ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জগন্নাথপুরে পানি সেচ ও মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১৫


জগন্নাথপুরে পানি সেচ ও মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১৫

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে বোরো জমিতে পানি সেচ ও মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন এবং কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে দুজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার সৈয়দপুর-শাহারপাড়া ইউনিয়নের পীরেরগাঁও (চন্ডি হেতায়েদপুর) গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম মতিউর রহমান (৫০), তিনি ওই গ্রামের মৃত আব্দুল বারির ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার দুপুরে পীরেরগাঁও (চন্ডি হেতায়েদপুর) গ্রামের আলমগীর, যিনি আরব আলীর ছেলে, এবং আছির উল্লাহর ছেলে কাশেমের মধ্যে জমিতে পানি সেচ এবং মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে ঝগড়া ও মারপিটের ঘটনা ঘটে। এর ফলস্বরূপ মঙ্গলবার সকালে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের সময় আলমগীরের পক্ষের কৃষক মতিউর রহমান সুলফির আঘাতে গুরুতর আহত হন এবং তাকে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন: ইনানীতে ৪২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে আগুন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি

স্থানীয়রা জানান, সংঘর্ষে উভয় পক্ষের প্রায় ১৫ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে মুজিবুর (৩৮) ও আতাউর (৫০) নামের দুজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, ‘মতিউর রহমানকে হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই তিনি মারা যান। আহতদের মধ্যে দুই জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেটে পাঠানো হয়েছে।’

জগন্নাথপুর থানার এসআই বিন আমিন বলেন, ‘সংঘর্ষের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে।’

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৯ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা প্রত্যাহার, নতুন কর্মকর্তাদের নিয়োগ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টুপটুপ রিসোর্টের কার্নিশ থেকে ১০ দিন পর আরও একটি লাশ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২৮ পি.এম


টুপটুপ রিসোর্টের কার্নিশ থেকে ১০ দিন পর আরও একটি লাশ উদ্ধার

কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীর পাটুয়ারটেকে টুপটুপ রেস্টো অ্যান্ড রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার ১০ দিন পর দ্বিতীয় তলার কার্নিশ থেকে একটি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) উখিয়া থানার ওসি আতিকুর রহমান মজুমদার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। উদ্ধার হওয়া লাশটি কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে, নিহত ১০ জনের পরিচয় ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) স্বজনদের নমুনার সঙ্গে মিলিয়ে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করেছে। তবে নিখোঁজ স্কুলশিক্ষিকা নাসরিন আক্তার মুক্তার বিষয়ে এখনও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

উদ্ধার হওয়া ১০টি লাশের মধ্যে কোনোটির ডিএনএর সঙ্গে নাসরিনের নমুনার মিল পাওয়া যায়নি। ফলে, অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত হলেও নাসরিনের পরিণতি নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। মঙ্গলবার উদ্ধার হওয়া লাশটি নাসরিনের কিনা, তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। বিস্তারিত ডিএনএ টেস্টের পর বিষয়টি জানা যাবে।

শহরের শ্যামলী এলাকার চার সদস্যের পরিবার শনাক্ত হয়েছে। এই পরিবারের সদস্যরা হলেন- গ্র্যান্ড পাওয়ার লিমিটেডের কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাহিদুর রহমান (৪১), তার স্ত্রী আফসানা মতিন (৩৬) এবং তাদের দুই মেয়ে রোজাইনা ইনায়া (৯) ও মুনাইনা ইহানা (৬)।

অন্যদিকে, নিহত ছয়জনের মধ্যে রয়েছেন মৌলিতা মেহজাবিন আলভি (১৯), তার কাজিন লায়লা জাহান নাবিলা (২৫) ও ইসরাত জাহান মালিহা (২৭), ফারিয়া কবির (৩৩), ফারিয়ার ছয় বছর বয়সি ছেলে মোহাম্মদ ফাইজান নূর এবং ফারিয়ার ভাই মোহাম্মদ নাফিস তেহামি (২৪)। তারা ঢাকার বনশ্রী ও খিলগাঁও এলাকায় বসবাস করতেন।

