রামে ঘটেছে।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মাসখানেক আগে ১৯ বছর বয়সী সমর চ্যবন তার কাকার বাড়ি থেকে ১৫ ভরি সোনার গহনা চুরি করে। এরপর স্থানীয় জুয়েলার্স সংগ্রাম বাবাসো মোরের সহায়তায় সমর সেই স্বর্ণ ১০ লাখ টাকায় বিক্রি করে। পরে ওই টাকা দিয়ে সে একটি নতুন মহিন্দ্রা থার গাড়ি কেনে। সমর চ্যবন তার কাকা উমেশ মারুতি চ্যবনের বাড়ির পাশেই বসবাস করে।

এ পর্যন্ত সবকিছু ঠিকঠাক চলছিল। তবে ঘটনা নাটকীয় মোড় নেয় সম্প্রতি দশেরা উৎসবের সময়, যখন সমর নতুন গাড়িটির পূজার আয়োজন করে। পূজায় সমর তার কাকাকেও আমন্ত্রণ জানায়। ভাইপোর নতুন গাড়ির পূজার অনুষ্ঠানে পরার জন্য উমেশ যখন নিজের গহনা খুঁজতে যান, তখন তিনি আবিষ্কার করেন যে তার গহনাগুলো গায়েব হয়ে গেছে। পরিবারের মধ্যে আরও বেশি সন্দেহের সৃষ্টি হয় যখন তারা লক্ষ্য করে যে পাশেই রাখা উমেশের ঠাকুমার গহনাগুলোতে কেউ হাত দেয়নি। শুধু উমেশ এবং তার স্ত্রীর গহনাগুলোই চুরি হয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে পরিবারটি নিশ্চিত হয় যে চুরির পেছনে ভেতরের বা খুব কাছের কোনো মানুষের হাত রয়েছে।

এরপর উমেশ চ্যবন গহনা চুরির বিষয়ে কোডোলি থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ এই মামলার তদন্ত শুরু করে। তদন্ত চলাকালীন পুলিশের কাছে সমরের হঠাৎ করে নতুন গাড়ি কেনা এবং সেই গাড়ির টাকার উৎস নিয়ে সন্দেহ সৃষ্টি হয়। পুলিশ যখন তদন্তের জাল আরও সংকীর্ণ করে আনে এবং সমরকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে, তখন সে চুরির কথা স্বীকার করে নেয়।

চুরির অপরাধ স্বীকার করার পর কোডোলি থানার পুলিশ গত বৃহস্পতিবার সমর চ্যবন এবং সোনা ব্যবসায়ী সংগ্রাম মোরে-কে গ্রেপ্তার করে হেফাজতে নিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আগামী মাসে খুলবে সেন্টমার্টিন, মানতে হবে নতুন নিয়ম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৫২ পি.এম


আগামী মাসে খুলবে সেন্টমার্টিন, মানতে হবে নতুন নিয়ম

দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন আগামী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে। ২০২৭ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫০০ পর্যটক দ্বীপটিতে প্রবেশ করতে পারবেন। প্রতিটি পর্যটকের জন্য ১০০ টাকা পরিবেশ সংরক্ষণ ফি দিতে হবে।

এই তথ্যটি রোববার (২৫ অক্টোবর) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের পরিবেশ-২ শাখা থেকে প্রকাশিত এক চিঠিতে জানানো হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সেন্টমার্টিনে পর্যটক যাতায়াত নিয়ে গত ১২ অক্টোবর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সভাপতিত্বে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় এই সিদ্ধান্তগুলো গৃহীত হয়।

নির্ধারিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এবং নৌপরিবহন অধিদপ্তর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া সেন্টমার্টিনে নৌযান চলাচলের অনুমতি প্রদান করতে পারবে না। তবে কক্সবাজারের নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে অনুমোদিত পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল অব্যাহত থাকবে।

দ্বীপে পর্যটকদের কাছ থেকে পরিবেশ সংরক্ষণ ফি আদায়ের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরকে ‘ইসিএ ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০১৬’-এর বিধি ২৬ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর জারি করা প্রজ্ঞাপনের সব নির্দেশনা কার্যকর থাকবে।

এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন, নৌপরিবহন অধিদপ্তর, বিআইডব্লিউটিএ, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড এবং কক্সবাজার জেলা প্রশাসনকে চিঠি প্রদান করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আগামী নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৪ পি.এম


আগামী নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল করা হবে এবং তার অধীনে আগামী সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি উল্লেখ করেন, "অবশ্যই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।" এ বিষয়ে রাজনৈতিক সমঝোতা হয়েছে।

রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, 'সর্বোচ্চ আদালত থেকে ত্রয়োদশ সংশোধনী সম্পর্কিত রায় বাতিল হয়েছে। আইনসভার মাধ্যমে সংবিধান সংশোধনের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা আবার প্রতিস্থাপন করতে হবে।'

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, 'বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় তাকে ফেরত আনতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারতের কাছে একাধিকবার অনুরোধ পাঠানো হয়েছে।'

গোপালগঞ্জে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, 'প্রশাসন ওই ঘটনার জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে।'

পূর্বাচলে পুলিশের অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শকের বাড়িতে অভিযান ও অভিযোগের বিষয়ে প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, ওই কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। তিনি বলেন, "আমরা আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করব। কারও পরিচয় বিবেচনায় নেব না।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%