ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মদিনা লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা, সৌদি জোটের প্রতিহতের দাবি


মদিনা লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা, সৌদি জোটের প্রতিহতের দাবি

সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট চারটি ড্রোন প্রতিহতের দাবি করেছে। বুধবার ভোরে সৌদি আরবের মদিনা এবং পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে এই ড্রোনগুলোকে প্রতিহত করা হয়। জোটের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি বার্তায় এই তথ্য জানান।

তিনি তার পোস্টে উল্লেখ করেন, মদিনা ও পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে ড্রোনগুলোকে প্রতিহত ও ধ্বংস করার জন্য অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

একটি আলাদা বিবৃতিতে আল-মালিকি জানান, জোটের বাহিনী পূর্বাঞ্চলের দিকে এগিয়ে আসা আরেকটি ড্রোনকে প্রতিহত করে ধ্বংস করেছে।

আরও পড়ুন: ইইউ’র শীর্ষ মানবাধিকার পুরস্কার জিতল আইসিসি

সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরব এবং ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত হুথিদের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। উভয় পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে।

সূত্র: আনাদোলু

আরএ

আরও পড়ুন: কিশোরের চোখের ওপরে দাঁত গজানোর বিরল ঘটনা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রের চাপে অর্থসংকটে ইরানের সামরিক বাহিনী, দাবি ওয়াশিংটনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৩৪ এম


যুক্তরাষ্ট্রের চাপে অর্থসংকটে ইরানের সামরিক বাহিনী, দাবি ওয়াশিংটনের

ওয়াশিংটনের দাবি অনুযায়ী, ইরানের সামরিক বাহিনীর অর্থের সংকট দেখা দিচ্ছে এবং আঞ্চলিক মিত্রদের সহায়তা দিতে তারা সমস্যায় পড়েছে। তবে ইরান এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তেহরান স্বীকার করেছে যে, নিষেধাজ্ঞা, সামরিক হামলা এবং যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধের কারণে তাদের অর্থনৈতিক চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান ব্র্যাড কুপার জানিয়েছেন, ইরান অন্তত ২৫ বিলিয়ন ডলারের তেল রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া, প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন ডলারের ক্রিপ্টোকারেন্সি সম্পদ জব্দ করতে যুক্তরাষ্ট্র সহায়তা করেছে। এই কারণে, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সেনাসদস্যদের বেতন প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে না বলে তিনি দাবি করেছেন।

কুপার আরও উল্লেখ করেছেন, ইরানের সঙ্গে সম্পর্কিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো তাদের যোদ্ধাদের বেতন আটকে রেখেছে, যাতে সেই অর্থ আইআরজিসির কাছে পাঠানো সম্ভব হয়।

অন্যদিকে, ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান আবদোলনাসের হেম্মতি দেশের অর্থনীতি ধসের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে—এমন ধারণাকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি এ ধরনের বক্তব্যকে ‘নিছক কল্পনা’ বলে অভিহিত করেছেন।

অর্থনৈতিক চাপ ক্রমাগত বাড়ছে। বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ইরানের অর্থনীতি ৭ দশমিক ৭ শতাংশ সংকুচিত হতে পারে। এদিকে, যুদ্ধ ও নৌ অবরোধের কারণে সৃষ্ট সংকটের কথা স্বীকার করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।

বিশ্লেষকরা বলছেন, লেবাননের হিজবুল্লাহ ও ইয়েমেনের হুথিদের মতো ইরানের আঞ্চলিক মিত্ররাও আর্থিক সংকটে পড়েছে। তবে তেহরান এসব মিত্রকে সহায়তা দেওয়া থেকে সরে আসবে, এমন সম্ভাবনা কম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিউইয়র্কে একাধিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে এফবিআইয়ের অভিযান, বড় জালিয়াতির তদন্ত চলছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৩৫ এম


নিউইয়র্কে একাধিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে এফবিআইয়ের অভিযান, বড় জালিয়াতির তদন্ত চলছে

