বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:৪৬ এম
ভিয়েতনামের হো চি মিন সিটিতে প্রায় ২,৭০০ বিড়াল চুরি করে মাংস বিক্রির চক্রের জন্য ১২ জন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সন্দেহভাজনরা রাতে ছোট দলে বিভক্ত হয়ে মোটরসাইকেলে বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় ঘুরে বেড়াত। তারা বিড়ালগুলো কোন বাড়িতে রাখা হয় তা জানার পর মাছের টুকরোকে টোপ হিসেবে ব্যবহার করে ঘরের বাইরে ফাঁদ পেতে রাখত।
প্রতিটি দল রাতে গড়ে চার থেকে দশটি বিড়াল চুরি করত। গত ৮ জুলাই পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৫০টি বিড়াল, বিড়াল ধরার ফাঁদ, পশম ছাড়ানোর যন্ত্র ও নগদ অর্থসহ অন্যান্য সরঞ্জাম জব্দ করে। পরে ১২ জন সন্দেহভাজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা প্রায় ২,৭০০ বিড়াল চুরির কথা স্বীকার করে।
উদ্ধারকৃত বিড়ালগুলোর মধ্যে ১৩টি ইতোমধ্যে তাদের আসল মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং বাকিগুলোকে একটি প্রাণী কল্যাণ কেন্দ্রে রাখা হয়েছে।
প্রাণী সুরক্ষা সংস্থা ‘হিউম্যান ওয়ার্ল্ড ফর অ্যানিমেলস’ জানায়, ভিয়েতনামে প্রতি বছর প্রায় ৫০ লাখ কুকুর এবং ১০ লাখ বিড়াল মাংসের জন্য চুরি, পাচার ও জবাই করা হয়। দেশটিতে কুকুর ও বিড়ালের মাংস খাওয়া আইনসম্মত হওয়ায় অনেক রেস্তোরাঁয় তা খোলাখুলি বিক্রি করা হয়, তবে বিক্রেতাদের কাছে প্রাণীগুলোর উৎস প্রদর্শনের অনুমতিপত্র থাকতে হয়।
যদিও অন্যান্য এশিয়ান দেশের তুলনায় ভিয়েতনামে এই প্রথা বেশি প্রচলিত, তবে তরুণ সমাজ ও পোষা প্রাণীর মালিকদের মধ্যে এর বিরোধিতাও ক্রমেই বাড়ছে।
সূত্র: বিবিসি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হলো নামাজ। ইমানের পর নামাজই সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ আমল। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পাশাপাশি ইসলামের বিভিন্ন নফল সালাতেরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
হাদিস অনুযায়ী, নামাজই মুমিন ও অমুসলিমের মধ্যে প্রধান পার্থক্য নির্দেশ করে। এটি মানুষকে সর্বপ্রকার পাপ ও অন্যায় থেকে বিরত রাখে এবং আত্মিকভাবে পরিশুদ্ধ করে। তাই দৈনন্দিন কর্মব্যস্ততার মধ্যেও যথাসময়ে নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলিমের ওপর অপরিহার্য দায়িত্ব।
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬ সাল, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা, ২৬ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি। ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো—
• ফজর- ভোর ৪:৩৯ মিনিট
• যোহর- দুপুর ১১:৫০ মিনিট
• আসর- দুপুর ৪:০২ মিনিট
• মাগরিব- সন্ধ্যা ৫:৪৪ মিনিট
• এশা- রাত ৬:৫৭ মিনিট
নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর বিভিন্ন থানায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ১ হাজার ১০৬ জনকে আটক ও গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশ। তাদের মধ্যে ৮৫ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আইনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বাকি ১ হাজার ২১ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ( ৮ অক্টোবর) সকালে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ জানায়, পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিনের নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধ, কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়া রোধ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ অভিযান চালানো হয়। গত ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন থানায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক ও গ্রেপ্তার করা হয়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে তিনজনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ব্যবস্থা, ৫৩ জনের বিরুদ্ধে ৩৪ ধারায় প্রসিকিউশন, সাতজনকে নিয়মিত মামলায়, ১৩ জনকে আগের মামলায় এবং দুজনকে আগের ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ছাড়া একজনকে ১৫১ ধারায় গ্রেপ্তার, দুজনকে সামারি ট্রায়ালে আদালতে সোপর্দ এবং চারজনকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে সাজা দেওয়া হয়েছে।
থানাভিত্তিক হিসাবে, হাতিয়া থানায় সর্বোচ্চ ২৮৯ জন, বেগমগঞ্জে ১৮৩ জন, কোম্পানীগঞ্জে ১৩১ জন, সুধারাম মডেল থানায় ১২৫ জন, চরজব্বরে ১১০ জন, সোনাইমুড়ীতে ৯২ জন, কবিরহাটে ৬০ জন, চাটখিলে ৫৯ জন ও সেনবাগে ৫৭ জনকে আটক করা হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন আরও বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের অপরাধপ্রবণতা রোধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি অভিভাবক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সমন্বয়ে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমও চালানো হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ইসরাইলের দীর্ঘমেয়াদী প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
