ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

বায়ার্নের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন নিয়ে মুখ খুললেন কেইন


বায়ার্নের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন নিয়ে মুখ খুললেন কেইন

বায়ার্ন মিউনিখ নতুন মৌসুমের উদ্বোধনী ম্যাচে স্টুটগার্টকে ৫-১ গোলে পরাজিত করে একটি অসাধারণ সূচনা করেছে। এই বিশাল জয়ের পর দলের ইংলিশ স্ট্রাইকার হ্যারি কেইন সমর্থকদের জন্য সুখবর নিয়ে এসেছেন।

 

শুক্রবার, তিনি নিশ্চিত করেছেন যে ২০২৭ সালের পরে জার্মান চ্যাম্পিয়নদের সঙ্গে থাকার জন্য চুক্তি নবায়নের আলোচনা ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন: গুম-খুনের রাজনীতি ফিরতে দেবে না: আব্দুল্লাহ আল জাবের

ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের সামনে এসে ৩৩ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড জানান, গত সপ্তাহে বায়ার্ন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তার প্রথম দফার বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে। কেইন, যিনি আগামী আগস্টে লন্ডনে অনুষ্ঠিতব্য ব্যালন ডি’অর পুরস্কারের অন্যতম ফেভারিট হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন, ২০২৩ সালে শৈশবের ক্লাব টটেনহ্যাম হটস্পার ছেড়ে বায়ার্নে যোগ দিয়েছিলেন এবং তিনি জার্মানিতে নিজের ক্যারিয়ারকে দীর্ঘায়িত করতে চান।

 

নতুন চুক্তি নিয়ে কেইন মন্তব্য করেন, ‘অনেক খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে আলোচনার বাকি আছে। আমার বয়স এখন ৩৩। এটি হয়তো আমার ক্যারিয়ারের শেষ চুক্তি হতে যাচ্ছে না, তবে স্বাক্ষর করার জন্য এটি বেশ বড় একটি চুক্তি। ক্লাবকে নিশ্চিত করতে হবে যে তারা আমাকে নিয়ে খুশি, তেমনি আমার নিজেরও সন্তুষ্টির ব্যাপার রয়েছে।

 

আরও পড়ুন: সিদ্ধিরগঞ্জে সাহেব আলী হত্যা মামলার প্রধান আসামি রনি অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার

তবে কোনো পক্ষেরই কোনো তাড়া বা আতঙ্ক নেই। আমি নিশ্চিত, আমরা এমন একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছাব যেখানে উভয় পক্ষই খুশি থাকবে।’

চলতি মৌসুমের শেষে কেইনের বর্তমান চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে। বায়ার্নও বেশ কয়েকবার প্রকাশ্যে এই গোলমেশিনকে দীর্ঘ সময়ের জন্য ধরে রাখার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

গত মৌসুমে বায়ার্নের হয়ে অসাধারণ ফর্মে ছিলেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক।

 

আরও পড়ুন: শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান সাজ্জাতুজ জুম্মা গ্রেপ্তার

বুন্দেসলিগায় মাত্র ৩১ ম্যাচে ৩৬ গোল করেছেন, যা জার্মান শীর্ষ লিগের ইতিহাসে এক মৌসুমে তৃতীয় সর্বোচ্চ। লিগ ও কাপ ডাবল জেতা কেইন ক্লাব ও জাতীয় দলের জার্সিতে গত মৌসুমে মোট ৭৩টি গোল করেছিলেন। এর মধ্যে ইংল্যান্ডকে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে নিয়ে যাওয়ার পথে তার পা থেকে এসেছিল ৬টি গোল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে চুনারুঘাটে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

চুনারুঘাট, হবিগঞ্জ

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৫৪ এম


ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে চুনারুঘাটে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত

ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ-এর ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

শুক্রবার চুনারুঘাট উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সড়কের পাশে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা। পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নের বার্তা ছড়িয়ে দিতেই এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয় বলে জানান আয়োজকরা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ, চুনারুঘাট থানা শাখার সভাপতি শেখ রাজু আহমেদ। আরও উপস্থিত ছিলেন থানা শাখার সহ-সভাপতি মাহবুবুর রহমান, তথ্য গবেষণা ও প্রচার সম্পাদক লুৎফুর রহমান, প্রকাশনা ও দপ্তর সম্পাদক শামছুল হক সরদার, অর্থ ও কল্যাণ সম্পাদক নয়ন আহমেদ এবং কলেজ সম্পাদক সোলাইমান আহমেদ।

