ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হাসপাতাল থেকে ফিরেই অনলাইনে সিন্ডিকেট সভা ডাকলেন চুয়েট উপাচার্য


হাসপাতাল থেকে ফিরেই অনলাইনে সিন্ডিকেট সভা ডাকলেন চুয়েট উপাচার্য

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে প্রায় এক দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম সার্কিট হাউসে ফিরেছেন। ফিরে আসার পর তিনি অনলাইনে সিন্ডিকেট সভা আহ্বান করেছেন।

চুয়েটের একাধিক সিন্ডিকেট সদস্যের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টায় অনলাইনে এই সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। সদস্যরা সভায় অংশগ্রহণ করবেন কি না, জানতে চাইলে কেউই নিশ্চিত করে কিছু বলেননি।

চুয়েটের স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. রাশিদুল হাসান মন্তব্য করেন, "আমি ছুটিতে আছি। সভায় যোগ দিতে পারব কি না, তা নিশ্চিত নই।"

আরও পড়ুন: ক্যান্সারে আক্রান্ত রামেক ডেন্টাল শিক্ষার্থী নুর ফাতেমার চিকিৎসার জন্য ১০ লাখ টাকার প্রয়োজন

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল ও কম্পিউটার কৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক কাজী দেলোয়ার হোসাইন বলেন, "উনি মেসেজ পাঠিয়েছেন। মেসেজ পাঠিয়ে সিন্ডিকেট সভা আহ্বান করা যায় কি না, কিংবা এটি নিয়মের মধ্যে পড়ে কি না, তা জানি না। নিয়ম অনুযায়ী, রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে চিঠি আসে।"

এদিকে, চুয়েটের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. শেখ মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির দাবি করেছেন, তিনি আগেই রেজিস্ট্রারের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন।

সিন্ডিকেট সভা আহ্বানের বিষয়ে জানতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার সাড়া পাওয়া যায়নি।

এর আগে, গত মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় টানা ৩০ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সহায়তায় মুক্ত হন উপাচার্য। পরে জরুরি চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রায় এক দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি সার্কিট হাউসে ফিরে যান।

আরও পড়ুন: ঢাকা রেসিডেনসিয়ালে ২৩ দেশের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সফল ডিআরএমসি বিজনেস সামিট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুক্তির আগেই ‘দেশু ৭’ সিনেমার অগ্রিম টিকিট বিক্রি ১ কোটি টাকা ছাড়াল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১৬ পি.এম


মুক্তির আগেই ‘দেশু ৭’ সিনেমার অগ্রিম টিকিট বিক্রি ১ কোটি টাকা ছাড়াল

টালিউডের জনপ্রিয় জুটি দেব ও শুভশ্রী গাঙ্গুলির নতুন সিনেমা ‘দেশু ৭’ নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ তীব্র হয়ে উঠেছে। সিনেমাটি মুক্তির আগেই অগ্রিম টিকিট বিক্রি থেকে এক কোটির বেশি টাকার আয় করেছে। ফলে বক্স অফিসে এটি ভালো সূচনা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

১৬ অক্টোবর শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে সিনেমাটি, যা অ্যাকশন ও রোমান্সধর্মী। ভারতীয় চলচ্চিত্রের বক্স অফিস সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশকারী প্রতিষ্ঠান স্যাকনিল্কের হিসাব অনুযায়ী, অগ্রিম টিকিট বিক্রির প্রথম দিনে ১৭ হাজার ২৩১টি টিকিট বিক্রি হয়েছে। দ্বিতীয় দিনে বিক্রি হয়েছে ১২ হাজার ১৯৬টি। তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম দিনে যথাক্রমে ১১ হাজার ৪৭৬টি, ৭ হাজার ১৮২টি ও ৬ হাজার ৯১৬টি টিকিট বিক্রি হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাঁচ দিনে মোট ৫৫ হাজার ১টি অগ্রিম টিকিট বিক্রি হয়েছে। ১৬ হাজার ১৩টি প্রদর্শনী থেকে আয় হয়েছে ৯০ লাখ ৭৬ হাজার রুপি, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ কোটি ১৬ লাখ টাকা। অগ্রিম টিকিট বিক্রির এই পরিসংখ্যান সিনেমাটির সম্ভাব্য বাণিজ্যিক সাফল্য নিয়ে আশাবাদী করেছে।