অগ্নিকাণ্ডের পর উদ্ধার হওয়া ১০টি লাশের পরিচয় শনাক্ত হলেও নিখোঁজের তালিকায় থাকা ১১ জনের মধ্যে একজনের অবস্থান এখনও অজানা। তিনি হলেন স্কুলশিক্ষিকা নাসরিন আক্তার মুক্তা (২৭)। উদ্ধার হওয়া কোনো লাশের ডিএনএ-এর সঙ্গে তার নমুনার মিল পাওয়া যায়নি।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রিমন ঘোষ জানান, ১০ জনের লাশ উদ্ধার হয়েছিল এবং তাদের ডিএনএ স্যাম্পল মিল পাওয়া গেছে। তবে নাসরিনের নমুনার মিল পাওয়া যায়নি।

নাসরিন ঢাকার সাভারের আশুলিয়ায় স্বপ্নবিলাস নিরিবিলি স্কুলের শিক্ষিকা ছিলেন। তিনি দুই বান্ধবীর সঙ্গে বেড়াতে কক্সবাজারে গিয়েছিলেন। অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে তার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। নাসরিনের বাবার নাম মোস্তফা কামাল।

এর আগে, গত ১৭ অক্টোবর পাটুয়ারটেকের টুপটুপ রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নতুন মাইলফলক অর্জন করলেন ভারতীয় ব্যাটার অভিষেক শর্মা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২৯ পি.এম


নতুন মাইলফলক অর্জন করলেন ভারতীয় ব্যাটার অভিষেক শর্মা

ভারতীয় ওপেনার অভিষেক শর্মার জন্য রেকর্ড ও মাইলফলক ছোঁয়ার বিষয়টি যেন হাতের মোয়ায় পরিণত হয়েছে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে তিনি গড়লেন নতুন এক মাইলফলক। বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বিধ্বংসী টি-টোয়েন্টি ওপেনার হিসেবে পরিচিত এই ব্যাটার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৫০টি ছক্কা হাঁকানো তৃতীয় ভারতীয় হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন।

নিউজ বাইটসের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার ওয়েলিংটনে তিনি এই মাইলফলক অর্জন করেন। বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান ম্যাচে নিজের তৃতীয় ছক্কা মেরে এই কৃতিত্বে পৌঁছান।

ক্রিকইনফোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক হওয়া এই ওপেনার মাত্র ৭০ ম্যাচে (৬৯ ইনিংস) ১৫০ ছক্কা হাঁকিয়েছেন। অন্য দুই ভারতীয় ব্যাটার হলেন—রোহিত শর্মা (২০৫) এবং সূর্যকুমার যাদব (১৭৯)। সামগ্রিকভাবে, তিনি পূর্ণ সদস্য দলের বিপক্ষে এই কৃতিত্ব অর্জনকারী অষ্টম ব্যাটসম্যান হিসেবে পরিচিত।

এই ফরম্যাটে অভিষেকেরও ২০০টিরও বেশি চার রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০০৮ সালের পর সবচেয়ে খারাপ বছরের পথে ভারতের শেয়ারবাজার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২৯ পি.এম


২০০৮ সালের পর সবচেয়ে খারাপ বছরের পথে ভারতের শেয়ারবাজার

ভারতের শেয়ারবাজারে চলতি বছরে উল্লেখযোগ্যভাবে দরপতন ঘটেছে। ব্যাপক বিক্রির চাপের কারণে বোম্বে স্টক এক্সচেঞ্জে (বিএসই) তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর বাজারমূল্য প্রায় ৩০ লাখ কোটি রুপি কমে গেছে। এই বাজারের পতন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, ২০০৮ সালের বৈশ্বিক আর্থিক সংকটের পর কি এবার ভারতের শেয়ারবাজার সবচেয়ে খারাপ বছরের মুখে পড়তে যাচ্ছে?

