মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:২৭ পি.এম
সংসদ ভবন, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বহুল আলোচিত ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) বিল, ২০২৬’ সংশোধিত আকারে জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের জন্য চূড়ান্ত সুপারিশ করেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।
আজ জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির চতুর্থ বৈঠকে বিলটি সার্বিক পরীক্ষা-নিরীক্ষাপূর্বক এ সিদ্ধান্ত ও সুপারিশ গ্রহণ করা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন।
কমিটির বৈঠকে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) বিল, ২০২৬’ পুঙ্খানুপুঙ্খ পরীক্ষা করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন তৈরি সংক্রান্ত বিষয়ে দীর্ঘ ও বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা শেষে সর্বসম্মতিক্রমে সংশোধিত খসড়া বিলটি সংসদে উপস্থাপনের অনুমোদন দেওয়া হয়।
বৈঠকে দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সার্বিক কার্যক্রম, পেশাদারিত্ব এবং দক্ষ জনবল ও বিদ্যমান অবকাঠামোগত সরঞ্জামের সর্বত্তম ব্যবহার নিশ্চিতকরণ নিয়ে নীতিগত আলোচনা করা হয়।
বৈঠকে পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে বলা হয়, অতীতে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-সহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক ও অনিয়মতান্ত্রিকভাবে অপব্যবহার করা হয়েছে। তবে কোনো বিশেষ বাহিনীর অতীতের অপব্যবহার বা ব্যক্তিস্বার্থের কারণে পুরো সংস্থাকে একবারে বিলুপ্ত না করে, বাহিনীটিতে কর্মরত দক্ষ জনবল এবং কোটি কোটি টাকার রাষ্ট্রীয় অবকাঠামোগত সরঞ্জামকে আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় সমন্বয় করে সঠিক ও নিয়মমত কাজে লাগানোর ওপর জোর তাগিদ দেওয়া হয়।
একই সঙ্গে সকল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের আধুনিক প্রশিক্ষণ ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি তাঁদের কার্যক্রমে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা, মানবাধিকার রক্ষা ও প্রশাসনিক জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণে প্রয়োজনীয় রূপরেখা ও আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।
এছাড়া বৈঠকে বিরোধী দলের সাম্প্রতিক ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ কর্মসূচি চলাকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষ সহায়তা ও দায়িত্বশীল ভূমিকার জন্য সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়।
বৈঠকে সংসদীয় কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম, মো. কামরুজ্জামান, মো. মনোয়ার হোসেন, শিরীন সুলতানা, মো. নূরুল ইসলাম এবং মো. আব্দুল বাতেন অংশগ্রহণ করেন।
অন্যদের মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি), স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও অধিদপ্তরের প্রধানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশব্যাপী জাতীয় নৃত্য প্রতিযোগিতায় প্রথমবারের মতো অংশ নিয়েই সেরা দশে স্থান করে নিয়ে চমক দেখিয়েছে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা বেগম ছালেহা সাংস্কৃতিক একাডেমি।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ শিশু একাডেমি ভবনে ‘নৃত্যময়’ আয়োজিত দিনব্যাপী নৃত্য উৎসব ও প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তের নৃত্যদল অংশ নেয়।
চূড়ান্ত পর্বে ‘ক’ শাখার দলীয় লোকনৃত্যে অংশ নিয়ে বিশেষ কৃতিত্ব দেখায় বেগম ছালেহা সাংস্কৃতিক একাডেমি। একাডেমির চার ক্ষুদে নৃত্যশিল্পী প্রজ্ঞা পারমিতা বিশ্বাস, বন্দনা বিশ্বাস, অংকিতা বিশ্বাস ও রাখী কুন্ডুর মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা বিচারকদের প্রশংসা কুড়ায় এবং একাডেমিকে সেরা দশ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় স্থান এনে দেয়।
একাডেমির কোরিওগ্রাফার পিকুল সরকার বলেন, ক্ষুদে শিল্পীদের কঠোর পরিশ্রমই আজকের এই সাফল্য এনে দিয়েছে। প্রথমবার জাতীয় মঞ্চে এমন পারফরম্যান্স আমাদের জন্য বড় অনুপ্রেরণা।
বেগম ছালেহা সাংস্কৃতিক একাডেমির রেক্টর প্রবীর কুমার বিশ্বাস বলেন, প্রত্যন্ত অজপাড়াগাঁ থেকে জাতীয় পর্যায়ের এমন বড় মঞ্চে গিয়ে স্বীকৃতি পাওয়া আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দ, গর্ব ও আশীর্বাদের বিষয়। এ অর্জন আলফাডাঙ্গার সংস্কৃতিচর্চাকে আরও বহুদূর এগিয়ে নেবে। সঠিক পরিচর্যা ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে আমাদের ক্ষুদে প্রতিভারা আগামী দিনে দেশের সীমানা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও সুনাম অর্জন করবে বলে আমরা আশাবাদী।
