ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

পে-স্কেল নিয়ে সচিব কমিটির সভা শেষে যা জানা গেল


পে-স্কেল নিয়ে সচিব কমিটির সভা শেষে যা জানা গেল

পে-স্কেল বাস্তবায়নে সচিব কমিটির সভায় জনপ্রশাসন খাতের সুপারিশগুলোর সঙ্গে চূড়ান্ত মতৈক্যে পৌঁছানো গেছে বলে জানা যাচ্ছে।

বুধবার (২৪ জুন) পে স্কেল বাস্তবায়নের রূপরেখা নির্ধারণে অনুষ্ঠিত সচিব কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

বৈঠক সূত্র জানায়, জনপ্রশাসন খাতের সুপারিশগুলো নিয়ে চূড়ান্ত মতৈক্যে পৌঁছানো গেলেও বিচার বিভাগ ও সশস্ত্র বাহিনী সংক্রান্ত প্রস্তাবগুলো এখনো নিষ্পত্তি হয়নি।

আরও পড়ুন: বিএনপি নেতার প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে পিবিআই তদন্ত

এ দুটি খাতের সুপারিশ নিয়ে সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। শিগগিরই বিচার বিভাগ এবং সশস্ত্র বাহিনীর প্রস্তাবনাও চূড়ান্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ জন্য আরও একটি সভা আয়োজন করা হতে পারে।

তবে, বেতন কত শতাংশ বৃদ্ধি পাবে কিংবা নতুন পে স্কেল কত ধাপে কার্যকর করা হবে, এসব বিষয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি বৈঠকে অংশ নেয়া সদস্যরা।

অন্যদিকে, সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে অবসরোত্তর ছুটিতে (এলপিআর) থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও নবম পে স্কেলের সুবিধার আওতায় অন্তর্ভুক্ত হবেন।

নতুন পে-স্কেল আগামী ১ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে কার্যকর হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে বর্ধিত বেতনের অর্থ হাতে পেতে অক্টোবর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

আরও পড়ুন: বিএনপি ২৬ ইউপিতে চেয়ারম্যান প্রার্থী খুঁজছে, সময় ১৫ দিন

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পে-স্কেল বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে তিনটি বিকল্প তুলে ধরা হচ্ছে। সচিব কমিটির প্রথম প্রস্তাবনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে মূল বেতনের ৫০ শতাংশ বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে। বিকল্প হিসেবে ১ম থেকে ৯ম গ্রেডের ক্ষেত্রে ৪০ শতাংশ এবং ১০ম-২০তম গ্রেডের ক্ষেত্রে ৬০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। আরেকটি বিকল্প হিসেবে নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের বেসিক শতভাগ বৃদ্ধির বিষয়ে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বর্ণবৈষম্য, কুসংস্কার ও পক্ষপাতও শিখছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:২৭ পি.এম


বর্ণবৈষম্য, কুসংস্কার ও পক্ষপাতও শিখছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) মানবজাতির চেয়ে অধিক ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে আসছে বলে প্রযুক্তির জগতে অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব দাবি করলেও জাতিসংঘ প্রকাশিত নতুন রিপোর্টে উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে। এআই শুধু মানুষের জ্ঞানই নয়, বরং এটি সমাজের দীর্ঘদিনের বর্ণবৈষম্য, কুসংস্কার ও পক্ষপাতও শিখে ফেলছে, উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।

জাতিসংঘের গবেষণায় ১৩৩টি এআই সিস্টেম বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে, প্রায় ৪৪ শতাংশ সিস্টেমে লিঙ্গভিত্তিক পক্ষপাত বিদ্যমান। তাছাড়া, ২৭ শতাংশেরও বেশি সিস্টেমে একসঙ্গে লিঙ্গ এবং জাতিগত পক্ষপাতের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বৃহৎ ভাষাভিত্তিক এআই মডেলগুলো (এলএলএম) নারীদের ঘর, পরিবার এবং শিশুর যত্নের সঙ্গে অধিক সংযুক্ত করে দেখায়। পক্ষান্তরে পুরুষদের ব্যবসা, নেতৃত্ব ও পেশাগত সফলতার সঙ্গে সম্পর্কিত হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে, এআই নারীদের যৌন বস্তু হিসেবে কিংবা পুরুষের অধীনস্থ হিসেবে বর্ণনা করেছে, এ কথা জানিয়েছে জাতিসংঘ।