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে একাধিক প্রবীণ ডে কেয়ার সেন্টারের স্বাস্থ্যসেবা খাতে অভিযান পরিচালনা করেছে ফেডারেল তদন্ত সংস্থা এফবিআই এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

এই অভিযানটি মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হয়, যা স্বাস্থ্যসেবা খাতে জালিয়াতির অভিযোগে চলমান যৌথ তদন্তের অংশ। অভিযানে অর্থ পাচার, অবৈধ আর্থিক সুবিধা গ্রহণ এবং ভুয়া বিল জমা দেওয়ার মতো অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

হোয়াইট হাউস এবং নিউইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হোকুল জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে এই তদন্ত কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে নিউইয়র্কের ব্রুকলিনের সানসেট পার্ক এলাকার এইটথ অ্যাভিনিউয়ে একটি প্রবীণ দিবাযত্নকেন্দ্র থেকে কেন্দ্রীয় কর্মকর্তাদের বাক্সপত্র নিয়ে বের হতে দেখা যায়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্র জানায়, স্বাস্থ্যসেবা খাতে জালিয়াতির অভিযোগে চলমান তদন্তের অংশ হিসেবে সেখানে অভিযান চালানো হয়েছে।

এছাড়া, ব্রুকলিনের বরো পার্ক এলাকার ফোর্ট হ্যামিল্টন পার্কওয়ের একটি দিবাযত্নকেন্দ্র এবং ফ্লাশিং এলাকার আরেকটি কেন্দ্রে অভিযান পরিচালিত হয়েছে। কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা জানিয়েছে, স্ট্যাটেন আইল্যান্ডের কয়েকটি কেন্দ্রেও তল্লাশি কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।

নিউইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হোকুল বলেন, যেসব সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহ রয়েছে, তাদের লক্ষ্য করে অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডের মধ্যে অর্থ পাচার, অবৈধ কমিশন দেওয়া-নেওয়া এবং অনিয়মের মাধ্যমে বিল জমা দেওয়ার অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

গভর্নর জানান, এই তদন্তটি কয়েক মাস ধরে চলমান। চিকিৎসাসেবা খাতে সরকারি অর্থের অপব্যবহার ও জালিয়াতি নিয়ে কেন্দ্রীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করতে তিনি নিজেও ওয়াশিংটন ডিসিতে গিয়েছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের মেডিকেয়ার ও মেডিকেইড কর্মসূচি পরিচালনাকারী সংস্থার প্রধান মেহমেত ওজ জানান, বছরের শুরুতে তিনি অভিযান চালানো কেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করেছিলেন। তিনি বলেন, এ ধরনের ঘটনা মোকাবিলায় এটি ছিল সবচেয়ে বড় অভিযান। সপ্তাহের শেষ দিকে এ বিষয়ে আরও তথ্য প্রকাশ করা হবে।

অভিযানের বিষয়ে বরো পার্কের কেন্দ্রটিতে ফোন করা হলে ফোনের উত্তর দেওয়া ব্যক্তি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্রের উল্লেখ করা অন্য দুটি কেন্দ্রে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সাড়া পাওয়া যায়নি।

জন জে কলেজ অব ক্রিমিনাল জাস্টিসের ডেভিড শাপিরো বলেন, এ ধরনের জালিয়াতিতে সাধারণত একাধিক ব্যক্তি জড়িত থাকেন। কারা এর সঙ্গে যুক্ত, কোন সরবরাহকারী ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান কাজ করছে এবং সেবা নেওয়া ব্যক্তিরা প্রকৃত নাকি ভুয়া—এসব বিষয় তদন্ত করে বের করা জরুরি।