বর্তমান নির্বাচনী প্রচারণায় হামাসের গত ৭ অক্টোবরের হামলার সময়কার শোচনীয় নিরাপত্তা ব্যর্থতা তার প্রধান আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। ওই ভয়াবহ ঘটনার ফলে প্রায় ১,২০০ মানুষের প্রাণহানি ঘটে, যা পরবর্তীতে তাকে তীব্র রাজনৈতিক ও সামাজিক চাপের মধ্যে ফেলেছে।
সে সময় দায়িত্বে থাকা দেশের শীর্ষ জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের মধ্যে একমাত্র নেতানিয়াহুই এখন পর্যন্ত নিজের পদ ধরে রাখতে পেরেছেন, যা বিরোধী দলগুলোর প্রধান ক্ষোভের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এই নির্বাচনে নেতানিয়াহুর সম্ভাব্য পরাজয় ও ক্ষমতা হারানোর পেছনে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট কারণ কাজ করছে।
প্রথমত, ৭ অক্টোবরের নিরাপত্তা ব্যর্থতার দায় এড়ানোর চেষ্টা এবং স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠনে অনীহা প্রকাশের কারণে সাধারণ মানুষ ও বিরোধী দলের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন তিনি। তার প্রধান রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ এবং ইসরাইল ডিফেন্স ফোর্সেসের সাবেক চিফ অব স্টাফ গাডি আইসেনকট নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করাকেই তার জীবনের প্রধান লক্ষ্য হিসেবে বেছে নিয়েছেন। অন্যদিকে, নেতানিয়াহু দাবি করছেন যে নিরাপত্তা প্রধানরা তাকে সঠিক সময়ে গোয়েন্দা তথ্য দেননি, যা জনমনে আরও বেশি ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে।
দ্বিতীয়ত, জনমত জরিপের ফলাফল তার বর্তমান অবস্থানের বড় অবনতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিগত নির্বাচনে তার দল লিকুদ পার্টি যেখানে ৩২টি আসন পেয়েছিল, সেখানে আসন্ন নির্বাচনে তারা মাত্র ২০ থেকে ২২টি আসন পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য যেখানে ৬১টি আসনের প্রয়োজন, সেখানে তার মধ্য-ডানপন্থী জোট ৫০ থেকে ৫৪টি আসন পেতে পারে।
এমনকি আরব দলগুলোর সমর্থন ছাড়া বিরোধী দলগুলোর জন্যও সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া কঠিন হবে। তবে সার্বিকভাবে নেতানিয়াহুর পক্ষে এককভাবে ক্ষমতা ধরে রাখা অত্যন্ত দুরূহ হয়ে পড়েছে।
তৃতীয়ত, তার বিরুদ্ধে চলা দুর্নীতির মামলার বিচারকার্য এই নির্বাচনের ফলাফলের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। যদি তিনি ক্ষমতা হারান, তবে আদালতের বিচার প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার বা তা বিলম্বিত করার ক্ষমতা তার থাকবে না। অন্যদিকে, নির্বাচনে জিতলে তিনি একে জনগণের রায় হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবেন।
চতুর্থত, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তার সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রকাশ্যে তাকে সমর্থন না দিয়ে বরং ব্যক্তিগতভাবে ৭ অক্টোবরের ব্যর্থতার জন্য তাকেই দায়ী করে বলেছেন যে এতে ইসরাইলের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।
ইসরাইলের এই নির্বাচন মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের ঠিক এক সপ্তাহ আগে অনুষ্ঠিত হওয়ায়, মার্কিন কংগ্রেসের ক্ষমতার পালাবদল ঘটলে সামরিক সহায়তা ও অস্ত্র বিক্রি নিয়ে যে বিতর্ক শুরু হবে, তাতে নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক অবস্থান আরও দুর্বল হয়ে পড়তে পারে।
সূত্র: অ্যাক্সিওস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো লিওনেল মেসির আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে বিদায়ের বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করেছেন তার ইনস্টাগ্রাম পোস্টে। আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে মেসির শেষ ম্যাচ খেলার পর এই মন্তব্য করেন পর্তুগিজ ফুটবল তারকা।
মেসি ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের পর তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শেষ করবেন। ফাইনালে স্পেনের কাছে আর্জেন্টিনা ১-০ গোলে পরাজিত হয়। এরপর তিনি সমর্থকদের বিদায় জানাতে জাতীয় দলের হয়ে একটি অতিরিক্ত ম্যাচ খেলেন।
ম্যাচের পর মেসি তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে একটি পোস্ট করেন। তিনি আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে যারা তার পাশে ছিলেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
মেসির পোস্টের মন্তব্যের ঘরে রোনালদো লেখেন, ‘লিও, এত বছর নিজের দেশের হয়ে খেলেছ এবং এমন এক ইতিহাস রেখে গেছ, যা চিরকাল থাকবে। আর্জেন্টিনার হয়ে যা অর্জন করেছ, তার প্রতি আমার পূর্ণ সম্মান। আলিঙ্গন।’
মেসি ও রোনালদো প্রায় দুই দশক ধরে ফুটবলে পাশাপাশি পথচলা অব্যাহত রেখেছেন এবং তাদেরকে সর্বকালের অন্যতম সেরা দুই ফুটবলার হিসেবে গণ্য করা হয়। ২০২২ সালে মেসি আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বকাপ জিতেছেন। তিনি ৮ বার ব্যালন ডি’অরও অর্জন করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