ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা এনটিআরসিএর অধীনে রাখতে হবে : গাজী আতাউর রহমান


শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা এনটিআরসিএর অধীনে রাখতে হবে : গাজী আতাউর রহমান

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা পুনরায় বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) অধীনে রাখার দাবি জানিয়েছে। মঙ্গলবার একটি বিবৃতিতে দলটির মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান এই দাবি জানান।

তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘ এক দশক ধরে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে একটি মেধাভিত্তিক কেন্দ্রীয় ব্যবস্থা কার্যকর রয়েছে। এনটিআরসিএ শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা গ্রহণ ও নিবন্ধন সনদ দেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশও করে আসছিল। এর ফলে ব্যবস্থাপনা কমিটির স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতির সুযোগ প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, ৩ আগস্ট সচিবালয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সম্মেলনকক্ষে এনটিআরসিএর সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা নিয়ে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের সভায় এই পদ্ধতি বাতিল করে স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটিকে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: ক্যাবের সিলিন্ডার গ্যাসের দাম না বাড়ানোর দাবি, বিইআরসির গণশুনানি বৃহস্পতিবার

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে তা বাতিল এবং আগের মতো এনটিআরসিএর হাতে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

বিবৃতিতে তিনি অভিযোগ করেন যে, বর্তমান সরকারের মধ্যে দলীয়করণের একটি ক্ষতিকর প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। রাষ্ট্রায়ত্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান পদে দলীয় নেতাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। দেশের সব জেলা ও মহানগরে দলীয় লোকদের প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ফলে, এবার স্কুলে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা ব্যবস্থাপনা কমিটির হাতে তুলে দিয়ে অনিয়ম, অর্থ লেনদেন, রাজনৈতিক সুপারিশ ও স্বজনপ্রীতির পথ উন্মুক্ত করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ইতিবাচক সংস্কার করার কথা থাকলেও শিক্ষামন্ত্রী ভালো নিয়ম-নীতিগুলো পরিবর্তন করে পরিস্থিতিকে খারাপের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। গত বছরের সেপ্টেম্বরে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বাধীন কমিটির মাধ্যমে কর্মচারী নিয়োগের যে ব্যবস্থা চালু হয়েছিল, সেটি গত ২১ জুলাই শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করে বাতিল করা হয়েছে। সার্বিকভাবে এতে শিক্ষামন্ত্রীর সদিচ্ছা ও উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন উঠে এসেছে।

মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, লাখ লাখ বেকার তরুণের কর্মসংস্থানের সঙ্গে জড়িত এই বিষয়টি বড় ধরনের অসন্তোষ তৈরি করতে পারে। তাই সরকারকে দ্রুত এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার আহ্বান জানান তিনি।

আরও পড়ুন: বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকেরা বিএনপির রাজনীতিতে ফেরার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভৈরবে অপু মোল্লার নেতৃত্বে মাদকবিরোধী অভিযান, ইয়াবাসহ দম্পতি আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শাহিন আলম ভৈরব, কিশোরগঞ্জ

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৩৮ পি.এম


ভৈরবে অপু মোল্লার নেতৃত্বে মাদকবিরোধী অভিযান, ইয়াবাসহ দম্পতি আটক

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে অপু মোল্লার নেতৃত্বে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ইয়াবা, মাদক সেবনের বিভিন্ন উপকরণ ও নগদ ১৬ হাজার ১০০ টাকাসহ এক দম্পতিকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে এলাকাবাসী।
গতকাল রাত আনুমানিক ৮টার দিকে পৌর শহরের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পুকুরপাড় এলাকার বাস্তুহারা (বস্তি) এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। আটকরা হলেন—আলাউদ্দিন ও তার স্ত্রী নুরুন্নাহার।
স্থানীয়দের ভাষ্য, পঞ্চবটী ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ওমর মোহাম্মদ অপু মোল্লার নেতৃত্বে এলাকার মুরুব্বি ও যুব সমাজের সদস্যরা মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় আলাউদ্দিনের ঘরে অভিযান চালিয়ে তাকে ও তার স্ত্রী নুরুন্নাহারকে আটক করা হয়।
অভিযানকারীদের দাবি, নুরুন্নাহারের কাছ থেকে তিন পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া ঘরের বিভিন্ন স্থান থেকে মাদক সেবনের বিভিন্ন উপকরণ এবং মাদক বিক্রির নগদ ১৬ হাজার ১০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। পরে উপস্থিত এলাকাবাসীর সামনে আটক দম্পতিকে উদ্ধারকৃত মাদক ও নগদ টাকাসহ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
অপু মোল্লা বলেন, একসময় পুকুরপাড় এলাকাটি মাদকপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত ছিল। এলাকাবাসীর ধারাবাহিক প্রতিরোধ ও প্রতিবাদের কারণে মাদক কারবারিদের অনেকেই মাদক ব্যবসা ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছে। তবে এখনো কিছু ব্যক্তি গোপনে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মাদক বিক্রি করছে—এমন অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধেও নজরদারি রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মাদকবিরোধী আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় এলাকাবাসী নিয়মিতভাবে মাদকের আস্তানাগুলোতে নজরদারি করছে। মাদক কারবারিরা ব্যবসা বন্ধ না করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনকে সহযোগিতা করা হবে।
এলাকাবাসীর দাবি, মাদক নির্মূলে স্থানীয়দের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আরও কঠোর ও নিয়মিত অভিযান প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মহিপুরে ৯৩ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি বেল্লাল হাওলাদার বিল্লুকে গ্রেফতার করলো পুলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৪২ পি.এম


