ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সৌদি বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় জামায়াতসহ বিভিন্ন দলের শোক ও নিন্দা


সৌদি বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় জামায়াতসহ বিভিন্ন দলের শোক ও নিন্দা

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার ফলে দুই বাংলাদেশিসহ মোট ১২ জনের মৃত্যু এবং অনেকের আহত হওয়ার ঘটনায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এই শোকের বার্তা রোববার গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়।

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, "এ ঘটনায় যারা প্রাণ হারিয়েছেন, আমি তাঁদের রূহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।" তিনি আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

তিনি আরও বলেন, "বেসামরিক নাগরিক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় এ ধরনের হামলা অত্যন্ত নিন্দনীয়।" নিরপরাধ মানুষের জীবনহানি কাম্য নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, "এ ধরনের সহিংসতা আঞ্চলিক শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলে।" তিনি আন্তর্জাতিক আইন ও মানবিক মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের মাধ্যমে বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের দায়িত্ব পালন করার আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন: তেলের দাম কমবে কবে: রুশ উপপ্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য

তিনি আরো বলেন, "সৌদি আরবে বসবাসরত ও কর্মরত বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি প্রবাসী দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।" তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান, আহতদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করা এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রয়োজনীয় সহায়তায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ তার শোক বিবৃতিতে বলেন, "পবিত্র ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সফররত ব্যক্তিসহ নিরীহ মানুষের হতাহত হওয়ার ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক।" তিনি বলেন, "বেসামরিক মানুষের জীবন ও নিরাপত্তা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সর্বোচ্চ সংবেদনশীলতা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে।"

তিনি সৌদি আরব ও ইয়েমেনের হুথি কর্তৃপক্ষের প্রতি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন যে, তাঁরা যেন পবিত্র ওমরাহ পালন করতে যাওয়া যাত্রীসহ সব বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেন। সংঘাতের কারণে নিরীহ মানুষের জীবনহানি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা তিনি তুলে ধরেন।

আরও পড়ুন: অরেগনের স্কুলে গুলিতে নিহত ৪, আহত ২; শোকে স্তব্ধ শহর

খেলাফত মজলিস

খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ এবং মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের নিহতদের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। তারা বাংলাদেশ সরকারের কাছে প্রবাসী বাংলাদেশীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানান। নেতারা মুসলিম বিশ্বের নেতৃবৃন্দকে চলমান সংঘাত বন্ধে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

ইসলামী আন্দোলন

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান তার শোক বাণীতে বলেন, "বেসামরিক জীবন বিপন্ন করা এবং বেসামরিক অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে এ ধরনের হামলা বরদাশতযোগ্য নয় এবং তা অবিলম্বে বন্ধ হওয়া উচিত।"

আরও পড়ুন: লালমনিরহাটে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ, বিজিবির বাধা

তিনি আঞ্চলিক শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে শত্রুতা বন্ধের পাশাপাশি বেসামরিক নাগরিক ও অবকাঠামোর সুরক্ষা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, "সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে চলমান সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ উন্মুক্ত করতে হবে।"

জমিয়তে উলামা

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সভাপতি শাইখুল হাদিস মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক এবং মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী বিবৃতিতে বলেন, "পবিত্র ভূমি সৌদি আরবে এ ধরনের হামলা অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়।" তারা বলেন, "নিরীহ মানুষের প্রাণহানি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।" এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

খেলাফত আন্দোলন

আরও পড়ুন: পিএমও ফেসবুক পেজটি দেখলে নাগরিকরা প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে গর্বিত হবে

বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমীর মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী তার বিবৃতিতে বলেন, "মুসলমানদের পবিত্র নগরী মক্বা-মদীনাকে শত্রুদের আক্রমণ ও ষড়যন্ত্র থেকে রক্ষা করার জন্য মুসলিম বিশ্বের শাসকসহ শান্তিকামি বিশ্ব নেতাদের জোরালো হস্তক্ষেপ কামনা করছি।" তিনি সৌদি ও বাংলাদেশ সরকারকে রাষ্ট্রীয়ভাবে এই ন্যক্কারজনক সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানাতে এবং শহীদ পরিবারের খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি আহতদের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করার দাবি জানান।

