শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৪৯ এম
ঝিনাইদহের শৈলকুপা এলাকায় যাত্রীবাহী বাস এবং স্যালোইঞ্জিনচালিত খড়িবোঝাই গাড়ির মধ্যে সংঘর্ষের ফলে অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া মহাসড়কের বড়দাহ এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।
পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা পদ্মা পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস যখন রাত সাড়ে ৮টার দিকে শৈলকুপা উপজেলার ঝিনাইদ-কুষ্টিয়া মহাসড়কের বড়দাহ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছায়, তখন ঝিনাইদহ থেকে আসা একটি স্যালোইঞ্জিনচালিত খড়িবোঝাই গাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এই ঘটনায় বাসের অন্তত ২৫ জন যাত্রী আহত হন। আহত ব্যক্তিরা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
আরাপপুর হাইওয়ে থানার ইনচার্জ জাহানুর আলী জানিয়েছেন, ‘দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে হাইওয়ে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বগুড়া সদর উপজেলায় আমবাগান লিজ নেওয়ার কারণে বিরোধের জেরে গুরুতর আহত মো. মোকছেদুল হাসান (৩৮) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টার দিকে ঘটনার সাত দিন পর ঢাকার একটি হাসপাতালে তার মৃত্যু ঘটে।
মোকছেদুল বগুড়া সদর উপজেলার মাটিডালী উত্তরপাড়া এলাকার মো. হায়দার আলীর ছেলে। হামলার ঘটনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এবং র্যাব পৃথক অভিযান চালিয়ে মোট সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার বারোপুর মৌজায় অবস্থিত ন্যাশনাল ফ্যান কোম্পানির মালিকানাধীন ৩২ বিঘার একটি আমবাগান লিজ নেওয়ার কারণে মোকছেদুলের সঙ্গে প্রতিপক্ষের বিরোধ চলছিল। এই বিরোধের ফলস্বরূপ ৪ সেপ্টেম্বর রাত পৌনে ১০টার দিকে মাটিডালী উত্তরপাড়ায় একটি দোকানের সামনে বসে থাকা অবস্থায় তার ওপর হামলা চালানো হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ১০ থেকে ১৫ জন মোটরসাইকেল ও হাইয়েস গাড়িতে এসে অস্ত্র উঁচিয়ে মহড়া দেয়। আতঙ্ক সৃষ্টি করতে তারা কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে। সাধারণ মানুষ আতঙ্কে দিগ্বিদিক ছোটাছুটি শুরু করলে মোকছেদুলকে একা পেয়ে রামদা, হকিস্টিক ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। ঘটনাস্থল থেকে ৭.৬৫ এমএম বোরের পিস্তলের দুটি গুলির খোসা উদ্ধার করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী।
অন্যদিকে, আহত মোকছেদুলকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়েছিল। ঘটনার সাত দিন পর বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় মোকছেদুলের মা রেবেকা বেগম বাদী হয়ে বগুড়া সদর থানায় দ্রুত বিচার আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।
এ ঘটনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত দুই আসামি মো. নাজমুল হুদা রাফিত (২১) ও মো. হাছান আকন্দকে (২৪) গ্রেপ্তার করে।
আরো পড়ুন
ঝিনাইদহে যাত্রীবাহী বাস-স্যালো ইঞ্জিনচালিত গাড়ির সংঘর্ষ, আহত ২৫
এদিকে, র্যাব-১২-এর একটি আভিযানিক দল শাজাহানপুর উপজেলার মাঝিরা বোট ক্লাব এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারনামীয় আসামি মো. সিজার শেখ (২৫) ও তদন্তে প্রাপ্ত আসামি মো. মহরমকে (৩৪) গ্রেপ্তার করে। একই সময় তাঁদের সঙ্গে থাকা আরো তিন সন্দেহভাজন- মো. রুবাই (২২), মো. আশিকুর রহমান আকাশ (৩১) ও মো. আবু জিহাদকে (২৮) আটক করে বগুড়া সদর থানায় হস্তান্তর করে র্যাব।
