ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নির্যাতন ও নিপীড়ন করে কি সাংবাদিকদের দমানো যায়? এম. মুক্তাদির হোসেন - প্রধান উপদেষ্টা, টিম জার্নালিস্ট'স


নির্যাতন ও নিপীড়ন করে কি সাংবাদিকদের দমানো যায়? এম. মুক্তাদির হোসেন - প্রধান উপদেষ্টা, টিম জার্নালিস্ট

সাংবাদিকতার মূল শক্তি কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান কিংবা ক্ষমতাবান মহলের অনুগ্রহ নয়—সত্য তুলে ধরার সাহস, তথ্য যাচাইয়ের দায়িত্ববোধ এবং মানুষের কাছে জবাবদিহির অঙ্গীকার। তাই প্রশ্ন উঠতেই পারে—নির্যাতন, হুমকি, মামলা, হয়রানি কিংবা নানা ধরনের চাপ প্রয়োগ করে কি সাংবাদিকদের সত্য প্রকাশ থেকে বিরত রাখা যায়?

অভিজ্ঞতা বলে, সাময়িকভাবে একজন সাংবাদিককে ভয় দেখানো বা কোনো প্রতিবেদন প্রকাশে বাধা দেওয়া সম্ভব হলেও সাংবাদিকতার কণ্ঠকে দীর্ঘমেয়াদে স্তব্ধ করা সহজ নয়। কারণ একজন সাংবাদিকের কলম থামিয়ে দেওয়া গেলেও মানুষের জানার অধিকার, সমাজের অসঙ্গতি নিয়ে প্রশ্ন এবং সত্য অনুসন্ধানের প্রয়োজন থেমে থাকে না।

সাংবাদিক যখন কোনো অনিয়ম, দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা কিংবা ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তখন সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব হওয়া উচিত তথ্য ও যুক্তি দিয়ে সেই প্রশ্নের জবাব দেওয়া। কিন্তু প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে যদি সাংবাদিককে হুমকি দেওয়া হয়, শারীরিকভাবে হয়রানি করা হয়, মামলা দিয়ে চাপ সৃষ্টি করা হয় কিংবা সামাজিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করা হয়, তাহলে সেটি শুধু একজন সাংবাদিকের ওপর চাপ নয়—এটি মতপ্রকাশ ও তথ্য জানার অধিকারকেও সংকুচিত করার চেষ্টা।

আরও পড়ুন: পূর্বধলায় মেয়েকে অপহরণের অভিযোগ, প্রতিবাদে বাবা-চাচার সংবাদ সম্মেলন

তবে সাংবাদিকতার স্বাধীনতার সঙ্গে সাংবাদিকের দায়িত্বও সমান গুরুত্বপূর্ণ। সত্যের পক্ষে অবস্থান নেওয়া মানে যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো অভিযোগ প্রকাশ করা নয়। কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তার বক্তব্য নেওয়া, তথ্যের একাধিক উৎস যাচাই করা এবং প্রমাণের ভিত্তিতে প্রতিবেদন প্রকাশ করা সাংবাদিকতার মৌলিক দায়িত্ব। একই সঙ্গে ভুল হলে তা সংশোধনের মানসিকতাও থাকতে হবে। কারণ স্বাধীন সাংবাদিকতা কখনো দায়িত্বহীন সাংবাদিকতার নাম নয়।

অন্যদিকে, কোনো প্রতিবেদনে আপত্তি থাকলে তার প্রতিকারও আইনসম্মত ও গণতান্ত্রিক পথেই হওয়া উচিত। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান প্রতিবাদ জানাতে পারেন, তথ্য-প্রমাণ দিয়ে ভুল সংশোধনের দাবি করতে পারেন কিংবা প্রচলিত আইনি প্রক্রিয়ার আশ্রয় নিতে পারেন। কিন্তু সাংবাদিককে ভয় দেখানো, কর্মস্থলে চাপ সৃষ্টি, হামলা বা নিপীড়নের মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ বন্ধ করার চেষ্টা কোনো সুস্থ গণতান্ত্রিক পরিবেশের লক্ষণ হতে পারে না।

একজন সাংবাদিকের ওপর হামলা বা নিপীড়নের প্রভাব শুধু সেই ব্যক্তির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। এর প্রভাব পড়ে পুরো সংবাদমাধ্যমে। একজন সাংবাদিক যখন হুমকির মুখে পড়েন, তখন অন্য সাংবাদিকদের মধ্যেও ভয় তৈরি হতে পারে। ফলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তোলা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। আর সেখানেই ক্ষতিগ্রস্ত হয় সাধারণ মানুষের জানার অধিকার।

