ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মেসি-রোনালদো মহারণের অপেক্ষা, কোয়ার্টারে মিলতে পারে দুই কিংবদন্তি


মেসি-রোনালদো মহারণের অপেক্ষা, কোয়ার্টারে মিলতে পারে দুই কিংবদন্তি

বিশ্বকাপের উত্তাপে সবচেয়ে আলোচিত সম্ভাবনা বর্তমানে একটাই—লিওনেল মেসি এবং ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর মুখোমুখি লড়াই। তবে সেই মহারণ দেখতে হলে একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত পূরণ করতে হবে। ২০২৬ বিশ্বকাপে ফুটবলপ্রেমীদের অন্যতম বড় আকাঙ্ক্ষা হলো এই দুই মহাতারকার শেষবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে মুখোমুখি হওয়া। সম্ভাব্য সূচি বলছে, কোয়ার্টার ফাইনালে এমন লড়াই দেখা যাবে, তবে তার জন্য আর্জেন্টিনা এবং পর্তুগাল—দুই দলেরই নিজেদের গ্রুপে শীর্ষস্থান নিশ্চিত করতে হবে। যদি পর্তুগাল গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হতে ব্যর্থ হয় এবং দ্বিতীয় স্থানে শেষ করে, তাহলে তাদের নকআউট পথ পরিবর্তন হবে। সেই ক্ষেত্রে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার সঙ্গে দেখা হওয়ার সম্ভাবনা কার্যত শেষ হয়ে যাবে। অন্যদিকে, যদি দুই দলই গ্রুপ পর্বে প্রথম স্থান নিশ্চিত করতে পারে, তাহলে নকআউট ড্র অনুযায়ী কোয়ার্টার ফাইনালে হতে পারে সেই বহুল প্রতীক্ষিত লড়াই। যেখানে ফুটবল ইতিহাসের দুই মহানায়ক মুখোমুখি দাঁড়াবেন। ক্যারিয়ারের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে থাকা মেসি এবং রোনালদোর এই সম্ভাব্য দ্বৈরথকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। কোটি কোটি ভক্ত অপেক্ষায় আছেন—শেষবারের মতো বিশ্বকাপ মঞ্চে কে কাকে ছাড়িয়ে যাবেন, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গুগল ও মেটার বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ প্রীতি জিনতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৫৯ এম


গুগল ও মেটার বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ প্রীতি জিনতা

গুগল ও মেটার বিরুদ্ধে আইনি লড়াই শুরু করলেন বলিউড অভিনেত্রী প্রীতি জিনতা।

তিনি, যিনি আইপিএলের দল পাঞ্জাব কিংসের মালিক, ২০২৬ সালের ১৯ জুন একটি বার্তা দিতে গিয়ে বলেন, "জেনারেটিভ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআইয়ের অপব্যবহার রুখতে এবং ‘পার্সোনালিটি রাইটস’ বজায় রাখতে এবার আইনি পদক্ষেপ নিলেন।"

গুগল ও মেটা সহ একাধিক প্রযুক্তি জায়ান্টের বিরুদ্ধে তিনি মামলা করার জন্য মুম্বাই হাইকোর্টের সবুজ সংকেত পেয়েছেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তৈরি করা ডিপফেক ভিডিও, বিকৃত ছবি, মিম এবং তার নামে ভুয়া ‘এআই চ্যাটবট পার্সোনা’ তৈরি করার অভিযোগ রয়েছে।

হাইকোর্টের বিচারপতি অভয় আহুজা প্রীতির বিশেষ আবেদন মঞ্জুর করেছেন। এর ফলে, এখন টেক দুনিয়ার শীর্ষ স্থানীয় সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে প্রীতির আইনি লড়াইয়ের পথ পরিষ্কার হয়ে গেছে।

