ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হরমুজ প্রণালীর কাছে মার্কিন অ্যাপাচি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত


হরমুজ প্রণালীর কাছে মার্কিন অ্যাপাচি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত

হরমুজ প্রণালীর কাছে মার্কিন সেনাবাহিনীর একটি অ্যাপাচি গানশিপ হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, হেলিকপ্টারটির পাইলটরা নিরাপদ আছে।

ওয়াশিংটন ডিসিতে ফেরার আগে জন এফ. কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়েতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ‘কেউ আহত হয়নি’ (হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের ঘটনায়)।

আরও পড়ুন: রাশিদা তালিবের মুসলিমবিদ্বেষী বক্তব্যের নিন্দা, নেতিবাচক প্রভাবের সতর্কতা

এ ঘটনায় একটি আনুষ্ঠানিক তদন্ত প্রতিবেদন মঙ্গলবারের (৯ জুন) মধ্যেই প্রকাশ করা হবে বলেও তিনি জানান।

তবে হেলিকপ্টারটি ইরানের গুলিতে ভূপাতিত হয়েছে, নাকি যান্ত্রিক ত্রুটি বা অন্য কোনো কারণে বিধ্বস্ত হয়েছে—তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট নয়।

এই বিষয়ে অবগত দুই ব্যক্তির বরাতে নিউইয়র্ক টাইমস মঙ্গলবার এমন তথ্য প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড হরমুজ প্রণালীতে ইরানের আরোপিত অবরোধ মোকাবিলার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে অ্যাপাচি হেলিকপ্টার, যুদ্ধবিমান এবং ড্রোন ব্যবহার করে আসছে।

আরও পড়ুন: জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নিউইয়র্ক টাইমস আরও জানিয়েছে, ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর এটি প্রথম অ্যাপাচি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা। একই সময়ে ইরান দাবি করেছে, তারা ৩০টি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন ভূপাতিত করেছে।

সাধারণত টহল ও নজরদারি মিশনে ব্যবহৃত হলেও, সম্প্রতি অ্যাপাচি হেলিকপ্টারগুলো আরও গভীর এলাকায় অভিযান চালাচ্ছে, যা সেন্টকমের আরও আক্রমণাত্মক অবস্থান প্রদর্শনের প্রচেষ্টার অংশ বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে সেন্টকম রোববার এক বিবৃতিতে জানায়, হরমুজ প্রণালীতে আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলের জন্য হুমকি হয়ে ওঠা দুটি ইরানি ড্রোন তারা গুলি করে ভূপাতিত করেছে। একই সঙ্গে মার্কিন বাহিনী ইরানের যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা অব্যাহত রাখতে প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানানো হয়।

আরও পড়ুন: ইস্তাম্বুলে মুসলিম উম্মাহর ঐক্য শীর্ষক তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাজিলকে ৭ গোল দিয়েছে কোন কোন দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:০৭ পি.এম


ব্রাজিলকে ৭ গোল দিয়েছে কোন কোন দেশ

ফুটবল ইতিহাসে ব্রাজিলকে সাধারণত ধরা হয় শক্তিশালী রক্ষণভাগ ও বড় ব্যবধানে হার এড়ানোর জন্য পরিচিত এক পরাশক্তি হিসেবে। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে জয় পাওয়া প্রতিপক্ষের সংখ্যা খুবই সীমিত। তবে দীর্ঘ ফুটবল ইতিহাসে এমন দুটি বিরল ম্যাচ আছে, যেখানে ব্রাজিল এক ম্যাচে ৭ বা তার বেশি গোল হজম করেছে এবং সেই কৃতিত্ব অর্জন করেছে মাত্র দুটি দেশ।

এই ধরনের প্রথম ঘটনা ঘটে ১৯৩৪ সালের ৩ জুন। বেলগ্রেডে অনুষ্ঠিত এক প্রীতি ম্যাচে ব্রাজিল মুখোমুখি হয় যুগোস্লাভিয়ার। ম্যাচের শুরুটা ছিল ব্রাজিলের জন্য আশাব্যঞ্জক মাত্র ৮ মিনিটেই তারা গোল করে এগিয়ে যায়।