তিনি আরও বলেন, এ ধরনের অপরাধের তদন্তে বিপুল পরিমাণ নথিপত্র যাচাই করতে হয়।

উল্লেখ্য, গত গ্রীষ্মে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে প্রবীণ দিবাযত্নকেন্দ্রগুলোকে মেডিকেইড কর্মসূচির আওতায় ৩৩৫ কোটি ডলার দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে ১৭ শতাংশ অর্থ পেয়েছে নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের প্রতিষ্ঠানগুলো, যা অন্য যেকোনো অঙ্গরাজ্যের তুলনায় বেশি।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা জানায়, তাদের নিরীক্ষায় দেখা গেছে, ২০১৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত নিউইয়র্কে মেডিকেইডের আওতায় প্রত্যেক সেবাগ্রহীতার পেছনে জাতীয় গড়ের তুলনায় ৪০ থেকে ৬০ শতাংশ বেশি অর্থ ব্যয় হয়েছে।

তবে বেশি ব্যয়ের এই তথ্যই কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে জালিয়াতির প্রমাণ নয়। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্ত করে দেখছে কর্তৃপক্ষ।

সন্দেহজনক জালিয়াতির বিষয়ে জনসাধারণকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করার আহ্বান জানিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা।

সূত্র: সিবিএস নিউজ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কৌশলগত ভারসাম্য নষ্টের চেষ্টা নিয়ে ভারতকে পাকিস্তানের হুঁশিয়ারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৩৫ এম


কৌশলগত ভারসাম্য নষ্টের চেষ্টা নিয়ে ভারতকে পাকিস্তানের হুঁশিয়ারি

পাকিস্তান দক্ষিণ এশিয়ায় কৌশলগত ভারসাম্য নষ্ট হলে তা পুনরুদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের হুঁশিয়ারি প্রদান করেছে। দেশটির জাতীয় কমান্ড কর্তৃপক্ষের (এনসিএ) উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল খালিদ কিদওয়াই মন্তব্য করেছেন, ভারতের পারমাণবিক সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সম্ভাব্য ‘ফার্স্ট ইউজ’ নীতির দিকে ঝুঁকে পড়া আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য একটি হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মঙ্গলবার ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় নন-প্রলিফারেশন সম্মেলনে তিনি উল্লেখ করেন, দক্ষিণ এশিয়ায় কৌশলগত ভারসাম্যহীনতা পাকিস্তান কখনো মেনে নেয়নি এবং ভবিষ্যতেও তা মেনে নেবে না। পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্তান তার পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনের বিকল্পগুলো পুনর্বিবেচনা করার কথা ভাবতে পারে।

লেফটেন্যান্ট জেনারেল খালিদ কিদওয়াই এবং পাকিস্তানের সাবেক সামরিক কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল সরফরাজ সাত্তার অভিযোগ করেছেন, ভারতের সাবমেরিনে পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন, ক্ষেপণাস্ত্রের আধুনিকায়ন এবং সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি দেশটির ঘোষিত ‘নো ফার্স্ট ইউজ’ নীতির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

তাদের দাবি, ভারতের সাবমেরিনে প্রায় ১২টি পারমাণবিক ওয়ারহেড মোতায়েনের খবর এবং সমুদ্রভিত্তিক পারমাণবিক টহল দক্ষিণ এশিয়ায় উত্তেজনা বৃদ্ধি করতে পারে। এই ধরনের সক্ষমতা সংকটের সময় ভুল বোঝাবুঝি এবং অনিচ্ছাকৃত পারমাণবিক সংঘাতের ঝুঁকিও বাড়িয়ে দিতে পারে।

পাকিস্তানের ‘ফুল স্পেকট্রাম ডিটারেন্স’ নীতির গুরুত্বের প্রতি ভারতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে কিদওয়াই বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক কৌশলগত ভারসাম্য রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণের অধিকার পাকিস্তানের রয়েছে।

অন্যদিকে, সরফরাজ সাত্তার ২০২৫ সালের মে মাসে দুই দেশের সংঘাতের উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, প্রচলিত সামরিক সংঘর্ষ দ্রুত পারমাণবিক উত্তেজনায় রূপ নিতে পারে। ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন, হাইপারসনিক অস্ত্র এবং ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থার আধুনিকায়ন পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলছে।