ইতিহাসও দেখিয়েছে, চাপের মুখে সত্য অনুসন্ধানের প্রয়োজন আরও প্রবল হয়ে ওঠে। একজন সাংবাদিককে চুপ করিয়ে দেওয়া সম্ভব হতে পারে, কিন্তু একই প্রশ্ন যখন সমাজের বহু মানুষের প্রশ্নে পরিণত হয়, তখন সেটিকে সহজে থামানো যায় না। সংবাদমাধ্যমের প্রকৃত শক্তি এখানেই—এটি কেবল একজনের কণ্ঠ নয়; এটি মানুষের তথ্য জানার এবং প্রশ্ন করার অধিকারকে প্রতিনিধিত্ব করে।

আরও পড়ুন: বরিশালে হাজী বিরিয়ানিতে গ্রাহকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের ও প্রতারণার অভিযোগ,খাবারের পরিমাণ ও মাংসের মান নিয়ে প্রশ্ন

তাই সাংবাদিকদের দমনের পরিবর্তে তাদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া প্রয়োজন। অভিযোগ থাকলে তথ্য দিয়ে খণ্ডন করা প্রয়োজন। প্রতিবেদন ভুল হলে প্রমাণসহ সংশোধনের দাবি জানানো প্রয়োজন। আর সাংবাদিক যদি আইন ভঙ্গ করেন, তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ তো রয়েছেই।

একইভাবে সাংবাদিকদেরও মনে রাখতে হবে—প্রেসের স্বাধীনতা কোনো ব্যক্তিগত দায়মুক্তির লাইসেন্স নয়। সাংবাদিকতার মর্যাদা রক্ষা করতে হলে সত্যতা, নিরপেক্ষতা, তথ্যের যথার্থতা এবং পেশাগত নৈতিকতার প্রতি অটল থাকতে হবে।

নির্যাতন দিয়ে হয়তো একটি কণ্ঠকে কিছু সময়ের জন্য থামানো যায়, কিন্তু সত্য জানার মানুষের আকাঙ্ক্ষাকে থামানো যায় না। সাংবাদিককে ভয় দেখিয়ে নয়, যুক্তি ও তথ্য দিয়ে মোকাবিলা করাই সভ্য সমাজের পথ। কারণ মুক্ত সাংবাদিকতা শুধু সাংবাদিকদের অধিকার নয়—এটি সাধারণ মানুষেরও জানার অধিকার।

আরও পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সংঘর্ষ, আহত ১০

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফুলপুরে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী রেজাউল গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৪৮ পি.এম


ফুলপুরে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী রেজাউল গ্রেফতার

ময়মনসিংহের ফুলপুরে হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী রেজাউল করিম (৩৮) দীর্ঘ সময় বিদেশে পলাতক থাকার পর দেশে ফিরে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন।

পুলিশ বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) রাতে উপজেলার বাশাটি মাইজপাড়া গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করে। রেজাউল বাশাটি মাইজপাড়া গ্রামের মৃত শাহ জামাল ওরফে নয়নের পুত্র।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৭ সালে জমির সীমানা নিয়ে বিরোধের কারণে রেজাউল তার ফুপাতো ভাই ফারুককে (৩৭) লোহার শাবল দিয়ে মাথায় আঘাত করেন। এই আঘাতের ফলে ঘটনাস্থলেই ফারুকের মৃত্যু ঘটে। এ ঘটনায় ফুলপুর থানায় হত্যা মামলা নং ০১(০৬)০৭ দায়ের করা হয় এবং মামলায় রেজাউলকে আসামী করা হয়। পরবর্তীতে রেজাউল বিদেশে পালিয়ে যান। ফারুক হত্যা মামলায় আদালতের রায়ে রেজাউল করিমের যাবজ্জীবন সাজা হয়।

দীর্ঘদিন বিদেশে পলাতক থাকার পর সম্প্রতি দেশে ফিরে বাশাটি গ্রামে অবস্থান নেন। এই খবর পেয়ে ফুলপুর থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে কৌশলে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী রেজাউলকে গ্রেফতার করে।

ফুলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ ফিরোজ হোসেন জানান, হত্যা মামলার পর রেজাউল দীর্ঘ সময় বিদেশে পলাতক ছিলেন। দেশে ফিরে বাশাটি এলাকায় অবস্থান করার সংবাদ পেয়ে পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে কৌশলে তাকে গ্রেফতার করে। পরে গ্রেফতারকৃত আসামীকে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যমুনা তীর রক্ষা বাঁধে ভাঙনে ৫ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বসত ভিটা বিলীন, হুমকিতে ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৪৯ পি.এম


যমুনা তীর রক্ষা বাঁধে ভাঙনে ৫ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বসত ভিটা বিলীন, হুমকিতে ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি

চৌহালী ও টাঙ্গাইল যমুনা তীর রক্ষা বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে, যা ১১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত। বাঁধটির তিনটি স্থানে ভাঙনের ফলে বিলীন হয়েছে বসত ভিটা ও ফসলি জমি, এবং হুমকির মুখে রয়েছে পাঁচটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ অনেক ঘরবাড়ি। ক্ষতিগ্রস্তরা দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, যমুনার পানি কয়েক সপ্তাহ ধরে কমতে থাকায় নদীর তীরবর্তী চৌহালী উপজেলার সদিয়া চাঁদপুর ইউনিয়নের পূর্বপ্রাপ্ত বারবয়লা থেকে বোয়ালকান্দি পর্যন্ত অর্ধকিলোমিটার এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। নদী তীরে গভীরতা সৃষ্টি হয়েছে, ফলে ঘরের চাল ও আসবাবপত্র খোলা আকাশের নিচে ফেলে রাখতে হচ্ছে।

এলাকার বাসিন্দা নেজমত আলী, নুরুজ্জামান ও আব্দুল খালেক জানান, চৌহালী-টাঙ্গাইল নদী তীর রক্ষায় প্রায় আড়াই বছর আগে নির্মিত বাঁধে গত এক সপ্তাহে প্রায় সাড়ে তিনশ মিটার এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। কয়েকটি বসতভিটা নদীতে চলে গেছে। পাঁচটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কমিউনিটি ক্লিনিক, অনেক বসত বাড়ি, সবজি ক্ষেত ও ফসলি জমি হুমকির মুখে রয়েছে। তবে এখনও বাঁধ সংস্কার বা পরিদর্শনে কেউ আসেনি। ভাঙন অব্যাহত থাকলে তাদের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাবে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য জেলহক আলী বলেন, "নদী ভাঙ্গন যমুনার চরবাসীর পিছু ছাড়ছে না।" ১১৩ কোটি টাকার তীর রক্ষা বাঁধের তিনটি স্থানে প্রায় সাড়ে তিনশ মিটার ভেঙে গভীরতা সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বসত বাড়ি রক্ষায় দ্রুত মেরামত প্রয়োজন।

স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, সীমান্তবর্তী এলাকার ভাঙন নিয়ে সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইল পাউবোর মধ্যে রশি টানাটানি চলতে পারে না। জিও ব্যাগ ডাম্পিংসহ স্থায়ী সমাধানে পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের এগিয়ে আসতে হবে।

ভাঙন এলাকা তদারকির দায়িত্বপ্রাপ্ত টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী রাখিল রায়হান জানান, "ভাঙন এলাকার কাজ বর্ষায় করেছে সিরাজগঞ্জ পাউবো অফিস।" তবে টাঙ্গাইলের সীমান্তবর্তী হুঘরা এলাকার ভাঙনের বিষয়ে তিনি অবগত হয়েছেন এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন।

চৌহালী ও টাঙ্গাইল যমুনা তীর রক্ষা বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে, যা কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোদির গদি কাঁপছে ‘কাকরোচ’ আন্দোলনে, দিল্লিতে ১৪৪ ধারা ও গণ গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৪৯ পি.এম


মোদির গদি কাঁপছে ‘কাকরোচ’ আন্দোলনে, দিল্লিতে ১৪৪ ধারা ও গণ গ্রেপ্তার

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি নিয়ে তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্বাধীন 'কাকরোচ আন্দোলন' বা 'কাকরোচ জনতা পার্টি' (সিজেপি) আবারও বিশাল বিক্ষোভ শুরু করেছে, যার ফলে দেশটির পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তীব্র দমনপীড়ন শুরু করেছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর, ২০২৬) রাজধানী নয়াদিল্লি এবং মুম্বাইয়ে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালিয়ে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী আতিশী মারলেনাসহ পাঁচশতাধিক বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে।

ভোটার তালিকা কারচুপির অভিযোগের কারণে ভারত উত্তাল হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত একটি মারাত্মক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গত ১০ মাসে নির্বাচন কমিশনের দুই কর্মকর্তা ভোটার তালিকা সংশোধন, নিবন্ধন পদ্ধতি ও ডিজিটাল ব্যবস্থার অনিয়ম নিয়ে অন্তত ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন।

বিরোধী দল এবং আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেছেন যে, ভোটার তালিকা যাচাইয়ের নামে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সুবিধার্থে লাখ লাখ প্রকৃত ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