নেজামে ইসলাম পার্টি

বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির আমীর (ভারপ্রাপ্ত) মাওলানা আবদুল কাইয়ুম সুবহানী এবং মহাসচিব মাওলানা মুসা বিন ইযহার বিবৃতিতে বলেন, "বেসামরিক বিমানবন্দর ও নিরপরাধ মানুষকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।" তারা বলেন, "এ ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক আইন ও মানবিক মূল্যবোধের পরিপন্থী এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিদ্যমান অস্থিতিশীলতাকে আরও বিপজ্জনক করে তুলতে পারে।"

তারা আরও বলেন, "রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলা শুধু সৌদি আরবের নিরাপত্তার ওপর আঘাত নয়; এটি আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তার জন্যও গুরুতর হুমকি।" তারা এ হামলার তীব্র নিন্দা জানান।

আরও পড়ুন: নেত্রকোণায় সাংবাদিক আলিফ হত্যায় অপূর্ব নামে যুবক আটক

খেলাফত আন্দোলন

বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের (একাংশ) আমির আল্লামা আবু জাফর কাসেমী এবং মহাসচিব মুফতি ফখরুল ইসলাম বিবৃতিতে বলেন, "সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে ওমরা যাত্রীদের বহনকারী বিমানের ওপর হুতীতের হামলা অত্যন্ত নেককার জনক ও হৃদয়বিদারক ঘটনা, এটা কোনক্রমেই গ্রহণ করা যায় না।" তারা বলেন, "সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও বিমানবন্দরের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার মতো যেকোনো হামলা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।" তারা এ ধরনের হামলা আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার জন্য হুমকি স্বরূপ বলেও মন্তব্য করেন। তারা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতের বুলেট ট্রেন প্রকল্পে বিলম্ব ও বিরোধের সৃষ্টি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৫৪ পি.এম


ভারতের বুলেট ট্রেন প্রকল্পে বিলম্ব ও বিরোধের সৃষ্টি

ভারত প্রথম বুলেট ট্রেন চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় জাপানের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছিল, যারা উচ্চগতির রেলের উদ্ভাবক এবং সহজ শর্তে অর্থায়নে আগ্রহী। কিন্তু এক দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এই রেলপথে এখনো কোনো যাত্রী পরিবহন সম্ভব হয়নি। প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্ব, লাগামহীন খরচ বৃদ্ধি এবং সরঞ্জাম সংগ্রহের প্রক্রিয়া নিয়ে একটি তিক্ত বিরোধ এখন প্রকাশ্যে এসেছে। ফলে দেশ দুটির অবকাঠামোগত উচ্চাকাঙ্ক্ষার মধ্যে যে মৌলিক মতপার্থক্য রয়েছে, তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। খবর ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ভারতের রেল নেটওয়ার্ক আধুনিকীকরণের লক্ষ্যে মুম্বাই ও আহমেদাবাদকে সংযুক্তকারী ৫০৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রেললাইনটির পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এটি বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম রেল নেটওয়ার্ক আধুনিকায়ন ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অন্যতম বড় উদ্যোগ ছিল।

গতি, নির্ভরযোগ্যতা এবং দক্ষতার জন্য জাপানের বুলেট ট্রেন বিশ্বজুড়ে ঈর্ষণীয়। তাই দিল্লি এ কাজের জন্য টোকিওর সঙ্গে চুক্তি করে। ২০১৫ সালে দেশ দুটি ১ হাজার ৫০০ কোটি (১৫ বিলিয়ন) ডলারের—যা প্রায় ৯৮ হাজার কোটি রুপি—একটি চুক্তিতে সম্মত হয়। এই চুক্তির আওতায় জাপান ৫০ বছর মেয়াদি ঋণ প্রদান করে, যার সুদের হার মাত্র ০.১ শতাংশ।

ট্রেন চালুর প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২০২৩ সাল। তবে জমি অধিগ্রহণের দীর্ঘ প্রক্রিয়ার কারণে প্রকল্প বাস্তবায়ন অনেক পিছিয়ে যায়। দিল্লি সরকারের হিসাব অনুযায়ী, প্রকল্পটির আনুমানিক ব্যয় বেড়ে ১ হাজার ৯৫০ কোটি ডলারে (প্রায় ১ লাখ ৮৭ হাজার কোটি রুপি) দাঁড়িয়েছে। এসব বিষয় নিয়ে সাম্প্রতিক মাসগুলোয় দেশ দুটির মধ্যে টানাপোড়েন চরম আকার ধারণ করে।

জাপানের সাবেক বিচারমন্ত্রী হিদেকি মাকিহারা গত জুলাই মাসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) লেখেন, "প্রকল্পের অগ্রগতি না হওয়ার পেছনে শতভাগ দায়ী ভারত। তারা কখনোই তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে না।"

এদিকে জাপানি কর্মকর্তারা দিল্লির বিরুদ্ধে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছেন। তাদের দাবি, সিগন্যালিং ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ আন্তর্জাতিক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠান জার্মান শিল্পগোষ্ঠী সিমেন্সকে দেওয়া হয়েছে। জাপানের বুলেট ট্রেনের নির্ভরযোগ্যতা, নিরাপত্তা এবং সময়ানুবর্তিতা বজায় থাকে একটি সমন্বিত ব্যবস্থার কারণে। সেখানে জাপানি রেল ট্র্যাক, ইউরোপীয় সিগন্যালিং ব্যবস্থা এবং ভারতীয় ট্রেনের সংমিশ্রণে তৈরি একটি ‘হাইব্রিড’ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ পরীক্ষাহীন।

বিশ্লেষকেরা জানিয়েছেন, ভারতের এই পদক্ষেপ ‘জেআর ইস্ট’-এর নেতৃত্বাধীন জাপানি প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোকে চরম হতাশ ও ক্ষুব্ধ করেছে।

জাপানি প্রকল্পসংশ্লিষ্ট এক ব্যক্তি পরিস্থিতিকে ‘বিশৃঙ্খলাপূর্ণ’ বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি জানান, আলোচনা বর্তমানে অচলাবস্থায় রয়েছে। তবে জেআর ইস্ট সুনির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনায় এই প্রকল্প তদারকির জন্য জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি নতুন পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। অন্যদিকে ভারত ইঙ্গিত দিয়েছে, তারা নিজস্ব প্রযুক্তিতে উচ্চগতির ট্রেন তৈরি করতে পারে, যা জাপানি ট্রেনগুলোর সক্ষমতার সমতুল্য হবে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ভারতের রেল মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, "উভয় পক্ষ এই বিষয়ে সম্পূর্ণ একমত এবং বিস্তারিত আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমেই সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়েছে।"

ইতোমধ্যে আহমেদাবাদ-মুম্বাই রুটে ভারতে তৈরি ‘সেমি হাইস্পিড’ বন্দে ভারত ট্রেন চলাচল করছে। তা ছাড়া রেল মন্ত্রণালয় প্রায় ৪ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ সাতটি হাইস্পিড রেল করিডোর চিহ্নিত করেছে। এর মাধ্যমে ১৬ লাখ কোটি রুপি (১৬৭ বিলিয়ন ডলার) বিনিয়োগ আকর্ষণ করা যাবে বলে দেশটি আশা করছে।

ভারত জানিয়েছে, আগামী গ্রীষ্মে এই উচ্চগতির রুটের মাত্র ১০০ কিলোমিটারের একটি অংশ চালু হবে। এতে অপেক্ষাকৃত ধীরগতির ভারতে তৈরি ট্রেন ব্যবহার করা হবে। যদিও জাপানি কূটনীতিকেরা জানিয়েছেন, প্রথম ধাপটি মাত্র ৫০ কিলোমিটারজুড়ে হতে পারে। তবে এই সময়সীমার বিষয়েও তারা সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজ সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারদলীয় এমপিদের বৈঠক অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৫৪ পি.এম


আজ সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারদলীয় এমপিদের বৈঠক অনুষ্ঠিত

ঢাকা, ১১ অক্টোবর, ২০২৬ : সরকারদলীয় সংসদ সদস্যদের (এমপি) সভা প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ রোববার সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদ ভবনের সরকারদলীয় সদস্যদের সভাকক্ষে এ সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি তথ্য প্রদান করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা: অভিযুক্ত শনাক্ত, গ্রেপ্তার হয়নি কেউ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৫৫ পি.এম


রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা: অভিযুক্ত শনাক্ত, গ্রেপ্তার হয়নি কেউ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় অভিযুক্তদের পরিচয় শনাক্ত হওয়ার পর সাত দিন অতিবাহিত হলেও পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়নি।

ঘটনার ভিডিও ফুটেজ, ছবি ও অন্যান্য তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা হলেও গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যায়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্ত কমিটি কিছু ব্যক্তির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছে। তবে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার না হওয়ায় সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

সাংবাদিকদের অভিযোগ, হামলার পরেও অভিযুক্তরা অনলাইন ও অফলাইনে বিভিন্নভাবে হুমকি প্রদান করে চলেছে। এর ফলে ক্যাম্পাসে সাংবাদিকদের নিরাপত্তাহীনতা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

এদিকে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছেন।

তাদের অভিযোগ, হামলার ভিডিও ফুটেজ, ছবি ও অন্যান্য তথ্যপ্রমাণ প্রশাসন ও পুলিশের কাছে থাকা সত্ত্বেও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে না। সরকারদলীয় ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মী হওয়ায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে গড়িমসি করা হচ্ছে বলেও তাদের দাবি। দ্রুত অভিযুক্তদের আইনের আওতায় এনে ক্যাম্পাসে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুমকি দিয়েছেন তারা।

অভিযুক্তদের পরিচয় শনাক্ত হওয়ার পরও গ্রেপ্তার না করায় প্রশাসনের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাংবাদিক নেতারা।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের জিসান বলেন, ‘সাংবাদিকদের মারধরের ঘটনার সাত দিন পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি। এটি পুলিশের একটি বড় ব্যর্থতা। ঘটনার অভিযুক্তদের সব ধরনের ডকুমেন্ট থাকার পরেও কেন তাদের আটক করা হচ্ছে না, এটি একটি বড় প্রশ্ন। আমরা পুলিশ প্রশাসনকে বলতে চাই, আপনারা দ্রুত তাদের আটক করুন। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানাতে চাই, আপনারা পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত তাদের শাস্তির আওতায় নিয়ে আসুন।’

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (রাবিসাস) সভাপতি মীর কাদির বলেন, ‘সন্ত্রাসীরা চিহ্নিত হলেও প্রশাসন তাদের গ্রেপ্তার করছে না। সরকারদলীয় ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মী হওয়ায় প্রশাসন তাদের ধরছে না। প্রশাসন স্পষ্টভাবে সন্ত্রাসীদের পক্ষ নিচ্ছে। যদি সন্ত্রাসীরা অতি দ্রুত গ্রেপ্তার না হয়, তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীরা বৃহত্তর আন্দোলনের দিকে যেতে বাধ্য হবে।’

এর আগে গত ৪ অক্টোবর রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের হামলার শিকার হন সাংবাদিকেরা। এতে ক্যাম্পাস সাংবাদিক জাহিদুল ইসলাম, মাঈনুল ইসলাম রাজু, আরিফ উজ জামান কোরবান ও নূর আহসান মৃদুল আহত হন। এ ঘটনায় সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীসহ অন্তত ১০ জন আহত হন।

ঘটনার পরদিন হল প্রশাসন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করে। একই সঙ্গে হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করতে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে হামলার পর থেকেই অভিযুক্তদের নাম উল্লেখ করে মামলা ও দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে আসছেন সাংবাদিকেরা। মামলায় আসামিদের নাম উল্লেখ না থাকায় তাদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনার ভিডিও ফুটেজ, ছবি ও বিভিন্ন তথ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণে হামলায় জড়িত হিসেবে যাদের শনাক্ত করা হয়েছে, তাদের মধ্যে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি ও আইন বিভাগের ২০১৩–১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এম আহসান হাবীব, ছাত্রদলকর্মী ও অর্থনীতি বিভাগের ২০২১–২২ শিক্ষাবর্ষের সাবেক শিক্ষার্থী বিশাল চক্রবর্তী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ইতিহাস বিভাগের ২০১৭–১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী হাসিবুল ইসলাম, সহদপ্তর সম্পাদক ও সংগীত বিভাগের ২০১৯–২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আলম অথী, সহসভাপতি ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৩–১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শরিফুল ইসলাম, সহসভাপতি ও আইবিএর ২০১৭–১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তাকবীর আহমেদ ইমন, সহসাধারণ সম্পাদক ও ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০১৯–২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সৈয়দ সাজহারুল ইসলাম এবং গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলকর্মী তানিম রহমান।