সিনেমাটি নিয়ে নিজের প্রত্যাশার কথা জানাতে গিয়ে দেব বলেছেন, ‘দেশু ৭’-এর নায়িকা হিসেবে শুভশ্রীই ছিলেন প্রথম পছন্দ। শুভশ্রীকে সঙ্গে পেলে সাফল্যের সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায় বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

দেব ও শুভশ্রীকে দীর্ঘ বিরতির পর গত বছর ‘ধূমকেতু’ সিনেমায় আবার একসঙ্গে বড় পর্দায় দেখা যায়। দর্শকদের মধ্যে তাঁদের জুটির জনপ্রিয়তা নতুন সিনেমাটি নিয়ে আগ্রহ তৈরি করেছে। ‘দেশু ৭’-এ এই দুই তারকা ছাড়াও অভিনয় করেছেন অনির্বাণ ভট্টাচার্য, প্রিয়াঙ্কা সরকার, রজতাভ দত্ত, কাঞ্চন মল্লিক ও অপরাজিতা আঢ্য। এখন অগ্রিম টিকিট বিক্রির এই সাড়া মুক্তির পর বক্স অফিসে কতটা প্রভাব ফেলে, সেটিই দেখার অপেক্ষা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইসিটি খাতে ফেলোশিপ পেলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইকবাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১৭ পি.এম


আইসিটি খাতে ফেলোশিপ পেলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইকবাল

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) খাতে গবেষণার জন্য ফেলোশিপ অর্জন করেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থী ইকবাল হোসেন। তিনি ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং মাস্টার্স পর্যায়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র শিক্ষার্থী হিসেবে এই ফেলোশিপ লাভ করেছেন।

আইসিটি খাতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মাস্টার্স পর্যায়ে ‘A Generalizable Semi-Supervised Deep Learning Framework for Medical Image Segmentation Using Frequency Dynamic Convolution and Multi-Modal MRI’ শীর্ষক গবেষণার জন্য তাকে মনোনীত করা হয়েছে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে গবেষণার জন্য ফেলোশিপ (সংশোধিত) নীতিমালা-২০১৬ অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে গবেষণার জন্য ফেলোশিপ-বৃত্তি, উদ্ভাবনীমূলক কাজে উৎসাহ প্রদানে অনুদান এবং বিশেষ অনুদানের জন্য যোগ্য ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে আবেদন আহ্বান করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ। এই প্রক্রিয়ায় ইকবাল তার প্রস্তাবিত গবেষণার বিষয়, উদ্দেশ্য ও পরিকল্পনা উপস্থাপন করে বাছাই প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করেন। পরে চূড়ান্ত মনোনয়নের জন্য প্রেসেন্টেশনে অংশগ্রহণ করেন। পরবর্তীতে বাছাই কমিটির সুপারিশ ও অ্যাওয়ার্ড কমিটির সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে তাকে ফেলোশিপের জন্য মনোনীত করা হয়।

নীতিমালা অনুযায়ী, মাস্টার্স পর্যায়ের গবেষণার জন্য ইকবাল মাসিক ২৫ হাজার টাকা ভাতা পাবেন। এছাড়া গবেষণার আনুষঙ্গিক খরচ বাবদ সর্বোচ্চ এককালীন ৩০ হাজার টাকা এবং তার থিসিস তত্ত্বাবধায়ক পৃথকভাবে এককালীন ৪০ হাজার টাকা সম্মানী পাবেন। ফেলোশিপের সর্বোচ্চ মেয়াদ এক বছর ছয় মাস এবং গবেষণার অগ্রগতি সন্তোষজনক হলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এটি নবায়নের সুযোগ থাকবে।

