ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জিয়াউলের মামলায় তদন্ত কর্মকর্তার জবানবন্দি আজ


জিয়াউলের মামলায় তদন্ত কর্মকর্তার জবানবন্দি আজ

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে শতাধিক ব্যক্তিকে গুম ও হত্যার অভিযোগে আজ দ্বিতীয় দিনের মতো সাক্ষ্য দেবেন মামলার প্রধান তদন্ত কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে আজ তার অসম্পন্ন জবানবন্দি গ্রহণ করা হবে।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার ১৫তম সাক্ষী হিসেবে রফিকুল ইসলামের জবানবন্দি শুরু হয়। সেদিন আংশিক সাক্ষ্য দেওয়ার পর তা শেষ না হওয়ায় ট্রাইব্যুনাল আজকের দিন ধার্য করেন। তদন্ত কর্মকর্তা তার জবানবন্দিতে তদন্তের বিভিন্ন পর্যায়ে পরিদর্শন করা স্থান, সাক্ষীদের জবানবন্দি, সংগ্রহ করা তথ্য-উপাত্ত ও আলামত এবং সেগুলোর সঙ্গে মামলার অভিযোগের সম্পর্ক তুলে ধরছেন।

প্রসিকিউশন জানিয়েছে, তদন্ত কর্মকর্তার জবানবন্দি শেষ হলেই রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হবে। এরপর আসামিপক্ষ চাইলে সাফাই সাক্ষ্য উপস্থাপন করতে পারবে। উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে মামলাটি রায়ের জন্য ট্রাইব্যুনালের বিবেচনায় যাবে।

আরও পড়ুন: ঢাকা রেসিডেনসিয়ালে ২৩ দেশের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সফল ডিআরএমসি বিজনেস সামিট

প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম দাবি করেছেন, ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যের মাধ্যমে জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ। প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম পূর্বে জানিয়েছিলেন, সাক্ষ্য ও যুক্তিতর্কের কার্যক্রম স্বাভাবিক গতিতে চললে অক্টোবরের মধ্যেই মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষ হতে পারে। তবে রায় ঘোষণার সময় নির্ধারণের এখতিয়ার ট্রাইব্যুনালের।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর মামলার ১৩তম সাক্ষী র‍্যাবের সাবেক কর্মকর্তা মেজর (অব.) সাব্বির রহমানের জেরা শেষ হয়। তিনি বরিশালে র‍্যাব-৮-এর তৎকালীন ডেপুটি কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সাক্ষ্যে তিনি ওই অঞ্চলে কথিত ‘গোলফ অপারেশন’-এর নামে সংঘটিত একাধিক অভিযান ও হত্যাকাণ্ড দেখার দাবি করেন। একই দিনে আরেক সাক্ষী কামরুল ইসলাম তদন্তকালে বিভিন্ন স্থান থেকে জব্দ করা আলামতের তথ্য ট্রাইব্যুনালে তুলে ধরেন।

মামলায় জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে তিনটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রথম অভিযোগে ২০১১ সালের ১১ জুলাই রাতে গাজীপুর সদর থানার পুবাইলে সজলসহ তিনজনকে হত্যার কথা বলা হয়েছে। প্রসিকিউশনের অভিযোগ, ঘটনাস্থলে জিয়াউল আহসানের সরাসরি উপস্থিতি ছিল।

দ্বিতীয় অভিযোগে ২০১০ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের চরদুয়ানী খালসংলগ্ন বলেশ্বর নদীর মোহনায় নজরুল, মল্লিকসহ ৫০ জনকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর দফতরে বিএমইউর ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব

তৃতীয় অভিযোগে একই সময়কালে বরগুনার বলেশ্বর নদী এবং বাগেরহাটের শরণখোলাসহ সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় তথাকথিত বনদস্যু দমনের অভিযানের আড়ালে মাসুদসহ আরও ৫০ জনকে হত্যার অভিযোগ করেছে প্রসিকিউশন। সব মিলিয়ে মামলায় ১০৪ জনকে গুম ও হত্যার অভিযোগে জিয়াউল আহসানের বিচার চলছে।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসামিপক্ষ বলেছে, রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ প্রমাণের মতো সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি। সর্বশেষ সাক্ষ্যগ্রহণের পরও আসামিপক্ষ দাবি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণে সক্ষম কোনো সাক্ষী রাষ্ট্রপক্ষ হাজির করতে পারেনি।

