ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি সহমর্মিতার আহ্বান রাষ্ট্রপতির


মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি সহমর্মিতার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি সহমর্মিতা ও সম্মান প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি পরিবার ও সমাজের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে তাদের যথাযথ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি শনিবার (১০ অক্টোবর) বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস-২০২৬ উদ্যাপন উপলক্ষে বাংলাদেশে দিবসটি পালনের উদ্যোগকে স্বাগত জানান।

বাণীতে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, দেশের সকল নাগরিকের সার্বিক মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করার প্রয়োজন রয়েছে, সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি।

আরও পড়ুন: অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান

এ বছরের বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসের প্রতিপাদ্য ‘জীবনের কথা শুনি, বাস্তব পরিবর্তন আনি’ বর্তমান প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার অভিজ্ঞতা রয়েছে এমন ব্যক্তিদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং নীতিনির্ধারণ ও সেবা পরিকল্পনায় তাদের অভিজ্ঞতা ও মতামতকে গুরুত্ব দেওয়ার ওপর জোর দেওয়া উচিত।

রাষ্ট্রপতি বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য মানুষের সার্বিক সুস্থতা, কর্মক্ষমতা ও জীবনমানের একটি অপরিহার্য অংশ। পরিবর্তিত বিশ্বপরিস্থিতি, অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা, সামাজিক অস্থিরতা, একাকিত্ব, মাদকাসক্তি, পারিবারিক ও কর্মক্ষেত্রের চাপ এবং দৈনন্দিন জীবনের নানা প্রতিকূলতা মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর গভীর প্রভাব ফেলছে। সুতরাং, শারীরিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি মানসিক সুস্থতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, ‘মানসিক সুস্থতাসম্পন্ন ও কর্মক্ষম জাতি গঠনে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে- এ প্রত্যাশা করি।’

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, ‘বর্তমান সরকার মানসিক স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। মানসিক স্বাস্থ্যসেবাকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে সমন্বিত করার কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে। মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা শনাক্ত করা এবং আক্রান্ত ব্যক্তিদের যথাযথ সেবা পৌঁছে দিতে পরিবার ও সমাজের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

আরও পড়ুন: ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে তালাক বন্ধ: চিফ হুইপ

এছাড়া, ঝাড়ফুঁক বা অবৈজ্ঞানিক চিকিৎসা পদ্ধতির পরিবর্তে যথাযথ চিকিৎসাসেবা গ্রহণের বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টির ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এস আলমের ফার্স্টকমের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, বকেয়া ও অনিয়মের অভিযোগের পরও কীভাবে ব্যবসার সুযোগ?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:২৫ পি.এম


এস আলমের ফার্স্টকমের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, বকেয়া ও অনিয়মের অভিযোগের পরও কীভাবে ব্যবসার সুযোগ?

বকেয়া পাওনা ও ব্যাংক গ্যারান্টি নিয়ে প্রশ্নের মধ্যেই ফার্স্টকমের কার্যক্রম চালুর সুযোগ, বিশেষ সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ


বকেয়া পাওনা, ব্যাংক গ্যারান্টি এবং অতীতের বিধিনিষেধ—সবকিছু নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই এস আলমের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ফার্স্টকমের বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) ধারাবাহিক সিদ্ধান্ত এবং সর্বশেষ ৩০ সেপ্টেম্বরের নির্দেশনাকে ঘিরে সংশ্লিষ্ট মহলে দেখা দিয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। অভিযোগ উঠেছে, প্রচলিত শর্ত ও আর্থিক দায়ের বিষয়গুলো নিষ্পত্তি না করেই প্রতিষ্ঠানটিকে ব্যবসা পরিচালনায় বিশেষ সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

তবে বিটিআরসির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এমদাদুল বারী এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাঁর বক্তব্য, কমিশন কোনো নির্দিষ্ট কোম্পানিকে সুবিধা দেওয়ার জন্য কাজ করে না; প্রচলিত আইন অনুসরণ করেই আইজিডব্লিউ অপারেটরদের বিষয়ে নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর বিটিআরসির মহাপরিচালক শফিউল আজম পারভেজের স্বাক্ষরে জারি করা নির্দেশনায় আন্তর্জাতিক গেটওয়ে (আইজিডব্লিউ) অপারেটরদের কমন ইন্টারন্যাশনাল পয়েন্ট (সিআইপি) ব্যবহারের ক্ষেত্রে পৃথকভাবে ইন্টার-অপারেটর এক্সচেঞ্জ (আইওএক্স) সুইচ স্থাপন করে কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগের কথা বলা হয়েছে।