চুনারুঘাট পৌর শাখার পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি কাসেম আহম্মদ।

বক্তারা বলেন, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী শুধু উদযাপনের জন্য নয়। মানুষের কল্যাণে কাজ করা এবং পরিবেশবান্ধব বাংলাদেশ গড়াই ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম লক্ষ্য। বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে সেই বার্তাই তরুণ সমাজের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

কর্মসূচি শেষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের মাধ্যমে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যায় ভেসে আসা মরদেহ শনাক্তে হিমশিম খাচ্ছে নেপাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:০২ এম


বন্যায় ভেসে আসা মরদেহ শনাক্তে হিমশিম খাচ্ছে নেপাল

নেপালের ভোটেকোশি নদীর ভয়াবহ বন্যায় প্রাণ হারানো মানুষের মরদেহ স্রোতের তীব্রতায় বহু দূরে ভেসে গেছে। একের পর এক মরদেহ উদ্ধার হতে থাকায় সেগুলোর সংরক্ষণ ও পরিচয় শনাক্তকরণ নিয়ে স্থানীয় প্রশাসন চরম সমস্যায় পড়েছে।

বন্যার উৎপত্তিস্থল রসুয়া ও নুয়াকোট থেকে ভেসে আসা মরদেহগুলো বর্তমানে নুয়াকোট ছাড়াও চিতওয়ান, তনহুন, নবলপরাসীসহ বিভিন্ন জেলার ভাটি অঞ্চলে উদ্ধার করা হচ্ছে। নুয়াকোট, ধাদিং ও নবলপরাসী জেলার হাসপাতালের মর্গগুলো ইতিমধ্যে লাশ রাখার জন্য জায়গা ফুরিয়ে গেছে। ফলে কিছু মরদেহ পাশের জেলাগুলোতে পাঠাতে বাধ্য হচ্ছেন কর্তৃপক্ষ। পোখরা জেলার হাসপাতালগুলোও জানিয়েছে, বিভিন্ন জেলা থেকে লাগাতার লাশ আসতে থাকায় তাদের মর্গগুলো দ্রুত পূর্ণ হয়ে যাচ্ছে।

চিতওয়ান জেলায় পরিস্থিতি সবচেয়ে ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। সেখানে উদ্ধার হওয়া মরদেহের সংখ্যা স্থানীয় হাসপাতালগুলোর ধারণক্ষমতা ছাড়িয়ে গেছে। পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে চিতওয়ানের ভরতপুরে একটি অস্থায়ী মর্গ গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে প্রশাসন। ভরতপুর মহানগরীর বিদ্যুৎ রোডের ‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল এন্টারপ্রাইজ ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট’–এর একটি পরিত্যক্ত ভবনকে অস্থায়ী মর্গ হিসেবে ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার চিতওয়ানের চিফ ডিস্ট্রিক্ট অফিসার (সিডিও) গণেশ আরিয়ালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক জরুরি বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

সরকারি হিসাব অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত চিতওয়ান অঞ্চলের ত্রিশূলী ও নারায়ণী নদীর ফিশলিং থেকে গোলাঘাট পর্যন্ত অংশ থেকে ১৩৭টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং উদ্ধার অভিযান এখনো চলমান রয়েছে।

সিডিও গণেশ আরিয়াল জানান, চিতওয়ানের সব হাসপাতালের মর্গ মিলিয়ে একসঙ্গে ৩০ থেকে ৫০টি মরদেহ রাখার ক্ষমতা রয়েছে। সেই ধারণক্ষমতার ওপর ইতিমধ্যে প্রচণ্ড চাপ তৈরি হয়েছে, তাই নতুন এই অস্থায়ী কেন্দ্রে প্রায় ২৫০টি লাশ রাখার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। যদি এই ধারণক্ষমতাও অতিক্রম করে, তবে অতিরিক্ত বিকল্প হিসেবে দেবঘাটের বৈদ্যুতিক শ্মশান ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ভরতপুর মহানগর কর্তৃপক্ষ এই অস্থায়ী ভবনটি মেরামত ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম দিয়ে সাজানোর দায়িত্ব নিয়েছে। লাশগুলো যাতে পচে না যায়, সে জন্য ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সেখানে শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) বসানো হচ্ছে এবং ড্রাই আইস ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হয়েছে। চিতওয়ানের বিভিন্ন শিল্প ও বণিক সমিতি এই জরুরি ড্রাই আইস সরবরাহের খরচ ও দায়িত্ব নিতে সম্মত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার যখন কর্মীরা ভরতপুরের পরিত্যক্ত ভবনটিকে অস্থায়ী মর্গে রূপান্তরের কাজ করছিলেন, তখন সেখানে নিখোঁজ স্বজনদের তথ্য জানার জন্য ভিড় জমান স্বজনেরা।

