ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

গ্রাম পুলিশের বেতন-ভাতা ও অবসরকালীন সুবিধা বাড়ালো সরকার


গ্রাম পুলিশের বেতন-ভাতা ও অবসরকালীন সুবিধা বাড়ালো সরকার

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গ্রাম পুলিশ সদস্যদের বেতন ও অবসরকালীন আর্থিক সুবিধা বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছেন। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সাধারণ গ্রাম পুলিশ সদস্যদের মাসিক বেতন ৭ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ১০ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া, গ্রাম পুলিশ প্রধানদের বেতন ৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১ হাজার টাকা করা হয়েছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত গ্রাম পুলিশের মহাসমাবেশে প্রধানমন্ত্রী এসব ঘোষণা প্রদান করেন।

আরও পড়ুন: সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-আহতরা পাবেন ১-৫ লাখ টাকা, আবেদন যেভাবে করবেন

এছাড়া, সাধারণ গ্রাম পুলিশ সদস্যদের অবসরকালীন আনুতোষিক ৭০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮০ হাজার টাকা এবং গ্রাম পুলিশ প্রধানদের জন্য ৮০ হাজার টাকা থেকে এক লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর থেকেই সরকারের এসব সিদ্ধান্ত কার্যকর করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

মহাসমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন ও গ্রামের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গ্রাম পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তৃণমূল পর্যায়ে কোথায় কী ঘটছে, কারা কোন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হচ্ছে কিংবা কোথাও পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা রয়েছে কি না, সে বিষয়ে গ্রাম পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালনের সুবাদে আগেভাগেই কিছু তথ্য জানতে পারেন। এসব তথ্য যথাসময়ে স্থানীয় প্রশাসন এবং বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে জানালে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাৎক্ষণিক ও কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব।

তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি গ্রাম ও ইউনিয়ন নিরাপদ থাকলে বাংলাদেশও নিরাপদ থাকবে। তৃণমূল জনগোষ্ঠীর মধ্যে শান্তি ও স্বস্তি বজায় থাকলে তার ইতিবাচক প্রভাব পুরো দেশেই পড়বে। তাই স্থানীয় পর্যায়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গ্রাম পুলিশের দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শহরায়ন ও নগরায়ন বাড়লেও দেশের অধিকাংশ মানুষের শিকড় এখনো গ্রামকেন্দ্রিক। দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও অর্থনীতির সঙ্গে গ্রামীণ জীবনের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। ফলে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর শান্তি, নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নিশ্চিত করা জরুরি।

আরও পড়ুন: সিরাজগঞ্জে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের দুই নেতা গ্রেফতার

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতের ফ্যাসিবাদী শাসনামলে শুধু রাজনৈতিক ব্যবস্থাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি, রাষ্ট্র ও সমাজেও ব্যাপক সামাজিক অবক্ষয় ঘটেছিল। পরিকল্পিতভাবে হীনস্বার্থ ও গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব উসকে দিয়ে দীর্ঘদিনের সামাজিক সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সৌহার্দ্যের মূল্যবোধ বিনষ্ট করা হয়েছিল। এমনকি বিভিন্ন জায়গায় পরিবারে পরিবারেও বিরোধ ও বিবাদ ছড়িয়ে দেয়া হয়েছিল। তৃণমূল পর্যায়েও প্রতিশোধ ও প্রতিহিংসার পরিবেশ তৈরি হয়েছিল।

এ ধরনের সামাজিক পরিস্থিতির উন্নয়নে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রম যথেষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্রিয় ভূমিকার পাশাপাশি ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা, মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার সংস্কৃতি পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে। সমাজে এসব মূল্যবোধ পুনর্জীবিত হলে সামাজিক অপরাধের মাত্রা অনেকাংশে কমে আসবে। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি হিসেবে গ্রাম পুলিশের কার্যকর ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৬০০ কাব স্কাউটের অংশগ্রহণে সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা অভিযান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

পারভিন আক্তার স্টাফ রিপোর্টার নারায়ণগঞ্জ জেলা

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৩৬ পি.এম


৬০০ কাব স্কাউটের অংশগ্রহণে সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা অভিযান

পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নারায়ণগঞ্জ গড়ে তোলার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন ও সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ফতুল্লা রেললাইন থেকে ফতুল্লা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় পর্যন্ত সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়। এতে বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৬০০ কাব স্কাউট অংশগ্রহণ করে।

কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ রায়হান কবির। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব এস এম ফয়েজ উদ্দিনসহ স্কাউটসের সদস্য, শিক্ষক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিবৃন্দ। পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে সকলকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

নারায়ণগঞ্জ || ০৭ নভেম্বর, ২০২৬ খ্রি.