ভারতের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, বর্তমান বাজার পরিস্থিতি সেই আশঙ্কা আরও বৃদ্ধি করেছে। চলতি বছরে ভারতের প্রধান শেয়ারসূচক নিফটি ৫০ প্রায় ১৪ শতাংশ কমেছে। বাজারের তথ্য অনুযায়ী, যদি এই ধারা অব্যাহত থাকে, তাহলে অন্তত ১৮ বছরের মধ্যে এটি সবচেয়ে বড় বার্ষিক পতনের মুখে পড়তে পারে। ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইন্দোনেশিয়াকে বাদ দিলে, চলতি বছরে বিশ্বের প্রধান শেয়ারবাজারগুলোর মধ্যে ভারতের অবস্থান সবচেয়ে খারাপ।

দীর্ঘকাল ধরে বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ভালো পারফরম্যান্সের জন্য পরিচিত ছিল ভারতের শেয়ারবাজার। কিন্তু চলতি বছরের দরপতন সেই চিত্র বদলে দিয়েছে। বিদেশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা (এফআইআই) ভারতের বাজার থেকে প্রায় ৩২ বিলিয়ন ডলার বা ৩ লাখ কোটি রুপি তুলে নিয়েছেন। ধারাবাহিকভাবে বিদেশি অর্থ বেরিয়ে যাওয়ার ফলে শেয়ারদরের ওপর চাপ আরও বেড়েছে।

নিফটি ৫০ সূচকের অন্তর্ভুক্ত ৫০টি কোম্পানির মধ্যে ৩৮টির শেয়ারদর চলতি বছরে কমেছে। এর মধ্যে ২৫টির দরপতন ১০ শতাংশ বা তার বেশি।

সূচকের মধ্যে আইটিসি অন্যতম বড় পতনের শিকার, যার শেয়ারদর চলতি বছরে ৩৬ শতাংশ কমেছে। মারুতি সুজুকির শেয়ারদর ৩৪ শতাংশ কমেছে। জিও ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস ও এইচডিএফসি লাইফ ইন্স্যুরেন্সের দরপতন হয়েছে প্রায় ৩১ শতাংশ করে। অন্যদিকে, এইচডিএফসি ব্যাংকের শেয়ারদর ৩০ শতাংশ কমেছে।

নিফটির আরও কিছু কোম্পানির শেয়ারদর ২০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে। ফলে বড় কোম্পানির শেয়ারেও বিক্রির চাপ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

বাজারের বড় কোম্পানির পাশাপাশি মাঝারি ও ছোট মূলধনি কোম্পানির শেয়ারেও বড় ধরনের দরপতন ঘটেছে। সম্প্রতি পর্যন্ত মিডক্যাপ শেয়ারগুলো তুলনামূলকভাবে ভালো অবস্থানে থাকলেও গত চার কার্যদিবসে সেই পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি হয়েছে।

চলতি বছরে নিফটি মিডক্যাপ ১০০ সূচক প্রায় ৮ শতাংশ কমেছে। এর মধ্যে শুধু সর্বশেষ সপ্তাহেই সূচকটির পতন হয়েছে ৬ শতাংশীয় পয়েন্ট।

মিডক্যাপ শেয়ারগুলোর মধ্যে কেপিআইটি টেকনোলজিসের দর ৫৪ শতাংশ কমেছে। আদিত্য বিড়লা ফ্যাশন অ্যান্ড রিটেইলের শেয়ারদর ৫০ শতাংশ এবং পিবি ফিনটেকের ৪৪ শতাংশ কমেছে। মুথুট ফাইন্যান্সের দরপতন হয়েছে ৩৮ শতাংশ, আর পিআই ইন্ডাস্ট্রিজের কমেছে ৩৭ শতাংশ।

ছোট মূলধনি কোম্পানির শেয়ারেও একই ধরনের ধস দেখা গেছে। কেকেইসি ইন্টারন্যাশনালের শেয়ারদর ৫৬ শতাংশ কমেছে, ইনক্স উইন্ডের ৫২ শতাংশ এবং জুপিটার ওয়াগনসের ৪৯ শতাংশ। আইআরসিওএন ইন্টারন্যাশনালের দর ৪৫ শতাংশ কমেছে, আর এনবিসিসির ৪৪ শতাংশ।

মিডক্যাপ ও স্মলক্যাপ—উভয় শ্রেণির আরও বেশ কয়েকটি শেয়ারের দর চলতি বছর ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কমেছে। বাজারে দরপতনের ব্যাপকতা বোঝা যায় সর্বশেষ সপ্তাহের পরিসংখ্যান থেকেও। নিফটি মিডক্যাপ ১০০ ও নিফটি স্মলক্যাপ ১০০ সূচকের অন্তর্ভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে মাত্র ছয়টির শেয়ার সর্বশেষ সপ্তাহে ইতিবাচক অবস্থানে থেকে লেনদেন শেষ করেছে।

কেন ভারতীয় বাজার থেকে অর্থ তুলে নিচ্ছেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা?