এদিকে, আদালতে প্রীতির পক্ষের আইনজীবী রোহন কদম জানিয়েছেন, "বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রীতি জিনতার পরিচয় চুরি করা হয়েছে।" এজন্য প্রীতি এ পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, "কোনো ব্যক্তির নাম, কণ্ঠস্বর বা অবয়ব তার অনুমতি ছাড়া আইনত অপরাধ, যার ফলে তার ইমেজকে অপব্যবহার করা হচ্ছে।"

১৯৫৭ সালের ভারতীয় কপিরাইট আইনের অধীনে প্রীতির ডিজিটাল কনটেন্ট এবং তার সুনামের ওপর আঘাত হানা হয়েছে। প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মগুলোতে এমন কিছু চ্যাটবট তৈরি হয়েছে, যা প্রীতি জিনতার নাম ও ব্যক্তিত্ব নকল করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের মতো অপরাধও করছে।

আপাতত গুগল, মেটা, এক্স, জিফি, গোড্যাডির মতো যে ডজনখানেক সংস্থার বিরুদ্ধে প্রীতি মামলা করছেন, তাদের অনেকের অফিস মুম্বাইয়ের বাইরে বা বিদেশে রয়েছে। কিন্তু প্রীতি জিনতা ভারতীয় নাগরিক, যিনি মূলত মুম্বাইয়ে থাকেন।

আইনজীবী আরও জানান, যদিও অপরাধটি গোটা বিশ্বেই ঘটছে, তবে প্রীতির মানহানি এবং সুনামের ক্ষতি মূলত মুম্বাই তথা বোম্বে হাইকোর্টের এখতিয়ারেই পড়ছে।

এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার প্রতিরোধে প্রীতির এ মামলা সেলিব্রিটিদের ডিজিটাল আইডেন্টিটি সুরক্ষিত রাখতে একটি বড় নজির হতে চলেছে। বিগত কয়েক বছরে কার্তিক আরিয়ান, শত্রুঘ্ন সিনহা, শিল্পা শেঠি, অক্ষয় কুমার, সুনীল শেঠি এবং অরিজিৎ সিংয়ের মতো ব্যক্তিত্বরাও মুম্বাই হাইকোর্ট থেকে ‘পার্সোনালিটি রাইটস’ পাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বইয়ের নীরব আড্ডা, ‘সাইলেন্ট রিডিং ক্লাব’-এ বাড়ছে পাঠকের ভিড়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:০৮ এম


বইয়ের নীরব আড্ডা, ‘সাইলেন্ট রিডিং ক্লাব’-এ বাড়ছে পাঠকের ভিড়

সাইলেন্ট রিডিং ক্লাবে ফিরছে বই পড়ার অভ্যাস।

একসময় অবসর কাটানোর অন্যতম প্রিয় উপায় ছিল বই পড়া। কিন্তু ব্যস্ত জীবন, প্রযুক্তির অতিরিক্ত ব্যবহার এবং মুঠোফোনের আকর্ষণের কারণে অনেকের জীবন থেকে নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস হারিয়ে যাচ্ছে। এবার সেই হারানো অভ্যাস ফিরিয়ে আনতে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে নীরবে বই পড়ার আড্ডা, যা ‘সাইলেন্ট রিডিং ক্লাব’ নামে পরিচিত।

একটি ঘরে অবস্থান করে অনেক মানুষ একসঙ্গে বই পড়ছেন, তবে কেউ কথা বলছেন না। চারপাশে শুধু পাতার শব্দই শোনা যাচ্ছে। কিছুক্ষণ পরে আবার শুরু হচ্ছে গল্প বলার, পরিচয় করার এবং বন্ধুত্ব গড়ার সময়। এই ধরনের আয়োজন নতুনভাবে মানুষকে বইয়ের কাছে ফিরিয়ে আনছে।

এমন একটি আয়োজনে যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টার একটি ঐতিহাসিক বাড়িতে অনেক বইপ্রেমী অংশ নেন। আয়োজকরা জানান, শুরুতে সবাই নিজেদের মধ্যে কথা বলছিল, পরিচিত হচ্ছিল। তবে কিছুক্ষণ পর পুরো পরিবেশ বদলে যায় এবং সবাই নীরবে নিজেদের পছন্দের বই পড়তে শুরু করেন। পরে আবার আলোচনা ও আড্ডা শুরু হয়। তাদের মতে, এখানে বই শুধুমাত্র পড়ার বিষয় নয়, বরং এটি নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচয়ের মাধ্যমও।

