ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিএনপির দুর্দিনে পাশে থাকা ইউপি চেয়ারম্যানের প্রশংসায় - এমপি খোকন তালুকদার


বিএনপির দুর্দিনে পাশে থাকা ইউপি চেয়ারম্যানের প্রশংসায় - এমপি খোকন তালুকদার

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) কঠিন ও সংকটময় সময়ে দলকে সুসংগঠিত রাখা এবং নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়াতে অসামান্য ভূমিকা রাখায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলামের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার। রবিবার (১৬ আগস্ট) দুপুরে কালকিনি উপজেলার রমজানপুর ইউনিয়নের উত্তর চর আইরকান্দি এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে পুনর্বাসন গৃহ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ প্রশংসা করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার বলেন, "দলের সুদিনে অনেকেই কাছে আসেন, কিন্তু দুর্দিনে যারা সব ভয়-ভীতি ও বাধা-বিপত্তি উপেক্ষা করে রাজপথে টিকে থাকেন, তারাই দলের আসল প্রাণ। তিনি আরও বলেন, বিগত দিনে যখন দলের নেতাকর্মীরা মামলা, হামলা ও নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন, তখন শহিদুল ইসলাম নিজের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও স্বার্থের কথা না ভেবে তৃণমূলে দলকে আগলে রেখেছেন। নেতাকর্মীদের আর্থিক ও আইনি সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি আন্দোলনের মাঠ সচল রাখতে তিনি যে সাহসী ভূমিকা পালন করেছেন, তা দলের জন্য এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। আগামী দিনেও দলীয় ঐক্য বজায় রেখে দেশের সার্বিক কল্যাণে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

উল্লেখ্য,প্রশংসিত নেতা শহিদুল ইসলাম মাদারীপুর সদর উপজেলার ঘটমাঝি ইউনিয়নের দুই বারের সফল সাবেক চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

আরও পড়ুন: জগন্নাথপুরে পানি সেচ ও মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১৫

গৃহ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল আলম,কালকিনি উপজেলা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক বেপারী, সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন মুন্সী এবং যুবদল নেতা মামুন শিকদারসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আড়াই বছরেও শুরু হয়নি কাজ, বাঁশের সাঁকোই ভরসা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৫৬ পি.এম


আড়াই বছরেও শুরু হয়নি কাজ, বাঁশের সাঁকোই ভরসা

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের গতিয়াশাম গ্রামে প্রায় আড়াই বছরেও কালভার্ট নির্মাণের কাজ শুরু হয়নি। 

সেতু ও কালভার্ট নির্মাণের কাজ একসঙ্গে শুরু করার কথা ছিল। ২০২৪ সালের ১৪ মে থেকে সেতুর কাজ শুরু হয়।

এরপর গড়িয়ে গেছে প্রায় আড়াই বছর এবং মেয়াদও শেষ হয়ে গেছে। অথচ কালভার্টের কাজ শুরুই হয়নি।

এটি ঘটেছে কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের গতিয়াশাম গ্রামে।

স্থানীয়রা জানাচ্ছে, কালভার্টটি নির্মিত হলে গতিয়াশাম গ্রামের সঙ্গে আশপাশের চার গ্রামের যোগাযোগ সহজ হয়ে উঠবে। কিন্তু এখন কাজ আটকে থাকায় দুর্ভোগে পড়েছে পাঁচ গ্রামের প্রায় ছয় হাজার মানুষ। বিশেষ করে তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ৬০০ শিক্ষার্থী দুর্গতির শিকার হয়ে পড়েছে বেশি।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, গতিয়াশাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ১০০ মিটার দক্ষিণে চার দশমিক ২৬ মিটার দীর্ঘ আরসিসি কালভার্ট নির্মাণে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১৯ লাখ ৪৩ হাজার ৭৭০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

সূত্র জানায়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের একটি প্রকল্পের আওতায় ২০২৪ সালের ১৮ মার্চ রাজারহাট উপজেলায় ৯টি সেতু এবং কালভার্ট নির্মাণের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়। ওই প্রকল্পের জন্য ২ কোটি ২ লাখ ২৩ হাজার ৩৩৮ টাকার দরপত্র হয়, এবং কাজটি ঠিকাদার নূর আলম মিয়ার কাছে আসে। কাজটি ১৪ মে শুরু হয়।

তবে ৯টি সেতু ও কালভার্টের মধ্যে অন্যগুলোর কাজ এগিয়ে গেলেও গতিয়াশামের কালভার্টের কাজ শুরুই হয়নি।

উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন, প্রকল্পের ৯টি সেতু-কালভার্টের জন্য এ পর্যন্ত এক কোটি ৮২ লাখ ৮০ হাজার ১০০ টাকা অর্থ ছাড় হয়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, প্রায় দেড় বছর আগে পুরনো কালভার্টটি ভেঙে ফেলা হয়। কিন্তু নতুন কালভার্ট নির্মাণের কাজ আর এগোচ্ছেনা। ঠিকাদারের পক্ষ থেকে বিকল্প সড়ক বা সাঁকো করার কথা থাকলেও তা করা হয়নি। পরে স্থানীয়রা নিজেদের উদ্যোগে বাঁশের একটি সাঁকো নির্মাণ করেন। এই বাঁশের সাঁকো দিয়ে গতিয়াশাম, চর গতিয়াশাম, নীরব বাজার, নকীর পুল এলাকায় যাওয়ার একমাত্র পথ।

গতিয়াশামের বাসিন্দা আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘এটি আমাদের চলাচলের একমাত্র পথ। রাস্তার ওপারে আমাদের জমি রয়েছে। জমিতে যেতে হলে এই পথ ব্যবহার করতে হয়। কালভার্ট না থাকায় খুব কষ্ট হচ্ছে।’

আরেক বাসিন্দা আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতিদিন পাঁচ গ্রামের মানুষ এই পথ দিয়ে চলাচল করছে। তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও এই পথ ব্যবহার করছে। বাঁশের সাঁকো পার হতে গিয়ে শিশু এবং বয়স্কদের ঝুঁকি নিতে হচ্ছে।’

স্থানীয় দিনমজুর আলম মিয়া ও ফজলু মিয়া জানান, ‘কালভার্ট না থাকায় ভ্যান চলাচল করতে পারে না। অন্য পথ দিয়ে ঘুরে যেতে হয়। এতে সময় ও খরচ বৃদ্ধি পাচ্ছে।’

একই এলাকার শাহজালাল মিয়া জানিয়েছেন, তার এক ভাতিজা সাঁকো দিয়ে পার হওয়ার সময় পানিতে পড়ে গিয়েছিল এবং পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করেন।

শিক্ষার্থী মাছুম বিল্লা জানায়, তারা দেড় বছর ধরে ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো পার হয়ে বিদ্যালয় ও মাদরাসায় যাচ্ছে এবং বর্ষার সময় পানি বাড়লে ঝুঁকি আরো বেড়ে যায়।

ঠিকাদার নূর আলম বলেন, ওই এলাকায় বিদ্যুৎ সমস্যা, বৃষ্টি এবং বন্যার কারণে কাজ শুরু করতে দেরি হয়েছে। তিনি জানান, আগামী নভেম্বরের মধ্যে কালভার্টটির কাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

রাজারহাট উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘ঠিকাদারকে তা‌গিদ দেওয়া হয়েছে। আমরা দ্রুত কাজটি শেষ করার চেষ্টা করছি।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রায়ের তারিখ পিছিয়ে গেল সোহেল রানার মামলায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৫৮ পি.এম


রায়ের তারিখ পিছিয়ে গেল সোহেল রানার মামলায়

রায় প্রস্তুত না থাকার কারণে পিছিয়ে গেল সোহেল রানাসহ ৮ আসামির রায়ের তারিখ। আগামী ১ সেপ্টেম্বর নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।

ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ বি এম তারিকুল কবীরের আদালতে রবিবার (১৬ আগস্ট) মামলাটি রায়ের জন্য নির্ধারিত ছিল। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী আরিফুল ইসলাম।

মামলার অন্য অভিযুক্তরা হলেন— সাভার পৌরসভার সাবেক মেয়র রেফাত উল্লাহ, সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা উত্তম কুমার রায়, নির্বাহী প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম, সাবেক সহকারী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান, সাবেক উপসহকারী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান রাসেল, সাবেক টাউন প্ল্যানার ফারজানা ইসলাম ও লাইসেন্স পরিদর্শক মো. আব্দুল মোত্তালিব।

আসামিদের মধ্যে সোহেল রানা দুর্নীতি মামলায় জামিনে থাকলেও রানা প্লাজা ধসে হত্যা মামলায় তিনি কারাগারে রয়েছেন।

রবিবার তাকে আদালতে হাজির করা হয়। আসামি মাহবুবুর রহমান ও ফারজানা ইসলাম শুরু থেকেই পলাতক রয়েছেন। জামিনে থাকা অন্যান্য আসামিরা আদালতে হাজিরা দেন। বিচার চলাকালে রানার বাবা আবদুল খালেক ও মা মর্জিনা বেগম মারা যাওয়ায় তাদের দায় হতে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সাভারের রানা প্লাজা ধসে ১ হাজার ১৩৬ জন নিহত ও দেড় হাজারের বেশি মানুষ আহত হন। ভয়াবহ এ ঘটনার পর ভবন নির্মাণে দুর্নীতির অনুসন্ধানে নামে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