এ মামলায় গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ আমলে নিয়ে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন। পরে ২৩ ডিসেম্বর তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১। বর্তমানে রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণের শেষ ধাপে রয়েছে মামলাটি। তদন্ত কর্মকর্তার জবানবন্দি ও পরবর্তী আইনি ধাপ শেষ হলে রায়ের দিকে এগোবে বিচারিক কার্যক্রম।

আরও পড়ুন: ইশরাকের পিস্তল উঁচানো দৃশ্য ত্রাসের রাজত্বের প্রতীক: জামায়াত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর হামলায় ৭০০ হুথি যোদ্ধা নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৯ এম


ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর হামলায় ৭০০ হুথি যোদ্ধা নিহত

ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের বাহিনী দাবি করেছে, গত কয়েক দিনে হুথিদের অবস্থান লক্ষ্য করে তারা শত শত হামলা চালিয়েছে। এসব হামলায় অন্তত ৭০০ হুথি যোদ্ধার নিহত হওয়ার তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে নতুন করে সংঘাত তীব্র হওয়ার প্রেক্ষাপটে এই দাবি করা হয়েছে সরকারপন্থি বাহিনীর পক্ষ থেকে।

সরকারি বাহিনীর মুখপাত্র কর্নেল মাজেদ আবদুল্লাহ আল-নাজিলি শনিবার জানান, হুথিদের অবস্থান, সামরিক তৎপরতা ও সক্ষমতার উপর লক্ষ্য রেখে ২৫৭টি সুনির্দিষ্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

আল-নাজিলি বলেন, এসব অভিযানে যুদ্ধবিমান, ড্রোন, কামান, ক্ষেপণাস্ত্র ও রকেট লঞ্চার ব্যবহার করা হয়েছে। তার মতে, হামলায় অন্তত ৭০০ হুথি যোদ্ধা নিহত হয়েছে এবং ১৭০টি সামরিক যান ও ভারী সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস করা হয়েছে।

তবে সরকারি বাহিনীর কতজন সদস্য হতাহত হয়েছেন, সে বিষয়ে কোনো তথ্য তিনি প্রদান করেননি। অন্যদিকে, হুথিরাও এই হতাহতের তথ্য স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করেনি।

আল-নাজিলি আরও জানান, সানা, মিদি ও বাকিমসহ আল-জাওফ, মারিব, আল-বায়দা ও লাহিজের বিভিন্ন ফ্রন্টে এসব অভিযান পরিচালিত হয়েছে। তবে সবচেয়ে তীব্র লড়াই চলছে তাইজ এলাকায়।

এক দিন আগে সরকারি বাহিনী দাবি করেছিল, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রায় ৫০০টি সামরিক অভিযানে ১ হাজার ৫৪০ হুথি যোদ্ধা নিহত বা আহত হয়েছে।

তাইজে তীব্র লড়াই

সরকারি বাহিনী ও হুথিদের মধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরুর পর তাইজ গুরুত্বপূর্ণ সংঘাতের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, শহরের আশপাশে সরকারি বাহিনী ও হুথি যোদ্ধাদের মধ্যে ব্যাপক গোলাবর্ষণ চলছে। বিভিন্ন ফ্রন্টেও দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব সংঘাতে বেসামরিক মানুষও নিহত হয়েছেন। ধুবাব এলাকায় একটি আবাসিক এলাকায় গোলার আঘাতে ছড়িয়ে পড়া ধাতব টুকরার আঘাতে একটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

সরকারি বাহিনী আরও জানিয়েছে, তীব্র লড়াইয়ের পর তাইজের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের সামা দুর্গের নিয়ন্ত্রণ তারা নিয়েছে। নিরাপত্তার কারণে তাইজের আল-হুবান ক্রসিংও বন্ধ করে দিয়েছে ইয়েমেনি কর্তৃপক্ষ। গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি হুথিদের নিয়ন্ত্রিত আল-হুবান এলাকার সঙ্গে সরকারি নিয়ন্ত্রণাধীন তাইজ শহরকে সংযুক্ত করে।