ভারতের শেয়ারবাজারে দরপতনের অন্যতম কারণ হচ্ছে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের ধারাবাহিক অর্থ প্রত্যাহার। গত ১ থেকে ১৫ অক্টোবরের মধ্যে বিদেশি পোর্টফোলিও বিনিয়োগকারীরা (এফপিআই) ভারতীয় শেয়ারবাজার থেকে নিট ৪৭ হাজার ৯৫৫ কোটি রুপি তুলে নিয়েছেন।

গিওটাস ডটকমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিক্রম সুব্বুরাজ এনডিটিভিকে বলেন, "শেয়ার থেকে অর্জিত মুনাফার ওপর বেশি কর, মুদ্রার বিনিময় হারের পরিবর্তন এবং কর-দায় নিয়ে অনিশ্চয়তা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য চ্যালেঞ্জ বাড়াচ্ছে।"

তিনি আরও বলেন, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের ব্যয় বাড়িয়েছে ভারত। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে কেন্দ্রীয় বাজেটে নির্দিষ্ট তালিকাভুক্ত শেয়ার বিনিয়োগ থেকে অর্জিত দীর্ঘমেয়াদি মূলধনি মুনাফার করহার ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রযোজ্য শর্তসাপেক্ষে স্বল্পমেয়াদি মূলধনি মুনাফার করহার ১৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২০ শতাংশ করা হয়েছে।

এর ফলে শেয়ার বিক্রি করে মুনাফা অর্জনের পর বিনিয়োগকারীদের হাতে আগের তুলনায় কম অর্থ থাকছে। উদাহরণ হিসেবে, করযোগ্য দীর্ঘমেয়াদি মূলধনি মুনাফা প্রতি ১০০ রুপিতে এখন কর দেওয়ার পর বিনিয়োগকারীর হাতে থাকে ৮৭ দশমিক ৫০ রুপি। আগে থাকত ৯০ রুপি। এই হিসাবের মধ্যে অতিরিক্ত সারচার্জ ও সেস অন্তর্ভুক্ত নয়।

বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য রুপির বিনিময় হারও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিনিয়োগের সময়কালে মার্কিন ডলারের বিপরীতে রুপির দর কমে গেলে ডলারে হিসাব করার সময় তাদের প্রকৃত মুনাফা কমে যায়।

তবে শুধু কর বৃদ্ধি দিয়ে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বিপুল অর্থ প্রত্যাহারের ব্যাখ্যা দেওয়া সম্ভব নয়। বৈশ্বিক বাজার পরিস্থিতি, শেয়ারের মূল্যায়ন, ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি এবং ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক প্রত্যাশাও বিনিয়োগকারীদের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলে।

সুব্বুরাজ জানান, গত ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত বিদেশি বিনিয়োগকারীদের হেফাজতে থাকা ভারতীয় শেয়ারসম্পদের মূল্য ছিল ৬৫ লাখ ৯৪ হাজার কোটি রুপি। তারা এসব বিনিয়োগ বাড়াবেন, নাকি আরও কমাবেন—তার ওপরও বাজারের ভবিষ্যৎ গতিপথ নির্ভর করবে।

কর-দায় নিয়ে অনিশ্চয়তাও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে

সুব্বুরাজের মতে, একটি তহবিলের ভেতরে বিনিয়োগ এক খাত থেকে অন্য খাতে স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কর-দায় কীভাবে নির্ধারিত হবে, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে। কোনো কোনো বিনিয়োগকারী অর্থ তুলে নেওয়ার পরও করের দাবি আসতে পারে। তহবিল পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে স্পষ্ট নিয়ম এবং কর-দায় নিষ্পত্তির নির্ভরযোগ্য ব্যবস্থা থাকলে এসব উদ্বেগ কমানো সম্ভব।