তবে সময় যত গড়ায়, ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় স্বাগতিকদের হাতে। একের পর এক আক্রমণে ব্রাজিলের রক্ষণভাগ ভেঙে পড়ে। শেষ পর্যন্ত যুগোস্লাভিয়া ম্যাচটি ৮-৪ ব্যবধানে জিতে নেয়। এই ম্যাচটিই ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ব্রাজিলের এক ম্যাচে ৭ বা তার বেশি গোল হজমের ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়।

প্রায় আট দশক পর দ্বিতীয়বার একই ধরনের ধস নামে ব্রাজিলের ওপর। ২০১৪ সালের ফিফা বিশ্বকাপে ঘরের মাঠে সেমিফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ ছিল জার্মানি।

বেলো হরিজন্তের মিনেইরাও স্টেডিয়ামে সেই ম্যাচ শুরু থেকেই একতরফা হয়ে ওঠে। আক্রমণাত্মক জার্মানি মাত্র ২৯ মিনিটেই ৫ গোল করে ফেলে। শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ফল দাঁড়ায় ৭-১, যা বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম চাঞ্চল্যকর ফল হিসেবে বিবেচিত।

ব্রাজিলের একমাত্র সান্ত্বনাসূচক গোলটি করেন অস্কার।

এই দুটি ম্যাচই ফুটবল ইতিহাসে ব্যতিক্রমী ঘটনা হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। ব্রাজিলের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে এক ম্যাচে ৭ বা তার বেশি গোল করার কীর্তি গড়েছে মাত্র দুটি দেশ যুগোস্লাভিয়া এবং জার্মানি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুয়েতে বৈদ্যুতিক ক্যাবল চুরির অভিযোগে বাংলাদেশিসহ ৫ জন গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:১০ পি.এম


কুয়েতে বৈদ্যুতিক ক্যাবল চুরির অভিযোগে বাংলাদেশিসহ ৫ জন গ্রেফতার

কুয়েতে বিদ্যুৎ অবকাঠামোর ক্যাবল চুরি করে বিক্রির অভিযোগে পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, যার মধ্যে রয়েছে মিশরীয় ও বাংলাদেশি। অভিযানে বিপুল পরিমাণ বৈদ্যুতিক ক্যাবল, তামার সামগ্রী এবং তার কাটার সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।

কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা সন্দেহভাজনদের আটক করার জন্য দীর্ঘদিন নজরদারি এবং অনুসন্ধানের কার্যক্রম চালিয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বিভিন্ন পরিমাণ বৈদ্যুতিক ক্যাবল, তামার সামগ্রী এবং তার কাটার কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্তরা এই অপরাধের কথা স্বীকার করেছে এবং জানিয়েছে যে তারা বিদ্যুৎ অবকাঠামোর ক্যাবল বারবার চুরি করে সেগুলো বিক্রি করেছে।

তদন্তের একপর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একটি গুদামের সন্ধান পায়, যেখানে চুরি করা মালামাল সংরক্ষণ করা হতো। তদন্তের সময় জানা যায়, গুদামটি কুয়েতের একজন নাগরিকের মালিকানাধীন এবং মাসিক ২০০ কুয়েতি দিনারের বিনিময়ে অভিযুক্তদের কাছে ভাড়া দেয়া হয়েছিল।

পরিদর্শনের সময় গুদামটিতে পৌরসভার বিধিমালা ও কুয়েত ফায়ার ফোর্সের অগ্নি-নিরাপত্তা নির্দেশনা লঙ্ঘনের প্রমাণও পাওয়া যায়। পরবর্তীতে কুয়েত ফায়ার ফোর্স আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে গুদামটি বন্ধের নির্দেশ দেয়। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং জব্দকৃত আলামতসহ তাদের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সরকারি অবকাঠামো চুরি ও ভাঙচুরের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্রান্স ও জার্মানির যৌথ যুদ্ধবিমান প্রকল্প বাতিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:১৪ পি.এম