এর আগে অপারেটররা সম্মিলিত কমন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করতেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, যৌথ ব্যবস্থায় কল লেনদেনের হিসাব, সরকারের রাজস্ব ভাগাভাগি এবং অপারেটরদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ তুলনামূলক সহজ ছিল। পাশাপাশি সম্ভাব্য আর্থিক দায়ের ঝুঁকি মোকাবিলায় ব্যাংক গ্যারান্টি গুরুত্বপূর্ণ সুরক্ষা হিসেবে কাজ করত।

নতুন নির্দেশনার ফলে এই কাঠামোয় পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে এ পরিবর্তন সব অপারেটরের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ।


ফার্স্টকমের বিরুদ্ধে আইজিডব্লিউ অপারেটরদের প্রায় আড়াই কোটি টাকা বকেয়া রাখার অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট অপারেটরদের দাবি, বকেয়া অর্থ পরিশোধের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ব্যাংক গ্যারান্টি নিশ্চিত না করে প্রতিষ্ঠানটিকে যৌথ কমন প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করা উচিত নয়।

তাঁদের আশঙ্কা, আর্থিক দায় নিষ্পত্তির আগে কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ দেওয়া হলে ভবিষ্যতে নতুন বকেয়া তৈরি হতে পারে। এতে পাওনা আদায় এবং আর্থিক জবাবদিহি নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে ফার্স্টকমকে ঘিরে বিটিআরসির সিদ্ধান্তের স্বচ্ছতা ও যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে বকেয়া নিষ্পত্তি এবং ব্যাংক গ্যারান্টির শর্ত কীভাবে বিবেচনা করা হয়েছে, তা নিয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।


প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বকেয়া পরিশোধ না করা এবং বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে ২০২৪ সালের ৩ ডিসেম্বর ফার্স্টকমের বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় বিটিআরসি।

পরবর্তী সময়ে ২০২৫ সালের ২৫ মে জারি করা নির্দেশনায় ওই বছরের ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে সব বকেয়া পরিশোধ না করলে নতুন টপোলজিতে অংশ নেওয়া সম্ভব হবে না বলে উল্লেখ করা হয়েছিল। অর্থাৎ নতুন কাঠামোয় যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে বকেয়া পরিশোধকে শর্ত হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

কিন্তু কয়েক মাসের ব্যবধানে পরিস্থিতিতে পরিবর্তন আসে। ২০২৫ সালের ২ ডিসেম্বর ফার্স্টকমের ওপর আরোপিত ১০০ শতাংশ অপারেশনাল ক্যাপ প্রত্যাহার করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

বকেয়া পাওনা এবং বিটিআরসির নিজস্ব আর্থিক দাবি পুরোপুরি নিষ্পত্তি হয়েছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্নের মধ্যেই বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত আসে। ফলে আগের শর্তের সঙ্গে পরবর্তী সিদ্ধান্তের সামঞ্জস্য নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

ফার্স্টকমের বকেয়া ইস্যুতে ২০২৬ সালের ১৫ মার্চ বিটিআরসির প্রকাশিত সভার কার্যবিবরণী বা মিটিং মিনিটস ঘিরেও বিরোধ দেখা দেয়।

ওই কার্যবিবরণীতে ফার্স্টকম, আইজিডব্লিউ অপারেটর এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে সমঝোতার উল্লেখ ছিল বলে জানা গেছে। তবে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন অপারেটর এমন সমঝোতা হওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন। তাঁদের অভিযোগ, কার্যবিবরণীতে উপস্থাপিত তথ্য বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

এ নিয়ে নথির যথার্থতা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া প্রশ্নের মুখে পড়ে। যদিও জালিয়াতির অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট নথি ও পক্ষগুলোর বক্তব্য পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।