তাদের মতে, ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে কার্যকর দ্বিপক্ষীয় অস্ত্র নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার অভাব এবং সামরিক প্রতিযোগিতা দক্ষিণ এশিয়ার কৌশলগত স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে। এতে ভুল হিসাব-নিকাশ বা দুর্ঘটনার কারণে সংঘাত পারমাণবিক পর্যায়ে পৌঁছানোর আশঙ্কা বাড়ছে।

সূত্র: ডন

আরএ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোমে বোরকা নিষিদ্ধ ও বিদেশি শিক্ষার্থী কোটা নির্ধারণের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৩৬ এম


রোমে বোরকা নিষিদ্ধ ও বিদেশি শিক্ষার্থী কোটা নির্ধারণের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

ইতালির ডানপন্থী জর্জো মেলোনি সরকারের নতুন ‘স্কুল ডিক্রি’ ও সার্বিক নীতির বিরুদ্ধে ক্ষোভে দেশটির অভিবাসী সমাজ ফুঁসে উঠেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বোরকা ও নিকাব নিষিদ্ধকরণ এবং শ্রেণিকক্ষে বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশে সীমাবদ্ধ করার সিদ্ধান্তকে 'বৈষম্যমূলক' আখ্যা দিয়ে রাজধানী রোমে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন স্থানীয় মানবাধিকারকর্মী, প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির প্রতিনিধি ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

ইতালির রাজনীতিতে অভিবাসন ও সংস্কৃতি রক্ষা সংক্রান্ত বিতর্ক নতুন কিছু নয়। তবে সম্প্রতি মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত নতুন স্কুল ডিক্রি এই বিতর্ককে শিক্ষাঙ্গনে সরাসরি নিয়ে এসেছে। ডিক্রিতে স্কুলের অভ্যন্তরে মুখ ঢেকে রাখা পোশাক সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি ক্লাসরুমে বিদেশি শিক্ষার্থীর সর্বোচ্চ সীমা ৩০ শতাংশ নির্ধারণের নিয়ম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বহুসংস্কৃতি চর্চার এলাকা হিসেবে পরিচিত রোমের তরপিনাত্তারায় রাস্তায় নেমে আসেন সর্বস্তরের মানুষ।

সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা জানান, এই এলাকায় বসবাসকারী অভিবাসী মানুষগুলো ইতালিতে বাড়তে থাকা বর্ণবাদী পরিবেশ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। স্কুলে কতজন শিশু পড়ালেখা করবে তার সীমা নির্ধারণ বা নারীদের পোশাক নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত প্রস্তাবনাগুলোর বিরুদ্ধে আজ সকল স্তরের মানুষ একত্রিত হয়েছেন। তারা কোনো ধরনের বর্ণবাদ চান না এবং ইতালীয় ও অভিবাসীরা বছরের পর বছর যেভাবে শান্তিতে বসবাস করছেন, সেভাবেই থাকতে চান।

সরকারের নতুন এই শিক্ষানীতিতে সমতা ও অন্তর্ভুক্তির অভাব দেখছেন প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীরাও। তাদের মতে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোটা নির্ধারণ বা ধর্মীয় পোশাক পরিধানে বাধ্যবাধকতা তৈরি করা মৌলিক ও নাগরিক স্বাধীনতার পরিপন্থী।

সমাবেশে অংশ নেওয়া অভিবাসী কমিউনিটি নেতারা মেলোনি সরকারের এই নীতিকে ইতালির ঐতিহাসিক সামাজিক সম্প্রীতি বিনষ্টের শামিল বলে অভিযোগ করেন। তারা জানান, কোনো সামাজিক বিভাজন ছাড়াই ইতালীয় সমাজের মূলধারার অংশ হতে চান প্রবাসীরা। একই সঙ্গে সমাবেশ থেকে চরমপন্থী রাজনৈতিক উসকানি প্রতিহত করতে অভিবাসী মুসলিম সম্প্রদায়কেও দায়িত্বশীল ও সচেতন থাকার আহ্বান জানান আন্দোলনকারীরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%