মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:২৮ পি.এম
পিরোজপুর, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলায় আজ প্রায় ৩০০ জন দরিদ্র ও অসহায় রোগীকে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ছানি রোগীদের শনাক্ত করে বিনামূল্যে অপারেশনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার সকালে পিরোজপুর করিমুন্নেছা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মৌলভী জয়নুল আবেদীন অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে এবং বরিশালের ইস্পাহানি ইসলামিয়া চক্ষু ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ব্যবস্থাপনায় এ ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।
এতে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ প্রায় ৩০০ জন চক্ষু রোগী চিকিৎসাসেবা ও পরামর্শ নেন। এ সময় ছানি রোগীদের শনাক্ত করা হয়। শনাক্ত রোগীদের বরিশালে নিয়ে বিনামূল্যে ছানি অপারেশন করানো হবে। পাশাপাশি তাদের যাতায়াত, থাকা ও চিকিৎসাসহ প্রয়োজনীয় খরচ সংগঠনের পক্ষ থেকে বহন করা হবে বলে জানানো হয়।
মৌলভী জয়নুল আবেদীন অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জহিরুল হক বাসসকে বলেন, আমরা সংগঠনের উদ্যোগে এর আগেও একাধিকবার এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছি। দেখা যায়, অনেক অসহায় মানুষ অর্থের অভাবে চোখের চিকিৎসা করাতে পারেন না। সময়মতো চক্ষু চিকিৎসা না নেওয়া এবং চিকিৎসার প্রতি অবহেলার কারণে অনেকে অন্ধত্ব বরণ করেন। আবার অনেকেই ছানি রোগে ভুগছেন। এসব অসহায় মানুষের কথা চিন্তা করেই আমরা বিনামূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্পের পাশাপাশি ছানি রোগীদের বিনামূল্যে অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা করেছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাশিয়া আবারও কিয়েভে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। মঙ্গলবার ভোরে এই হামলায় অন্তত তিনজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।এছাড়া, হামলায় আহত হয়েছেন আরও ১৬ জন।
বার্তা সংস্থা জানায়, হামলার ফলে রাজধানীজুড়ে বিভিন্ন স্থানে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিৎসকো জানান, হামলায় অন্তত ১৪টি বহুতল ভবন, একটি আবাসিক হল, স্কুল, ক্লিনিক, গুদামসহ বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।এ বিষয়ে ইউক্রেনে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত ক্যাটারিনা ম্যাথারনোভা মন্তব্য করেন, ‘কিয়েভ বিস্ফোরণ ও আগুনে কাঁপছিল।’
গত রবিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের শান্তি উদ্যোগের অংশ হিসেবে মার্কিন দূত জ্যারেড কুশনার ও স্টিভ উইটকফ কিয়েভ ত্যাগ করার পর হামলা আবার শুরু হয়। তারা ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করার জন্য মস্কো সফরের পর কিয়েভে গিয়েছিলেন।
মার্কিন দূতদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মস্কো ও কিয়েভ—উভয় পক্ষই তিন দিনের জন্য নিজেদের রাজধানীতে হামলা বন্ধ রেখেছিল।ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা রাশিয়ার ওপর চাপ বাড়াতে মিত্রদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি একই সঙ্গে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে প্রয়োজনীয় প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের অনুরোধ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে সক্রিয় এক প্রভাবশালী দালালচক্রের প্রধান এবং একাধিক অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত দেলোয়ার হোসেনের কর্মকাণ্ডে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন দূর-দূরান্ত থেকে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা সাধারণ রোগীরা। অনুসন্ধান ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালকে কেন্দ্র করে রোগী ভাগিয়ে নেওয়া, বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পাঠিয়ে কমিশন বাণিজ্য, চাঁদাবাজি, চুরি-ছিনতাইসহ নানা