প্রচণ্ড গরমের মধ্যে তাঁবুর ছায়ায় বসে অপেক্ষা করছিলেন ইয়ামান বানু নামের এক নারী। বন্যার পর নুয়াকোটের ত্রিশূলী বাজারে তাঁর দাদি ও নানি নিখোঁজ হন। ইয়ামান জানান, তাঁর দাদি সাকলা ও নানি নাজাবুন নিশাকে এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি।

একইভাবে নিখোঁজ রয়েছেন গোরখার পালুংটার এলাকার মায়া বানিয়া খাড়কা নামের এক নারী। তিনি গোসাইকুন্ডায় তীর্থযাত্রায় গিয়েছিলেন। চিতওয়ানের বিজয়নগরে বাসিন্দা তাঁর দুই ভাই কৃষ্ণ বাহাদুর ও হরি বানিয়া বোনের একটি ছবি হাতে নিয়ে ভরতপুরের এই অস্থায়ী কেন্দ্রে ছুটে এসেছেন।

অস্থায়ী এই মর্গে লাশ সংরক্ষণের পুরো প্রস্তুতি এখনো শেষ না হলেও সকাল থেকেই স্বজনদের আনাগোনা বাড়তে শুরু করেছে। নিখোঁজদের স্বজনেরা আশা করছেন, কেন্দ্রের কাজ দ্রুত শেষ হলে তাঁরা অন্তত নিশ্চিত হতে পারবেন যে উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলোর মধ্যে তাঁদের প্রিয় কোনো মানুষ রয়েছেন কি না।

পুলিশ সুপার নবীন কার্কি বলেন, ‘আঙুলের ছাপ ও ডিএনএ নমুনা আগে থেকেই সংগ্রহ করে রাখা হচ্ছে। যদি কোনো লাশের স্বজনদের খুঁজে না পাওয়া যায় কিংবা পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব না-ও হয়, তাহলে আমরা এগুলোকে মর্গে অনির্দিষ্টকালের জন্য রেখে দিতে পারব না।’ -

কাঠমান্ডু পোস্ট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘কঠিন সময়ে’ নরওয়ের সিংহাসনের দায়িত্ব নেওয়া কে এই হাকন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:০৬ এম


‘কঠিন সময়ে’ নরওয়ের সিংহাসনের দায়িত্ব নেওয়া কে এই হাকন

হাকন অষ্টম, রাজা হ্যারাল্ড পঞ্চমের মৃত্যুর পর নরওয়ের সিংহাসনে অধিষ্ঠিত হয়েছেন। নতুন রাজার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে, তার বাবার মতো মানুষের মধ্যে বিপুল জনপ্রিয়তা বজায় রাখা।

 

রাজা হ্যারাল্ড সাধারণ নরওয়েজীয়দের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিলেন। দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন জরিপে তার জনপ্রিয়তার প্রমাণ পাওয়া গেছে। মৃত্যুর আগে তার প্রতি মানুষের আবেগ ছিল গভীর। ১৯০৫ সালে সুইডেনের কাছ থেকে স্বাধীন হওয়ার পর নরওয়েতে আধুনিক রাজতন্ত্র পুনরায় প্রতিষ্ঠিত হয়।

 

হাকন হলেন দেশটির রাজতন্ত্রের নেতৃত্ব দেওয়া চতুর্থ রাজা। রাজা হওয়ার পর প্রথম দায়িত্ব হিসেবে তিনি একটি বিশেষ মন্ত্রিসভা বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। সেখানে তিনি নিজের রাজকীয় উপাধি ঘোষণা করেন এবং বাবার মূলমন্ত্র ‘নরওয়ের জন্য সবকিছু’ গ্রহণ করেন।

 