জাতিসংঘের নারী ক্ষমতায়ন ও সমঅধিকার বিষয়ক সংস্থা ইউএন উইমেন জানায়, গবেষকরা যখন এআইকে শুধুমাত্র একজন ব্যক্তির লিঙ্গ উল্লেখ করে একটি বাক্য সম্পূর্ণ করতে বলেন, তখন প্রতি পাঁচটি উত্তরের একটিতে নারীবিদ্বেষী বা বৈষম্যমূলক বক্তব্য প্রদর্শিত হয়। কিছু ক্ষেত্রে নারীদের সম্পত্তি বা বস্তু হিসেবেও তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বর্তমানে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ ইমেইল লেখা, উপস্থাপনা তৈরি, কনটেন্ট উৎপাদন এবং বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার জন্য এআই ব্যবহার করছে। এর ফলে, এসব প্রযুক্তির মাধ্যমে বিদ্যমান সামাজিক বৈষম্য এবং পক্ষপাত আরও বাড়ানোর ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি কোনো প্রযুক্তিগত ত্রুটি নয়। বরং এআই পৃথিবীর বিপুল তথ্যের মাঝে থেকে শেখে, যেখানে দশকের পর দশক ধরে গড়ে ওঠা নানা প্রকার কুসংস্কার, বৈষম্য এবং নেতিবাচক ধারণাগুলি বিদ্যমান। তাই এআই প্রশিক্ষণের সময়ে সেই পক্ষপাতও শিখে ফেলে এবং অনেক ক্ষেত্রে পুনরুৎপাদন করে।

ইউএন উইমেনের ডিজিটাল প্রযুক্তিবিষয়ক প্রধান জয়াথমা উইক্রমনায়েকে বলেন, এআই মডেলগুলো মানুষের লেখা বিপুল পরিমাণ তথ্য থেকে শিক্ষা নেয়, যেখানে দীর্ঘকাল ধরে নারীদের পরিবার এবং গৃহকেন্দ্রিক এবং পুরুষদের ব্যবসা ও কর্মজীবনের সঙ্গে যুক্ত করা হয়ে আসছে।

প্রতিবেদনটি আরও বলছে, অনলাইনে নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা ও হয়রানির ঝুঁকি আগে থেকেই বেশি ছিল, আর এআই প্রযুক্তি সেই ঝুঁকিকে আরও বাড়িয়ে তুলছে। ইউএন উইমেনের তথ্য অনুযায়ী, জরিপে অংশগ্রহণকারী প্রতি চারজন নারীর মধ্যে একজন, মানবাধিকারকর্মী, কর্মী এবং সাংবাদিক, এআই-সাহায়্যপূর্ণ অনলাইন সহিংসতার শিকার হওয়ার কথা জানিয়েছেন।

এদের মধ্যে ১২ শতাংশ জানিয়েছেন, তাদের ব্যক্তিগত ছবি অনুমতি ছাড়া ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে ৬ শতাংশ জানিয়েছেন, তারা ডিপফেক বা কৃত্রিমভাবে পরিবর্তিত ছবি ও ভিডিওর মাধ্যমে হয়রানির শিকার হয়েছেন।

