ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

ছাত্রশিবিরের দাবি, এলপিজির বাড়তি দাম অবিলম্বে প্রত্যাহার করুক সরকার


ছাত্রশিবিরের দাবি, এলপিজির বাড়তি দাম অবিলম্বে প্রত্যাহার করুক সরকার

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম বৃদ্ধির বিরুদ্ধে আবারও তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। তারা ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ২২৩ টাকা বাড়িয়ে ২ হাজার ৬০ টাকা নির্ধারণের এই সিদ্ধান্তকে ‘জনস্বার্থবিরোধী’ হিসেবে উল্লেখ করে অবিলম্বে এই বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি করেছে।

ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম এবং সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সোমবার এক যৌথ বিবৃতিতে এই দাবি জানান।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, "দেশের সাধারণ ও মধ্যবিত্ত মানুষ যখন চাল, ডাল, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে দিশেহারা, তখন রান্নার এই অপরিহার্য উপাদানের দাম বারবার বাড়ানোর সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।" তারা উল্লেখ করেন, গত আট মাসে পাঁচ দফায় এলপিজির দাম বাড়ানো হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের ওপর চরম অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করছে।

আরও পড়ুন: সাভার-আশুলিয়ার গার্মেন্টস শ্রমিকরা শান্তিপূর্ণভাবে কাজে যোগ দিয়েছেন

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, "পাইপলাইনের গ্যাসের তীব্র সংকটের কারণে দেশের কোটি কোটি পরিবার এখন এলপিজির ওপর নির্ভরশীল।" তারা অভিযোগ করেন যে, এই নির্ভরশীলতাকে পুঁজি করে আন্তর্জাতিক বাজারের অজুহাতে বারবার দাম বাড়ানো হচ্ছে। নেতৃদ্বয়ের দাবি, "এলপিজি আমদানি ও বাজারজাতকরণে জড়িত অসাধু চক্রের স্বার্থ রক্ষায় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) জনগণের স্বার্থ উপেক্ষা করছে।"

তারা আরও বলেন, "সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে খুচরা বাজারে বিক্রি হলেও তা নিয়ন্ত্রণে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।" ছাত্রশিবির নেতারা উল্লেখ করেন, এর প্রভাব হোটেল-রেস্তোরাঁসহ সামগ্রিক বাজারে পড়ছে। তারা অবিলম্বে এলপিজির বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার, বাজার মনিটরিং জোরদার এবং অসাধু সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে সাশ্রয়ী মূল্যে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি জোর আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লালপুরে চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে যুবকের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:১৪ এম


লালপুরে চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে যুবকের মৃত্যু

নাটোরের লালপুরে চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে মো. আবু মুসা নামে এক যুবকের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে, জানায় রেলওয়ে পুলিশ। সোমবার বিকেল সোয়া ৫টায় উপজেলার চংধুপইল ইউনিয়নের বাঁশবাড়িয়া গ্রামের বাউড়া রেলওয়ে ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

নিহত আবু মুসা বাঁশবাড়িয়া গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দা সবুজ কুমারের ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, তিনি সম্প্রতি সনাতন ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে মো. আবু মুসা নাম ধারণ করেন।

ঈশ্বরদী রেলওয়ে থানার স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, সোমবার বিকেলে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা রাজশাহীগামী আন্তনগর ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি বাউড়া রেলওয়ে ব্রিজ এলাকা অতিক্রম করার সময় ওই যুবক চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেন। এতে ঘটনাস্থলেই ট্রেনে কাটা পড়ে তাঁর মৃত্যু ঘটে।

ঘটনার খবর পেয়ে ঈশ্বরদী রেলওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কিশোর কুমার ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করেন এবং থানায় হেফাজতে নেন।

ঈশ্বরদী রেলওয়ে থানার ওসি ফয়সাল বিন আহসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে যে ওই যুবক স্বেচ্ছায় ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়েছেন। এ বিষয়ে ঈশ্বরদী রেলওয়ে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুমিল্লায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় যুবক ও শিশুসহ ২ জন নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:১৪ এম


কুমিল্লায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় যুবক ও শিশুসহ ২ জন নিহত

কুমিল্লায় ঢাকা-চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজনের মৃত্যু ঘটেছে, যার মধ্যে একজন মোটরসাইকেল আরোহী যুবক এবং একজন শিশু রয়েছে। সোমবার দুপুরে বুড়িচং ও দেবিদ্বার উপজেলায় দুটি দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়া এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকের পেছনে একটি দ্রুতগতির মোটরসাইকেল সজোরে ধাক্কা দেয়। এই দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী রাফি (২৩) ঘটনাস্থলেই মারা যান। নিহত রাফি চান্দিনা উপজেলার এতবারপুর এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে।

ময়নামতি ক্রসিং হাইওয়ে থানার ওসি রুহুল আমিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, "খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করেছে।"

অন্যদিকে, একই দিন বিকেলে কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের দেবিদ্বার উপজেলার ছোটশালঘর এলাকায় একটি দ্রুতগতির ট্রাকের চাপায় এক পথচারী শিশু নিহত হয়। নিহত শিশুটির নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

