বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৪৮ পি.এম
মৌলভীবাজারে পুলিশ একটি ট্রাক জব্দ করেছে, যার মধ্যে ছিল ১৬ লাখ ৭২ হাজার ৬৫০ টাকা মূল্যের ভারতীয় ফুচকা, যা চোরাচালানের মাধ্যমে আনা হয়েছিল। এই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যারা চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে মৌলভীবাজার সদর থানার শেরপুর চত্বর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে শেরপুর পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল, যা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। এসআই ওবায়দুল্লাহর নেতৃত্বে এই অভিযানে একটি ট্রাক আটক করা হয় এবং তল্লাশি করা হয়। পরে ট্রাকে থাকা ভারতীয় ফুচকার চালানটি জব্দ করা হয়। এ সময় পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন মো. আমিনুর রহমান (৪০) ও মো. সাগর হোসেন (২৪), যশোর জেলার বাসিন্দা এবং মো. রুবেল মিয়া (২৮), সিলেট জেলার বাসিন্দা।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ঘটনায় মৌলভীবাজার সদর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি আশিক সাঈদ মন্তব্য করেছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব একমাত্র পুলিশের নয়। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সকল বাহিনীকে মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। অপরাধ দমনে জনগণেরও পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করা প্রয়োজন। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজশাহীর বাঘা উপজেলা পরিষদের হলরুমে মাদক, সন্ত্রাস, উগ্রবাদ ও নারী নির্যাতন বিরোধী মতবিনিময় সভায় প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ডিআইজি আশিক সাঈদ আরও উল্লেখ করেন, স্কুল চলাকালীন ও ছুটির সময় ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত (ইভটিজিং) রোধ করতে সড়কে অতিরিক্ত পুলিশ টহল দিতে হবে। কোনো বখাটে যদি ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করে, তাহলে তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। আইন থেকে কেউ রেহাই পাবে না। অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে আপনাদের ত্রিপল নাইন-এ ফোন করতে হবে।
এদিকে, পদ্মার চরাঞ্চলে সন্ত্রাসী তৎপরতা ও অবৈধ বালু উত্তোলনের প্রসঙ্গ তুলে ধরে ডিআইজি জানান, ওই এলাকায় ‘কাকন বাহিনী’ নামে একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বিষয়ে পুলিশ অবগত হয়েছে। অবৈধভাবে বালুমহল পরিচালনার অভিযোগে ওই গোষ্ঠীর একজনকে ইতিমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে। কাকনকে গ্রেফতারের প্রচেষ্টা চলছে। তিনি জানান, খুব শীঘ্রই উপজেলার চরাঞ্চলে অবস্থিত পুলিশ ফাঁড়ির কার্যক্রম শুরু করা হবে।
এ দিকে, আড়ানী পৌর এলাকায় জায়গা পাওয়া গেলে সেখানেও একটি পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করা হবে। রাজশাহী বেতারের উপস্থাপিকা রোকসানা আক্তার লাকির সঞ্চালনায় আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী জেলা পুলিশ সুপার মামুন অর-রশিদ। বক্তব্য রাখেন বাঘা থানার ওসি সেরাজুল হক, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফ আলী মলিন। সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাবিনা আক্তার, বাঘা-চারঘাট সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার খালেদ মাহমুদ প্রমুখ। সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী’র স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, শিক্ষার্থীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বগুড়ার শেরপুরে প্রায় ১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত চারতলা ট্রমা সেন্টারটি দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত রোগীদের দ্রুত চিকিৎসা দেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছিল। ২০১৯ সালে নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের কাছে ভবনটি হস্তান্তর করা হয়। কিন্তু সাত বছর পার হয়ে গেলেও ট্রমা রোগীর ভর্তি ও জরুরি চিকিৎসাসেবা সেখানে শুরু হয়নি। দুর্ঘটনাপ্রবণ ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের পাশে অবস্থিত এই ভবনটি বর্তমানে প্রশাসনিক কাজ ও বহির্বিভাগের চিকিৎসাসেবায় ব্যবহৃত হচ্ছে।