মহিপুরে ৯৩ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি বেল্লাল হাওলাদার বিল্লুকে গ্রেফতার করলো পুলিশ
 
পটুয়াখালীর মহিপুরে ৯৩ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মো. বেল্লাল হোসেন হাওলাদার ওরফে বিল্লু (৪১)নামের এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কৌশলে পালিয়ে গেছে তার দুই সহযোগী। সোমবার শেষ বিকেলে মহিপুর থানার লতাচাপলী ইউনিয়নের নয়াপাড়া এলাকার আয়েশা ছিদ্দিকা (রাঃ) জামে মসজিদের সামনের কাঁচা রাস্তা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। মঙ্গলবার ১১ আগস্ট  দুপুরের দিকে গ্রেফতারকৃত আসামিকে কলাপাড়া  আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
 
গ্রেফতারকৃত বেল্লাল হোসেন হাওলাদার মহিপুর থানার আলীপুর ৩ নং ওয়ার্ডের মৃত আলী আকবর হাওলাদারের ছেলে, পলাতক আসামিরা হলো: নয়াপাড়া এলাকার আব্দুল খালেক খলিফার ছেলে আল আমিন খলিফা (৪২) এবং আমির ফকিরের ছেলে মো. রুমান (২২)।
 
মংগলবার সরেজমিনে গেলে স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহিপুর থানা পুলিশের একটি বিশেষ অভিযানিক দল নয়াপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। সেখানে কাঁচা রাস্তার ওপর ইয়াবা কেনাবেচার উদ্দেশ্যে অবস্থানকালে স্থানীয় জনগণের সহায়তায় বেল্লালকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেহ তল্লাশি করে ৯৩ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। তবে অভিযানের সময় তার সাথে থাকা অন্য দুই সহযোগী কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
 
এবিষয়ে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম হাওলাদার বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ইয়াবাসহ বেলাল নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেফতার বেলালসহ পলাতক আরো দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মংগলবার দুপুরের দিকে গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে কলাপাড়া জুডিশিয়াল আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।’
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠাই সরকারের লক্ষ্য : সমাজকল্যাণমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৪৫ পি.এম


অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠাই সরকারের লক্ষ্য : সমাজকল্যাণমন্ত্রী

মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এমপি বলেছেন, কাউকে পিছিয়ে না রেখে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। সমাজে নারীর অন্তর্ভুক্তিকে আরও জোরদার করার লক্ষ্যে সরাসরি নারীদের নামে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ইস্যু করছে সরকার।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে Centre for Women and Children Studies (CWCS) -এর আয়োজনে ‘National Seminar on Advocacy for Change in Women’s Economic Empowerment in Bangladesh’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী একথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি-এর সভাপতি নাজ ফারহানা।

নারীর অগ্রযাত্রায় সরকারের ধারাবাহিক পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া নারী শিক্ষার গুরুত্ব অনুধাবন করে নারী শিক্ষাকে অবৈতনিক ও উপবৃত্তি প্রথা চালু করেছিলেন, ফলশ্রুতিতে কর্মক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ অভূতপূর্ব বৃদ্ধি পেয়েছে।

নারীরা যাতে কর্মক্ষেত্রে নিশ্চিন্তে দায়িত্ব পালন করতে পারেন, সেই বিবেচনায় বেগম খালেদা জিয়া’ই দেশে প্রথম ডে-কেয়ার সেন্টার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বর্তমান সরকার সেই ডে-কেয়ার সুবিধাকে আরও আধুনিক ও বিস্তৃত করার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

শিক্ষাকে কর্মসংস্থানের মূল ভিত্তি উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, নারীদের জন্য সঠিক শিক্ষা এবং দক্ষতা উন্নয়নের ব্যবস্থা করা গেলে নারীরা শুধু নিজেদের জন্যই কর্মসংস্থান তৈরি করবে না, বরং সমাজের অন্যান্য কর্মক্ষমদের জন্যও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারবে।