গত ৯ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্ত কমিটি উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলামের কাছে প্রতিবেদন ও সুপারিশ জমা দেয়। এতে শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি এম আহসান হাবীব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল ইসলাম, কর্মী বিশাল চক্রবর্তী এবং শহীদ জিয়াউর রহমান হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) আরিফুল ইসলামের ছাত্রত্ব সাময়িকভাবে বাতিলের সুপারিশ করা হয়। এ ছাড়া আরও চারজনের বিরুদ্ধে অধিকতর তদন্ত এবং তিনজনকে সতর্ক করার সুপারিশ করেছে কমিটি। তবে এসব সুপারিশের পরও মামলায় কাউকে গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি।

এর আগে হামলার ঘটনায় সাংগঠনিক ব্যবস্থা হিসেবে শাখা ছাত্রদলের তিন নেতাকর্মীকে পদ ও প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে বহিষ্কার করে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। একই সঙ্গে আরও ছয়জনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।

এদিকে পুলিশ জানায়, তদন্ত শেষে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কাজলা পুলিশ ফাঁড়ির কর্মকর্তা মোস্তাক জানান, তদন্ত এখনো চলছে। ভুক্তভোগীদের মেডিকেল সনদের জন্য আবেদন করা হয়েছে। সনদ সংগ্রহের পর সাক্ষ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করতে হবে। পুরো প্রক্রিয়ায় কিছুটা সময় লাগবে। তদন্ত শেষে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি পুলিশ এখনো তদন্ত করছে। তবে আমাদের সিন্ডিকেটের বিষয়টির ডেট ঠিক করেছি। যদিও বন্ধের পরে ডাকব ভেবেছিলাম। তবে আগেই ডেকেছি, যাতে যত দ্রুত সম্ভব এটি সুরাহা হয়। বাকি গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিয়ে আমি প্রক্টরের সঙ্গে কথা বলেছি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাগেশ্বরীতে ১৫ সার ডিলারের রাজনৈতিক পরিচয় প্রকাশ করল উপজেলা বিএনপি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:০০ পি.এম


নাগেশ্বরীতে ১৫ সার ডিলারের রাজনৈতিক পরিচয় প্রকাশ করল উপজেলা বিএনপি

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় নতুন নিয়োগ পাওয়া ১৫ জন সার ডিলারের রাজনৈতিক পরিচয়, দলীয় পদ-পদবি ও পারিবারিক সম্পর্কের তথ্য প্রকাশ করেছে উপজেলা বিএনপি। রবিবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে দলীয় প্যাডে প্রস্তুত করা তালিকাটি নাগেশ্বরী সাংবাদিক ইউনিয়নের কাছে সরবরাহ করেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক গোলাম রসুল রাজা।

দলীয় প্যাডে গোলাম রসুল রাজা উল্লেখ করেন, সার ডিলার নিয়োগ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও গুজব ছড়ানো হচ্ছে। সার ডিলার নিয়োগ সরকারের প্রশাসনিক দপ্তরের মাধ্যমে সম্পন্ন হয় এবং এ নিয়োগে বিএনপির কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তবে নতুন নিয়োগ পাওয়া ডিলারদের রাজনৈতিক পরিচয়, দলীয় পদ-পদবি ও পারিবারিক সম্পর্কের তথ্য তালিকায় তুলে ধরা হয়েছে।

তালিকা অনুযায়ী, নাগেশ্বরী পৌরসভার মেসার্স ফারাজি ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মো. আবু তাহেরকে বিএনপির কর্মী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। দলীয় প্যাডে বলা হয়েছে, তিনি বিভিন্ন সময়ে ছাত্রদল ও যুবদলের বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

রামখানা ইউনিয়নের মেসার্স শামীম রেজা জুয়েল ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী শামীম রেজা জুয়েল ঢাকা দক্ষিণ মহানগর যুবদলের সদস্য বলে তালিকায় উল্লেখ রয়েছে। তিনি রামখানা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ মাসুদ পারভেজের ছোট ভাই।