সরকারি কর্মকর্তাদের দাবি, তাইজে হুথি যোদ্ধাদের ঢোকার একটি চেষ্টা, ওই এলাকায় হামলা এবং সামরিক তৎপরতা বেড়ে যাওয়ার পর নিরাপত্তার কারণে ক্রসিংটি বন্ধ করা হয়েছে। মানবিক কারণে ২০২৪ সালে বেসামরিক মানুষের জন্য খুলে দেওয়ার আগে ক্রসিংটি টানা নয় বছর বন্ধ ছিল।

তথ্যসূত্র: সামা টিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানের পরমাণু অস্ত্র পরিকল্পনা ছাড়ার দাবি ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৯ এম


ইরানের পরমাণু অস্ত্র পরিকল্পনা ছাড়ার দাবি ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, ইরান পরমাণু অস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা প্রায় ছেড়ে দিয়েছে। তবে তেহরান বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে এবং তাদের শান্তিপূর্ণ বেসামরিক পরমাণু কর্মসূচির ব্যাপারে কোনো আপস করার ইচ্ছা নেই বলে জানিয়েছে।

বার্তাসংস্থা আনাদোলু জানায়, শনিবার (৩ অক্টোবর) স্থানীয় সময় ওহাইও অঙ্গরাজ্যে একটি সমাবেশে যোগ দিতে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ট্রাম্প। এই সময় তিনি ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে মন্তব্য করেন।

ট্রাম্প বলেন, ‘ইরান, আপনারা জানেন, পরমাণু অস্ত্র তৈরির সব পরিকল্পনাই প্রায় ছেড়ে দিয়েছে।’ তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনের সমালোচনা করে বলেন, ইরান যাতে পরমাণু অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়ে আগের প্রশাসন কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ইরান দীর্ঘদিন ধরে অস্বীকার করে আসছে। তাদের দাবি, পরমাণু কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ এবং বেসামরিক ব্যবহারের জন্য পরিচালিত হচ্ছে।

গত মাসে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে নিউইয়র্ক সফরের সময় ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানও একই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, ধর্মীয় নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরান পরমাণু অস্ত্র তৈরি করতে চায় না।

পেজেশকিয়ান আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণের অধীনে ইরানের মজুত করা সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের পরিমাণ কমিয়ে আনার প্রস্তাব দেন। তবে তেহরান তাদের শান্তিপূর্ণ বেসামরিক পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে কোনো আপস করা হবে না বলে জানিয়েছে।

ইরান আরও জানায়, যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত তাদের পরমাণু কর্মসূচির কাঠামোগত কোনো পরিবর্তন হবে না।

এদিকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প তেলের দাম কমার বিষয়টিও উল্লেখ করেন। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা শুরুর পর থেকে বিশ্ববাজারে তেলের দামে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।

তবে ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, ইরান পরমাণু অস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে—এ বিষয়ে তেহরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত নতুন কোনো ঘোষণা পাওয়া যায়নি। তথ্যসূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোংলা পৌরসভার অ্যাম্বুলেন্সে ছাগল পরিবহন, ভিডিও ভাইরাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৫০ এম


মোংলা পৌরসভার অ্যাম্বুলেন্সে ছাগল পরিবহন, ভিডিও ভাইরাল

মোংলা পোর্ট পৌরসভার অ্যাম্বুলেন্সে ছাগল পরিবহনের একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়ে উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে যে, প্রায়ই রাতের বেলায় অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে ছাগল পরিবহন করা হয়ে থাকে।

জানা গেছে, গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাতের সময় খুলনার জিরো পয়েন্ট থেকে অ্যাম্বুলেন্সের ড্রাইভার মো. শরীফুল ছাগলগুলো অ্যাম্বুলেন্সে তোলেন। একজন তাৎক্ষণিকভাবে সেটির ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন, যা দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। পরে, ছাগলগুলো মোংলায় নিয়ে আসা হয়। ছাগলগুলো ছিল মোংলার ছাগল ব্যবসায়ী মো. রশিদের। অভিযোগ রয়েছে যে, শরীফুল টাকার বিনিময়ে প্রায়ই অ্যাম্বুলেন্সে ছাগল পরিবহন করে আসছিলেন।

অ্যাম্বুলেন্সের চালক শরীফুল এ বিষয়ে বলেন, "অ্যাম্বুলেন্সে ছাগল পরিবহনের ঘটনা এটাই প্রথম।" তিনি দাবি করেছেন যে, ছাগল পরিবহনের জন্য তিনি কোনো টাকা নেননি।

ছাগল ব্যবসায়ী কসাই রশিদ জানান, "আমি চুকনগর থেকে ছাগল কিনে জিরো পয়েন্টে আসি। সেখানে কোনো গাড়ি না পেয়ে অ্যাম্বুলেন্সকে সিগন্যাল দিয়ে থামিয়ে ৬টি ছাগল অ্যাম্বুলেন্সে করে মোংলায় নিয়ে আসি। এ বাবদ ড্রাইভারকে আমি কোনো টাকা দিইনি।"

এদিকে, এই ঘটনায় পৌর কর্তৃপক্ষ শুক্রবার (২ অক্টোবর) অ্যাম্বুলেন্সের চালক শরীফুলের কাছ থেকে চাবি নিয়ে নিয়েছে। অ্যাম্বুলেন্সে ছাগল পরিবহনের ঘটনায় আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় বইছে।

এ বিষয়ে জানতে মোংলা পোর্ট পৌরসভার প্রশাসক শারমিন আক্তার সুমীর মোবাইল ফোনে কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসরাইলের নিরাপত্তা বাহিনীতে নিহতের সংখ্যা ১৩১৮ ছাড়াল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৫০ এম


ইসরাইলের নিরাপত্তা বাহিনীতে নিহতের সংখ্যা ১৩১৮ ছাড়াল

ইসরাইল-হামাস যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন ফ্রন্টে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর ১ হাজার ৩১৮ সদস্য নিহত হয়েছেন। এ তথ্য রোববার (৪ অক্টোবর) ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ফ্যামিলিজ, কমেমোরেশন অ্যান্ড হেরিটেজ বিভাগ প্রকাশ করেছে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর নিহতদের মধ্যে রয়েছে ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ), পুলিশ, শিন বেত, ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ সার্ভিস, নিরাপত্তা সমন্বয়কারী এবং স্থানীয় প্রতিরোধ দলের সদস্যরা।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গাজা উপত্যকা ছাড়াও লেবানন ও পশ্চিম তীরসহ বিভিন্ন ফ্রন্টে এসব প্রাণহানি ঘটেছে।

যুদ্ধের ফলে এ পর্যন্ত ৭ হাজার ১৫০ জনের বেশি মানুষকে স্বজন হারানো পরিবার হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে ২ হাজার ১৪৩ জন শোকাহত বাবা-মা, ৩৫৫ জন বিধবা এবং ৮৮০ জন এতিম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া, যুদ্ধে ৩ হাজার ৭৭২ জন তাদের ভাই বা বোন হারিয়েছেন।

গাজায় ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও ইসরায়েলি সেনাদের প্রাণহানি পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। গাজায় বাফার জোন নির্ধারণকারী ‘ইয়েলো লাইন’-সংলগ্ন এলাকায় বিভিন্ন ঘটনায় এখনও ইসরায়েলি সেনারা নিহত হচ্ছেন।

গত সপ্তাহে উত্তর গাজায় একটি সামরিক অবস্থানে আইডিএফের পরিচালিত একটি ড্রোন অবতরণের পর বিস্ফোরিত হলে দুই রিজার্ভ সেনা নিহত হন। তারা ১৬তম ব্রিগেডের সদস্য ছিলেন।

নিহত দুই সেনা হলেন- ২৪ বছর বয়সী মেজর (রিজার্ভ) নাদাভ কালি এবং ২৩ বছর বয়সী মেজর (রিজার্ভ) অফেক মোআলেম। কালি হার হালুতজ এলাকার এবং মোআলেম জেরুজালেমের বাসিন্দা ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%