রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৪৩ পি.এম
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, ‘বিশ্ব শিক্ষক দিবস’ উপলক্ষে ১০০ জন শিক্ষককে ১ লাখ টাকা করে অনুদান ও সম্মাননা দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হচ্ছে শিক্ষা ব্যবস্থার গুণগত মানোন্নয়ন এবং শিক্ষকদের যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করা।
আজ (রোববার) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘বিশ্ব শিক্ষক দিবস’ উদযাপনের লক্ষ্যে আয়োজিত জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির প্রথম সভা শুরুর আগে তিনি সাংবাদিকদের এ পরিকল্পনার কথা জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তন ও অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি আমাদের শিক্ষক সমাজ। যারা মাঠে চমৎকার কাজ করছেন, তাদের কাজের সঠিক স্বীকৃতি দেওয়া, পুরস্কৃত করা এবং উৎসাহিত করাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য। আগামী ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবসে আমরা দেশের শিক্ষকদের এই অবদানকে স্মরণ ও সম্মানিত করতে চাই।”
তিনি আরও জানান, সেরা শিক্ষক নির্বাচনে একটি নীতিমালা চূড়ান্ত করার কাজ চলছে। পূর্বে মাত্র ১২ জন শিক্ষককে ২ লাখ টাকা করে মোট ২৪ লাখ টাকা দেওয়া হতো। তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের লক্ষ্য হচ্ছে শিক্ষকদের যথাযথ সম্মান নিশ্চিত করা। এই উদ্দেশ্যে সরকার সারা দেশের দক্ষ ও গুণী শিক্ষকদের মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নির্বাচিত ১০০ জন শিক্ষককে ১ লাখ টাকা করে পুরস্কার ও সম্মাননা প্রদান করা হবে।
শিক্ষকদের আচরণবিধি সম্পর্কে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষকরা নিজেদের শিক্ষিত আচরণ দিয়েই সমাজকে আলোকিত করেন। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অযাচিত কর্মকাণ্ড রোধ ও শিক্ষাব্যবস্থার ভাবমূর্তি রক্ষায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় নীতিমালা ও নির্দেশিকা পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বকেয়া পাওনা প্রসঙ্গে তিনি জানান, ২০১৬ সাল থেকে আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত শিক্ষকদের নিজেদের কন্ট্রিবিউশনের বকেয়া অংশ ইতোমধ্যে পরিশোধ করা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে প্রদেয় বাকি অনুদানের অর্থও ক্রমান্বয়ে পরিশোধের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
সভায় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আবদুল খালেক জানান, নতুন পে স্কেলে বেসরকারি শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে কাজ চলছে। সরকারি কর্মচারীরা যে হারে সুবিধা পাবেন, শিক্ষকরাও সেই অনুপাতেই সুবিধা পাবেন।
সভায় জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) এর বিভাগীয় কার্যালয় রাজশাহীর উদ্যোগে রবিবার সকাল ১১.৩০ ঘটিকায় রাজশাহী মহানগরীতে একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
এই আদালতে বিএসটিআই’র গুণগত মানসনদ গ্রহণ না করে অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ‘বিস্কুট ও পাউরুটি’ উৎপাদন ও বিক্রি-বিতরণ করার অভিযোগে নগরীর ছোটবনগ্রাম এলাকায় অবস্থিত আলামিন ফুড প্রোডাক্টস প্রতিষ্ঠানটিকে ১০,০০০/- (দশ হাজার টাকা মাত্র) জরিমানা করা হয়।
রাজশাহী জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শাহরিয়ার ইসলাম নাসিফ এর নেতৃত্বে পরিচালিত এই মোবাইল কোর্টে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিএসটিআই বিভাগীয় অফিস, রাজশাহীর সার্টিফিকেশন মার্কস উইং কর্মকর্তা প্রকৌশলী জুনায়েদ আহমেদ।
এ সময় রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। জনস্বার্থে ভেজাল প্রতিরোধ এবং গুণগত মানসম্পন্ন খাদ্যপণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিএসটিআই, রাজশাহীর এই ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে চিহ্নিত ৪৮টি অশুল্ক বাধা (নন-ট্যারিফ ব্যারিয়ার) সমাধান করা হয়েছে। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, আরও ১৩টি বাধা সমাধানের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ইইউর বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, "দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে অশুল্ক বাধা নিয়ে ইইউর পক্ষ থেকে আগে যেসব অভিযোগ করা হয়েছিল, সেগুলোর মধ্যে ৪৮টির সমাধান করা হয়েছে। আরও ১৩টি বিষয়ে সমাধানের প্রক্রিয়া চলছে।"
সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী জানান, স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের সময়সীমা আরও তিন বছর পিছিয়ে দেওয়ার আবেদনের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ইইউর সমর্থন চাওয়া হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ইইউ বাংলাদেশের প্রস্তাব সমর্থন করবে। "ভোটে বা ভোট ছাড়া যেভাবে হোক বাংলাদেশ মনে করেন এই প্রস্তাব অনুমোদন হবে।"
তিনি বলেন, এলডিসি থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন নিয়ে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে চলতি মাসে সিদ্ধান্ত হওয়ার কথা রয়েছে। এ কারণে বাংলাদেশের আবেদনের পক্ষে ইইউর সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।
এদিকে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) সইয়ের লক্ষ্যে আলোচনা শুরুর উদ্যোগও এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ইইউর সঙ্গে এফটিএ স্বাক্ষরের বিষয়ে আলোচনা শুরুর জন্য শিগগিরই আলোচনা শুরু হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী মন্তব্য করেছেন যে, সংসদকে বাদ দিয়ে মাত্র ছয় মাসের মধ্যে বিরোধী দল রাজপথে ‘লং মার্চ’-এর মাধ্যমে গণতন্ত্র বিনষ্টের চেষ্টা করছে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক অনানুষ্ঠানিক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এই কথা বলেন।
রুহুল কবির রিজভী উল্লেখ করেন, বিরোধী দল রাজপথে লং মার্চের কর্মসূচির আওতায় সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সম্পর্কে অশ্রাব্য ও আপত্তিকর শব্দ ব্যবহার করছে এবং দলকে এসব শব্দের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিতে দেখা যাচ্ছে, যা স্পষ্টত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড। জনগণের সামনে উচ্চারণে অযোগ্য শব্দগুলো প্রকাশ্যে বলা হচ্ছে। এসব অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করলে বিরোধী দল সেটিকে দমন-পীড়ন হিসেবে দাবি করে গণতন্ত্র বিনষ্টের চেষ্টা করছে।
জ্বালানি সংকট ও অর্থনৈতিক বিষয়াবলী নিয়ে বিরোধী দলের ভূমিকা সম্পর্কে প্রশ্ন তুলে রিজভী বলেন, জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে তারা শুধুমাত্র সমালোচনা করে যাচ্ছে, অথচ সংকট সমাধানে তাদের কোনো গঠনমূলক প্রস্তাবনা নেই। তারা সংসদে এই বিষয়ে পরামর্শ না দিয়ে বাইরে ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছে। দেশের রিজার্ভ বৃদ্ধি পাওয়ার মতো ইতিবাচক অর্জনগুলো জনগণের সামনে তুলে ধরার পরিবর্তে আড়াল করার চক্রান্ত করছে।
তিনি আরও বলেন, সরকার ব্যর্থ হয়েছে বলে বিরোধীরা রাজপথে আন্দোলন করছে, কিন্তু সাধারণ জনগণ তাদের এই ভূমিকা ভালোভাবে দেখছে না। দায়িত্বশীল বিরোধী দলের মতো সংসদে নিজেদের দাবি বা প্রস্তাব না তুলে তারা রাজপথে আন্দোলন বেছে নিয়েছে, যা মূলত সরকারের সার্বিক উন্নয়ন ঢাকার অপচেষ্টা।
রিজভী বলেন, বিএনপির পাঁচ দিনব্যাপী প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সার্বিক কর্মসূচি অত্যন্ত সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এ উপলক্ষে দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে প্রধানমন্ত্রী যে নির্দেশনা দিয়েছেন, সেটির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ব্যবহৃত সব বিলবোর্ড ও ব্যানার অবিলম্বে খুলে ফেলতে হবে।
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর শরাফত আলী সপু, মাহমুদুর রহমান সুমন, আসাদুল করিম শাহীন, তারিকুল ইসলাম তেনজিং, ডা. জাহিদুল কবির প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সৌদি আরব ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে পৃথক ফোনালাপে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন।
দেশটির আধাসরকারি সংবাদ সংস্থা
জানাচ্ছে, সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান এবং তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের সঙ্গে আলোচনায় মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি এবং অঞ্চলটিতে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টা নিয়ে মতবিনিময় করেন আরাগচি।
এ সময় পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কার্যালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ‘আগ্রাসী কর্মকাণ্ডের’ কারণে হরমুজ প্রণালিতে যে নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি হয়েছে, তা মোকাবেলার উপায় নিয়েও তারা আলোচনা করেন।
আঞ্চলিক উত্তেজনা কমানোর পাশাপাশি স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদারের ওপর আলোচনা চলাকালীন গুরুত্ব দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