অভিযোগের মাধ্যমে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে একটি সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয় রয়েছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, শেবাচিম হাসপাতালকে ঘিরে গড়ে ওঠা একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে গ্রামের সহজ-সরল রোগীদের বিভ্রান্ত করার অভিযোগ রয়েছে দেলোয়ারের বিরুদ্ধে। চিকিৎসকরা কোনো পরীক্ষার (টেস্ট) পরামর্শ দিলে, দেলোয়ারের অধীনে থাকা প্রায় ৫০ সদস্যের একটি বাহিনী রোগীদের ভুল বুঝিয়ে বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ। সেখান থেকে দেলোয়ার ও তার সহযোগীরা বড় অঙ্কের কমিশন হাতিয়ে নেন বলেও গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।
### রাজনৈতিক রূপবদল ও ‘স্বঘোষিত’ পদবি
রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর নিজের অবস্থান ধরে রাখতে দেলোয়ার কৌশলে রাজনৈতিক পরিচয় পরিবর্তন করতে শুরু করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত তাজুলের নির্দেশে শেবাচিম হাসপাতালকে দালালচক্রের হাতে জিম্মি করে রাখার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, তাজুল আড়ালে থেকে দেলোয়ারকে ব্যবহার করে নিজের স্বার্থ হাসিল করতেন।
বর্তমানে দেলোয়ার নিজেকে ‘বিএনপি নেতা’ হিসেবে দাবি করছেন এবং স্বঘোষিত ‘আউটসোর্সিং কর্মচারী নেতা’ পরিচয়ে হাসপাতালে প্রভাব বিস্তার করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এর আগেও দালালির অভিযোগে র্যাবের হাতে আটক হওয়ার ঘটনাও রয়েছে বলে জানা গেছে।
দেলোয়ারের বিরুদ্ধে আউটসোর্সিং কর্মচারীদের আটকে থাকা বেতন আদায় এবং প্রশাসনিক কাজে ঢাকা যাতায়াতের খরচের কথা বলে বড় অঙ্কের অর্থ দাবির অভিযোগ রয়েছে। একটি ভুঁইফোড় সংগঠনের নাম ব্যবহার করে ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে সাধারণ কর্মচারীদের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায়ের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
শেবাচিম হাসপাতাল প্রাঙ্গণে দেলোয়ার বাহিনীর বিভিন্ন শাখা সুসংগঠিতভাবে কাজ করে বলে অনুসন্ধানে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে—
প্রথম গ্রুপ রোগী ও তাদের স্বজনদের বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পাঠিয়ে কমিশন হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
দ্বিতীয় গ্রুপ:বহির্বিভাগে (আউটডোর) চিকিৎসাসেবার টিকিট কাটতে আসা নিরীহ রোগীদের ব্যাগ থেকে সুযোগ বুঝে মোবাইল ফোন ও টাকা-পয়সা চুরির অভিযোগ রয়েছে।
তৃতীয় গ্রুপ: হাসপাতালে রোগীদের দেখতে আসা দর্শনার্থীদের মোটরসাইকেল লক্ষ্য করে সুযোগ বুঝে তা চুরি করে দূরবর্তী এলাকায় পাচার করার অভিযোগ রয়েছে।
শেবাচিম কম্পাউন্ডে অ্যাম্বুলেন্স আটকে রেখে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগও রয়েছে দেলোয়ারের বিরুদ্ধে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সংশ্লিষ্ট চালককে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া, হাসপাতালের পঞ্চম তলায় দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত ‘ডক্টরস ক্যান্টিন’-এর পরিচালক মজেদ ও তার ছেলে আরিফুর রহমানকে ভয়ভীতি দেখিয়ে সেখান থেকে সরিয়ে দিয়ে ক্যান্টিনটি দখলের চেষ্টা চালানোর অভিযোগ রয়েছে দেলোয়ারের বিরুদ্ধে। দখলের চেষ্টা ব্যর্থ হলে পরবর্তীতে তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও ওঠে।
হাসপাতালের সামনের এক চা-দোকানি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বরিশাল মেডিকেল রোড এলাকার বিতর্কিত ‘বিসমিল্লাহ আবাসিক হোটেল’-এ অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও মাদক বিক্রির সঙ্গেও দেলোয়ার বাহিনীর প্রত্যক্ষ যোগসাজশ রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
এসব গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে এবং সংবাদের তথ্যের সত্যতা যাচাই করতে দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