জাতিসংঘের আহ্বান হলো এআই প্রযুক্তির উন্নয়ন, ব্যবহার এবং নিয়ন্ত্রণের প্রতিটি ভিন্ন ক্ষেত্রে নারী এবং কন্যাশিশুর অধিকার, অভিজ্ঞতা এবং লিঙ্গসমতা নিশ্চিত করা। পাশাপাশি গবেষকরা সতর্ক করে বলেন, শুধু নারীদের ক্ষেত্রেই নয়, বিভিন্ন জাতিগত এবং সামাজিক গোষ্ঠী সম্পর্কীয় এআই বিদ্যমান স্টেরিওটাইপ এবং বৈষম্যকে আরও শক্তিশালী করতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, ভবিষ্যতে এআই মানুষের বুদ্ধিমত্তাকে ছাড়িয়ে যাবে কিনা, তা নিয়ে বিতর্কের চেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে এই প্রযুক্তিকে এমনভাবে গড়ে তোলা, যাতে এটি মানবসমাজের সবচেয়ে খারাপ অভ্যাস এবং পক্ষপাতকে পুনরাবৃত্তি না করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্ববাজারে স্বর্ণ ও রুপার বড় দরপতন কেন, বিনিয়োগ কতটা নিরাপদ?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:২৮ পি.এম


বিশ্ববাজারে স্বর্ণ ও রুপার বড় দরপতন কেন, বিনিয়োগ কতটা নিরাপদ?

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম সাত মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। একই সঙ্গে রুপার দামও বড় ধরনের পতনের কথা বলা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, শক্তিশালী মার্কিন ডলার এবং ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার বৃদ্ধির প্রত্যাশা এই পতনের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বুধবার (২৪ জুন) প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম কমে ৩ হাজার ৯৮৮ দশমিক ৬০ ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা নভেম্বরের পর সর্বনিম্ন। একই সময়ে রুপার দাম কমে প্রতি আউন্স ৫৮ দশমিক ৪৪ ডলার হয়ে গেছে, যা প্রায় ৬ শতাংশ কম।

গত এক সপ্তাহে রুপার দাম ১৬ শতাংশ এবং স্বর্ণের দাম ৮ শতাংশ কমে গেছে। জানুয়ারিতে সর্বকালের সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছানোর পর থেকে রুপার দাম অর্ধেকেরও বেশি কমে গেছে। তখন প্রতি আউন্স রুপার দাম ছিল ১২১ ডলার এবং স্বর্ণের দাম ৫ হাজার ৬০০ ডলারের কোঠায় পৌঁছেছিল।

বিশ্লেষকদের মতে, সুদের হার কমার প্রত্যাশা, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কনীতি, আন্তর্জাতিক উত্তেজনার চিত্র এবং প্রযুক্তি শিল্পে ধাতুর বাড়তি চাহিদা জানুয়ারির মূল্যবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে জানুয়ারির শেষ দিকে কেভিন ওয়ার্‌শকে ফেডারেল রিজার্ভের প্রধান নিয়োগ দেয়ার পর পরিস্থিতি বদলে যেতে শুরু করে। বাজারে ধারণা তৈরি হয় যে তিনি সুদের হার কমানোর পক্ষে কম আগ্রহী থাকবেন। এরপর থেকে মূল্যবান ধাতুর বাজারে চাপ বাড়তে থাকে।

স্যাক্সো ব্যাংকের পণ্য কৌশল বিভাগের প্রধান ওলে এস. হ্যানসেন বলেছেন, প্রযুক্তি খাতের শেয়ার বিক্রির চাপ ও শক্তিশালী ডলারের কারণে মূল্যবান ধাতুর বাজার চাপের মুখোমুখি হয়েছে। বুধবার মার্কিন ডলার সূচক এক বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, ফেডারেল রিজার্ভ কি চলতি বছরের শেষ দিকে সুদের হার বৃদ্ধির পরিকল্পনা করছে? গত সপ্তাহে কেভিন ওয়ার্শের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত প্রথম বৈঠকে সুদের হার অপরিবর্তিত রাখা হলেও ১৮ জন কর্মকর্তার মধ্যে ৯ জন অন্তত একবার সুদের হার বৃদ্ধির পক্ষে মত দিয়েছেন।

