বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:৩৮ পি.এম
পর্তুগালের ফুটবলে পুরোনো অধ্যায়ের পর্দা নামার ইঙ্গিত প্রকাশিত হয়েছে।
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর সঙ্গে প্রায় দুই দশক ধরে অবিচ্ছেদ্যভাবে যুক্ত থাকা সেই বিখ্যাত ৭ নম্বর জার্সি এবার রাফায়েল লিয়াওয়ের গায়ে উঠতে যাচ্ছে। রোনালদো জাতীয় দলের ক্যাম্প ত্যাগ করার পর আজ রাতে ডেনমার্কের বিরুদ্ধে ম্যাচে লিয়াও এই জার্সি পরিধান করবেন।
পর্তুগালের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আরটিপি জানাচ্ছে, উয়েফার ম্যাচসংক্রান্ত তালিকায় লিয়াওকে ৭ নম্বর জার্সিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর আগে, জাতীয় দলে ১৭ নম্বর জার্সি পরিধান করতেন এই ফরোয়ার্ড। এখন তার পুরোনো ১৭ নম্বরটি ফাবিও সিলভাকে দেওয়া হয়েছে।
২০০৭ সালে লুইস ফিগো অবসর নেওয়ার পর পর্তুগালের ৭ নম্বর জার্সি গ্রহণ করেন রোনালদো। এরপর থেকে প্রায় দুই দশক ধরে এই জার্সিটি তার পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সিআর৭ এখন একটি ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছে। তাই, লিয়াওয়ের গায়ে এই জার্সির ওঠা পর্তুগাল ফুটবলে একটি প্রতীকী পরিবর্তনের বার্তা বহন করছে।
তবে, বিষয়টি এখনই স্থায়ীভাবে লিয়াওয়ের ৭ নম্বর হয়ে যাচ্ছে—এমনটি বলা সম্ভব নয়। পর্তুগালের ফুটবলের সংবাদমাধ্যম রেনাসেনসার তথ্য অনুযায়ী, উয়েফার নিয়ম অনুযায়ী ম্যাচের ২৩ জনের তালিকায় ১ থেকে ২৩ পর্যন্ত নম্বর বরাদ্দ করতে হয়। রোনালদো স্কোয়াডে না থাকায় তার ৭ নম্বরটি লিয়াও পেয়েছেন।
আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ইঙ্গিত দিলেও রোনালদো এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেননি। তাই, পর্তুগালের ফুটবলে রোনালদো অধ্যায় শেষ—এমনটি নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
তবে, পর্তুগালের ৭ জার্সিতে নতুন এক অধ্যায়ের দৃশ্যপট তৈরি হওয়া রোনালদোর বিদায়কে আরো স্পষ্ট করে তুলেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহীর তানোর উপজেলা, যা কৃষিপ্রধান অঞ্চল হিসেবে পরিচিত, সম্পূর্ণরূপে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। এখানে বসবাসকারী শতকরা প্রায় ৮০ ভাগ মানুষ ধান চাষাবাদের মাধ্যমে তাদের জীবন-জীবিকা নির্বাহ করে। কিন্তু চলতি আউশ মৌসুমে স্থানীয় চাষিরা ধানের নজিরবিহীন লোকসানে ভুগছেন।
উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, তানোরে আউশ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮ হাজার ৫০০ হেক্টর জমি। তবে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ৭৫ হেক্টর বেশি জমিতে আউশ ধানের চাষাবাদ করা হয়েছে। এসব জমিতে সেপ্টেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজ শুরু হয়েছে।
তথ্য অনুসারে, তানোর পৌরসভার জিওল গ্রামের পূর্বদিকে বিল পাড়ে অবস্থিত সরনজাই ইউপির রহিমাডাঙ্গা মৌজায় ৯২ হেক্টর বা ৬৯০ বিঘা আবাদি জমি রয়েছে। এর মধ্যে সাড়ে ৬০০ বিঘা জমিতে ৫৭, ৬৫ ও ৭৬ জাতের আউশ ধান রোপণ করা হয়েছিল। যদিও সেপ্টেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজ শুরু হয়েছে, কৃষকদের মুখে কোনো হাসি নেই। এবারের আউশ ধান চাষে সার ও কীটনাশক সিন্ডিকেটের কারণে দ্বিগুণ দামে ক্রয় করতে হচ্ছে, যা কৃষকদের জন্য অতিরিক্ত অর্থের বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মাঠপর্যায়ের হিসাব অনুযায়ী, প্রতি বিঘা জমিতে ধান রোপণ ও পরিচর্যার জন্য খরচ হচ্ছে ৮ হাজার টাকা, কাটা ও বহণের জন্য ৫ হাজার টাকা এবং মাড়াইয়ের জন্য আরও ৫ হাজার টাকা ব্যয় হচ্ছে। অর্থাৎ, প্রতি বিঘার উৎপাদিত ধান ঘরে তুলতে কৃষকদের মোট ১৮ হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। কিন্তু প্রতিবিঘায় উৎপাদিত ধানের ফলন হচ্ছে (২৮ কেজিতে) ২০ মণ। এই ধান খোলা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ টাকা দরে।