গ্রামের ক্ষুদে প্রতিভাদের এমন সাফল্যে স্থানীয় সংস্কৃতিপ্রেমী ও বিশিষ্টজনেরা অভিনন্দন জানিয়েছেন। তারা বলেন, যথাযথ প্রশিক্ষণ, পরিচর্যা ও সুযোগ পেলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশুরাও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখতে পারে। বেগম ছালেহা সাংস্কৃতিক একাডেমির এই সাফল্য আলফাডাঙ্গার সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুর, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলায় আজ প্রায় ৩০০ জন দরিদ্র ও অসহায় রোগীকে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ছানি রোগীদের শনাক্ত করে বিনামূল্যে অপারেশনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার সকালে পিরোজপুর করিমুন্নেছা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মৌলভী জয়নুল আবেদীন অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে এবং বরিশালের ইস্পাহানি ইসলামিয়া চক্ষু ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ব্যবস্থাপনায় এ ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।
এতে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ প্রায় ৩০০ জন চক্ষু রোগী চিকিৎসাসেবা ও পরামর্শ নেন। এ সময় ছানি রোগীদের শনাক্ত করা হয়। শনাক্ত রোগীদের বরিশালে নিয়ে বিনামূল্যে ছানি অপারেশন করানো হবে। পাশাপাশি তাদের যাতায়াত, থাকা ও চিকিৎসাসহ প্রয়োজনীয় খরচ সংগঠনের পক্ষ থেকে বহন করা হবে বলে জানানো হয়।
মৌলভী জয়নুল আবেদীন অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জহিরুল হক বাসসকে বলেন, আমরা সংগঠনের উদ্যোগে এর আগেও একাধিকবার এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছি। দেখা যায়, অনেক অসহায় মানুষ অর্থের অভাবে চোখের চিকিৎসা করাতে পারেন না। সময়মতো চক্ষু চিকিৎসা না নেওয়া এবং চিকিৎসার প্রতি অবহেলার কারণে অনেকে অন্ধত্ব বরণ করেন। আবার অনেকেই ছানি রোগে ভুগছেন। এসব অসহায় মানুষের কথা চিন্তা করেই আমরা বিনামূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্পের পাশাপাশি ছানি রোগীদের বিনামূল্যে অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা করেছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাশিয়া আবারও কিয়েভে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। মঙ্গলবার ভোরে এই হামলায় অন্তত তিনজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।এছাড়া, হামলায় আহত হয়েছেন আরও ১৬ জন।
বার্তা সংস্থা জানায়, হামলার ফলে রাজধানীজুড়ে বিভিন্ন স্থানে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিৎসকো জানান, হামলায় অন্তত ১৪টি বহুতল ভবন, একটি আবাসিক হল, স্কুল, ক্লিনিক, গুদামসহ বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।এ বিষয়ে ইউক্রেনে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত ক্যাটারিনা ম্যাথারনোভা মন্তব্য করেন, ‘কিয়েভ বিস্ফোরণ ও আগুনে কাঁপছিল।’
গত রবিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের শান্তি উদ্যোগের অংশ হিসেবে মার্কিন দূত জ্যারেড কুশনার ও স্টিভ উইটকফ কিয়েভ ত্যাগ করার পর হামলা আবার শুরু হয়। তারা ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করার জন্য মস্কো সফরের পর কিয়েভে গিয়েছিলেন।
মার্কিন দূতদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মস্কো ও কিয়েভ—উভয় পক্ষই তিন দিনের জন্য নিজেদের রাজধানীতে হামলা বন্ধ রেখেছিল।ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা রাশিয়ার ওপর চাপ বাড়াতে মিত্রদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি একই সঙ্গে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে প্রয়োজনীয় প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের অনুরোধ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে সক্রিয় এক প্রভাবশালী দালালচক্রের প্রধান এবং একাধিক অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত দেলোয়ার হোসেনের কর্মকাণ্ডে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন দূর-দূরান্ত থেকে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা সাধারণ রোগীরা। অনুসন্ধান ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালকে কেন্দ্র করে রোগী ভাগিয়ে নেওয়া, বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পাঠিয়ে