তবে অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা ও সাংবাদিকদের মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য অনুরোধ এবং ভিত্তিহীন প্রতিবাদ জানানোর জন্য চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করা হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) সুশান্ত সরকার, পিপিএম-এর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে পরবর্তী প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে বজ্রাঘাতে সাহেব আলী (২৬) নামের এক কৃষকের মৃত্যু ঘটে। মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
সাহেব আলী ছিলেন মনাকষা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের তারাপুর ঠুঠাপাড়া গ্রামের আব্দুল লতিফের পুত্র। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র থেকে জানা যায়, মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে তিনি বাড়ির পাশে ডিঙ্গি নৌকায় একটি খাল পাওয়ার সময় বজ্রপাতের শিকার হন। বজ্রপাতের কারণে তিনি পানিতে পড়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে পানি থেকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন।
শিবগঞ্জ থানার ওসি মতিউর রহমান জানান, বজ্রাঘাতে সাহেব আলী ঘটনাস্থলেই মারা যান। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে এবং এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অসামঞ্জস্যপূর্ণ কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে এই বহিষ্কারাদেশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবারের এই পদক্ষেপটি রুশপন্থী সাবেক প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবানের শাসনের ঘনিষ্ঠতার একটি দীর্ঘ অধ্যায়ের অবসানের ইঙ্গিত বহন করে।
হাঙ্গেরির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনিতা অরবান এক বিবৃতিতে জানান, বহিষ্কৃত কূটনীতিকরা হাঙ্গেরিতে এমন কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন, যা ভিয়েনা কনভেনশন অনুযায়ী কূটনীতিকদের জন্য অগ্রহণযোগ্য। তবে, হাঙ্গেরি এই কূটনীতিকদের বহিষ্কারের সিদ্ধান্তকে রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে না। বরং, বুদাপেস্ট প্রয়োজনীয় সংলাপ অব্যাহত রাখতে আগ্রহী।
বার্তা সংস্থা জানাচ্ছে, হাঙ্গেরির এই সিদ্ধান্তের পাল্টা জবাব দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে রাশিয়া।
রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে দেশটির বার্তা সংস্থা ইন্টারফ্যাক্স জানিয়েছে, মস্কোর প্রতিক্রিয়া হাঙ্গেরির জন্য ‘বেদনাদায়ক’ হবে।
ভিক্টর অরবান দীর্ঘ ১৬ বছর ক্ষমতায় থাকার পর গত এপ্রিলে প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে বিদায় নেন। এই সময়কালে তিনি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন। এমনকি ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান শুরুর পরও তার সরকার মস্কোর সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেছিল।
অরবানের শাসনামলে হাঙ্গেরি রাশিয়ার কাছ থেকে তেল ও গ্যাস আমদানি অব্যাহত রেখেছিল।
ইউক্রেনে রুশ হামলার পর ইউরোপের বিভিন্ন দেশ রাশিয়ার কয়েক ডজন কূটনীতিককে বহিষ্কার করলেও, হাঙ্গেরি কোনো রুশ কূটনীতিককে বহিষ্কার করেনি। সর্বশেষ ২০১৮ সালে বুদাপেস্ট প্রকাশ্যে কোনো রুশ কূটনীতিককে ফেরত পাঠিয়েছিল।
এদিকে, নতুন প্রধানমন্ত্রী পিটার মাগিয়ার এবং তার মধ্য-ডানপন্থি সরকার শুরু থেকেই বলে আসছে, হাঙ্গেরির প্রধান জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ন্যাটো। ভিক্টর অরবানের শাসনামলে ক্ষতিগ্রস্ত আন্তর্জাতিক আস্থা পুনর্গঠন করাও সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।
গত মে মাসে পার্লামেন্টের এক শুনানিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনিতা অরবান বলেন, রাশিয়া হাঙ্গেরির অংশীদার হিসেবে থাকবে। তবে, দুই দেশের সম্পর্ক কোনোভাবেই ‘একতরফা নির্ভরতার’ ওপর ভিত্তি করে হতে পারে না। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, রাশিয়ার নীতিগুলো হাঙ্গেরি ও ইউরোপের জন্য নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