বর্তমানে, কৃষকরা এই উৎপাদিত ধান বিক্রি করে পাচ্ছেন মাত্র ১৫ হাজার টাকা। ফলে লাভ তো দূরের কথা, প্রতিবিঘা জমিতে কৃষকদের সরাসরি ৩ হাজার টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে। পুরো তানোরজুড়ে একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। উৎপাদন খরচের তুলনায় বাজারে ধানের দাম চরমভাবে কম থাকায় তানোরের প্রান্তিক কৃষকরা এখন এক নীরব দুর্ভিক্ষের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
তানোর পৌর এলাকার জিওল গ্রামের কৃষক ওমর হাজী এবং বুরুজ গ্রামের কৃষক জুয়েলসহ শতাধিক ভুক্তভোগী কৃষক এই চরম লোকসানের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তারা জানান, ধার-দেনা এবং চড়া সুদে ঋণ নিয়ে তারা আউশ আবাদ করেছিলেন। এখন বিঘাপ্রতি ৩ হাজার টাকা লোকসান হওয়ায় ঋণের টাকা পরিশোধ করা তো দূরের কথা, সংসারের দৈনিক খরচ চালানো তাদের জন্য অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বিল পারের রহিমাডাঙ্গা মৌজার সাড়ে ৬০০ বিঘার এই বিশাল ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে এবং কৃষকদের বাঁচাতে সরকারি পর্যায়ে দ্রুত ধান কেনা ও বিশেষ প্রণোদনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় চাষিরা।
এ ব্যাপারে তানোর উপজেলা কৃষি অফিসার সাইফুল্লাহ আহমেদ বলেন, "কৃষিপণ্যের দাম নির্ধারণ করে থাকে কৃষি বিপণন বিভাগ।" তিনি আরও জানান, "কৃষি দপ্তর চাষাবাদ কিভাবে হবে, কিভাবে রোগবালা দূর হবে এসব নিয়ে কাজ করে।" তবে, আউশ আবাদের পরিচর্যা ও রোগবালাই দমনে কৃষকদের কীটনাশক প্রয়োগে সঠিক পরামর্শ দেয়া হয়েছে। ফলে আউশ ধানের মোটামুটি ভাল ফলন হয়েছে বলে তিনি জানান।
ই/তা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আইসিসি ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশ করেছে।
আজ কেপটাউনে বিশ্বকাপের আনুষ্ঠানিক ক্ষণগণনা অনুষ্ঠানে পূর্ণাঙ্গ সূচি উন্মোচন করা হয়েছে। একইসঙ্গে টিকিটের জন্য ব্যালট প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।
আগামী বছরের ২ অক্টোবর থেকে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে ওয়ানডে বিশ্বকাপের ১৪তম আসর।
এই টুর্নামেন্টে তিন দেশের ১২ ভেন্যুতে ১৪টি দল ৫৭টি ম্যাচ খেলবে। ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে জোহানেসবার্গে।
গ্রুপ পর্বে ১২ দল ৩০টি ম্যাচ খেলবে। সেই সূচি এক নজরে দেখে নিন—
৭ অক্টোবর ভারত - অস্ট্রেলিয়া কেপটাউন
৮ অক্টোবর পাকিস্তান - আফগানিস্তান শোয়ানে
৮ অক্টোবর ইংল্যান্ড - বাংলাদেশ উইন্ডহোক
৯ অক্টোবর জিম্বাবুয়ে - কোয়ালিফায়ার ‘এ’ বুলাওয়ে
৯ অক্টোবর দক্ষিণ আফ্রিকা - নিউজিল্যান্ড কেপটাউন
১০ অক্টোবর ভারত - পাকিস্তান জোহানেসবার্গ
১০ অক্টোবর শ্রীলঙ্কা - কোয়ালিফায়ার ‘বি’ উইন্ডহোক
১১ অক্টোবর জিম্বাবুয়ে - আফগানিস্তান বুলাওয়ে
১২ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়া - কোয়ালিফায়ার ‘এ’ পার্ল
১২ অক্টোবর নিউজিল্যান্ড - বাংলাদেশ কুগোম্পো সিটি
১৩ অক্টোবর ইংল্যান্ড - শ্রীলঙ্কা উইন্ডহোক
১৩ অক্টোবর দক্ষিণ আফ্রিকা - কোয়ালিফায়ার ‘বি’ পার্ল
১৪ অক্টোবর ভারত - আফগানিস্তান শোয়ানে
১৫ অক্টোবর পাকিস্তান - কোয়ালিফায়ার ‘এ’ ব্লুমফন্টেইন
১৫ অক্টোবর জিম্বাবুয়ে - অস্ট্রেলিয়া হারারে
১৬ অক্টোবর শ্রীলঙ্কা - বাংলাদেশ ডারবান
১৬ অক্টোবর দক্ষিণ আফ্রিকা - ইংল্যান্ড গেবেখা