বগুড়া সদর থানার ওসি ইব্রাহীম আলী বলেন, ‘চিকিৎসাধীন অবস্থায় আহত মোকছেদুল মারা গেছেন। তার মৃত্যুর পর পূর্বের মামলাটি এখন হত্যা মামলায় রূপান্তরসহ প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া নেওয়া হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জরুরি উন্নয়নকাজের জন্য শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রংপুর ও রাজশাহী জেলার বেশকিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ দীর্ঘসময় বন্ধ থাকবে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসির (নেসকো) রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের বিক্রয় ও বিতরণ কেন্দ্র থেকে পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে টানা ৯ ঘণ্টা রংপুরের বেশকিছু এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না।
এ বিষয়ে এক বিজ্ঞপ্তিতে নেসকো রংপুরের বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-২ জানিয়েছে, বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের নিকটবর্তী গাছের শাখা-প্রশাখা কর্তনকাজের জন্য শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত মোট ৯ ঘণ্টা নেসকো রংপুর দপ্তরের ১১ কেভি মেডিক্যাল ফিডারের আওতাধীন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
এছাড়া একই দিনে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অভ্যন্তরে একই পোলে ডুয়েল সোর্স লাইন থাকায় গাছের শাখা-প্রশাখা কর্তনের জন্য সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত মোট ৩ ঘণ্টা ১১ কেভি মেডিক্যাল ও আরকে রোড- ২টি ফিডারই বন্ধ থাকবে।
এদিকে শুক্রবার রাজশাহীর বেশকিছু এলাকায় দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
এ বিষয়ে এক বিজ্ঞপ্তিতে নেসকো রাজশাহীর বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১ জানিয়েছে, ১১ কেভি লাইনের নিকটবর্তী গাছপালার শাখা-প্রশাখা কর্তনের জন্য শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে রাজশাহীর বেশকিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এই এলাকাগুলো হলো- রুয়েট ক্যাম্পাস, ভার্সিটি ক্যাম্পাস, সাগরপাড়া, বোষপাড়া, মুহাম্মদপুর টিকাপাড়া, খুলিপাড়া, সেখেরচক, পঞ্চবটি এবং তৎসংলগ্ন এলাকা।
তবে নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ শেষ হয়ে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল করা হবে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিত করতে সাময়িক এই অসুবিধার জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার গ্রাহকদের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে নেসকো কর্তৃপক্ষ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে যে, হরমুজ প্রণালীতে একটি মার্কিন চালকবিহীন নৌযানে হামলা করা হয়েছে। একই সময়ে, ওমানের উপকূলের কাছে দুটি জাহাজে প্রজেক্টাইল আঘাত হানার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।
আইআরজিসির নৌবাহিনী জানায়, হরমুজ প্রণালীতে ‘সেইলড্রোন’ ধরনের মার্কিন চালকবিহীন নৌযানে হামলা চালানো হয়েছে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, ওই নৌযানটি ‘আগ্রাসী মিশন’ সম্পাদন করছিল এবং হামলার মাধ্যমে সেটিকে প্রতিহত করা হয়েছে।
তবে মার্কিন সামরিক বাহিনী এই দাবি অস্বীকার করেছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, হরমুজ প্রণালীতে কোনো মার্কিন চালকবিহীন নৌযানে ইরানের হামলার ঘটনা ঘটেনি। ফলে আইআরজিসির দাবিটি স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে, যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস সেন্টার (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, ওমানের উপকূলের কাছে দুটি জাহাজে প্রজেক্টাইল আঘাত হানার খবর তাদের কাছে এসেছে। তবে এসব হামলার উৎস তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। আল জাজিরাও জানিয়েছে, ইউকেএমটিওর মাধ্যমে তারা ওমানের কাছে দুটি জাহাজে প্রজেক্টাইল আঘাতের তথ্য পেয়েছে।