রাজধানীতে ১৪৪ ধারা ও গণগ্রেপ্তার

শুক্রবার নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে পূর্বঘোষিত বিক্ষোভ রুখতে পুলিশ ও আধা-সামরিক বাহিনী চারপাশ ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে ফেলে।

মেট্রো স্টেশন বন্ধ করা হয়েছে: যন্তর মন্তর এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আশেপাশের অন্তত ১১টি মেট্রো স্টেশন পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

১৪৪ ধারা জারি: দিল্লির পুলিশ ১৬৩ ধারা (সাবেক ১৪৪ ধারা) জারি করে ৫ জনের বেশি মানুষের জটলা এবং স্লোগান দেওয়া নিষিদ্ধ করে।

গণগ্রেপ্তার: বিকেল ৩টা নাগাদ আম আদমি পার্টির নেত্রী ও সাবেক মুখ্যমন্ত্রী আতিশী মারলেনাসহ ছাত্র সংগঠন এবং সাধারণ আন্দোলনকারীদের মিলিয়ে অন্তত ৫০০ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের প্রিজন ভ্যানে তুলে নেওয়া হয়।

একই সময়ে মুম্বাইয়ের শিবাজী পার্কেও ভারী পুলিশি পাহারা বসানো হয় এবং ওই এলাকাকে নো-পার্কিং জোন ঘোষণা করা হয়।

'সিইসির পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে' এই ঘোষণা করেছেন কাকরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আহ্বায়ক সৌরভ দাস। তিনি বলেন, "জ্ঞানেশ কুমারকে পদত্যাগ করতেই হবে। তিনি তরুণ প্রজন্ম ও দেশের বিরুদ্ধে যে অপরাধ করেছেন, তার বিচার না হওয়া পর্যন্ত এই লড়াই থামবে না।" তারা আগামী দিনগুলোতে সারাদেশে আন্দোলন আরও বেগবান করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। প্রধান বিরোধী দল ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসও আগামী মঙ্গলবার থেকে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে রাজপথে নামার ঘোষণা দিয়েছে।

এটি উল্লেখযোগ্য যে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি ট্রোল অ্যাকাউন্ট থেকে জন্ম নেওয়া এই 'কাকরোচ মুভমেন্ট' আজ ভারতের অন্যতম বড় তরুণ গণআন্দোলনে রূপ নিয়েছে। গত জুলাই মাসে তাদের ধারাবাহিক আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন ভারতের তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী। সূত্র: আল-জাজিরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চরম শীতে ইউক্রেনকে বিদ্যুৎহীন করার নতুন কৌশল রাশিয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৫০ পি.এম


চরম শীতে ইউক্রেনকে বিদ্যুৎহীন করার নতুন কৌশল রাশিয়ার

রাশিয়া ইউক্রেনজুড়ে তীব্র শীতকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে বেসামরিক জনজীবন অচল করার নতুন কৌশল গ্রহণ করেছে। বর্তমানে মস্কো ইউক্রেনের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ অবকাঠামোর বিরুদ্ধে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করেছে। এর উদ্দেশ্য হলো, আসন্ন হাড়কাঁপানো শীতের মধ্যে ইউক্রেনকে বিদ্যুৎ ও উত্তাপহীন করে ফেলা।

রাশিয়া নতুন প্রযুক্তির জেট চালিত ড্রোন এবং উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন বোমার ব্যবহার বৃদ্ধি করেছে ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামো ধ্বংস করার জন্য। কিয়েভসহ অন্যান্য বড় শহরগুলোর বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও সাবস্টেশনগুলোতে ক্রমাগত হামলার ফলে ইতোমধ্যেই বিদ্যুৎ বিভ্রাট বা ব্ল্যাকআউট শুরু হয়ে গেছে। ইউক্রেনীয় বিশেষজ্ঞদের মতে, পাওয়ার গ্রিড ও হাই-ভোল্টেজ লাইন কেটে দেওয়ার লক্ষ্যেই মস্কো শীতের ঠিক আগমুহূর্তে এই নতুন ধাঁচের হামলা জোরদার করেছে।

অন্যদিকে, দুই দেশই প্রতিরক্ষা বাজেট অতিক্রম করায় আর্থিক সংকটে পড়েছে। কিয়েভ বর্তমানে ইইউ ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছে অতিরিক্ত ২৭ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা চাচ্ছে, অপরদিকে ক্রেমলিন ২০২৭ সালের জন্য প্রতিরক্ষা বাজেট প্রায় ২৭ শতাংশ বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে।

যুদ্ধক্ষেত্রের এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সতর্ক করে বলেছেন, আসন্ন শীতে সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগে ফেলাই এখন পুতিন বাহিনীর মূল কৌশলে পরিণত হয়েছে। সূত্র: আল-জাজিরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%