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাকৃবিতে শিক্ষার্থীদের মারামারি, ছাত্রদল নেতার ইন্ধনের অভিযোগ অস্বীকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৩৬ পি.এম


বাকৃবিতে শিক্ষার্থীদের মারামারি, ছাত্রদল নেতার ইন্ধনের অভিযোগ অস্বীকার

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) এক শিক্ষার্থীকে মারধর করে আহত করার পাশাপাশি প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে এস.এম. মেরাজুল আনোয়ার সিয়াম নামের এক শিক্ষার্থী প্রক্টরের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।

সিয়াম ঈশা খাঁ হলের প্রথম বর্ষের আবাসিক শিক্ষার্থী। অভিযোগপত্রে তিনি সোহরাওয়ার্দী হলের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী নাজমুল হাসান ইমনের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ করেছেন। সিয়াম অভিযোগ করেন, ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মেজবাউল হক মিজু, সোহরাওয়ার্দী হলের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ইমনসহ কয়েকজনকে ঘটনার ইন্ধনদাতা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তবে মেজবাউল হক মিজু অভিযোগকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন।

ঘটনার পরের দিন সোহরাওয়ার্দী হলের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ইমনকে মারধরের অভিযোগ ওঠে ঈশা খাঁ হলের প্রথম বর্ষের কয়েকজন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ইয়ামিনও প্রক্টর অফিসে অভিযোগ দাখিল করেছেন।

সিয়াম তার অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেছেন, গত ৩ নভেম্বর বিকাল আনুমানিক ৪টার সময় বন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে সোহরাওয়ার্দী হলের এ ব্লকের ১০২ নম্বর কক্ষে যান। সেখানে তার বন্ধু তাসনিমকে না পেয়ে পূর্বপরিচিত এক শিক্ষার্থীর আমন্ত্রণে তিনি বসেন। কিছুক্ষণ পর ৬৫ ব্যাচের কৃষি অনুষদের শিক্ষার্থী নাজমুল হাসান ইমন তাকে বিভিন্ন অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করতে থাকেন। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়।

সিয়ামের অভিযোগ, এক পর্যায়ে ইমন তার ওপর শারীরিকভাবে হামলা চালান এবং এলোপাতাড়ি চড়, কিল ও ঘুষি মারেন। এতে তার ডান চোখে গুরুতর আঘাত লাগে এবং চোখের আশপাশে কালশিটে পড়ে যায়। পরে তিনি কোনোভাবে ওই কক্ষ থেকে বের হয়ে আসেন।

অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, ঘটনার সময় সোহরাওয়ার্দী হলের কয়েকজন শিক্ষার্থী সেখানে উপস্থিত ছিলেন। সিয়াম তাদের মধ্যে হলটির ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক, তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ইয়ামিনসহ কয়েকজনের উপস্থিতির কথা উল্লেখ করেছেন। এছাড়া পরবর্তী সময়ে বিষয়টি মীমাংসার প্রস্তাব দেওয়া হলে তাকে বিভিন্ন ধরনের মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন। সিয়াম হামলার জন্য ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মেজবাউল হক মিজুর বিরুদ্ধে ইন্ধন দেওয়ার অভিযোগও তুলেছেন।

ঘটনার পর সিয়াম নিজ আবাসিক হল ঈশা খাঁ হলে ফিরে সহপাঠী ও জ্যেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের বিষয়টি জানান। পরে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়ে ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।

এ বিষয়ে অভিযোগকারী শিক্ষার্থী মেরাজুল ইসলাম সিয়াম বলেন, "আমি অভিযোগপত্র জমা দিয়েছি। প্রক্টর স্যার আমাকে এ ব্যাপারে পরবর্তীতে দেখা করতে বলেছেন। সমস্যা সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আমি এ বিষয়ে আর কিছু বলতে চাচ্ছি না।"

প্রত্যক্ষদর্শী সোহরাওয়ার্দী হলের ১০২ নম্বর কক্ষের আবাসিক শিক্ষার্থী মুগ্ধ বলেন, "আমি ওই সময় রুমেই উপস্থিত ছিলাম। প্রথমে যখন সিয়াম জানালার সামনে এসেছিল, আমি তখন খেয়াল করিনি। ওই সময় রুমে থাকা নাজমুল তাকে তার পরিচয় জিজ্ঞেস করে। কিন্তু উত্তরে সিয়াম কিছু বলে না। পরে যখন তাকে চিনতে পারলাম, তখন আমি তাকে রুমের ভেতরে বসতে বলি। তখনও নাজমুল সিয়ামকে তার নাম-পরিচয় জিজ্ঞেস করছিল, কিন্তু সিয়াম কোনো উত্তর দিচ্ছিল না। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে তর্কাতর্কি হয় এবং তারা একে অপরকে আঘাত করে। নাজমুলের আঘাত সিয়ামের চোখের নিচে লাগে এবং সে পরে পানি দিতে বাথরুমে চলে যায়। পরবর্তীতে আমি তাকে ডেকে এনে বিষয়টি সমাধান করার চেষ্টা করলে সে হলে যাওয়ার কথা বলে চলে যায়।"