তিনি বলেন, "শুধু করহার কমালেই এসব সমস্যার সমাধান হবে না। সরকারের উচিত, কর বাড়ানোর ফলে রাজস্ব কতটা বাড়ছে, তার পাশাপাশি তহবিলগুলোর বাস্তব সমস্যাগুলোও পর্যালোচনা করা।"

সব মিলিয়ে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অর্থ প্রত্যাহার, বড় ও ছোট কোম্পানির শেয়ারদরে ব্যাপক পতন এবং কর-সংক্রান্ত অনিশ্চয়তা ভারতের শেয়ারবাজারে চাপ বাড়িয়েছে। এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ২০০৮ সালের বৈশ্বিক আর্থিক সংকটের পর সবচেয়ে খারাপ বার্ষিক পারফরম্যান্সের মুখে পড়তে পারে দেশটির শেয়ারবাজার। তবে বছর শেষে বাজারের প্রকৃত অবস্থান নির্ভর করবে বিনিয়োগকারীদের আস্থা, বৈশ্বিক পরিস্থিতি এবং অর্থপ্রবাহের পরিবর্তনের ওপর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নির্বাচনি প্রচারে ট্রাম্পের বিতর্কিত কৌশল ও ভোটারদের জন্য সুবিধার প্রস্তাব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩০ পি.এম


নির্বাচনি প্রচারে ট্রাম্পের বিতর্কিত কৌশল ও ভোটারদের জন্য সুবিধার প্রস্তাব

অনুন্নত বা তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে নির্বাচনের পূর্বে ভোট কেনা-বেচা বা ভোটারদের লোভ দেখানোর জন্য প্রার্থীরা নানা অঙ্গীকার করে থাকেন। তবে উন্নত বিশ্বে বিষয়গুলো ভিন্ন। নিয়মের বাইরে কিছু করা কঠিন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার প্রমাণ করেছেন যে, প্রচলিত রীতি-নীতি তার জন্য প্রযোজ্য নয়। নিয়ম ভাঙার মধ্যে তার আনন্দ রয়েছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে, গত মাসে রিপাবলিকানদের একটি কনভেনশনে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ভোটারদের একটি বিতর্কিত প্রস্তাব দেন তিনি- রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতায় রাখুন এবং প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক আমেরিকান ৫ হাজার ডলার পাবেন। এই প্রস্তাব নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হলেও ট্রাম্পের কোনো উদ্বেগ নেই। বরং তিনি বিভিন্ন রাজ্যে স্থানীয় সমস্যা নিয়ে ভোটারদের প্রলুব্ধ করার জন্য নানা অঙ্গীকার করেন, যা বাস্তবে করা সম্ভব নয়।

প্রকৃতপক্ষে, গুরুত্বপূর্ণ সিনেট লড়াই চলমান রাজ্যগুলোর প্রায় অর্ধেকটিতে ট্রাম্প ভোটারদের নির্দিষ্ট কিছু সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব করেছেন, যদি তারা রিপাবলিকানদের ভোট দেন। সমালোচনার মুখে, তিনি বা তার সহযোগীরা বলেন, এটি কৌতুক। কিন্তু দিন দিন এসব আর কৌতুক থাকছে না। ট্রাম্পের অতীতের কার্যক্রম বিবেচনায় এই তথাকথিত কৌতুকগুলোকে উড়িয়ে দেওয়া কঠিন।

নির্বাচনে জিতলে এবং কংগ্রেসে ক্ষমতা পেলে কোন কোন অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়ন করবেন, তা ভোটারদের জানানো স্বাভাবিক। তবে, ট্রাম্প চাইলে অনেক প্রতিশ্রুতি এখনই পূরণ করতে পারতেন। কিন্তু তিনি তা না করে, একটি লক্ষণীয় লেনদেনমূলক উপায়ে এগুলোকে ভোটারদের মাথার ওপর ঝুলিয়ে রাখছেন। ভোট দিলে এগুলো করা হবে, নইলে নয়। অথচ অনেক অঙ্গীকার স্পর্শকাতর।

মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রচারণায় ট্রাম্পের কিছু বিনিময়মূলক অঙ্গীকার হলো:

১৬ সেপ্টেম্বর: নর্থ ক্যারোলিনার গ্যাস্টোনিয়াতে ট্রাম্প বলেন যে, তিনি রাজ্যের হারিকেন দুর্যোগ ত্রাণ সহায়তার বিষয়টি ভোটারদের দ্বারা রিপাবলিকান মাইকেল হোয়াটলিকে সিনেটে নির্বাচিত করার সাথে জুড়ে দেবেন। তিনি বলেন, ‘এখন, মাইকেল যদি হেরে যায়, আমি তা পাঠাচ্ছি না। ঠিক আছে?’ তবে এই দাবি করার পরপরই ট্রাম্প বলেন যে, তিনি কেবলই কৌতুক করছেন।

তবে তিনি কৌতুক করলেও, ট্রাম্প প্রশাসন রিপাবলিকান সমর্থিত রাজ্যগুলোতে দুর্যোগ সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে স্পষ্টতই বেশি উদার ও দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে এবং তারা সম্প্রতি আদালতে স্বীকার করেছে যে তারা অনুদান দেওয়ার সিদ্ধান্তগুলো সম্পূর্ণরূপে অনুদান গ্রহণকারী রাজ্যের রাজনৈতিক পরিচয়ের ওপর ভিত্তি করে নিয়েছিল।

৩ অক্টোবর: ওহাইওর ভ্যান্ডালিয়াতে ট্রাম্প বলেন, ’আপনি যখন প্রেসিডেন্ট হবেন, তখন রাজ্যগুলোর ওপর আপনার অনেক ক্ষমতা থাকে।’ তিনি বলেন যে, ওহাইওর রিপাবলিকান সিনেটররা তাদের রাজ্যের জন্য অর্থ বরাদ্দ পেতে ট্রাম্পের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ ব্যবহার করতে পারেন, তবে ডেমোক্র্যাটিক গভর্নর পদপ্রার্থী অ্যামি অ্যাক্টন সম্পর্কে তিনি যোগ করেন, ‘আমি সম্ভবত তাকে সাহায্য করব না। আমার মনে হয় সে আমাকে ঘৃণা করে।’

১৭ অক্টোবর: কেনটাকির হাইল্যান্ড হাইটসে ট্রাম্প বলেন, ’রিপাবলিকানরা জিতলে, ডিপার্টমেন্ট অব ওয়ার কেনটাকির উইনচেস্টারে একটি বিশাল ওষুধ উৎপাদন কারখানা পুনরুজ্জীবিত করতে ১০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে।’ এরপর তিনি যোগ করেন, ’কিন্তু ডেমোক্র্যাটরা জিতলে তা হবে না, কারণ তারা এটি করতে পারবে না।’

১৯ এবং ২২ অক্টোবর: কানসাসের পার্ক সিটি এবং আইওয়ার সিউক্স সিটি উভয় জায়গার সমাবেশে ট্রাম্প বলেন যে, রিপাবলিকানরা জিতলে তিনি ই-১৫ জ্বালানি স্থায়ীভাবে সারা বছর জুড়ে সহজলভ্য করবেন। আগের উপস্থিতিতে ট্রাম্প বলেন, ’রজার মার্শাল (কানসাসের রিপাবলিকান সিনেটর) সিনেটে থাকলে আমরা সারা বছরব্যাপী ই-১৫ স্থায়ী করব।’ এবং পরে আরো বাড়িয়ে বলেন, ‘কিন্তু যদি অ্যাডাম হ্যামিল্টন (ডেমোক্র্যাট প্রার্থী) জেতেন, আমি তা করছি না। ব্যাস এটুকুই। আমি এটা কেবল মার্শালের জন্যই করছি।’

২০ অক্টোবর: নর্থ ক্যারোলিনার গ্রিনভিলে ট্রাম্প বলেন যে, ‘আমরা যদি হাউস এবং সিনেটে জিতি, তবে আমি বিচার বিভাগকে ক্যাম্প লেজুনে পানি দূষণ সংক্রান্ত সমস্ত অবশিষ্ট বৈধ দাবিগুলো যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দেব।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘সুতরাং, আমরা যদি না জিতি, কোনো টাকা নেই। আমরা যদি জিতি, আপনারা তা পাচ্ছেন।’