এ বিষয়ে অনুভূতি প্রকাশ করে ইকবাল হোসেন বলেন, "মাস্টার্স পর্যায়েই এমন একটি গবেষণা ফেলোশিপের জন্য মনোনীত হওয়া আমার জন্য অনেক আনন্দের। এটি গবেষণা চালিয়ে যাওয়ার আত্মবিশ্বাস ও উৎসাহ বাড়িয়েছে। একই সঙ্গে দায়িত্বও বেড়েছে। যে গবেষণার পরিকল্পনা নিয়ে এ সুযোগ পেয়েছি, তা যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে চাই।"

তিনি আরও বলেন, "এ অর্জনে আমার শিক্ষকদের অবদান কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি। সামনে আরও অনেক কিছু শেখার আছে। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে মানসম্মত গবেষণা করতে চাই, যেন আমার কাজ ভবিষ্যতে মানুষের উপকারে আসে। গবেষণার ফলাফল মানসম্মত সম্মেলন বা জার্নালে প্রকাশের উপযোগী করে তোলাও আমার লক্ষ্য।"

ফেলোশিপের আওতায় গবেষণার অগ্রগতি নিয়মিতভাবে মূল্যায়ন করা হবে। এ জন্য প্রতি ছয় মাস অন্তর তত্ত্বাবধায়কের মাধ্যমে অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। ফলে আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী গবেষণার কাজ এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাবেন তিনি।

প্রসঙ্গত, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের এ ফেলোশিপ কর্মসূচির অন্যতম উদ্দেশ্য হলো তথ্যপ্রযুক্তিসংশ্লিষ্ট বিষয়ে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় উৎসাহ প্রদান এবং দক্ষ গবেষক তৈরি করা। মাস্টার্স পর্যায়ে থিসিসভিত্তিক গবেষণায় যুক্ত শিক্ষার্থীরা এ কর্মসূচির আওতায় আর্থিক সহায়তা পাওয়ার সুযোগ পেয়ে থাকেন শিক্ষার্থীরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেসিকে দলে নিতে চাননি এক কোচ, লা মাসিয়ার প্রতিবেদনে চাঞ্চল্যকর তথ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১৮ পি.এম


মেসিকে দলে নিতে চাননি এক কোচ, লা মাসিয়ার প্রতিবেদনে চাঞ্চল্যকর তথ্য

বার্সেলোনার যুব অ্যাকাডেমি লা মাসিয়ায় ট্রায়ালের সময় লিওনেল মেসির উপর তৈরি তিনটি মূল্যায়ন প্রতিবেদনে ভিন্নমত প্রকাশ পেয়েছে। এক কোচ তাকে দলে অন্তর্ভুক্ত করতে চাননি। অন্যদিকে, আরেক কোচ তাকে তরুণ ম্যারাডোনার সঙ্গে তুলনা করেছিলেন।

ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে পরিচিত মেসি ১৩ বছর বয়সে বার্সেলোনার যুব অ্যাকাডেমিতে ট্রায়াল দেন। সেই সময় তার শারীরিক গঠন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। এমনকি, একজন কোচ তাকে দলে না নেওয়ার পরামর্শও দিয়েছিলেন।

স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মুন্দো দেপোর্তিভো র রিপোর্ট অনুযায়ী, সাংবাদিক ফ্লোরঁ তোরশু ২০০০ সালের শরৎকালে লা মাসিয়ায় মেসির ট্রায়াল সংক্রান্ত তিনটি মূল্যায়ন প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন। ফ্রান্স ফুটবল ম্যাগাজিনের এই সাংবাদিক ‘কিং লিও’ নামের একটি জীবনীগ্রন্থের লেখকও।

প্রতিবেদনগুলোতে মেসির ফুটবলীয় দক্ষতার প্রশংসা থাকলেও তার উচ্চতা ও শারীরিক শক্তি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রথম কোচের মূল্যায়নে মেসির ড্রিবলিং, ক্ষিপ্রতা, বুদ্ধিমত্তা, দূরদৃষ্টি এবং জোরালো শট নেওয়ার ক্ষমতার প্রশংসা করা হয়। প্রতিবেদনে তাকে বয়স অনুযায়ী প্রযুক্তিগতভাবে অত্যন্ত পরিপূর্ণ খেলোয়াড় হিসেবে উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি, পেনাল্টি বক্সের ভেতরে তার অসাধারণ দক্ষতার কথাও বলা হয়। তবে, তার একমাত্র দুর্বলতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে কম উচ্চতা ও শারীরিক শক্তির অভাব।