শেরপুর হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বগুড়া রিজিয়নের মহাসড়কটি সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা প্রবন। শাজাহানপুরের বনানী বাইপাস থেকে চান্দাইকোনা পর্যন্ত ৩২ কিলোমিটার সড়ক অংশে চলতি বছর ৬৬টি গুরুতর দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় ৫৫ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং গুরুতর আহত হয়েছেন শতাধিক মানুষ। আহতদের অনেককেই উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহতদের মধ্যে বেশিরভাগই মৃত্যুর ঝুঁকিতে ছিলেন। শেরপুরে পূর্ণাঙ্গ ট্রমা চিকিৎসার ব্যবস্থা না থাকায় গুরুতর আহত রোগীদের চিকিৎসার জন্য প্রায় ২৭ কিলোমিটার দূরের শজিমেকের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। দুর্ঘটনার পর দ্রুত অস্ত্রোপচার, রক্তের ব্যবস্থা ও নিবিড় পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন এমন রোগীদের ক্ষেত্রে এই দূরত্ব চিকিৎসা পাওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। এই প্রয়োজনীয়তা থেকেই শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভিতরে ট্রমা সেন্টার স্থাপনের প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল।
প্রকল্প অনুযায়ী, ২০ শয্যার এই ট্রমা সেন্টারের জন্য সাতজন কনসালট্যান্ট, তিনজন অর্থোপেডিক সার্জন, দুজন অ্যানেসথেসিওলজিস্ট ও দুজন রেসিডেন্ট মেডিকেল অফিসারসহ মোট ১৪ জন চিকিৎসক এবং ১০ জন নার্স থাকার কথা ছিল। এছাড়া ফার্মাসিস্ট, রেডিওলজি ও ল্যাব টেকনিশিয়ান, চালক, অফিস সহকারী, ওয়ার্ডবয় ও আয়ার মতো বিভিন্ন পদে সহ মোট ৬০ জন জনবল থাকার কথা ছিল। এজন্য ১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০১৯ সালে ৪ তলা বিশিষ্ট ভবন নির্মাণ করা হয়। তবে প্রয়োজনীয় জনবল ও চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ না করার কারণে ট্রমা সেন্টারটি এখনও চালু হয়নি।
সরেজমিনে দেখা যায়, যে ভবনটি দুর্ঘটনায় আহত রোগীদের দ্রুত চিকিৎসা দেওয়ার জন্য নির্মাণ করা হয়েছিল, সেটিতে বর্তমানে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহির্বিভাগের কার্যক্রম চলছে। একই সঙ্গে প্রশাসনিক কাজও করা হচ্ছে। শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আমিরুল ইসলাম বলেন, "ট্রমা ইউনিট চালু না হওয়ায় ভবনটি বিকল্পভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।" সেখানে প্রতিদিন বহির্বিভাগে প্রায় ৮০০ থেকে ১,২০০ রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। তবে ভবন নির্মাণের পর এসব পদে জনবল নিয়োগ না হওয়ায় ট্রমা সেন্টারটি কার্যকর করা যায়নি। ফলে বিপুল অর্থ ব্যয়ে তৈরি অবকাঠামোটি তার মূল উদ্দেশ্যে ব্যবহার হচ্ছে না। দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা ট্রমা সেন্টার চালু না হওয়া বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে বগুড়া জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের আহবায়ক জানে আলম খোকা বলেন, "এখানে শ্রমিকদের পাশাপাশি দুর্ঘটনা কবলিত মানুষ উন্নত চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ফলে অনেকে চিকিৎসার অভাবে মৃত্যু বরণ করছেন, আবার অনেকে পঙ্গুত্বও বরন করছেন। এত টাকা ব্যয়ে সরকারের এরকম গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রকল্প মুখ থুবড়ে পড়ে থাকা উচিৎ নয়। এ বিষয়ে মাননীয় সংসদ সদস্যকে অবগত করা হয়েছে। তিনি দ্রুত ব্যবস্থা নিবেন।"