বিএনপি পারিবাস ফোর্টিসের প্রধান কৌশল কর্মকর্তা ফিলিপ গিজেলসের মন্তব্য, 'সুদের হার মাধ্যাকর্ষণের মতো। সুদের হার বাড়লে সেই মাধ্যাকর্ষণ শক্তি বৃদ্ধি পায় এবং মূল্যবান ধাতুসহ প্রায় সব ধরনের সম্পদের দাম নিচের দিকে টেনে আনে।'

জার্মানির কমার্জব্যাংকের বিশ্লেষকরাও মনে করছেন, যতদিন সুদের হার বৃদ্ধির প্রত্যাশা থাকবে, ততদিন স্বর্ণের বাজারে চাপ অব্যাহত থাকতে পারে।

তবে সবচেয়ে বেশি বিস্ময় সৃষ্টি করেছে ইরান যুদ্ধ চলাকালীন স্বর্ণ ও রুপার আচরণ। সাধারণত আন্তর্জাতিক সংকটের সময়ে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা বেড়ে যায়। কিন্তু এবার উল্টো চিত্র দেখা গেছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে স্বর্ণের দাম ২২ শতাংশের বেশি কমেছে। এএনজেডের গবেষণা বিশ্লেষকরা বলছেন, নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে পরিচিত হলেও এবারের বাজার অস্থিরতায় স্বর্ণ বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশিত সুরক্ষা দিতে পারেনি।

বিশ্লেষকদের মতে, স্বর্ণের ভবিষ্যৎ এখন অনেকটাই যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রানীতির ওপর নির্ভর করছে। যদি ফেড সুদের হার বৃদ্ধি করে, তবে স্বর্ণের ওপর আরও চাপ তৈরি হতে পারে। তবে সুদের হার স্থিতিশীল থাকলে বা ভবিষ্যতে কমানোর ইঙ্গিত এলে মূল্যবান ধাতুর বাজারে আবারও ইতিবাচক ধারা ফিরে আসতে পারে।

ফলস্বরূপ, এখন স্বর্ণে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীদের সবচেয়ে বেশি নজর রাখতে হবে ফেডারেল রিজার্ভের সিদ্ধান্ত, ডলারের গতিপ্রবাহ এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির দিকে।

সূত্র- ফোর্বস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
যুবদলের বিক্ষোভ ও সমাবেশ

লালমনিরহাটে অপপ্রচার ও কুৎসিত রাজনীতির বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:২৯ পি.এম


লালমনিরহাটে অপপ্রচার ও কুৎসিত রাজনীতির বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি

রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ এবং স্বার্থান্বেষী মহলের অপপ্রচার ও শিষ্টাচারবহির্ভূত কুৎসিত রাজনীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে লালমনিরহাটে যুবদল বিশাল বিক্ষোভ মিছিল এবং সমাবেশ করেছে। বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে, জেলা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয় মিশন মোড়স্থ ‘আমার বাড়ি’ কার্যালয় থেকে অসাধারণ একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। এই মিছিলটি লালমনিরহাট শহরের প্রধান প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে এবং নেতাকর্মীদের স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত করে তোলে। এরপর, মিছিলটি আবার দলীয় কার্যালয়ের সামনে এসে এক বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়। সমাবেশে জেলা যুবদলের আহ্বায়ক আনিছুর রহমান ভিপি আনিছ সভাপতিত্ব করেন। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি কামাল আনোয়ার আহমেদ। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ও স্বার্থান্বেষী মহল বিএনপির গৌরবময় ঐতিহ্য এবং ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্য দেশজুড়ে নানা অপপ্রচার এবং শিষ্টাচারবহির্ভূত নোংরা কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। এই রাজনৈতিক পরিবেশকে কলুষিত করার অপচেষ্টা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না।