ফ্রান্স ও জার্মানির যৌথ যুদ্ধবিমান প্রকল্প বাতিল

ঢাকা, ৯ জুন, ২০২৬ : সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর মধ্যে দীর্ঘকাল ধরে চলা মতবিরোধের কারণে ফ্রান্স এবং জার্মানি যৌথভাবে পরিচালিত যুদ্ধবিমান কর্মসূচি বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বার্লিন সোমবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। ইউরোপের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করার প্রচেষ্টার জন্য এটি অত্যন্ত বড় একটি ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বার্লিন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবরটি জানিয়েছে। ২০১৭ সালে ফিউচার কমব্যাট এয়ার সিস্টেম (এফসিএএস) প্রকল্পটি উদ্বোধন করা হয়েছিল। এর লক্ষ্য ছিল ফ্রান্সের রাফাল যুদ্ধবিমান এবং জার্মানি ও স্পেনের ব্যবহৃত ইউরোফাইটার বিমানের বিকল্প তৈরি করা।

রাশিয়ার সঙ্গে চলমান উত্তেজনা এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতির বিশেষ পরিপ্রেক্ষিতে ইউরোপীয় দেশগুলো যখন প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে আরও ঘনিষ্ঠভাবে সহযোগিতার চেষ্টা করছে, তখন এ প্রকল্পটি সেই প্রচেষ্টার গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলোর একটি বলে মনে করা হচ্ছিল।

তবে বহু বিলিয়ন ডলারের এই কর্মসূচি শুরু থেকেই সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর মতবিরোধের কারণে সমস্যায় পড়েছিল। এর মধ্যে ফ্রান্সের দাসো অ্যাভিয়েশন এবং জার্মানি ও স্পেনের প্রতিনিধিত্বকারী এয়ারবাসের মধ্যে বিরোধ ছিল।

জার্মান সরকারের একজন কর্মকর্তা এএফপি’কে জানান, চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ মের্ৎস এবং ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ এ বিষয়ে একমত হয়েছেন যে, যৌথ যুদ্ধবিমান নির্মাণে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলো আর কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারবে না।

তিনি বলেন, ‘তারা বাস্তবতাকে স্বীকার করেছেন।’ তবে ওই কর্মকর্তা বলেন, প্রকল্পের অন্যান্য অংশ চালু থাকবে। তিনি জানান, ‘এফসিএএসের মূল অংশকে একটি ইউরোপীয় ব্যবস্থা হিসেবে এগিয়ে নেওয়া হবে।’

তিনি আরও বলেন, এটি হবে একটি ‘স্নায়ুতন্ত্র’, যা যুদ্ধবিমান, ড্রোন এবং অন্যান্য উপাদানকে একীভূত কাঠামোর মধ্যে যুক্ত করবে।

তিনি জানান, আসন্ন এক বৈঠকে ফ্রান্স ও জার্মানির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সংযুক্ত কয়েকটি বাস্তবসম্মত এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পকে কেন্দ্র করে ভবিষ্যৎ প্রতিরক্ষা সহযোগিতার একটি পরিকল্পনা তৈরি করবে।

ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ইউরোপীয় দেশগুলোর বিচ্ছিন্ন সামরিক সক্ষমতাকে আরও সমন্বিত করার দাবি আরও জোরালো হচ্ছিল। এমন পরিস্থিতিতেই এফসিএএস বাতিলের খবর এলো।

ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার যুদ্ধ এখন পঞ্চম বছরে প্রবাহিত হচ্ছে। পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতি নিয়ে ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে উদ্বেগ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

এফসিএএস প্রকল্পটি টিকিয়ে রাখার জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চেষ্টা চালানো হয়েছে। মার্চ মাসে একজন ফরাসি ও একজন জার্মান মধ্যস্থতাকারীকে প্রকল্পটি রক্ষার জন্য প্রস্তাব তৈরি করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তবে তারা কোনো সমাধানে পৌঁছাতে পারেননি।

