বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
১২:৫২ এম
কালীগঞ্জে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের মিছিলের প্রস্তুতিকালে ব্যানার ও একটি মোটরসাইকেলসহ সংগঠনটির ৩ সদস্যকে পুলিশ আটক করেছে। এ সময় ছাত্রলীগের আক্রমণে পুলিশ সদস্যদের ২ জন আহত হয়েছেন।
বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে উপজেলার নাগরী ইউনিয়নের পারাবর্তার (পূর্বাচল ২৭ নম্বর সেক্টর) গোলচত্বর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়।
আটক হওয়া সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন উত্তরখান উজামপুর এলাকার মো. আব্দুর রাজ্জাক (১৯), সিয়াম হোসেন সায়েম (২১) ও ফিরোজ আহম্মেদ (১৮)। তারা সবাই ছাত্রলীগের সদস্য।
আহত পুলিশ সদস্যদের নাম হলো সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মিজানুর রহমান ও কনস্টেবল আরিফুল ইসলাম।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিল ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তাদের ওপর উপস্থিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা অতর্কিত হামলা চালায়। এতে আহত হন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মিজানুর রহমান ও কনস্টেবল আরিফুল ইসলাম। পুলিশ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়, তবে অন্যরা পালিয়ে যায়।
আহত পুলিশ সদস্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
কালীগঞ্জ থানাধীন উলুখোলা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) ফাইজুর রহমান কালের কণ্ঠকে সংবাদটি নিশ্চিত করে বলেন, মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে আমাদের ২ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। আমরা ৩ জনকে আটক করেছি। এরা সবাই ছাত্রলীগের সদস্য ও মিছিলে অংশগ্রহণকারী। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের ঈদগাঁওর শীয়া পাড়ায় রাতের আঁধারে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে দস্যুতার ঘটনার মূলহোতা সহ দুই এজাহারনামীয় আসামিকে গ্রেফতার করেছে ঈদগাঁও থানা পুলিশ। এ সময় ছিনতাই হওয়া নগদ ১,৫০,০০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে এবং বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ জুলাই রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে স্থানীয় ব্যবসায়ী রহিম উদ্দিন তার ব্যবসা বন্ধ করে বাড়ি ফিরছিলেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছালে শিয়া পাড়ায় অভিযুক্ত ফারুক মিয়া ও মো. সাজ্জাদসহ অন্যান্যরা তার গতিরোধ করে মারধর করেন এবং তার সাথে থাকা নগদ এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন ফারুক মিয়া (৪২): পিতা- মৃত আলী মিয়া, সাং- মধ্যম শিয়া পাড়া, ঈদগাঁও, কক্সবাজার এবং মো. সাজ্জাদ প্রঃ আব্বুইয়া (২৭): পিতা- মৃত জাফর আলম প্রঃ গফুর, সাং- দরগাহ পাড়া, ঈদগাঁও, কক্সবাজার। ঘটনার সংবাদ পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঈদগাঁও থানা পুলিশ শিয়া পাড়ায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে প্রধান এ দুই আসামিকে গ্রেফতার করে।
ঈদগাঁও থানার মামলা নং- ১২/৯৪, তারিখ- ২৯/০৭/২০২৬ খ্রিঃ, ধারা- ৩৯৪ পেনাল কোড ১৮৬০। এ বিষয়ে ঈদগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ এটিএম শিফাতুল মাজদার জানিয়েছেন, অপরাধ দমনে এবং এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ সর্বদা বদ্ধপরিকর।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এছাড়া পলাতক অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মিশরের দামিয়েত্তা বন্দরের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনালে একটি গ্যাস সংরক্ষণ ট্যাংকারে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে জাহাজে আগুন ধরে যায় এবং পরে সেই আগুন পাশের আরেকটি গ্যাসবাহী জাহাজেও ছড়িয়ে পড়ে। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান অ্যামব্রে জানিয়েছে, বুধবার (২৯ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের মালিকানাধীন ভাসমান গ্যাস সংরক্ষণ ট্যাংকার এনারগোস উইন্টার-এ একটি ড্রোন আঘাত হানে। হামলার পর জাহাজে আগুন লাগে এবং তা পরে গ্যাসলগ সালেম নামের আরেকটি জাহাজে ছড়িয়ে পড়ে।