১৭ অক্টোবর ভারত - কোয়ালিফায়ার ‘এ’ ব্লুমফন্টেইন
১৭ অক্টোবর নিউজিল্যান্ড - কোয়ালিফায়ার ‘বি’ হারারে
১৮ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়া - আফগানিস্তান কুগোম্পো সিটি
১৯ অক্টোবর জিম্বাবুয়ে - পাকিস্তান হারারে
১৯ অক্টোবর দক্ষিণ আফ্রিকা - বাংলাদেশ ডারবান
২০ অক্টোবর নিউজিল্যান্ড - শ্রীলঙ্কা জোহানেসবার্গ
২০ অক্টোবর ইংল্যান্ড - কোয়ালিফায়ার ‘বি’ হারারে
২১ অক্টোবর আফগানিস্তান - কোয়ালিফায়ার ‘এ’ কুগোম্পো সিটি
২২ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়া - পাকিস্তান পার্ল
২২ অক্টোবর দক্ষিণ আফ্রিকা - শ্রীলঙ্কা জোহানেসবার্গ
২৩ অক্টোবর ইংল্যান্ড - নিউজিল্যান্ড গেবেখা
২৩ অক্টোবর বাংলাদেশ - কোয়ালিফায়ার ‘বি’ শোয়ানে
২৪ অক্টোবর জিম্বাবুয়ে - ভারত ভিক্টোরিয়া ফলস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার তাহেরপুর পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগ ও পথসভা অনুষ্ঠিত করেন বাগমারা আসনের সংসদ সদস্য ডাঃ আব্দুল বারী সরদার। বুধবার বিকেলে তিনি পৌরসভার বিভিন্ন অংশে ঘুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের বিভিন্ন সমস্যা, প্রয়োজন ও প্রত্যাশার কথা শোনেন।
গণসংযোগের সময় এমপি ডাঃ আব্দুল বারী সরদার স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে আলোচনা করেন এবং এলাকার বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেন। এ সময় তিনি মানুষের বিভিন্ন প্রশ্ন ও সমস্যার কথা মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন।
পরে তিনি বিভিন্ন স্থানে পথসভায় বক্তব্য রাখেন। বক্তব্যে ডাঃ আব্দুল বারী সরদার উল্লেখ করেন, সাধারণ মানুষের প্রয়োজন ও এলাকার বাস্তব সমস্যাগুলো সরেজমিনে চিহ্নিত করে পর্যায়ক্রমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি বলেন, তাহেরপুর পৌরসভার কোনো এলাকা যেন উন্নয়ন থেকে পিছিয়ে না থাকে, সেদিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
গণসংযোগ ও পথসভায় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্য আব্দুল আহাদ কবিরাজ, বাগমারা উপজেলা জামায়াতের আমীর বাবুল হুসাইন, সেক্রেটারি ড. ওয়ারেছ আলী, সাবেক সেক্রেটারি সহকারী অধ্যাপক অহিদুল ইসলাম, ভবানীগঞ্জ পৌর জামায়াতের আমীর আশরাফুল ইসলাম আশিক, তাহেরপুর পৌর জামায়াতের আমীর শহীদুজ্জামান মীরসহ স্থানীয় জামায়াতের নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার আতাইকুলা থানা এলাকায় ভিমরুলের কামড়ে আহত দুই শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। পাবনা জেনারেল হাসপাতালে বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাদের মৃত্যু ঘটে। এর পূর্বে, মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে, তারা ভিমরুলের কামড়ে আহত হয়েছিল। আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মৃত দুই শিশুর মধ্যে একজন হলো গয়েশবাড়ী গ্রামের নয়ন হোসেনের ছেলে রোহান হোসেন (৩) এবং অপরজন একই এলাকার সুজন হোসেনের ছেলে আরাফাত হোসেন (৪)। পরিবার ও স্থানীয়দের সূত্রে ওসি মজিবর রহমান জানান, মঙ্গলবার বিকেলে খেলতে বের হয়েছিল ওই দুই শিশু। খেলাধুলার একপর্যায়ে তারা একটি ভিমরুলের বাসা দেখতে পেয়ে পাটখড়ি দিয়ে খোঁচা দেয়। তখন ভিমরুলের দল তাদের কামড় দেয় এবং তারা গুরুতর আহত হয়।
তাদের চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্যরা ছুটে এসে দুই শিশুকে উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার দুপুরে আহত দুই শিশু মারা যায়। দুই শিশুর মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