হাইওয়ে পুলিশ উভয় ঘটনার পর দুর্ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে এবং ঘাতক গাড়ি ও চালকদের শনাক্ত করতে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিসিটি পরিচালনায় সাইফ পাওয়ারটেকের মেয়াদ বাড়ল আরো তিন সপ্তাহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:১৫ এম


সিসিটি পরিচালনায় সাইফ পাওয়ারটেকের মেয়াদ বাড়ল আরো তিন সপ্তাহ

চট্টগ্রাম কনটেইনার টার্মিনাল (সিসিটি) পরিচালনায় সাইফ পাওয়ারটেকের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (চবক) চুক্তির মেয়াদ তিন সপ্তাহ বৃদ্ধি করেছে। নতুন অপারেটর নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান থাকায় বন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আগের চুক্তি অনুযায়ী, সোমবার সিসিটি পরিচালনায় সাইফ পাওয়ারটেকের দায়িত্বের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে নতুন অপারেটর নিয়োগের প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ তিন সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিবহন দপ্তর থেকে এ বিষয়ে গতকাল একটি চিঠি জারি করা হয়।

বন্দর পরিবহন পরিচালকের পক্ষে জারি করা চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, আগের চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ২ নভেম্বর সাইফ পাওয়ারটেকের কার্যক্রম শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অপারেটর নিয়োগের কার্যক্রম চলমান থাকায় বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার স্বার্থে চুক্তির মেয়াদ তিন সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, আগের চুক্তির নিয়ম ও শর্ত অনুযায়ী সাইফ পাওয়ারটেক আরো তিন সপ্তাহ সিসিটি পরিচালনার দায়িত্বে থাকবে। ৩ নভেম্বর থেকে নতুন মেয়াদ কার্যকর হবে। নতুন অপারেটর নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান থাকায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার হ্যান্ডলিং কার্যক্রমে সিসিটির গুরুত্ব অপরিসীম। ২০১৯ সালের ১৭ অক্টোবর থেকে সাইফ পাওয়ারটেক সিসিটি পরিচালনা করে আসছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাহক ধরা পড়ে, কারবারিরা আড়ালেই থেকে যায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:১৫ এম


বাহক ধরা পড়ে, কারবারিরা আড়ালেই থেকে যায়

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বর্ণ চোরাচালানের বিভিন্ন কৌশল ধরা পড়েছে, যা যাত্রীর লাগেজ, শরীর, বিমানের আসনের নিচে কিংবা শৌচাগারে ঘটছে। একটিমাত্র চালানে ১০৫ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার হয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শত শত ঘটনায় স্বর্ণ জব্দ হয়েছে। বাহক ও যাত্রীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং মামলাও হয়েছে। তবে, এসব চালানের অর্থদাতা, প্রকৃত মালিক এবং গন্তব্যে স্বর্ণ গ্রহণকারীদের শনাক্ত করার ক্ষেত্রে সাফল্য খুবই সীমিত। ফলে, বাহকরা ধরা পড়লেও চোরাচালানের মূল হোতারা আড়ালে থেকে যাচ্ছেন।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সাল থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত ২৬২টি ঘটনায় মোট ১৬১ দশমিক ৭২৭ কেজি স্বর্ণ জব্দ করা হয়েছে। এসব ঘটনায় বাহক বা যাত্রী হিসেবে সংশ্লিষ্ট ২৫২ জনের মধ্যে ১৯৭ জন পুরুষ এবং ৫৫ জন নারী। এছাড়া, ১০টি চালান পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।

কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, শুধুমাত্র বাহক বা পরিবহনকারীদের গ্রেপ্তার করে চোরাচালানের পুরো চক্র ভাঙা সম্ভব নয়। অর্থদাতা, চালানের প্রকৃত মালিক এবং স্বর্ণের গ্রহণকারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা জরুরি।

কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক বিল্লাল হোসেন মন্তব্য করেন, "স্বর্ণ চোরাচালানের ঘটনায় যারা গ্রেপ্তার হচ্ছেন, তাদের আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। মূল হোতাদের গ্রেপ্তার করা গেলে এ ধরনের অপরাধ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হতো।"

নগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি-বন্দর) উপকমিশনার কাজী আবদুর রহীম বলেন, "স্বর্ণ চোরাচালানের মামলা তাদের কাছে এলে নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হয়। অনেক সময় মূল হোতাদেরও সামনে আনা হয়।" তবে তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর এ ধরনের কোনো মামলা এসেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি।

এক চালানে ১০৫ কেজি স্বর্ণ

শাহ আমানত বিমানবন্দরে ২০১৪ সালের ২৫ মার্চ বড় চালান জব্দের ঘটনা ঘটে। দুবাই থেকে আসা বাংলাদেশ বিমানের একটি উড়োজাহাজের যাত্রীদের আসনের নিচে ৯০২টি স্বর্ণের বার পাওয়া যায়। সে স্বর্ণের মোট ওজন ছিল প্রায় ১০৫ কেজি এবং এর তৎকালীন বাজারমূল্য ছিল প্রায় ৪৫ কোটি টাকা। এ ঘটনায় ১০ জনকে আটক করা হয়।