ঘটনার পরের দিন, গত ৪ নভেম্বর, সোহরাওয়ার্দী হলের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ইয়ামিনকে মারধরের অভিযোগ ওঠে ঈশা খাঁ হলের কয়েকজন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে।

জানা যায়, গত ৪ নভেম্বর করিম ভবনে সোহরাওয়ার্দী হলের একজন শিক্ষার্থীকে আটক করে রাখা হয়। পরবর্তীতে তাকে ছাড়াতে এবং বিষয়টি সমাধান করতে সোহরাওয়ার্দী হল থেকে কয়েকজন শিক্ষার্থী সেখানে উপস্থিত হন। তাদের মধ্যে একজন ছিলেন ইয়ামিন। একপর্যায়ে করিম ভবনের সামনের হোটেলে দুপুরে খাবার খাওয়ার সময় ঈশা খাঁ হলের কয়েকজন শিক্ষার্থী এসে তাকে মারধর শুরু করেন। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ইয়ামিন প্রক্টর অফিসে অভিযোগ জানান।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ইয়ামিন বলেন, "আমি বিগত দিনের কোনো ঘটনা সম্পর্কেই অবগত ছিলাম না। ৪ তারিখ আমি হলে ফেরার পথে যখন জানতে পারি হলের জুনিয়রকে আটক করা হয়েছে, তাকে ছাড়ানোর জন্যই আমি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই। পরবর্তীতে আমি করিম ভবনের সামনের হোটেলে খেতে যাই। সেই সময়ই সেখানে ঈশা খাঁ হলের প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন উপস্থিত হন এবং আমার হলের নাম জানতে চান। যখন তারা জানতে পারেন আমি সোহরাওয়ার্দী হলের, তখন তারা সবাই মিলে আমাকে এলোপাতাড়িভাবে মারতে শুরু করেন।"

অভিযোগপত্রে তার নাম উল্লেখের বিষয়ে তিনি জানান, "ঘটনার পরের দিন (৫ নভেম্বর) আমি জানতে পারি, আমার বিরুদ্ধে মারপিটের ইন্ধন দেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। কিন্তু আমি এ ঘটনা সম্পর্কে কিছুই জানতাম না। এমনকি আমি ওই দিন (৩ নভেম্বর) ঘটনার সময় হলে উপস্থিত ছিলাম না। বিষয়টা এমন যে, আমাকেই মারধর করে আমার নামেই মারপিটের অভিযোগ দেওয়া হলো।"

অভিযুক্ত নাজমুল হাসান ইমন বলেন, "সিয়াম যখন আমাদের রুমে তাসনিমকে খুঁজতে আসে, তখন আমি তার পরিচয় জানতে বারবার নাম জিজ্ঞেস করি। কিন্তু সে সেটার উত্তর না দিয়ে আমাকে বিভিন্ন উসকানিমূলক মন্তব্য করতে থাকে। একপর্যায়ে কথা-কাটাকাটির জেরে আমাদের মধ্যে হাতাহাতি হয়।"

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মেজবাউল হক মিজু বলেন, "ঈশা খাঁ হলের ছেলেটি যে সময় তাকে মারার এবং আমাকে সোহরাওয়ার্দী হলে দেখার কথা বলেছে, আমি সে সময় হলে উপস্থিতই ছিলাম না। হলের হাই রেজল্যুশন সিসি ক্যামেরা আছে। কে কখন হলে ঢুকছে, কখন বের হচ্ছে—সবই দেখা যায়। ক্যামেরার ফুটেজ দেখলেই বিষয়টি প্রমাণিত হয়ে যাবে।"

সিয়ামকে মারধরের ঘটনায় তার ইন্ধনের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে তিনি বলেন, "ঘটনা ঘটার পরে আমি জানতে পেরেছি। যাদের মধ্যে মারামারি হয়েছে, তারা কেউই আমার পরিচিত না। আমি যতটুকু জানি, সিয়ামকে যে মারধর করেছে, সে তারই বন্ধু এবং সে ছাত্রদলের অন্যান্য নেতাকর্মী ও তাদের অনুসারীদের সঙ্গে ঘোরাফেরা করে। আমি তাকে চিনিও না। এখানে আমি ইন্ধনদাতা কীভাবে হতে পারি? এই মিথ্যা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া উচিত।"