বন্দরসেবা প্রতিষ্ঠান ইঞ্চকেপ পৃথক এক বার্তায় জানিয়েছে, দামিয়েত্তা বন্দরে দুটি গ্যাসবাহী ট্যাংকারে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে।
ঘটনার সঙ্গে পরিচিত তিনটি সূত্র জানিয়েছে, ড্রোন হামলায় এনারগোস উইন্টারে আগুন লাগার পর তা পাশের জাহাজে ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়া দুটি নিরাপত্তা সূত্রও বিস্ফোরণের কারণ হিসেবে ড্রোন হামলার কথা নিশ্চিত করেছে।
অ্যামব্রের তথ্য অনুযায়ী, হামলার পরপরই জাহাজের সব নাবিককে নিরাপদে সরিয়ে নেয়া হয় এবং দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এখন পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী এ হামলার দায় স্বীকার করেনি।
মিশরের পেট্রোলিয়াম ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দামিয়েত্তা বন্দরে একটি টাগবোট ও একটি গ্যাস সংরক্ষণ জাহাজে আগুন লাগার ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
মন্ত্রণালয় এক ফেসবুক পোস্টে জানায়, ‘জরুরি পরিকল্পনা অনুযায়ী দ্রুত পরিস্থিতি মোকাবিলা করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে থাকা অগ্নিনির্বাপণ ও নিরাপত্তা দল দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।’ তবে আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে মন্ত্রণালয় কোনো মন্তব্য করেনি।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের ছোড়া ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র বিভিন্ন আরব দেশের দিকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হুতি গোষ্ঠীও সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। তবে এর আগে মিশর ইরান-সংশ্লিষ্ট কোনো ড্রোন হামলার শিকার হয়নি বলে জানা গেছে।
এদিকে পাল্টাপাল্টি হামলায় নতুন মোড় নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত। মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন ঘাঁটিতে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান। একইসঙ্গে ইরানে সমর্থিত গোষ্ঠীর ড্রোন হামলার জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরব পূর্ব ইরাকে একাধিক অস্ত্রভাণ্ডার ও সরবরাহ কেন্দ্রে যৌথ হামলা চালিয়েছে।
মার্কিন সামরিক বাহিনীকে লক্ষ্য করে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর কঠোর জবাব দেয়ার হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেয়া টেলিফোন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছেন, তেহরানকে এর জন্য চরম মাশুল গুনতে হবে।
অন্যদিকে সাম্প্রতিক মার্কিন হামলায় ইরানের বেসামরিক অবকাঠামোর বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির দাবি করেছে তেহরান। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বুশেহর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্পূর্ণ অচল হয়ে গেছে। পাশাপাশি একটি সামুদ্রিক নিয়ন্ত্রণ টাওয়ার, ১২টি সেতু, দুটি সুড়ঙ্গ, আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র ও মাছ ধরার নৌকাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাঘারি সতর্ক করে বলেছেন, উপসাগরে ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজের ক্ষতিপূরণ হিসেবে যদি কোনো দেশ বা কোম্পানি ইরানের জব্দ করা অর্থ গ্রহণ করে, তবে তাদের হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতি দেয়া হবে না। সেইসঙ্গে ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজের ক্ষতিপূরণ ইরানের জব্দ করা তহবিল থেকে দেয়ার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করে খাল পুনঃখনন প্রকল্পে সাশ্রয় হয়ে দাঁড়ানো ১ কোটি ২ লাখ ৩৫ হাজার ২৪৯ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দিয়েছেন ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রোমানা আফরোজ।
নির্ধারিত মান বজায় রেখে প্রকল্পের কাজ শেষ হলেও, প্রাক্কলনের তুলনায় কম ব্যয় হওয়ায় অবশিষ্ট অর্থ সরকারি বিধি অনুসারে ট্রেজারিতে জমা দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ‘অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি (ইজিপিপি)’–এর আওতায় চরফ্যাশন উপজেলার সুবল ডাক্তার বাড়ি থেকে সুন্দরী ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় ৩ দশমিক ৭ কিলোমিটার খাল পুনঃখননের জন্য ২ কোটি ৬ লাখ টাকা বরাদ্দ ছিল।
