রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:০৮ পি.এম
পাবনার চাটমোহর টেকনিক্যাল এন্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ইন্সটিটিউটে নতুন শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের জন্য ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম এবং নবীণ বরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে, প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মোঃ আব্দুর রহিম কালুর সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।
ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম ও নবীণ বরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সহকারি অধ্যাপক ফাতেমা খাতুন, সহকারি অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন, এবং প্রভাষক শিল্পী খাতুন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে শিক্ষক এবং নবাগত শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রশিবির, সহকারী শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম, দলীয়করণ এবং পুলিশ ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থীদের বাতিলের অভিযোগে প্রতিবাদী বিক্ষোভ মিছিল করেছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া মোড় থেকে এই বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। পরে, ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রধান ফটকের সামনে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় সংগঠনটির নেতাকর্মীদের দ্বারা।
বিক্ষোভ মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন, যেমন ‘চব্বিশের অঙ্গিকার, চাকরি পাবে মেধা যার; চাকরিতে দলীয়করণ, মানি না মানবো না; শিক্ষাঙ্গণে দলীয়করণ, মানি না মানবো না; নিয়োগে বৈষম্য, মানি না মানবো না; মেধার প্রতি অবিচার, মানি না মানবো না; সিন্ডিকেটের কালো হাত, ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও; প্ল্যান প্ল্যান কোন প্ল্যান, নিয়োগ বাণিজ্যের মাস্টার প্ল্যান’ ইত্যাদি।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশে শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি রাশেদুল ইসলাম রাফি বলেন, "এই সরকার ক্ষমতায় এসে শিক্ষক নিয়োগে পুলিশ ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে হয়রানির পথ বেছে নিয়েছে। এনটিআরসিএ বাদ দিয়ে তারা দলীয় লোক নিয়োগ দিয়ে আবারও ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে চেয়েছিল। এর আগে ভাইভার নাম্বার বাড়িয়ে দলীয়করণ করতে চেয়েছিল। এ দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীরা তা মেনে নিবে না। শিক্ষক নিয়োগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বাদ দেওয়া হয়েছে। সরকারকে ভূতে ধরেছে। সরকার বারবার হাসিনার মত ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে চায়। চব্বিশের অঙ্গিকার ছিল মেধাবীদের নিয়োগ দেওয়া।"
তিনি সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, "মেধাবীদের হয়রানি না করে নিয়োগ দিন। পুলিশ ভেরিফিকেশনের নামে মেধাবীদের বাদ না দিয়ে আওয়ামী গুণ্ডাদের বাদ দিন এবং দেশের আইনশৃঙ্খলার অবস্থা উন্নত করে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি বন্ধ করুন। এ দেশের শিক্ষার্থীরা অবিচার ও বৈষম্য মেনে নেয়নি, নেবে না। আমরা সরকারের শুভাকাঙ্ক্ষী। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করে মেধাবীদের নিয়োগ বাস্তবায়ন করুন। পুলিশ ভেরিফিকেশনের নামে দলীয়করণ ছাত্র-জনতা মেনে নেবে না।"
এদিকে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর চূড়ান্ত ফলাফলে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। তবে, ভেরিফিকেশন শেষে বিভিন্ন জেলার ১২ শতাধিক সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থী নিয়োগপত্র পাননি বলে অভিযোগ উঠেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন। এই সংবাদ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হবে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) পাঠানো একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি এবং সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গত ছয় মাসে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসনিক ও উন্নয়ন কার্যক্রমে গতি আনার পাশাপাশি সোলার প্যানেলের মাধ্যমে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে নিজস্ব বিদ্যুৎ চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটিকে আরও জনমুখী ও কার্যকর করার চেষ্টা করা হচ্ছে। জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী কার্যক্রমের পরিধি বৃদ্ধি, দীর্ঘদিন স্থবির থাকা প্রকল্প পুনরায় চালু এবং জেলা পরিষদের সম্পদ সংরক্ষণে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের মাসিক সভায় এসব তথ্য তুলে ধরেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স। সভায় সভাপতিত্ব করেন তিনি।
ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের কার্যালয়ে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন মিলনায়তনে গত ছয় মাসের কার্যক্রম পর্যালোচনা করে পরিষদের প্রশাসক এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কাজে গতি আনার পাশাপাশি জনগণের কল্যাণ ও সেবার সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমকে আরও সম্পৃক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, “জেলা পরিষদের কার্যক্রম কাগজে-কলমে নয়, জনগণের কাছে দৃশ্যমান হতে হবে।”
অতীতে সিদ্ধান্তহীনতা, প্রশাসনিক জটিলতা বা অন্যান্য কারণে স্থবির হয়ে থাকা কয়েকটি প্রকল্প ও কার্যক্রম পর্যালোচনা করে চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ছয় মাসে তিন শতাধিক নতুন এবং পুরাতন প্রকল্প মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। জেলা পরিষদের বেহাত হওয়া সম্পত্তি চিহ্নিত করে তা উদ্ধারে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