রায়গঞ্জ ইউনিয়নের মেসার্স ইসলাম ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মো. শফিকুল ইসলাম নাগেশ্বরী মহিলা কলেজের সাবেক সহকারী অধ্যাপক এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সোহরাওয়ার্দী হল শাখা ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি বলে দলীয় প্যাডে উল্লেখ করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি বিএনপির সক্রিয় কর্মী বলেও এতে দাবি করা হয়েছে।

হাসনাবাদ ইউনিয়নের মেসার্স কামাল ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মো. আ. আজাদ আলীকে ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আব্দুর রশিদের বড় ভাই এবং ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচয় দেওয়া হয়েছে। বেরুবাড়ী ইউনিয়নের কোহিনুর ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী কোহিনুর বেগম ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুস শফি মোল্লার স্ত্রী এবং ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক মহিলা বিষয়ক সম্পাদক বলে তালিকায় উল্লেখ রয়েছে।

ভিতরবন্দ ইউনিয়নের মেসার্স সায়েম ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মো. রতন মিয়াকে ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর বাবা আব্বাস আলী চান মেম্বার ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও সাবেক সহসভাপতি বলে দলীয় প্যাডে বলা হয়েছে। কেদার ইউনিয়নের মেসার্স আলমগীর ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মোছা. ইয়াসমিন খাতুন ইউনিয়ন বিএনপির সদস্যসচিব প্রভাষক মোহাম্মদ আলীর স্ত্রী।

কচাকাটা ইউনিয়নের মেসার্স ক্বারী ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মো. সাইফুর রহমানের সঙ্গে উপজেলা কৃষক দলের সদস্যসচিব মো. শহিদুল ইসলাম আলমের পারিবারিক সম্পর্কের কথা তালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে। বল্লভেরখাস ইউনিয়নের মেসার্স জাহাঙ্গীর ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মো. আব্দুর রশিদ সরকারকে ইউনিয়ন বিএনপির সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচয় দেওয়া হয়েছে। তিনি ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে আহত জুলাই যোদ্ধা আলমগীরের বাবা বলেও তালিকায় উল্লেখ রয়েছে।

সন্তোষপুর ইউনিয়নের মেসার্স খালেদা ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মো. খলিলুর রহমানকে নিজের ঘনিষ্ঠ আত্মীয় ও বিএনপির কর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন পৌর বিএনপির সদস্যসচিব মো. আজিজুল হক। নেওয়াশী ইউনিয়নের মেসার্স রহমান ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মো. আব্দুর রহমানকে নির্দলীয় ব্যবসায়ী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের মেসার্স রিদম এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. রওশন আলী খান নাগেশ্বরী মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক আফরোজা বেগমের স্বামী বলে দলীয় প্যাডে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে আফরোজা বেগমের সঙ্গে কুড়িগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মো. আনোয়ারুল ইসলামের পারিবারিক সম্পর্কের কথাও এতে তুলে ধরা হয়েছে।

নারায়ণপুর ইউনিয়নের মেসার্স ইয়াকুব আলী ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মো. ইয়াকুব আলী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নারায়ণপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড শাখার সভাপতি বলে তালিকায় উল্লেখ রয়েছে। কালীগঞ্জ ইউনিয়নের মেসার্স দিপালী ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী শ্রী দিপু চন্দ্র সরকারকে বিএনপি-সমর্থিত পূজা উদ্‌যাপন ফ্রন্টের সদস্য হিসেবে পরিচয় দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, নুনখাওয়া ইউনিয়নের মেসার্স মোল্লা ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মো. আনোয়ার হোসেনকে নির্দলীয় ব্যবসায়ী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

উপজেলা বিএনপির সরবরাহ করা তালিকায় ১৫ জন সার ডিলারের রাজনৈতিক পরিচয়, দলীয় পদ-পদবি ও পারিবারিক সম্পর্কের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে সার ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বিএনপির সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেছেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক গোলাম রসুল রাজা।

তবে তালিকায় উল্লেখ করা রাজনৈতিক পরিচয় ও পারিবারিক সম্পর্কের তথ্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য বা স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়েছে কি না, তা প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%