মেজবাউল হক মিজু পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, "আমরা ৪ তারিখ করিম ভবনে যাই এক জুনিয়রকে সাহায্য করতে এবং ফেরার পথে আমাদের সঙ্গে থাকা সোহরাওয়ার্দী হলের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ইয়ামিন পাশের খাবারের দোকানে গেলে তার ওপর অতর্কিত হামলা করা হয়। এই হামলার বিষয়ে আমরাও লিখিত অভিযোগ জমা দেব।"

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলীম বলেন, "আমরা সিয়ামের অভিযোগপত্রটি পেয়েছি এবং ভিডিও ফুটেজসহ বিভিন্ন প্রমাণ খতিয়ে দেখছি। ঈশা খাঁ হলের জুনিয়র ছেলেরা সোহরাওয়ার্দী হলের একজন সিনিয়রকে মেরেছে, এটারও অভিযোগ পেয়েছি। সব বিষয় নিয়েই প্রক্টরিয়াল বডি তৎপর আছে। হলে যেন ছাত্রশৃঙ্খলা বজায় থাকে, এর জন্য আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করছি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাসনাত আব্দুল্লাহ: সরকারের এক বছরে প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যর্থতা স্পষ্ট হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৩৭ পি.এম


হাসনাত আব্দুল্লাহ: সরকারের এক বছরে প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যর্থতা স্পষ্ট হবে

সংসদ সদস্য ও এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, বিএনপি সরকারের এক বছরের পর অর্থনীতি এবং আইনশৃঙ্খলা সহ প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যর্থতা দৃশ্যমান হবে।

তিনি শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে এনপিসির আয়োজিত আলোচনা সভায় এ মন্তব্য করেন।

হাসনাত আব্দুল্লাহ অভিযোগ করেন, বিএনপি সবসময় আওয়ামী লীগকে পথ দেখিয়েছে। তিনি বলেন, "দলটি সব আন্দোলনের সুবিধা নিতে চায়।" তিনি উল্লেখ করেন, জুলাই মাসের অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে বিএনপি হীনমন্যতায় ভুগছে।

এনসিপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা আরও বলেন, বিএনপি আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন নিয়ে আলোচনা করছে। তবে, আগে আওয়ামী লীগের শাসনামলে সংঘটিত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিচার করতে হবে। এরপরই তাদের পুনর্বাসন বা প্রাসঙ্গিকতার বিষয়টি আসবে।

এদিকে, এনসিপির নেতা সারোয়ার তুষার বিএনপিকে নিজের দলের ভেতর গুপ্ত খোঁজার আহ্বান জানান। পাশাপাশি, আওয়ামী লীগ সম্পর্কে বিএনপিকে একই ভুল দ্বিতীয়বার না করার জন্যও তিনি সতর্ক করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুসলিম ওয়ার্ল্ড লিগের সৌদি আরবে হুথিদের হামলার তীব্র নিন্দা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৩৯ পি.এম


মুসলিম ওয়ার্ল্ড লিগের সৌদি আরবে হুথিদের হামলার তীব্র নিন্দা

মুসলিম ওয়ার্ল্ড লিগ (এমডব্লিউএল) সৌদি আরবে ইরান সমর্থিত হুথিদের হামলার বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি উল্লেখ করেছে যে, মক্কা ও মদিনাকে লক্ষ্য করে পরিচালিত হামলা পবিত্র স্থানগুলোর ধর্মীয় মর্যাদা এবং পবিত্রতার পরিপন্থি।

মুসলিম ওয়ার্ল্ড লিগের মহাসচিব মোহাম্মদ বিন আবদুল করিম আল-ইসা মন্তব্য করেছেন, হুথিদের এই ধরনের কর্মকাণ্ড সন্ত্রাসী মানসিকতার প্রতিফলন, যা ধর্মীয় পবিত্রতা লঙ্ঘন করে। তিনি আরও বলেন, এটি ধর্ম ও মুসলমানদের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতার সমার্থক।

জেদ্দাভিত্তিক এই সংস্থাটি সৌদি আরবের প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেছে। পাশাপাশি, বেসামরিক নাগরিক এবং পবিত্র স্থানগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সৌদি কর্তৃপক্ষের নেওয়া পদক্ষেপের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে।

এদিকে, সংঘাত পুনরায় শুরু হওয়ার পর মক্কা ও মদিনার আশপাশে বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

তবে, সৌদি আরবের এই অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছে হুথিরা।

সূত্র: আলজাজিরা

আরএ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%