কমিশন বাণিজ্য, চাঁদাবাজি, চুরি-ছিনতাইসহ নানা অভিযোগের মাধ্যমে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে একটি সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয় রয়েছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, শেবাচিম হাসপাতালকে ঘিরে গড়ে ওঠা একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে গ্রামের সহজ-সরল রোগীদের বিভ্রান্ত করার অভিযোগ রয়েছে দেলোয়ারের বিরুদ্ধে। চিকিৎসকরা কোনো পরীক্ষার (টেস্ট) পরামর্শ দিলে, দেলোয়ারের অধীনে থাকা প্রায় ৫০ সদস্যের একটি বাহিনী রোগীদের ভুল বুঝিয়ে বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ। সেখান থেকে দেলোয়ার ও তার সহযোগীরা বড় অঙ্কের কমিশন হাতিয়ে নেন বলেও গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।
### রাজনৈতিক রূপবদল ও ‘স্বঘোষিত’ পদবি
রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর নিজের অবস্থান ধরে রাখতে দেলোয়ার কৌশলে রাজনৈতিক পরিচয় পরিবর্তন করতে শুরু করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত তাজুলের নির্দেশে শেবাচিম হাসপাতালকে দালালচক্রের হাতে জিম্মি করে রাখার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, তাজুল আড়ালে থেকে দেলোয়ারকে ব্যবহার করে নিজের স্বার্থ হাসিল করতেন।
বর্তমানে দেলোয়ার নিজেকে ‘বিএনপি নেতা’ হিসেবে দাবি করছেন এবং স্বঘোষিত ‘আউটসোর্সিং কর্মচারী নেতা’ পরিচয়ে হাসপাতালে প্রভাব বিস্তার করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এর আগেও দালালির অভিযোগে র্যাবের হাতে আটক হওয়ার ঘটনাও রয়েছে বলে জানা গেছে।
দেলোয়ারের বিরুদ্ধে আউটসোর্সিং কর্মচারীদের আটকে থাকা বেতন আদায় এবং প্রশাসনিক কাজে ঢাকা যাতায়াতের খরচের কথা বলে বড় অঙ্কের অর্থ দাবির অভিযোগ রয়েছে। একটি ভুঁইফোড় সংগঠনের নাম ব্যবহার করে ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে সাধারণ কর্মচারীদের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায়ের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
শেবাচিম হাসপাতাল প্রাঙ্গণে দেলোয়ার বাহিনীর বিভিন্ন শাখা সুসংগঠিতভাবে কাজ করে বলে অনুসন্ধানে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে—
প্রথম গ্রুপ রোগী ও তাদের স্বজনদের বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পাঠিয়ে কমিশন হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
দ্বিতীয় গ্রুপ:বহির্বিভাগে (আউটডোর) চিকিৎসাসেবার টিকিট কাটতে আসা নিরীহ রোগীদের ব্যাগ থেকে সুযোগ বুঝে মোবাইল ফোন ও টাকা-পয়সা চুরির অভিযোগ রয়েছে।
তৃতীয় গ্রুপ: হাসপাতালে রোগীদের দেখতে আসা দর্শনার্থীদের মোটরসাইকেল লক্ষ্য করে সুযোগ বুঝে তা চুরি করে দূরবর্তী এলাকায় পাচার করার অভিযোগ রয়েছে।
শেবাচিম কম্পাউন্ডে অ্যাম্বুলেন্স আটকে রেখে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগও রয়েছে দেলোয়ারের বিরুদ্ধে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সংশ্লিষ্ট চালককে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া, হাসপাতালের পঞ্চম তলায় দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত ‘ডক্টরস ক্যান্টিন’-এর পরিচালক মজেদ ও তার ছেলে আরিফুর রহমানকে ভয়ভীতি দেখিয়ে সেখান থেকে সরিয়ে দিয়ে ক্যান্টিনটি দখলের চেষ্টা চালানোর অভিযোগ রয়েছে দেলোয়ারের বিরুদ্ধে। দখলের চেষ্টা ব্যর্থ হলে পরবর্তীতে তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও ওঠে।
হাসপাতালের সামনের এক চা-দোকানি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বরিশাল মেডিকেল রোড এলাকার বিতর্কিত ‘বিসমিল্লাহ আবাসিক হোটেল’-এ অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও মাদক বিক্রির সঙ্গেও দেলোয়ার বাহিনীর প্রত্যক্ষ যোগসাজশ রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
এসব গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে এবং সংবাদের তথ্যের সত্যতা যাচাই করতে দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
তবে অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা ও সাংবাদিকদের মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য অনুরোধ এবং ভিত্তিহীন প্রতিবাদ জানানোর জন্য চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করা হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) সুশান্ত সরকার, পিপিএম-এর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে পরবর্তী প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