এ বিতর্কের এক দিন পর, ১৬ মার্চ ২০২৬, ফার্স্টকমকে পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার অনুমোদন দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। ফলে বকেয়া, সমঝোতা এবং পূর্ববর্তী বিধিনিষেধের বিষয়গুলো নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন ওঠে।


ফার্স্টকমের মালিকানা কাঠামোও আলোচনায় এসেছে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এস আলমের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ফার্স্টকমে ৭৭ শতাংশের বেশি শেয়ার থাকার দাবি রয়েছে। বাকি শেয়ারের মালিকানা সাবেক মন্ত্রী জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু ও তাঁর পরিবারের বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে দুর্নীতি দমন কমিশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মহানগর স্পেশাল জজ আদালত এস আলম ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ৪২টি কোম্পানির অস্থাবর সম্পত্তি জব্দের নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে তথ্য রয়েছে।

ওই তালিকায় জেনেসিস টেক্সটাইল ও লায়ন সিকিউরিটিজ কোম্পানি লিমিটেডের নাম রয়েছে। প্রতিষ্ঠান দুটি ফার্স্টকমের বড় শেয়ারহোল্ডার বলে দাবি করা হয়েছে। আদালতের আদেশের পর সংশ্লিষ্ট শেয়ার ও সম্পদের আইনি অবস্থান কী ছিল এবং তা ফার্স্টকমের বাণিজ্যিক কার্যক্রমে কীভাবে প্রভাব ফেলেছে—এসব প্রশ্নের ব্যাখ্যা প্রয়োজন।


ফার্স্টকমের কার্যক্রম ঘিরে বকেয়া অর্থ, ব্যাংক গ্যারান্টি, অপারেশনাল ক্যাপ প্রত্যাহার, সভার কার্যবিবরণী এবং মালিকানা—একাধিক বিষয় সামনে এসেছে। এসব প্রশ্নের নিরসনে বিটিআরসির সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া, প্রযোজ্য বিধিমালা এবং আর্থিক দায় নিষ্পত্তির তথ্য স্পষ্ট করা জরুরি।

নিয়ন্ত্রক সংস্থার সিদ্ধান্তে কোনো প্রতিষ্ঠান বিশেষ সুবিধা পেয়েছে কি না, তা নির্ধারণে অভিযোগের পাশাপাশি নথিপত্র ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। টেলিযোগাযোগ খাতে সমান প্রতিযোগিতার পরিবেশ, আর্থিক স্বচ্ছতা এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতি আস্থা বজায় রাখতে এসব প্রশ্নের জবাব গুরুত্বপূর্ণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেছারাবাদে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও লিফলেট বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নেছারাবাদ (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৩২ পি.এম


নেছারাবাদে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও লিফলেট বিতরণ

 

 

পিরোজপুরের নেছারাবাদে এডিস মশার বিস্তার রোধ ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়াতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও লিফলেট বিতরণ করেছে স্বরূপকাঠী পৌরসভা। এ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করেন নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আশিক আহমেদ।

 

শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে স্বরূপকাঠী পৌরসভা ও জগন্নাথকাঠি বন্দর বাজার এলাকায় এ কর্মসূচি পরিচালনা করা হয়। এ সময় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে লিফলেট বিতরণ এবং সচেতনতামূলক পরামর্শ দেওয়া হয়।

 

কর্মসূচিতে ইউএনও মো. আশিক আহমেদ বলেন, “ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু প্রশাসনের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়, এ জন্য প্রত্যেক নাগরিককে সচেতন হতে হবে। বাড়িঘর, কর্মস্থল ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। বিশেষ করে কোথাও যেন পানি জমে না থাকে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।”

 

তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমাতে প্রতি শুক্রবার বাড়িঘর ও আঙিনা পরিষ্কারের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। ফুলের টবের প্লাস্টিক ও মাটির পাত্র, বালতি, টিনের কৌটা, ডাবের খোসা, পরিত্যক্ত টায়ার এবং ফ্রিজের নিচের ট্রেতে জমে থাকা সামান্য পানিতেও এডিস মশা ডিম পেড়ে বংশবিস্তার করতে পারে। তাই এসব স্থানে জমে থাকা পানি নিয়মিত অপসারণ করতে হবে এবং পানি জমার উপযোগী পাত্র পরিষ্কার রাখতে হবে।