আয়োজনের জনপ্রিয় হওয়ার পেছনে বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, অবসর সময়ের বই পড়ার অভ্যাস মানুষের মস্তিষ্ককে বিশ্রাম দেয়। প্রতিদিনের ব্যস্ততার মধ্যেও কিছু সময় বই পড়া মানুষের মনকে শান্ত করে।

যুক্তরাষ্ট্রে সাম্প্রতিক বছরগুলিতে অবসরে বই পড়ার প্রবণতা কমেছে। কিন্তু নতুন ধরনের বই পড়ার আয়োজন, বই নিয়ে আলোচনা এবং অনলাইনভিত্তিক বইপ্রেমীদের বিভিন্ন কার্যক্রম আবারও মানুষকে পড়ার অভ্যাসে ফিরিয়ে আনছে।

বই পড়া আমাদের মস্তিষ্কে বিভিন্ন উপকারিতা নিয়ে আসে। গবেষণা বলছে, নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস মানুষকে জ্ঞান বাড়াতে সাহায্য করে, শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করে এবং কল্পনাশক্তি উজ্জীবিত করে। বিশেষ করে বয়স্কদের জন্য নিয়মিত বই পড়া স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়ার ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে। পাশাপাশি বই পড়া মানসিক চাপ, উদ্বেগ ও হতাশার অনুভূতি হ্রাস করতে এবং ঘুমের মান উন্নত করতে সাহায্য করে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বই পড়া শুধুমাত্র একটি একক অভ্যাস নয়, এটি মানুষের অনুভূতি বোঝার ক্ষমতাকেও বৃদ্ধি করে। মানুষ অন্যদের জীবন ও অভিজ্ঞতার গল্প পড়ে আরও সহানুভূতিশীল হয়ে ওঠে। আজকের সময়ে অনেকেই মুঠোফোনের বদলে বইয়ের দিকে ফিরছেন। দীর্ঘ সময় ধরে মুঠোফোন ব্যবহার মানুষের মনোযোগ কমিয়ে দেয় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের দ্রুত পরিবর্তনশীল তথ্য আমাদের মস্তিষ্ককে সবসময় ব্যস্ত রাখে।

বিশেষজ্ঞরা জানান, বই পড়া এই অতিরিক্ত উত্তেজনা থেকে কিছুটা বিরতি দেয়। তাই অনেকেই রাতে ঘুমানোর আগে মুঠোফোন ব্যবহারের পরিবর্তে বই পড়ার অভ্যাস তৈরি করছেন।

কীভাবে বই পড়ার অভ্যাস শুরু করবেন? বিশেষজ্ঞদের মতে, বই পড়ার জন্য বড় কোনো লক্ষ্য নির্ধারণের প্রয়োজন নেই। প্রতিদিন অল্প সময় দিয়েও বই পড়া শুরু করা সম্ভব। নিজস্ব আগ্রহের ভিত্তিতে বই বেছে নেওয়া উচিত। যদি কোনো বই ভালো না লাগে তবে সেটি শেষ করতেই হবে—এমন বাধ্যবাধকতা নেই। বই বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে কৌতূহলকে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। যে বিষয়ে আগ্রহ বেশি, সেই বিষয় নিয়ে বই পড়া শুরু করলে অভ্যাস তৈরি করতে সুবিধা হয়।

বই পড়ার আনন্দই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, বই পড়াকে কঠিন নিয়মের মধ্যে আটকে না রেখে এটি আনন্দের বিষয় হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। কারণ বই পড়ার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে সময় পূরণ করা নয়, বরং নিজের মনের শান্তি, নতুন কিছু শেখা এবং জীবনের অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করা। তাই ব্যস্ত জীবনে প্রতিদিন একটু সময় বইয়ের জন্য রাখলে সেটি হতে পারে মস্তিষ্ক ও মনের জন্য এক শান্তির বিরতি।