তিনি যুবদলের সকল স্তরের নেতাকর্মীদের এই অপশক্তিকে রুখে দেওয়ার আহ্বান জানান এবং জোর দিয়ে বলেন, অপপ্রচারের জবাব রাজপথেই দেওয়া হবে। সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি তারিকুল ইসলাম টিটু, কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি ও রংপুর জেলা যুবদলের সভাপতি নজরুল আলম নাজু, এবং কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি শাহ আলম চৌধুরী। জেলা যুবদলের সদস্য সচিব হাসান আলীর চমৎকার সঞ্চালনায় সমাবেশে স্থানীয় ও উপজেলা পর্যায়ের যুবদলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা তৃণমূল পর্যায় থেকে যুবদলকে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং যেকোনো ধরনের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে রাজপথে ঐক্যবদ্ধ থাকার ঘোষণা দেন। সমাবেশ শেষে প্রধান অতিথি কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি কামাল আনোয়ার আহমেদ উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাধবপুরে নিখোঁজ মাদক ব্যবসায়ীকে উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৩৩ পি.এম


মাধবপুরে নিখোঁজ মাদক ব্যবসায়ীকে উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের সোয়াবই গ্রামে নিখোঁজ মাদক ব্যবসায়ী ফুয়াদ হাসান সাকিবকে জীবিত উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন ও রেলপথ অবরোধের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকালে উপজেলার হরষপুর রেলস্টেশন এলাকায় শত শত গ্রামবাসী এ কর্মসূচি পালন করেন।

এ সময় উত্তেজিত জনতা সিলেটগামী কালনী এক্সপ্রেস ট্রেন প্রায় সাত মিনিট আটকে রাখে। পরে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। সাকিবের বাবা সিরাজ আলী ও স্বজনদের অভিযোগ, ২১ জুন গন্ধবপুর এলাকায় সাকিবের মাছের খামারে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি হামলা চালিয়ে ফুয়াদ হাসান সাকিবকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। ঘটনার পর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না।

তারা এ ঘটনার জন্য রাজেন্দ্রপুর গ্রামের আরেক মাদক ব্যবসায়ী মাহফুজ মিয়া ও তার সহযোগীদের দায়ী করছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিখোঁজ সাকিব দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে এলাকায় অভিযোগ রয়েছে। মাদক ব্যবসার আড়ালে তিনি মাছের খামার পরিচালনা করতেন এবং আসন্ন ধর্মঘর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

এ লক্ষ্যে তিনি এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ড, দান-অনুদান এবং রাস্তাঘাট সংস্কারে অর্থ ব্যয় করতেন বলেও স্থানীয়দের দাবি। গ্রামবাসী ও স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, সাকিব ও রাজেন্দ্রপুর গ্রামের মাহফুজ মিয়ার পরিবারের সদস্যরা একসময় একই চক্রে চলাফেরা ও ব্যবসা করতেন। তবে প্রায় এক মাস আগে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এরপর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল।

নিখোঁজের ঘটনায় সাকিবের বাবা সিরাজ আলী বাদী হয়ে মাধবপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে ধর্মঘর এলাকার মনির, রুবেল, জুয়েল এবং সোয়াবই গ্রামের মাহফুজ মিয়ার ছেলে মামুন, শিমুলসহ ১২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এদিকে সাকিবের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনার জেরে গত সোমবার সকালে রাজেন্দ্রপুর গ্রামে মাহফুজ মিয়ার পাকা বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। সাকিবের স্বজন ও সমর্থকদের একটি অংশ এ হামলা চালায়। তবে এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা বা লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। বুধবারের মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা দ্রুত সাকিবকে জীবিত উদ্ধার এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান। বক্তারা বলেন, নিখোঁজের কয়েকদিন পার হলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখনো তাকে উদ্ধার করতে পারেনি। এতে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বাড়ছে। মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোহেল রানা বলেন, “সাকিব নিখোঁজের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। তাকে উদ্ধার করতে পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তবে মাহফুজ মিয়ার বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%