তিনি বলেন, “জেলা পরিষদের সম্পদ সংরক্ষণ ও জনস্বার্থে এর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।”
সভায় জনসেবা ও প্রশাসনিক গতিশীলতায় গুরুত্ব দিয়ে তিনি জনগণের সেবা, দ্রুত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন, উন্নয়ন প্রকল্পের গুণগত মান, সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা উল্লেখ করেন।
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে প্রশাসক বলেন, সেবা নিতে আসা মানুষ যেন অযথা হয়রানি বা দীর্ঘসূত্রতার শিকার না হন। আবেদন ও অভিযোগ যথাযথভাবে বিবেচনা করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিতে হবে।
তিনি বলেন, “প্রশাসনকে আরও গতিশীল এবং জনগণের প্রতি আরও দায়িত্বশীল হতে হবে।”
মাসিক সভাকে শুধু আলোচনা বা সিদ্ধান্ত গ্রহণের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহারের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও বাস্তবায়নের সময়সীমা নির্ধারণ এবং পরবর্তী সভায় অগ্রগতি পর্যালোচনার কথা বলা হয়।
জেলা পরিষদের স্থাপনায় সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা সভায় জেলা পরিষদের কার্যালয়, ডাকবাংলোসহ অন্যান্য উপযুক্ত স্থাপনায় সৌর প্যানেল স্থাপনের পরিকল্পনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি জেলা পরিষদের নিজস্ব বিদ্যুৎ চাহিদার একটি অংশ সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে পূরণ করা এর উদ্দেশ্য বলে সভায় জানানো হয়।
প্রশাসক বলেন, “নিজস্ব চাহিদা মিটিয়ে অতিরিক্ত সৌরবিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করছি।”
তিনি জানান, অল্প সময়ের মধ্যে পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর আগে স্থাপনাগুলোর উপযোগিতা, সম্ভাব্য বিদ্যুৎ উৎপাদনক্ষমতা, প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ ও কারিগরি বিষয় যাচাই করা হবে। জাতীয় গ্রিডে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সরবরাহের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট নীতিমালা, কারিগরি সক্ষমতা ও প্রয়োজনীয় অনুমোদনের ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করা হবে।
বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় সরকারের বৃহত্তর পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জেলা পরিষদ নিজস্ব সক্ষমতার মধ্যে সহায়ক ভূমিকা রাখতে চায় বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, শুধু নিজস্ব স্থাপনা নয়, গ্রামীণ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে জেলা পরিষদের মাধ্যমে সোলার প্যানেল স্থাপনের পাইলট প্রকল্প নেয়া হচ্ছে।
সভায় দেশ পুনর্গঠনের চলমান কার্যক্রমের সঙ্গে স্থানীয় পর্যায়ের সরকারি ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজের সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দেন ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক এমরান সালেহ প্রিন্স।
তিনি বলেন, “দেশ পুনর্গঠনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে গতিতে কাজ করছেন, আমাদেরও সেই গতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে।”
জাতীয় পর্যায়ে গৃহীত পরিকল্পনা ও কর্মসূচির সুফল স্থানীয় পর্যায়ে পৌঁছে দিতে প্রশাসনিক সক্ষমতা, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ, সময়মতো বাস্তবায়ন এবং নিয়মিত তদারকির ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
প্রশাসক বলেন, “পরিকল্পনা গ্রহণের পাশাপাশি এর বাস্তবায়ন এবং জনগণের কাছে সুফল পৌঁছানোই গুরুত্বপূর্ণ।”
সভায় জেলা পরিষদের চলমান উন্নয়ন প্রকল্প, প্রশাসনিক কার্যক্রম, স্থবির প্রকল্প পুনরায় চালু, সম্পত্তি সংরক্ষণ ও উদ্ধারের উদ্যোগ, সৌরবিদ্যুৎ পরিকল্পনা, জনসেবার পরিধি বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্নিগ্ধা দাশসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা, বিভিন্ন দফতরের জেলা প্রধান এবং ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের কর্মকর্তাগণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে অবস্থিত হযরত শাহ শরীফ জিন্দানী (রহ.)-এর মাজার শরীফের পাশে একটি ভাঙা মসজিদ থেকে ঐতিহাসিক পাথর চুরির অভিযোগে তিনজনকে আটক করেছে স্থানীয় জনগণ, যারা পরে তাদের পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।
আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন- মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার মো. শহিদুল ইসলাম (৬০), সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলার মো. জেলহক (৪৭) এবং মোছা. তুলি পারভীন (৩৬)।
স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তারা তিনজনকে আটক করে পুলিশে খবর দেন।
তবে রাত সাড়ে ৭টার দিকে তাড়াাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইমাম জাফর জানিয়েছেন, আটককৃত তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে চুরি হওয়া ঐতিহাসিক পাথর উদ্ধার করার পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, হযরত শাহ শরীফ জিন্দানী (রহ.)-এর মাজার শরীফের পাশে একটি পুরোনো ভাঙা মসজিদ রয়েছে, যা দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। সম্প্রতি ঐতিহাসিক পাথর সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসলে তারা সন্দেহ প্রকাশ করে এবং পরে তিনজনকে আটক করে পুলিশকে অবহিত করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. আব্দুল খালেক, রাশিদুল ইসলাম, শাহেদুল ইসলামসহ অনেকের মতে, মাজার শরীফ ও পুরনো মসজিদটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে সকল স্থাপনা ও প্রত্ন নিদর্শন সংরক্ষণে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। তারা এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি প্রয়োজন বলে মনে করেন।
এ বিষয়ে হযরত শাহ শরীফ জিন্দানী (রহ.)-এর মাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুসরাত জাহান জানিয়েছেন, তিনি বিষয়টি জানেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