সূত্র: সিএনএন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিলাসবহুল ফ্ল্যাট ছেড়ে এবার ভাড়া বাসায় প্রীতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১০ এম


বিলাসবহুল ফ্ল্যাট ছেড়ে এবার ভাড়া বাসায় প্রীতি

বলিউড অভিনেত্রী প্রীতি জিনতা দীর্ঘকাল ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত আসা-যাওয়ার মধ্যে বসবাস করছেন। বর্তমানে অভিনেত্রী তার নতুন প্রকল্প ‘বাটওয়ারা ১৯৪৭’ সিনেমার প্রস্তুতি নিয়েও ব্যস্ত রয়েছেন। ফুটবল মাঠে এখন তিনি নতুন আলোচনায় এসেছেন। তবে এটি নতুন কোনো সিনেমার জন্য নয়; বরং তার নতুন বাসার কারণে।

এর আগে ২০২৩ সালে একই এলাকায় ১৭ কোটিরও বেশি রুপিতে একটি আবাসিক ফ্ল্যাট কিনেছিলেন প্রীতি জিনতা। ফলে তার পালি হিলে সম্পত্তি কেনাবেচা নিয়ে বলিউড মহলে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি তিনি মুম্বাইয়ের অভিজাত পালি হিল এলাকায় একটি বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট ভাড়া নিয়েছেন। এই ভাড়া বাসার জন্য প্রতি মাসে তাকে ছয় লাখ রুপি ভাড়া দিতে হবে।

গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, বান্দ্রা পশ্চিমের ‘আর্ট ভেদা’ ভবনে প্রায় ১৫০০ বর্গফুটের একটি অ্যাপার্টমেন্ট তিনি দুই বছরের জন্য ভাড়া নিয়েছেন। চুক্তিটি গত ২৭ মে থেকে কার্যকর হয়েছে। বাসাটির সঙ্গে রয়েছে পার্কিং সুবিধাও। মজার বিষয় হলো, কয়েক মাস আগে প্রীতি পালি হিলের একটি ফ্ল্যাট প্রায় ১৮ কোটি ৫০ লাখ রুপিতে বিক্রি করেছিলেন। এই সম্পত্তি পুনর্গঠনের আওতায় পাওয়া সেই অ্যাপার্টমেন্ট বিক্রির খবরও বেশ আলোচনায় উঠে এসেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঘুমের মধ্যে কথা বলা কি স্বাভাবিক? যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:২০ এম


ঘুমের মধ্যে কথা বলা কি স্বাভাবিক? যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা

ঘুমের মধ্যে কথা বলা কেন ঘটে তা অনেক মানুষের পরিচিত অভিজ্ঞতা। কিছু মানুষ বিড়বিড় করেন, আবার কেউ স্পষ্ট বাক্য বলেন এবং অনেক সময়ে হাসিও করে। অনেকের মধ্যে ধারণা আছে যে, ঘুমের মধ্যে বলা কথাগুলো মনের গভীরে লুকানো গোপন সত্য অথবা অব্যক্ত ইচ্ছার প্রকাশ। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, বাস্তবতা ভিন্ন।

ঘুমের মধ্যে কথা বলা কোনো ধরনের রোগ নয়, বরং এটি মানুষের ঘুমের স্বাভাবিক আচরণ। যদিও এটি শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়, কিন্তু যেকোনো বয়সের মানুষ ঘুমের মধ্যে কথা বলতে পারেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘুমের মধ্যে কথা বলাকে 'সোমনিলোকুই' বলা হয়। এটি ঘুমের বিভিন্ন পর্যায়ে ঘটে। মাঝে মাঝে পুরো বাক্য, কখনও অস্পষ্ট শব্দ এবং কখনও হাসি বা চিৎকারের মতো শব্দ শোনা যেতে পারে।

