১০:১৭ এম
জাতিসংঘ তদন্ত কমিশন বাংলাদেশসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের রাশিয়ায় পাচার করার প্রমাণ পেয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, যে এসব নাগরিকদের জোর করে যুদ্ধ চুক্তিতে সই করানো হচ্ছে। রাশিয়ায় ভালো বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে সামরিক চুক্তিতে সই করিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানোর অভিযোগও রয়েছে।
প্রতিবেদনে ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলাকে যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের চাকরির প্রলোভনে রাশিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর তাদের পাসপোর্ট কেড়ে নেয়া হয় এবং স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেয়ার সুযোগও কেড়ে নেয়া হয়। রুশ ভাষায় লেখা সামরিক চুক্তিতে সই করতে বাধ্য করা হয় তাদের। জাতিসংঘের তদন্ত কমিশন জানায়, এসব নিয়োগ বিভিন্ন দেশে সক্রিয় এজেন্ট ও সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নিয়োগের পর অনেককে সামান্য প্রশিক্ষণ দিয়ে, এমনকি প্রশিক্ষণ ছাড়াই, ইউক্রেনের যুদ্ধের সম্মুখসারিতে পাঠানো হয়। বিপজ্জনক দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেকের প্রাণহানি ঘটেছে, আবার অনেকে নিখোঁজ হয়ে গেছেন। কমিশন জানায়, বাংলাদেশসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার ও জোরপূর্বক রুশ বাহিনীতে নিয়োগের বিষয়ে তাদের কাছে শক্তিশালী প্রমাণ রয়েছে। প্রতিবেদনে ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোয় রাশিয়ার ধারাবাহিক হামলার ভয়াবহ প্রভাবও তুলে ধরা হয়েছে।
আরও পড়ুন: পাকিস্তান-আফগান সীমান্তে তালেবানের হামলায় ১ নিহত, ৫ আহত
কমিশন জানায়, বেসামরিক মানুষের জীবনযাত্রার জন্য অপরিহার্য জ্বালানি স্থাপনায় জেনেশুনে হামলা চালানো হয়েছে। তারা সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে, এতে যুদ্ধাপরাধের পাশাপাশি মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। একইসঙ্গে পাচারের শিকার ব্যক্তিদের রুশ বাহিনী থেকে অব্যাহতি দেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে কমিশনের পক্ষ থেকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন