শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৪:১৮ পি.এম
বার্সেলোনার যুব অ্যাকাডেমি লা মাসিয়ায় ট্রায়ালের সময় লিওনেল মেসির উপর তৈরি তিনটি মূল্যায়ন প্রতিবেদনে ভিন্নমত প্রকাশ পেয়েছে। এক কোচ তাকে দলে অন্তর্ভুক্ত করতে চাননি। অন্যদিকে, আরেক কোচ তাকে তরুণ ম্যারাডোনার সঙ্গে তুলনা করেছিলেন।
ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে পরিচিত মেসি ১৩ বছর বয়সে বার্সেলোনার যুব অ্যাকাডেমিতে ট্রায়াল দেন। সেই সময় তার শারীরিক গঠন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। এমনকি, একজন কোচ তাকে দলে না নেওয়ার পরামর্শও দিয়েছিলেন।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মুন্দো দেপোর্তিভো র রিপোর্ট অনুযায়ী, সাংবাদিক ফ্লোরঁ তোরশু ২০০০ সালের শরৎকালে লা মাসিয়ায় মেসির ট্রায়াল সংক্রান্ত তিনটি মূল্যায়ন প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন। ফ্রান্স ফুটবল ম্যাগাজিনের এই সাংবাদিক ‘কিং লিও’ নামের একটি জীবনীগ্রন্থের লেখকও।
প্রতিবেদনগুলোতে মেসির ফুটবলীয় দক্ষতার প্রশংসা থাকলেও তার উচ্চতা ও শারীরিক শক্তি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রথম কোচের মূল্যায়নে মেসির ড্রিবলিং, ক্ষিপ্রতা, বুদ্ধিমত্তা, দূরদৃষ্টি এবং জোরালো শট নেওয়ার ক্ষমতার প্রশংসা করা হয়। প্রতিবেদনে তাকে বয়স অনুযায়ী প্রযুক্তিগতভাবে অত্যন্ত পরিপূর্ণ খেলোয়াড় হিসেবে উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি, পেনাল্টি বক্সের ভেতরে তার অসাধারণ দক্ষতার কথাও বলা হয়। তবে, তার একমাত্র দুর্বলতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে কম উচ্চতা ও শারীরিক শক্তির অভাব।
দ্বিতীয় কোচের মূল্যায়ন ছিল নেতিবাচক। তখন মেসির উচ্চতা ছিল ১৪২ সেন্টিমিটার। ওই কোচের মতে, কম উচ্চতার কারণে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে সমস্যা হতে পারে। ভবিষ্যতে উচ্চতা ১৫০ সেন্টিমিটার হলেও, বয়সে বড় খেলোয়াড়দের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারবে কি না, তা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেন তিনি।
ওই প্রতিবেদনের চূড়ান্ত মন্তব্য ছিল, মেসিকে দলে নেওয়া উচিত নয়। বরং, তার শারীরিক বিকাশ পর্যবেক্ষণ করে দুই বছর পর আবার মূল্যায়নের পরামর্শ দেওয়া হয়।
কিন্তু তৃতীয় কোচের মতামত ছিল সম্পূর্ণ বিপরীত। তিনি মেসিকে তরুণ দিয়েগো ম্যারাডোনার সঙ্গে তুলনা করেন এবং তাকে দলে নেওয়ার সুপারিশ করেন। তার মতে, মেসির মধ্যে অনেক কিছু দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তিন কোচের তিন ধরনের মূল্যায়নের পরও শেষ পর্যন্ত বার্সেলোনায় নিজের জায়গা করে নেন মেসি। পরবর্তীতে, ক্লাবটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতায় পরিণত হন তিনি।
বার্সেলোনার হয়ে মেসি ৭৭৮টি আনুষ্ঠানিক ম্যাচে ৬৭২ গোল করেন এবং জেতেন ৩৫টি শিরোপা। তার ক্যারিয়ার প্রমাণ করে, শুরুর দিকে শারীরিক গঠন নিয়ে যে সংশয় ছিল, তা তার অসাধারণ ফুটবলীয় প্রতিভাকে আটকে রাখতে পারেনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু জানিয়েছেন, রাজশাহী রেশম কারখানার হারানো ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার করতে উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে কারখানায় অধিক পাওয়ার লুম চালু করা হবে এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীর আওতায় তুঁতচারা রোপণ ও রাজশাহী রেশম কারখানার পাওয়ার লুম চালুকরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, রাজশাহী সিল্কের সুনাম বিশ্বব্যাপী রয়েছে। অতীতে রাজশাহীর অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি ছিল এটি। তবে ধীরে ধীরে এই কারখানাটি তার ঐতিহ্য হারাতে শুরু করেছিল।
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, "আপনারা আন্তরিকতার মাধ্যমে এই কারখানায় কাজ করুন। এই কারখানাটি যাতে আবার পূর্বের রূপে ফিরে আসে এইভাবে কাজ করুন। কারখানাকে জিম্মি করে, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জিম্মি করে কোন লাভ নেই। এ জন্য সবাইকে ভুগতে হবে।"
মন্ত্রী আরও বলেন, "আমি আপনাদের ভাই। সব সময় আপনাদের পাশে রয়েছি এবং থাকবো। কারখানাটির ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে যত সহযোগিতা লাগে করা হবে।" এরপর রেশম কারখানায় পাওয়ার লুম চালু ও বৃক্ষরোপন কার্যক্রম শুরু হয়।
এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন, রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ইউসুফ আলী, রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা, বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক তৌফিক আল মাহমুদ, পরিচালক (অর্থ ও পরিকল্পনা) ড. এমএ মান্নান, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সহসভাপতি আসলাম সরকার প্রমুখ। এ ছাড়া রাজশাহী রেশম কারখানার অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (রাকসু) নির্বাচনের এক বছর পূর্ণ হচ্ছে, যা দীর্ঘ ৩৫ বছর পর অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত নির্বাচনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ফিরে পায়। নির্বাচনের সময় আবাসন সংকট, স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন, পরিবহন ব্যবস্থা, হলের খাবারের মান বৃদ্ধি এবং শিক্ষার্থীদের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, এক বছর পর তার বাস্তবায়ন নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
রাকসুর সহসভাপতি (ভিপি) মোস্তাকুর রহমান জাহিদ দাবি করেন, তাদের নির্বাচনী ইশতেহারের ৭৩ শতাংশ প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হয়েছে। তবে শিক্ষার্থীদের একাংশের মতে, কিছু দৃশ্যমান উদ্যোগ থাকলেও মৌলিক সমস্যাগুলোর অনেকগুলোর সমাধান হয়নি।
২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ২৩টি পদের মধ্যে ২০টিতে জয়ী হয় ইসলামী ছাত্রশিবির-সমর্থিত ‘সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট’। নির্বাচনের আগে প্যানেলটি ‘১২ মাসে ২৪ সংস্কার’ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। অন্যদিকে, স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মারের ইশতেহারেও পূর্ণাঙ্গ আবাসিকতা, হলের ডাইনিংয়ের মানোন্নয়ন, আধুনিক মেডিকেল সেন্টার এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম ডিজিটালাইজেশনের মতো বিষয়গুলোর গুরুত্ব ছিল।
নির্বাচনের এক বছর পূর্তির আগে রাকসুর ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ জানান, তাদের ঘোষিত ইশতেহারের ৭৩ শতাংশ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে কিছু উদ্যোগ সম্পূর্ণ হয়েছে, আবার কিছু কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তবে কোন কোন প্রতিশ্রুতি সম্পূর্ণ বাস্তবায়িত হয়েছে, কোনগুলো আংশিক এবং কোনগুলো এখনও শুরু হয়নি, তার পূর্ণাঙ্গ তালিকা ও অগ্রগতির হিসাব যাচাই করা প্রয়োজন।
রাকসুর কার্যক্রমের মধ্যে শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা, বিভিন্ন হল ও গ্রন্থাগারে পানির ফিল্টার স্থাপন, গ্রন্থাগারের পাঠকক্ষে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা, ক্যাম্পাসে ফার্মেসি চালু, নারী উদ্যোক্তা মেলা এবং গবেষণায় উৎসাহ দিতে থিসিস প্রণোদনার মতো উদ্যোগের কথা বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। এসব উদ্যোগের পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে বিভিন্ন কর্মসূচিও পরিচালনা করেছে রাকসু।
তবে ইশতেহারের সব প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন একই পর্যায়ে পৌঁছায়নি। পূর্ণাঙ্গ আবাসিকতা নিশ্চিত করা, মেডিকেল সেন্টারের সেবার মানোন্নয়ন, হলের খাবারের মান বৃদ্ধি, পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং প্রশাসনিক ডিজিটালাইজেশনের মতো বড় উদ্যোগগুলো নিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা এখনো রয়ে গেছে।
শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে রাকসুর পরিবেশ ও সমাজকল্যাণ বিভাগ গত ১১ ও ১২ অক্টোবর দুই দিনব্যাপী হেলথ ক্যাম্পের আয়োজন করে। আয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এতে সাড়ে পাঁচ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী সেবা নেন। প্রায় ৪০ লাখ টাকার স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার এ উদ্যোগে ১৬টি বিভাগের অংশগ্রহণ, প্রায় ৭০ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষার ব্যবস্থা ছিল।
অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন সংকট শিক্ষার্থীদের অন্যতম বড় সমস্যা হিসেবে রয়ে গেছে। অনেক শিক্ষার্থীকে ক্যাম্পাসের বাইরে মেস বা বাসাবাড়িতে থাকতে হচ্ছে। হলের আসনসংকট, খাবারের মান ও দৈনন্দিন ব্যয় নিয়ে তাদের অভিযোগ রয়েছে। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে এসব সমস্যার সমাধানের কথা থাকলেও এক বছরে শিক্ষার্থীদের জীবনযাত্রায় কতটা পরিবর্তন এসেছে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
রাকসুর এক বছরের কার্যক্রম নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। একাংশের মতে, দীর্ঘদিন পর নির্বাচিত ছাত্রসংসদ ফিরে আসা ইতিবাচক হলেও শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন জীবনে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনার ক্ষেত্রে আরও কার্যকর ভূমিকা প্রয়োজন।
এর আগে রাকসুর কার্যক্রম নিয়ে কথা বলতে গিয়ে শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম অভিযোগ করেন, পরিবহন, আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা ও হলের খাবারের মানে প্রত্যাশিত পরিবর্তন আসেনি। তার মতে, নির্বাচনের সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতির সঙ্গে বাস্তব অগ্রগতির ব্যবধান রয়েছে।
অন্যদিকে, শিক্ষার্থীদের আরেকটি অংশ মনে করেন, দীর্ঘদিন পর ছাত্রসংসদ পুনরায় সচল হওয়ায় প্রশাসনিক কাঠামো গুছিয়ে নেওয়া এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করতে সময় লেগেছে। তাই উদ্যোগগুলোর মূল্যায়নে সম্পন্ন কাজের পাশাপাশি চলমান প্রকল্প ও প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতাও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।
রাকসুর সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) এস এম সালমান সাব্বির জানান, দীর্ঘ ৩৫ বছর পর নির্বাচন হওয়ায় দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রশাসনিক প্রক্রিয়া বুঝে কাজ শুরু করতে কয়েক মাস সময় লেগেছে। বাজেট ও স্পনসরশিপসংক্রান্ত জটিলতার কারণে অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের ভাতা, পূর্ণাঙ্গ টিএসসিসি এবং মেডিকেল সেবার সংস্কারের মতো বড় উদ্যোগ বাস্তবায়ন কঠিন হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে ইশতেহারের প্রায় ৭৩ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে বা বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় রয়েছে বলে তিনি তখন দাবি করেছিলেন।
রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মারও এর আগে প্রশাসনিক জটিলতাকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন। তার মতে, দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা কাটিয়ে রাকসুকে কার্যকর করা ছিল অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। তবে শিক্ষার্থীদের কাছে এসব উদ্যোগের অগ্রগতি ও ফলাফল আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরার প্রয়োজন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বলিউডের অভিনেতা সাইফ আলী খান দীর্ঘ সময় ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে দূরে ছিলেন। তবে সম্প্রতি তিনি ইনস্টাগ্রামে যোগদান করেছেন, যা তাঁর বড় ছেলে ইব্রাহিম আলী খানকে অবাক করেছে। বাবার নতুন এই পদক্ষেপ দেখে ইব্রাহিমের মজার প্রশ্নটি হাস্যরসের সৃষ্টি করেছে।
সাইফ ইনস্টাগ্রামে তাঁর যাত্রা শুরু করেন পাতৌদি প্যালেসের ঐতিহ্যবাহী গ্রন্থাগারে তোলা কিছু নান্দনিক ছবি প্রকাশের মাধ্যমে। এই উপস্থিতি ভক্তদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করলেও, সবচেয়ে মজার প্রতিক্রিয়া এসেছে পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে।
ইব্রাহিম বাবার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট দেখে বিশ্বাস করতে পারছিলেন না যে সত্যিই সাইফ সেখানে যোগ দিয়েছেন। তাই তিনি মন্তব্যের ঘরে জানতে চান, “আব্বা, এটা কি সত্যিই আপনি, নাকি অন্য কেউ?” ছেলের এমন প্রশ্নের জবাবে সাইফ মজার ছলে পাল্টা উত্তর দেন।
ইব্রাহিমকে আরও অবাক করার জন্য, সাইফ ২০০৮ সালের মে মাসে তোলা তাঁর শৈশবের একটি পুরোনো ছবি প্রকাশ করেন। ছবিটি দেখিয়ে তিনি জানতে চান, সেখানে থাকা ছোট শিশুটি কি সত্যিই ইব্রাহিম। বাবার রসিকতায় যোগ দিয়ে ইব্রাহিমও উত্তর দেন, “মনে তো হয় সেটাই!”