প্রকল্পটি বাস্তবায়নের সময় নির্ধারিত কারিগরি মান এবং সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করা হয়েছে। তবে খালের বিভিন্ন অংশে প্রস্থ ও খননের গভীরতা প্রাক্কলনের তুলনায় কম হওয়ায় কাজটি বরাদ্দের পুরো অর্থ ব্যয় না করেই সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।
এই কারণে মোট ১ কোটি ২ লাখ ৩৫ হাজার ২৪৯ টাকা সাশ্রয় হয়েছে, যা সরকারি আর্থিক বিধিমালা অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।
চরফ্যাশন উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রোমানা আফরোজ জানান, দীর্ঘদিনের অবহেলায় খালটি ভরাট হয়ে কার্যত অকেজো হয়ে পড়েছিল। স্থানীয় মানুষের জলাবদ্ধতা নিরসন, পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখা এবং পরিবেশগত ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে সরকারের উদ্যোগে খালটি পুনঃখনন করা হয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সরকারি অর্থের স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ব্যবহারের অংশ হিসেবে সাশ্রয় হওয়া প্রতিটি টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। সরকারি অর্থের অপচয় রোধ তথা আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে উপজেলা প্রশাসন সবসময় দায়িত্বশীলভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পদ্মার পাড় ভাঙছে পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে। ভাঙনের চিত্র দীর্ঘ হচ্ছে চাপ চাপ মাটি ধসে। মুহূর্তের মধ্যে প্রায় ১০০ মিটার এলাকা নদী গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। বুধবার (২৮ জুলাই) দুপুরে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার পদ্মার মধ্যে চকরাজাপুর ইউনিয়নের চকরাজাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের উত্তরে কালিদাসখালী এলকায় এই ভাঙন দেখা যায়।
জানা গেছে, চকরাজাপুর ইউনিয়নের ৪ ও ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কালিদাসখালী ও লক্ষীনগর চরের মানুষ ঘরবাড়ি অন্যত্রে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন এবং হুমকির মধ্যে রয়েছে ২০-২৫টি বাড়ি। এ বিষয়ে চকরাজাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বর শহিদুল ইসলাম বলেন, এক সপ্তাহ আগে পদ্মার পানি বাড়তে শুরু করেছে। সেই সাথে ভাঙনও শুরু হয়েছে। এবারের ভাঙনে যে জমিগুলো কবলে পড়েছে, তার অধিকাংশ ছিল আম, মেহগনি গাছ ও বাড়িঘর। এই ওয়ার্ডের মোট ভোটার সংখ্যা এক হাজার ২৬২ জন। পরিবার ছিল চার শতাধিক। তবে নদী ভাঙনের কারণে ইতিমধ্যে প্রায় দেড় শতাধিক পরিবার বিভিন্ন স্থানে চলে গেছে।
৩ নম্বর কালিদাসখালী চরের ও চকরাজাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা জানিয়েছেন, এক সপ্তাহের মধ্যে অনেকের বাড়ি ও আম বাগান নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। অনেকেই হুমকির মধ্যে রয়েছে। এবারের ভাঙনের ফলে মনে হচ্ছে কালিদাসখালী ও লক্ষীনগর নামে আর কোন চিহ্ন থাকবে না।
চকরাজাপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বর ফজলুল হক জানান, চকরাজাপুর নামে আর কোন চিহ্ন নেই। ইতিমধ্যে বিলিন হয়ে গেছে। এই ওয়ার্ডের তিন ভাগের দুই ভাগ পদ্মা গর্ভে চলে গেছে। বর্তমানে ভাঙন শুরু হয়েছে, এভাবে চলতে থাকলে কিছু দিনের মধ্যে এ ওয়ার্ডও বিলিন হয়ে যাবে।
এদিকে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বর আনোয়ার শিকদার বলেন, কয়েক বছরে আমার প্রায় ৩০ বিঘা জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। এই ওয়ার্ডের কোন চিহ্ন অবশিষ্ট নেই। এ ওয়ার্ডের ৩ শতাধিক পরিবার দুই বছরের মধ্যে অন্যত্র চলে গেছেন। চকরাজাপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আজিজুল আযম বলেন, প্রতি বছর ভাঙনের কবলে পড়ে মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তবে বর্তমানের ভাঙনের বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাম্মী আক্তার বলেন, পদ্মার ভাঙনের খবর পেয়েছি। আমি উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করেছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