এদিকে দাসো অ্যাভিয়েশনের প্রধান বারবার জানিয়েছেন, প্রতিষ্ঠানটি চাইলে একাই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে পারে এবং তিনি যৌথ ব্যবস্থাপনার পক্ষে নন।

প্রকল্পের সমাপ্তি এমন একটি সময় এসেছে, যখন মের্ৎস ও মাখোঁ দুজনেই প্রকাশ্যে এর সফলতার পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন।

চলতি বছরের শুরুতে মের্ৎস বলেছিলেন, ‘যৌথ ইউরোপীয় প্রকল্প, বিশেষ করে জার্মানি-ফ্রান্স প্রকল্প বাস্তবায়নে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করব এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাব।’

অন্যদিকে এপ্রিল মাসে মের্ৎসের সঙ্গে বৈঠকের পর মাখোঁ প্রকল্পটি বন্ধ হওয়ার দাবিকে নাকচ করেছিলেন। তার বক্তব্য ছিল, ‘আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। ইউরোপের এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি ঐক্য, অধিক স্বাধীনতা এবং বৃহত্তর সার্বভৌমত্ব প্রয়োজন।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কিউবায় ১৫০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:১৮ পি.এম


কিউবায় ১৫০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে

ক্যারিবীয় সাগরের দ্বীপরাষ্ট্র কিউবা আজ শক্তিশালী ভূমিকম্পের শিকার হয়েছে, যা বিশেষজ্ঞদের মতে গত প্রায় ১৫০ বছরের মধ্যে এই অঞ্চলের সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প হিসেবে পরিচিত।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার তথ্যে দেখা গেছে, সোমবার (৮ জুন) স্থানীয় সময় কিউবার উত্তর-পশ্চিম উপকূলের নিকটে ভূমিকম্পটির রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ১। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল প্রায় ২৬ কিলোমিটার গভীরে, ভূ-পৃষ্ঠের নিচে।

ভূমিকম্পের কেন্দ্রটি ছিল পশ্চিম কিউবার মানতুয়া শহরের পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিমে, প্রায় ১০৪ কিলোমিটার দূরে। এই ভূমিকম্পের কারণে কিউবা ছাড়াও ক্যারিবীয় অঞ্চল, মেক্সিকো উপসাগর এবং যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পূর্ব অংশের বিস্তীর্ণ এলাকায় কম্পন অনুভূত হয়েছে।

ভূমিকম্পের ফলে আতঙ্কিত মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসে। যদিও তাৎক্ষণিকভাবে কোনও প্রাণহানি বা বড় ধরনের ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি একটি অস্বাভাবিক ভূমিকম্প, কারণ এটি দুটি টেকটোনিক প্লেটের সীমান্তের পরিবর্তে একটি প্লেটের অভ্যন্তরে সংঘটিত হয়েছে। সাধারণত এ ধরনের শক্তিশালী ভূমিকম্প প্লেট সীমান্তে বেশি দেখা যায়।

ইউএসজিএস জানিয়েছে, ১৮৮০ সালের পর থেকে এই অঞ্চলে একই ধরনের শক্তিশালী ভূমিকম্পের কোনো পূর্বের রেকর্ড পাওয়া যায়নি।

ভূমিকম্পের প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের মায়ামি, ফোর্ট লডারডেল এবং অর্ল্যান্ডোর কিছু এলাকাতেও কম্পন অনুভূত হয়েছে। সতর্কতা হিসেবে কিছু সরকারি অফিস খালি করা হয়েছে এবং কিছু ট্রেনের চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়।

মেক্সিকোর ইউকাতান উপদ্বীপ এবং কানকুনসহ বিভিন্ন পর্যটন এলাকাতেও কম্পন অনুভূত হয়েছে, তবে সেখানে কোনো বড় ধরনের ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন পরাঘাতের সম্ভাবনা উল্লেখ করেছেন, তবে সেগুলো তুলনামূলকভাবে দুর্বল হবে এবং বড় কোনো ঝুঁকি তৈরি করবে না বলেই মনে করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%