দ্বিতীয় কোচের মূল্যায়ন ছিল নেতিবাচক। তখন মেসির উচ্চতা ছিল ১৪২ সেন্টিমিটার। ওই কোচের মতে, কম উচ্চতার কারণে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে সমস্যা হতে পারে। ভবিষ্যতে উচ্চতা ১৫০ সেন্টিমিটার হলেও, বয়সে বড় খেলোয়াড়দের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারবে কি না, তা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেন তিনি।

ওই প্রতিবেদনের চূড়ান্ত মন্তব্য ছিল, মেসিকে দলে নেওয়া উচিত নয়। বরং, তার শারীরিক বিকাশ পর্যবেক্ষণ করে দুই বছর পর আবার মূল্যায়নের পরামর্শ দেওয়া হয়।

কিন্তু তৃতীয় কোচের মতামত ছিল সম্পূর্ণ বিপরীত। তিনি মেসিকে তরুণ দিয়েগো ম্যারাডোনার সঙ্গে তুলনা করেন এবং তাকে দলে নেওয়ার সুপারিশ করেন। তার মতে, মেসির মধ্যে অনেক কিছু দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তিন কোচের তিন ধরনের মূল্যায়নের পরও শেষ পর্যন্ত বার্সেলোনায় নিজের জায়গা করে নেন মেসি। পরবর্তীতে, ক্লাবটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতায় পরিণত হন তিনি।

বার্সেলোনার হয়ে মেসি ৭৭৮টি আনুষ্ঠানিক ম্যাচে ৬৭২ গোল করেন এবং জেতেন ৩৫টি শিরোপা। তার ক্যারিয়ার প্রমাণ করে, শুরুর দিকে শারীরিক গঠন নিয়ে যে সংশয় ছিল, তা তার অসাধারণ ফুটবলীয় প্রতিভাকে আটকে রাখতে পারেনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহী রেশম কারখানার উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা ঘোষণা করলেন ভূমিমন্ত্রী মিনু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১৮ পি.এম


রাজশাহী রেশম কারখানার উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা ঘোষণা করলেন ভূমিমন্ত্রী মিনু

ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু জানিয়েছেন, রাজশাহী রেশম কারখানার হারানো ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার করতে উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে কারখানায় অধিক পাওয়ার লুম চালু করা হবে এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীর আওতায় তুঁতচারা রোপণ ও রাজশাহী রেশম কারখানার পাওয়ার লুম চালুকরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, রাজশাহী সিল্কের সুনাম বিশ্বব্যাপী রয়েছে। অতীতে রাজশাহীর অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি ছিল এটি। তবে ধীরে ধীরে এই কারখানাটি তার ঐতিহ্য হারাতে শুরু করেছিল।

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, "আপনারা আন্তরিকতার মাধ্যমে এই কারখানায় কাজ করুন। এই কারখানাটি যাতে আবার পূর্বের রূপে ফিরে আসে এইভাবে কাজ করুন। কারখানাকে জিম্মি করে, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জিম্মি করে কোন লাভ নেই। এ জন্য সবাইকে ভুগতে হবে।"

মন্ত্রী আরও বলেন, "আমি আপনাদের ভাই। সব সময় আপনাদের পাশে রয়েছি এবং থাকবো। কারখানাটির ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে যত সহযোগিতা লাগে করা হবে।" এরপর রেশম কারখানায় পাওয়ার লুম চালু ও বৃক্ষরোপন কার্যক্রম শুরু হয়।

এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন, রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ইউসুফ আলী, রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা, বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক তৌফিক আল মাহমুদ, পরিচালক (অর্থ ও পরিকল্পনা) ড. এমএ মান্নান, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সহসভাপতি আসলাম সরকার প্রমুখ। এ ছাড়া রাজশাহী রেশম কারখানার অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%