একই বছরের ১৪ জুন কাস্টমস লাউঞ্জে পরিত্যক্ত বাক্স থেকে ১৩৮টি এবং ৪ সেপ্টেম্বর ব্যাংকক থেকে আসা একটি ফ্লাইটের শৌচাগার থেকে প্রায় ২৮ কেজি ওজনের ২৪০টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। পরের বছর ২০১৫ সালের ২ মার্চ কার্গো শেডে চার্জার লাইটের ব্যাটারিতে লুকানো ২৩ কেজি ওজনের ২০০টি বার এবং ১২ মে বিমানবন্দরের শৌচাগারে পরিত্যক্ত অবস্থায় ২৬০টি এবং দুবাই থেকে আসা দুই যাত্রীর কাছ থেকে আরো ৬৫টি বার উদ্ধার করা হয়। যদিও কয়েকজন যাত্রীকে আটক করা হয়, তবে এসব চালানের প্রকৃত মালিকদের অনেককেই শনাক্ত করা যায়নি। এক পর্যায়ে অজ্ঞাত কারণে এসব ঘটনার তদন্তও থেমে যায়।

সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানেও চোরাচালানের ধারাবাহিকতা স্পষ্ট। ২০১৯ সালে ২২টি ঘটনায় ৫৪ দশমিক ২৭৭ কেজি এবং ২০২০ সালে ১৯টি ঘটনায় ৫০ দশমিক ১৫৩ কেজি স্বর্ণ জব্দ হয়। অর্থাৎ, এই দুই বছরেই মোট জব্দের বড় অংশ ধরা পড়ে। করোনাকালে ২০২১ সালে তা কমে এক দশমিক ৬০১ কেজিতে নেমে আসে। ২০২৩ সালে ৩৩টি ঘটনায় ২১ দশমিক ৬১৪ কেজি, ২০২৪ সালে ১০৪টি ঘটনায় ১০ দশমিক ৩৪৯ কেজি এবং ২০২৫ সালে ৬৫টি ঘটনায় আট দশমিক ৪৮৩ কেজি স্বর্ণ জব্দ করা হয়। ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত চারটি ঘটনায় উদ্ধার হয় চার দশমিক ০৯৪ কেজি।

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০২৪ সালে স্বর্ণ জব্দের পরিমাণ কমলেও ঘটনার সংখ্যা বেড়ে ১০৪-এ দাঁড়ায়। ফলে, জব্দের পরিমাণ কমাকে চোরাচালান কমে যাওয়ার সরাসরি প্রমাণ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

ধরা পড়ে ২০-৩০ শতাংশ, তদন্তে ঘাটতি

স্বর্ণ চোরাচালানের ঘটনায় দুবাই, শারজাহ, আবুধাবি ও মাসকাট থেকে আসা যাত্রীদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। চলতি বছরের ১ আগস্ট শারজাহ থেকে আসা এক ভারতীয় যাত্রীর অন্তর্বাসে লুকানো স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। ১৮ সেপ্টেম্বর মাসকাট থেকে আসা এক যাত্রীর কাছ থেকে ৫৩৪ গ্রাম স্বর্ণ পাওয়া যায়।

গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, চোরাচালানের মাধ্যমে আনা স্বর্ণের ২০-৩০ শতাংশ ধরা পড়ে। বাকি অংশ নজরদারি এড়িয়ে গন্তব্যে পৌঁছে যায় বলে তাদের ধারণা। সূত্রগুলোর ভাষ্য, চট্টগ্রামকে কেন্দ্র করে চোরাচালানের একটি অংশ ভারতের স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের কাছে পৌঁছায়। এ ক্ষেত্রে বাহক, স্থানীয় সংগ্রাহক এবং সীমান্তপারের ক্রেতাদের মধ্যে যোগসূত্র রয়েছে।

তবে মামলা ও বিচারের অগ্রগতিতে ঘাটতি রয়েছে। আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের আগের নয় বছরে চোরাচালানসংক্রান্ত প্রায় ৫০টি মামলার মধ্যে ৪১টির বিচার ঝুলে আছে। এসব মামলার একটিতে আবদুস শুক্কুরের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। ২০১৫ সালের এপ্রিলে দুবাই থেকে ফেরার পর ৪০টি স্বর্ণের বারসহ গ্রেপ্তার হয়েছিলেন তিনি। পরের বছর চট্টগ্রামের সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে তার এ সাজা হয়।

২০২৪ সাল থেকে ২০২৬ সালের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত স্বর্ণ চোরাচালান আইনে সাতটি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে ২০২৪ সালে একটি, ২০২৫ সালে চারটি এবং ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত দুটি মামলা দায়ের হয়। এসব মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন নয়জন। অথচ একই সময়ে বিমানবন্দরে স্বর্ণ জব্দের ঘটনা ঘটেছে ১৭৩টি।

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার শওকত আলী এ বিষয়ে বলেন, বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে। স্বর্ণ চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%