নকশা বহির্ভূত ভবন নির্মাণের অভিযোগে ২০১৪ সালের ১৫ জুন সাভার থানায় ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদকের উপসহকারী পরিচালক এস এম মফিদুল ইসলাম। শুরুতে তদন্তে সোহেল রানাকে বাদ দেওয়া হলেও পরে অধিকতর তদন্তে তিনি ভবনের মূল দেখভালকারী প্রমাণিত হন এবং অভিযোগপত্রে তাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

তৃতীয় দফায় ২০১৭ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি সোহেল রানাসহ ১৮ জনকে আসামি করে আদালতে অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। একই বছরের ২১ মে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। বিচার چلাকালে ২০ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, ২০০৬ সালের ১০ এপ্রিল ছয়তলা শপিং কমপ্লেক্স নির্মাণের জন্য নকশা অনুমোদন দেয় সাভার পৌরসভা। পরবর্তীতে ২০০৮ সালে আগের নথির তথ্য গোপন করে জালিয়াতির মাধ্যমে দশ তলা ভবনের নকশা অনুমোদন বাগিয়ে নেওয়া হয়। এছাড়া শপিং কমপ্লেক্সের অনুমোদন নিয়ে সেখানে পাঁচটি পোশাক কারখানা স্থাপনের অবৈধ অনুমতি দেয় পৌর কর্তৃপক্ষ।

উল্লেখ্য, ভবন মালিক সোহেল রানার বিরুদ্ধে রানা প্লাজা ধসে হত্যা এবং ইমারত নির্মাণ বিধিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগে আরও দুটি পৃথক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফুল ও ক্রেস্টে ভাসল মেধাবীরা, প্রেরণার আলো ছড়ালেন রত্নগর্ভা মায়েরা; আমোদপুরে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মুহাম্মদ কাইসার হামিদ, কুলিয়ারচর (কিশোরগঞ্জ)

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৫৮ পি.এম


ফুল ও ক্রেস্টে ভাসল মেধাবীরা, প্রেরণার আলো ছড়ালেন রত্নগর্ভা মায়েরা; আমোদপুরে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা

মেধার জয়গান আর মাতৃত্বের ত্যাগের এক অপূর্ব মেলবন্ধনে মুখরিত হয়ে উঠেছিল কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের আমোদপুর। শিক্ষার দীপশিখা ছড়িয়ে দিতে এবং উদীয়মান তরুণ মেধাবীদের নতুন উদ্যমে অনুপ্রাণিত করতে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক অনন্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। ‘বিশ্ববিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয় ছাত্র সংসদ, আমোদপুর’-এর উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থী ও তাদের সাফল্যের নেপথ্যের কারিগর ‘সফল মায়েদের’ সম্মাননায় সিক্ত করা হয়।

শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকালে উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের আমোদপুরে বিশ্ববিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয় ছাত্র সংসদ, আমোদপুর কার্যালয় চত্বরে অনুষ্ঠিত বর্ণাঢ্য সংবর্ধনার শুভ সূচনাতেই সৃষ্টি হয় এক আনন্দঘন পরিবেশ। পঞ্চম শ্রেণির ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত কোমলমতি শিক্ষার্থী এবং সদ্য প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষায় অসাধারণ সাফল্য জিপিএ-৫ অর্জনকারীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় ভালোবাসার শুভ্র ফুল ও স্মারক ক্রেস্ট। তবে আয়োজনের সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্তটি আসে যখন সুশিক্ষার আলোকবর্তিকা জ্বালিয়ে সন্তানদের এতদূর এগিয়ে নেওয়া সেই রত্নগর্ভা মায়েদের মঞ্চে ডেকে বিশেষ সংবর্ধনা জানানো হয়।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতি শিক্ষার্থী "বিশ্ববিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয় ছাত্র সংসদ, আমোদপুর" এর সভাপতি গাজী মোস্তাকিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ভৈরবে প্রতিষ্ঠিত আরাফাত কেমিক্যাল ওয়ার্কস (বস্ মশার কয়েল) এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সাপ্তাহিক সোনালী ধারা পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও দৈনিক এশিয়া বাণী পত্রিকার কুলিয়ারচর উপজেলা প্রতিনিধি শিক্ষানুরাগী মো. ইয়াছিন আরাফাত।

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আয়োজনের রূপ বাড়িয়ে দেন ফরিদপুর ইউনিয়ন আব্দুল হামিদ ভূঁইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন।

এছাড়াও আব্দুল হামিদ ভূঁইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল কাদির, আমোদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শফিকুল ইসলাম কাজল, সমাজসেবক মো. আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া সহ এলাকার সুধীজন, সামাজিক ব্যক্তিত্ব এবং সংগঠনের প্রাণোচ্ছল সদস্যরা পুরো আয়োজন জুড়ে উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথি মো. ইয়াছিন আরাফাত বলেন, "মেধাবীদের পথচলাকে সুগম করতে এমন স্বীকৃতি সময়ের দাবি। তবে সন্তানদের এই অর্জনের পেছনে মায়েদের যে নীরব ত্যাগ রয়েছে, সেটিকে প্রকাশ্যে সম্মানিত করার এই ধারা সমাজে এক অনন্য মানবিক মূল্যবোধের সূচনা করল।"

সংগঠনের নেতারা জানান, এটি কেবল একটি বার্ষিক অনুষ্ঠানই নয়; বরং শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার এক ব্রত। 'বিশ্ববিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয় ছাত্র সংসদ, আমোদপুর' দীর্ঘদিন ধরেই অসহায় শিক্ষার্থীদের শিক্ষাসামগ্রী প্রদান, মানবিক সহায়তা, বৃক্ষরোপণ অভিযান ও নারী উন্নয়নের মতো নানাবিধ সামাজিক ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে নিজেদের নিয়োজিত রেখেছে।

অনুষ্ঠানে আসা অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা আবেগপ্লুত হয়ে জানান, মেধার এই সঠিক মূল্যায়ন এবং মায়েদের প্রতি এমন বিরল সম্মাননা এলাকার ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আরও বড় স্বপ্ন দেখতে ও উচ্চশিক্ষায় এগিয়ে যেতে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করবে। পুরো আমোদপুর গ্রাম যেন এই একটি আয়োজনে নতুন সম্ভাবনার আলোয় আলোকিত হয়ে উঠেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মালয়েশিয়ায় খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উদযাপন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৫৯ পি.এম


মালয়েশিয়ায় খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উদযাপন

মালয়েশিয়ায় বিএনপির সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই অনুষ্ঠানটি শনিবার (১৫ আগস্ট) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কুয়ালালামপুরের বুকিত বিন্তাংয়ের পিঠাঘর রেস্তোরাঁর হলরুমে সম্পন্ন হয়।

মালয়েশিয়া বিএনপির সহসভাপতি তালহা মাহমুদের সভাপতিত্বে এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা সালাহ উদ্দিনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও মালয়েশিয়া বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন।

এতে বক্তব্য রাখেন দলটির সহ-সভাপতি ড. এস এম রহমান তনু, জামালপুর সদর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন মিলন, দপ্তর সম্পাদক মো. আমিনুল ইসলাম রতন, অধ্যাপক সাফিউর রহমান, যুবদল মালয়েশিয়ার সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন, সহসভাপতি মো. নাজমুল হাসান, শেখ মো. সেলিম, জাসাসের আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান মাসুম, যুবদলের প্রচার সম্পাদক বাদল কারার এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা গোলাম কবিরসহ আরো অনেকে।

বক্তারা এই উপলক্ষে বলেন, বিচক্ষণ নেতৃত্ব, সততা, দেশপ্রেম ও সাহসিকতার গুণে বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের মানুষের কাছে জনপ্রিয় নেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। তারা উল্লেখ করেন, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তিনি ছিলেন আপসহীন।

বক্তারা বলেন, নানা বাধা-বিপত্তি, জেল ও নির্যাতন উপেক্ষা করে দেশের মানুষের পাশে থেকেছেন তিনি। তারা আরো বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার দেশপ্রেম ও রাজনৈতিক আদর্শ বাংলাদেশের মানুষের জন্য চিরদিন অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

তাদের মতে, তার আদর্শ ধারণ করে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ ভিশনের ভিত্তিতে আগামীর বাংলাদেশকে সুখী, সমৃদ্ধ ও শান্তির দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মালয়েশিয়া বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুল জলিল লিটন, ক্রীড়া সম্পাদক মো. আরিফ হোসেন, বিএনপি বুকিত বিন্তাংয়ের সভাপতি আনোয়ার হোসেন সেলিম, সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা আজাদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব হেলাল শিকদার, যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেল রানা, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুর রহমান বাবু, ছাত্রনেতা আদিব আঞ্জাম, যুবনেতা আলী শরিফ ও জাসাসের ফয়সালসহ বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা শেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া ও আরাফাত রহমান কোকোর রুহের মাগফিরাত এবং তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন বুকিত বিন্তাং বাংলা মসজিদের খতিব মাওলানা মো. আবু তাহের।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%