গবেষণায় দেখা গেছে, জীবনের কোনো না কোনো সময়ে প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ ঘুমের মধ্যে কথা বলেন এবং শিশুদের মধ্যে এই হার আরো বেশি, প্রায় অর্ধেক শিশু ঘুমের মধ্যে কথা বলে।

আমেরিকান ঘুমবিজ্ঞান বিশেষজ্ঞ জেনিফার মার্টিনের মতে, বেশিরভাগ শিশু বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই অভ্যাস থেকে বেরিয়ে আসে। তবে অনেকের ক্ষেত্রে প্রাপ্তবয়স্ক বয়সেও এটি ফিরে আসতে পারে।

অনেকে বিশ্বাস করেন, ঘুমের মধ্যে কথা বললে মনের গোপন কথাগুলো বেরিয়ে আসে। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি সম্পূর্ণ ভুল ধারণা।

বিজ্ঞানী গবেষকদের মতে, ঘুমের মধ্যে বলা কথাগুলোর বেশিরভাগই অসংলগ্ন এবং এর সাথে বাস্তব জীবনের গোপন সত্যের প্রত্যক্ষ কোনো সম্পর্ক নেই।

একটি গবেষণায় জানা গেছে, ঘুমের মধ্যে বলা প্রায় অর্ধেক কথাই স্পষ্টভাবে বোঝা যায় না এবং গবেষণায় রেকর্ড করা কথাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত শব্দ হলো 'না'।

শিশুদের মধ্যে ঘুমের মধ্যে কথা বলার প্রবণতা বেশি কেন? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের মস্তিষ্ক তখনও বিকাশের পর্যায়ে থাকে এবং ঘুমের বিভিন্ন ধাপ নিয়ন্ত্রণের প্রক্রিয়াও তখন সম্পূর্ণ পরিণত হয় না। এর জন্য শিশুদের মধ্যে এই প্রবণতা বেশি দেখা যায়।

প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে এর কারণ কী? গবেষণা অনুযায়ী, ঘুমের মধ্যে কথা বলার পেছনে বংশগত কারণ থাকতে পারে। অনেক সময় একই পরিবারের একজনের মধ্যে এই অভ্যাস দেখা যায়।

এছাড়া কিছু ঘুমজনিত সমস্যার সঙ্গেও এর সম্পর্ক থাকতে পারে, বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু ব্যক্তির ঘুমের ব্যাঘাত অথবা অন্যান্য ঘুমসংক্রান্ত সমস্যার কারণে এ প্রবণতা বৃদ্ধি পায়।

গবেষকরা জানান, ঘুমের মধ্যে বলা কথাগুলো কখনও কখনও স্মৃতির অংশ হতে পারে, যা ঘুমানোর সময় মস্তিষ্ক প্রক্রিয়াকরণ করে।

অর্থাৎ, ঘুমের মধ্যে উচ্চারিত শব্দ বা বাক্য সব সময় সচেতন চিন্তা অথবা ইচ্ছার প্রতিফলন নয়। এটি মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যক্রমের অংশ।

এটা কি উদ্বেগের কারণ? বিশেষজ্ঞরা বলেন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ঘুমের মধ্যে কথা বলা ক্ষতিকর নয় এবং চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। কিন্তু একই বিছানায় বা পাশের মানুষের জন্য এটি কিছুটা বিরক্তিকর হতে পারে।

জেনিফার মার্টিনের পরামর্শ হলো, কেউ ঘুমের মধ্যে কথা বলতে শুরু করলে তাকে আলতোভাবে স্পর্শ বা হালকা ধাক্কা দিলে অনেক সময় তা বন্ধ হয়ে যায়।

তাহলে ঘুমের মধ্যে কথা বললে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এটা সাধারণত মানুষের ঘুমের স্বাভাবিক আচরণ, যা সাধারণত গুরুতর সমস্যার ইঙ্গিত দেয় না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%