বাবা-ছেলের এই মজার কথোপকথন ভক্তদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। সাইফ ও ইব্রাহিমের এই খুনসুটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হাসির আবহ তৈরি করেছে। সাইফ আলী খান ও অভিনেত্রী অমৃতা সিংয়ের বড় সন্তান ইব্রাহিম বর্তমানে বিনোদনজগতে নিজের পরিচিতি গড়ে তুলছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বলিউড অভিনেত্রী বিদ্যা বালান প্রথমবার সুপারস্টার রজনীকান্তের সঙ্গে শুটিং করতে গিয়ে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলেন। ‘জেলার ২’ সিনেমার প্রথম দিনের শুটিংয়ে একটি দৃশ্য ধারণের সময় তার হাত-পা কাঁপতে শুরু করে। অনেকের ধারণা ছিল, রজনীকান্তের সামনে দাঁড়িয়ে নার্ভাস হয়ে পড়েছেন বিদ্যা। কিন্তু তার অস্বস্তির আসল কারণ ছিল ভিন্ন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘জেলার ২’-এর একটি দৃশ্যে রজনীকান্তের মুখে সিগারেটের ধোঁয়া ছাড়তে হয়েছিল বিদ্যাকে। দৃশ্যটি সঠিকভাবে ধারণ করতে তাকে প্রায় তিনবার শট দিতে হয়। যদিও তিনি পরিচালকের নির্দেশনা মেনে অভিনয় করছিলেন, তবুও অস্বস্তি কাটিয়ে উঠতে পারছিলেন না।
এমন অবস্থায় সেটে উপস্থিত অনেকেই ভেবেছিলেন, রজনীকান্তের মতো একজন তারকার সামনে দাঁড়িয়ে বিদ্যা ঘাবড়ে গেছেন। তবে অভিনেত্রী জানান, সুপারস্টারের উপস্থিতি নয়, বরং সিগারেটের নিকোটিনের প্রভাবই তার অস্বস্তির কারণ ছিল।
বিদ্যা তার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে বলেন, ‘ভেবেছিলাম, আমি তো ধূমপান করতে জানি। সেটে গিয়েই ঠিকঠাক শট দিয়ে দেব। কিন্তু প্রথম টেকের পরই হাত-পা কাঁপতে শুরু করে। লজ্জায় পড়ে গিয়েছিলাম। সবাই ভেবেছিল, রজনী স্যারের সামনে দাঁড়িয়ে আমি নার্ভাস হয়ে পড়েছি।’
তবে রজনীকান্তের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি উচ্ছ্বসিত। সুপারস্টারের ব্যক্তিত্ব ও আন্তরিকতা নিয়ে তিনি বলেন, ‘খুব ভালো মনের মানুষ রজনী স্যার। প্রতিদিন আমার খোঁজ নিতেন।’
সিনেমায় ধূমপানের দৃশ্যের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও বিদ্যা তার মত প্রকাশ করেন। তার মতে, গল্পের প্রয়োজনে কখনো এমন দৃশ্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে, আবার কখনো তা অপ্রয়োজনীয় বলেও মনে হতে পারে।
রজনীকান্ত অভিনীত ‘জেলার ২’ নিয়ে দর্শকদের আগ্রহের মধ্যে বিদ্যা বালানের এই অভিজ্ঞতা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রথম দিনের শুটিংয়ের সেই অস্বস্তিকর মুহূর্ত পেরিয়ে সহ-অভিনেতা রজনীকান্তের আন্তরিকতাই তার কাছে বিশেষ একটি স্মৃতি হয়ে উঠেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