২৪ অক্টোবর: জর্জিয়ার পেরিতে ট্রাম্প বলেন যে, কৃষকদের জন্য সাহায্য এবং অন্যান্য অনুগ্রহের খোঁজ করা ডেমোক্র্যাটিক সিনেটর জন অসফের কোনো কল তিনি গ্রহণ করবেন না। ট্রাম্প একটি কাল্পনিক কথোপকথনের অবতারণা করে বলেন, ’তাকে বলে দাও আমি নেই। আমি নেই।’ কাল্পনিক, অন্য ব্যক্তিটি উত্তর দেয়, ’কিন্তু জর্জিয়ার জন্য তার অর্থের প্রয়োজন।’ ট্রাম্প বলেন, ’সে কী চায় তা নিয়ে আমি বিন্দুমাত্র পরোয়া করি না। আমি নেই।’

২৪ অক্টোবর: ট্রাম্প একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে ইঙ্গিত দেন যে, ডেমোক্র্যাটিক সাবেক প্রতিনিধি মেরি পেল্টোলা জিতলে তিনি আলাস্কার জন্য বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার দেওয়া বন্ধ করে দেবেন। ট্রাম্প বলেন, ’আমি আলাস্কার জন্য ঐতিহাসিক স্তরে অবদান রেখেছি।’ এবং পরে যোগ করেন, ’ডেমোক্র্যাটরা এই গুরুত্বপূর্ণ রিপাবলিকান আসনটি চুরি করার চেষ্টা করছে এবং তা যদি ঘটে, তবে আলাস্কার জন্য আমরা যা কিছু করেছি, তা অবিলম্বে বন্ধ হয়ে যাবে।’

এই মন্তব্যগুলোর মধ্যে কৌতুক হিসেবে প্রকাশ করা হোক বা আইনি পদক্ষেপের ইঙ্গিত হিসেবে ধরা হোক, সবগুলোর উদ্দেশ্য একদম স্পষ্ট। ট্রাম্প চান আমেরিকানরা রিপাবলিকানদের ভোট দেওয়ার বিষয়টিকে তার পক্ষ থেকে তাদের পছন্দের জিনিস পাওয়ার সাথে মিলিয়ে দেখুক। তবে রিপাবলিকানরা জিতলেও ২০২৬ সালের নির্বাচনের পর তিনি যেভাবে এই কাজগুলো সম্পন্ন করতে পারতেন, আজও তার কাছে ঠিক ততটুকুই ক্ষমতা রয়েছে বলে মনে হয়।

হারিকেন, ত্রাণ এবং ক্যাম্প লেজুনের কারণে বছরের পর বছর ধরে ভুগছেন এমন ভুক্তভোগীদের ক্ষতিপূরণের মতো মারাত্মক ও সংবেদনশীল বিষয়গুলো নিয়েও ট্রাম্প এই ধরনের লেনদেনের প্রস্তাব দিতেও দ্বিধা করেননি।

তবে ট্রাম্পের এই লেনদেনমূলক কৌশল রাজনৈতিকভাবে ভালো ফল দেবে কিনা, তা স্পষ্ট নয়। উদাহরণস্বরূপ, জরিপগুলো ইঙ্গিত করছে যে ট্রাম্পের ৫ হাজার ডলারের প্রস্তাবটি খুব একটা ইতিবাচক সাড়া পায়নি। গত মাসে একটি জরিপে দেখা গেছে যে নিবন্ধিত ভোটারদের অধিকাংশই মনে করছেন, ট্রাম্পের প্রতিশ্রুতিটি অনুপযুক্ত ছিল।

সাম্প্রতিক আরেকটি জরিপে দেখা গেছে, ৬ জন নিবন্ধিত ভোটারের মধ্যে ১ জনেরও কম মনে করেন যে রিপাবলিকানরা জিতলে তারা বাস্তবে এই অর্থ পাবেন। অধিকাংশ ভোটারই বলেছেন যে, ট্রাম্পের এই ধারণা সমর্থনকারী কোনো প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার সম্ভাবনা বাড়ার চেয়ে বরং তাদের ভোট না দেওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। কিন্তু সেই জরিপগুলো ট্রাম্পকে আরও বেশি লেনদেনমূলক প্রতিশ্রুতি দেওয়া থেকে বিরত রাখতে পারেনি। বরং, ২০২৬ সালের নির্বাচনি প্রচারণার এই শেষ মুহূর্তে এসে তা আরও গতি পেয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%