 

তিনি ডেঙ্গু প্রতিরোধে পৌরবাসীকে নিজ নিজ বাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি অন্যদেরও সচেতন করার আহ্বান জানান।

 

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং জমে থাকা পানি অপসারণের মাধ্যমে এডিস মশার বংশবিস্তার অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এ জন্য ব্যক্তি, পরিবার ও সামাজিক পর্যায়ে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্যাংক খাতের ক্ষতি কাটাতে ৬০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ চায় বাংলাদেশ ব্যাংক: গভর্নর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৩৯ পি.এম


ব্যাংক খাতের ক্ষতি কাটাতে ৬০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ চায় বাংলাদেশ ব্যাংক: গভর্নর

বাংলাদেশ ব্যাংক, ব্যাংক খাতের ক্ষতি কাটিয়ে গ্রাহকদের অর্থ ফেরত দিতে বাজেট থেকে বছরে ৬০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের দাবি করেছে। গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান জানিয়েছেন, এই অর্থ ব্যবহার করে আগামী ৫ থেকে ৮ বছরের মধ্যে দুই কোটি পরিবারকে মাসে আড়াই হাজার টাকা করে প্রদান করা সম্ভব হবে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বাংলা কিউআর কোডের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিউশন ফি পরিশোধ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

গভর্নর আরও বলেন, পি-টু-পি (পারসন-টু-পারসন) লেনদেনের আওতায় রিকশাচালক, দিনমজুরসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য কিউআর কোড থাকবে। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে লেনদেনের প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও ঝামেলামুক্ত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাবরি মসজিদ নির্মাণ শেষেই ভারত ছাড়ছেন হুমায়ুন, কোথায় যাচ্ছেন?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৪০ পি.এম


বাবরি মসজিদ নির্মাণ শেষেই ভারত ছাড়ছেন হুমায়ুন, কোথায় যাচ্ছেন?

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর রাজনীতি থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা আগেই দিয়েছেন। এবার তিনি মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদের আদলে নির্মাণকাজ শেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সাংবাদিকদের সামনে তিনি বলেন, ২০২৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে মসজিদ নির্মাণ সম্পন্ন করে ১০ বছরের গোল্ডেন ভিসা নিয়ে দুবাইয়ে বসবাস করবেন।

রেজিনগর বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনে তার ছেলে পরাজিত হওয়ার পরপরই বিদেশে চলে যাওয়ার কথা ঘোষণা করেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা হুমায়ুন কবীর।

সাম্প্রতিক সময়ে মুসলিম-অধ্যুষিত রেজিনগর আসনে বিজেপি একটি বড় জয় অর্জন করেছে। বিজেপির প্রার্থী শঙ্কররাভ সর্দার ৭৫ হাজার ৮১৬ ভোটের ব্যবধানে হুমায়ুনের ছেলে গোলাম নবী আজাদকে পরাজিত করেন। তবে ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন হুমায়ুন কবীর। তার দাবি, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং মুর্শিদাবাদ জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা গত দুই মাস ধরে বিজেপি প্রার্থীকে জিতানোর জন্য কাজ করেছেন। তিনি বলেন, ‘এটি জনগণের রায় নয়। আসনটিতে বিজেপিকে জেতাতে পুলিশ প্রশাসনকে ব্যবহার করেছে।’

হুমায়ুন কবীর আরও জানান, ২০২৮ সালের ৬ ডিসেম্বরের মধ্যে বাবরি মসজিদ নির্মাণ সম্পন্ন করে তিনি দুবাইয়ে চলে যাবেন। তিনি বলেন, ‘১০ বছরের গোল্ডেন ভিসা নিয়ে আমি দুবাইয়ে বসবাস করব।’

২০২৫ সালের ৬ ডিসেম্বর মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে ওই মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। মসজিদ নির্মাণের কাজ শেষ হওয়ার পর দুবাইয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তার। তবে দেশ ছাড়ার ইচ্ছা প্রকাশের পাশাপাশি ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে অংশগ্রহণের আগ্রহও প্রকাশ করেছেন হুমায়ুন।

সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%