বগুড়া জেলার ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ফারজানুল ইসলাম বলেন, "শেরপুরের ওই অঞ্চলটি দুর্ঘটনাপ্রবন। মহাসড়কে দুর্ঘটনা কবলিত রোগীকে বগুড়ায় পাঠালে সময় ক্ষেপনের কারণে মৃত্যুর ঝুকি বাড়ে। তাই শেরপুরের ট্রমা সেন্টারটি চালু করার জন্য আমাদের দপ্তর থেকে অধিদপ্তরে চাহিদা পত্র প্রেরণ করা হয়েছে।" এর প্রেক্ষিতে গত বছর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক আবু জাফর পরিদর্শন করেছিলেন। তবে এখন পর্যন্ত পরবর্তী নির্দেশনা পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হবিগঞ্জ-৪(মাধবপুর-হবিগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য এস.এম. ফয়সল মন্তব্য করেছেন যে, তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার দেশের শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের ফলাফল উন্নত করার পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সার্বিক পরিবেশকে সুন্দর করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। মানসম্মত শিক্ষা একটি এলাকার উন্নয়নের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়। শিক্ষার্থীদের মেধা ও দক্ষতা বিকাশের জন্য শিক্ষক, অভিভাবক এবং প্রশাসনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের শুধু পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জন করানো নয়, বরং তাদেরকে নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। বুধবার সকালে মাধবপুর উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষকদের সঙ্গে মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এই বিষয়গুলো তুলে ধরেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মেহেদি হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মত বিনিময় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সোহেল রানা, প্রধান শিক্ষক সামসুর রহমান, ইস্কান্দর মির্জা ফারুক, উপজেলা শিক্ষা কমিটির সদস্য ও সহকারী শিক্ষক সেলিনা আক্তার, সহকারী শিক্ষক মাহমুদুল হাসান রনি প্রমুখ।
মতবিনিময় সভায় উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা অংশগ্রহণ করেন এবং শিক্ষার বর্তমান পরিস্থিতি ও বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, মাধবপুরের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সমস্যা ও শিক্ষকদের যৌক্তিক দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এছাড়া, তিনি মাধবপুর উপজেলার কলেজ, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন এবং মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে মাছের পোনা অবমুক্ত করার কার্যক্রমও অনুষ্ঠিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় দুর্যোগ সুরক্ষা উপকরণ বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মিঠাগঞ্জ ও লালুয়া ইউপির ১৮০ জন যুব স্বেচ্ছাসেবকদের মধ্যে এই উপকরণ বিতরণ করা হয়। বুধবার দুপুর ১২ টায় কলাপাড়া উপজেলা প্রশাসনের মাঠ প্রাঙ্গনে জাগোনারী বাংলাদেশের উদ্যোগে এবং কেয়ার বাংলাদেশের সহযোগিতায় এসব উপকরণ বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম এবং সিপিপির সহকারী পরিচালক আছাদ উজ জ্জামান। এছাড়া জাগোনারী’র প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো. জাফর আলম, কেয়ার বাংলাদেশ’র কর্মসূচী ব্যবস্থাপক বায়েজিদ বোস্তামী, টেকনিক্যাল কো-অর্ডিনেটর শাবা শবনম, লালুয়া ইউপি চেয়ারম্যান শওকত হোসেন বিশ্বাস, মিঠাগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান মেজবা উদ্দিন খান দুলাল উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় স্বেচ্ছাসেবকদের মধ্যে রেইনকোট, ভেস্ট, হেলমেট, হেডল্যাম্প, ফিতাসহ বাঁশি, লাইফবয়া ও মেগাফোন বিতরণ করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামান বলেন, "দুর্যোগ পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সচেতনতা কার্যক্রম ও উদ্ধার কার্যক্রমে এতে স্বেচ্ছাসেবকদের কাজ সহজ হবে এবং দুর্যোগে ঝুঁকি কমে আসবে।" তিনি স্বেচ্ছাসেবকদের এসব উপকরণ যথাযথভাবে ব্যবহারের জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