এক্ষেত্রে তিনি কেয়ার ইকনোমি এবং ক্রিয়েটিভ ইকোনমিতে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতে বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। মন্ত্রী সমাজে বাল্যবিবাহ, যৌতুক ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানের বক্তারা নারী স্বাস্থ্য রক্ষা, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ এবং কর্মক্ষেত্রে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। একইসাথে নারীদের বিনা জামানতে ঋণ প্রদান ও ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে বিদ্যমান বাধা দূর করে নারীদের আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানোর ওপর বিশেষ জোর দেন।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক ইসরাত শারমিন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন Agence Française de Développement, সাউথ এশিয়ান উইমেন ডেভেলপমেন্ট ফোরাম, বাংলাদেশ উইমেন্স চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি, সিলন চেম্বার অব উইমেন অন্ট্রাপ্রেনার, পূর্ণিমা, GERES, বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী, এনজিও, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিসহ গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে সরকারি সেবা নিশ্চিতে ফ্রেন্ডশিপের সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৪৯ পি.এম


কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে সরকারি সেবা নিশ্চিতে ফ্রেন্ডশিপের সভা
 
কুড়িগ্রামে কমিউনিটি পর্যায়ে সরকারি পরিষেবাগুলো চরাঞ্চলের মানুষ সহ সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের সরকারী সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সরকারি সেবার তথ্য জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া, সেবাপ্রাপ্তিতে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দূর করা এবং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ও নাগরিকদের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
 
সোমবার (১১ আগস্ট) দুপুরে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে ফ্রেন্ডশিপ বাংলাদেশ। এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি এবং কমিউনিটির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
 
সভায় উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ স্বপন কুমার বিশ্বাস, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বি এম কুদরত-ই খোদা, কুড়িগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসাদ, ফ্রেন্ডশিপের আঞ্চলিক সমন্বয়ক আব্দুস সালাম, সুশাসন বিভাগের সহকারী প্রকল্প ব্যবস্থাপক রেজওয়ানুল হক, জেষ্ঠ্য আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক নাঈম কামরান, নাজমুল হোসেন-সহ জেলার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা, স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি এবং চরাঞ্চলের স্থানীয় বাসিন্দারা।
 
সভায় বক্তারা বলেন, দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ এখনো সরকারি বিভিন্ন সেবা সম্পর্কে পর্যাপ্ত তথ্য না জানায় কিংবা প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পর্কে ধারণা না থাকায় কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হন। বিশেষ করে নারী, প্রবীণ, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারি সেবাগুলো আরও সহজলভ্য ও জনবান্ধব করা প্রয়োজন।
 
বক্তারা আরও বলেন, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে সরকারি সেবার তথ্য নিয়মিত প্রচার, সেবাপ্রাপ্তির প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সঙ্গে জনগণের সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ বাড়ানো গেলে সরকারি পরিষেবার কার্যকারিতা অনেকাংশে বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি নাগরিকদের অভিযোগ ও পরামর্শ গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।
 
আলোচনায় সরকারি সেবা গ্রহণে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি যেসব মানুষ প্রযুক্তি ব্যবহারে পিছিয়ে রয়েছেন, তাদের জন্য সহায়ক ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়। বক্তারা বলেন, শুধু সেবা প্রদান করলেই হবে না; সেবা যাতে প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের কাছে স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও বৈষম্যহীনভাবে পৌঁছে যায়, সে বিষয়টিও নিশ্চিত করতে হবে।
 
 
জেলা চর উন্নয়ন কমিটির যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সাংবাদিক সাইয়েদ আহমেদ বাবু বলেন, চরাঞ্চলের পিছিয়ে পড়া মানুষের কাছে নাগরিক সেবা পৌঁছে দেওয়ার এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাচ্ছি। সেই সাথে দুর্গম চরাঞ্চলের মানুষও শহর ও মূল ভূখণ্ডের মানুষের মতো সমানভাবে নাগরিক সুবিধা যাতে নিশ্চিত হয় এমন প্রত্যাশা নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সকলের এগিয়ে আসা উচিত।
 
 
সভায় অংশগ্রহণকারীরা কমিউনিটি পর্যায়ে নিয়মিত সচেতনতামূলক কার্যক্রম, সরকারি দপ্তরের সঙ্গে স্থানীয় জনগণের মতবিনিময় এবং সেবাপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়ে মতামত দেন।
 
সভায় বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয় আরও জোরদার হলে কুড়িগ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষও সরকারি বিভিন্ন সেবা সহজে গ্রহণ করতে পারবেন। এর মাধ্যমে নাগরিক অধিকার নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও শক্তিশালী হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%