হরমুজ প্রণালীতে সাম্প্রতিক উত্তেজনার কারণে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল ব্যাপকভাবে কমে গেছে। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার প্রণালীটি দিয়ে মাত্র সাতটি জাহাজ চলাচল করেছে, যা সাম্প্রতিক গড়ের তুলনায় অনেক কম।
হরমুজ প্রণালী বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথগুলোর একটি। সেখানে সামরিক উত্তেজনা ও জাহাজ চলাচলে বিঘ্নের ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। তথ্যসূত্র: তাস, আল-জাজিরা, রয়টার্স
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের কোচ হিসেবে লিওনেল স্কালোনির ভবিষ্যৎ বর্তমানে অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। তার চুক্তির মেয়াদ শেষ হতে আর তিন মাসের কিছু বেশি সময় বাকি রয়েছে। তবে নতুন চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা এখন বেশ জটিল হয়ে উঠেছে।
রেডিও লা রেডের অনুষ্ঠানে উন বুয়েন মোমেন্তোতে সাংবাদিক গুস্তাভো ইয়ারোচ জানিয়েছেন, আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) স্পষ্টভাবে চায়, স্কালোনি দায়িত্বে থাকুক। নতুন চুক্তিও দিতে চায় তারা। তবে এই বিষয়টি মূলত তিনটি কারণে জটিল হয়ে উঠেছে। এই তিন কারণের কারণে বিশ্বজয়ী এই কোচ আর্জেন্টিনায় তার ভবিষ্যৎ নিয়ে সন্দিহান হয়ে পড়েছেন।
প্রথম কারণটি খেলা এবং মানসিক দিক সম্পর্কিত। স্কালোনি ভালোভাবেই জানেন, আগামী চক্রে দলকে নতুন করে গড়ে তোলার প্রয়োজন হবে। ধীরে ধীরে দলে পরিবর্তন আনতে হবে। আট বছরের সফল সময় পার করার পর কোচ নিজেই ভাবছেন, এত বড় একটি প্রকল্প চালানোর জন্য তার এখনো শক্তি, ইচ্ছা এবং অনুপ্রেরণা আছে কি না। এই প্রকল্পে প্রতিদিন তাকে পুরোপুরি মনোযোগী থাকতে হবে।
এএফএর অপ্রত্যাশিত আর্থিক বকেয়া একটি বিষয়ও তৈরি করেছে অস্বস্তি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, কোচিং স্টাফ এবং খেলোয়াড়দের বোনাসের একটি বড় অংশ এখনো বকেয়া রয়েছে এএফএর কাছে। জাতীয় দলের শিবিরে এই বিষয়টিকে অনেকেই বোধগম্য মনে করছেন না। এতে ক্ষোভও তৈরি হয়েছে।
আর্জেন্টিনা তাদের অভাবের দিনগুলো অনেক পেছনে ফেলে এসেছে। বিশেষ করে ২০২১ সাল থেকে পাওয়া টানা সাফল্যের কারণে তাদের আয় এখন অনেক বেশি। এই সময়ে এসে কেন বকেয়া থাকবে, তা নিয়ে অসন্তোষ রয়েছে স্টাফদের মধ্যে।
তৃতীয় সমস্যাটি লজিস্টিক এবং প্রীতি ম্যাচের জন্য বেছে নেওয়া প্রতিপক্ষের মান নিয়ে। বিশ্বকাপের আগে থেকেই এই অভিযোগ করে আসছেন কোচ। স্কালোনি বরাবরই বলেছেন, তিনি শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক দলগুলোর বিপক্ষে খেলতে চান।
তবে এএফএর পক্ষ থেকে নিয়মিতভাবে এমন প্রতিপক্ষ ঠিক করা সম্ভব হয়নি। বেশিরভাগ সময় তুলনামূলক দুর্বল দলগুলোকে বেছে নেওয়া হয়েছে। এর সঙ্গে সাম্প্রতিক কিছু সমন্বয়হীনতাও যুক্ত হয়েছে। এই মাসের শেষে অনুষ্ঠেয় ফিফা উইন্ডোর প্রতিপক্ষ ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল এএফএ। সপ্তাহের শুরুতেই এই ঘোষণা আসার কথা ছিল। তবে বারবার তা পিছিয়ে যাচ্ছে।
এছাড়াও, এই সফরের জন্য যেসব দলের নাম বিবেচনায় আছে, তা কোচের চাওয়া আন্তর্জাতিক মানের চেয়ে অনেকটাই কম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