বিশ্লেষকদের মতে, পূর্বসূরিদের পথ অনুসরণ করার জন্য হাকন যথেষ্ট ভালো অবস্থানে রয়েছেন। যুবরাজ থাকাকালীন তিনি বাবার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন এবং বিভিন্ন রাজকীয় দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা করেছেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে হাকনের দায়িত্ব বেড়েছিল, কারণ হ্যারাল্ড অসুস্থ থাকলে বা দেশের বাইরে থাকলে হাকন অনেক সময় রাজার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। রাজা হ্যারাল্ড তার ছেলে সম্পর্কে নিজের জীবনী ‘দ্য কিং টেলস’-এ লিখেছিলেন, ‘আমি খুবই ভাগ্যবান যে যুবরাজ হাকনই এই দায়িত্ব এগিয়ে নিয়ে যাবে।

 

ইতিহাসবিদ ট্রন্ড নোরেন ইসাকসেন বিবিসিকে জানিয়েছেন, হাকন তার বাবার তুলনায় ভিন্ন ধরনের রাজা হবেন। তবে এতে তার প্রতি মানুষের শ্রদ্ধা কমবে না। তিনি বলেন, হ্যারাল্ড ছিলেন অত্যন্ত আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের মানুষ। তার রসবোধ ছিল অসাধারণ এবং মানুষ সেটি খুব পছন্দ করত। অন্যদিকে, হাকন কিছুটা চুপচাপ এবং তার মায়ের মতো স্বভাবের। তবে গত কয়েক বছরে হাকন মানুষের সঙ্গে আরো খোলামেলা হয়েছেন এবং নিজের রসবোধও বেশি প্রকাশ করেছেন। ইসাকসেন উল্লেখ করেন, হাকনের বাবা-মায়ের বয়স বেড়েছে এবং তার স্ত্রী অসুস্থ ছিলেন। ফলে দীর্ঘ সময় ধরে তাকে পরিবারের জন্য বড় দায়িত্ব পালন করতে হয়েছে।

হাকন ১৯৭৩ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি প্রয়াত রাজা হ্যারাল্ড ও রানি সোনিয়ার সবচেয়ে ছোট সন্তান। হাকনের ২২ বছর বয়সী মেয়ে ইনগ্রিড আলেকজান্দ্রা বর্তমানে যুবরানি এবং নরওয়ের সিংহাসনের পরবর্তী উত্তরাধিকারী। উত্তরাধিকার তালিকায় হাকন তার বড় বোন রাজকুমারী মার্থা লুইসের চেয়ে এগিয়ে ছিলেন। ১৯৯০ সালে নরওয়ের সংবিধানে পরিবর্তন আনা হয়, যার ফলে নারী সন্তানদেরও সিংহাসনের উত্তরাধিকারী হওয়ার অধিকার দেওয়া হয়। সেই নিয়ম অনুযায়ী ইনগ্রিড আলেকজান্দ্রা ভবিষ্যতে নরওয়ের রাষ্ট্রপ্রধান হওয়ার পথে রয়েছেন।

নরওয়ের রাজপরিবারের জন্য কিছুটা অস্থির সময়ে সিংহাসনে বসেছেন হাকন। দেশটির মানুষের মধ্যে রাজতন্ত্র এখনো জনপ্রিয়। আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি ও সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার জন্য নরওয়ের রাজপরিবার দীর্ঘদিন ধরে প্রশংসিত হয়ে আসছে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রাজপরিবার একের পর এক বিতর্কের মুখে পড়েছে। চলতি বছর হাকনের স্ত্রী মেতে-মারিত, যিনি বর্তমানে নরওয়ের রানি, দণ্ডিত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে কয়েক বছর যোগাযোগ রাখার জন্য ক্ষমা চেয়েছেন। এছাড়া, মেতে-মারিতের আগের সম্পর্কের ছেলে মারিয়ুস বর্গ হইবি ধর্ষণসহ বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন এবং তাকে চার বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে তিনি এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছেন।

ছোটবেলায় নিজের রাজপরিবারের পরিচয় মেনে নিতে হাকনের কিছুটা সমস্যা হতো। ২০২৩ সালে প্রকাশিত আত্মজীবনীতে তিনি ১৯৮০-এর দশকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ার সময়ের কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, রাজপরিবারের সদস্য হওয়া নিয়ে স্কুলে কথা বলতে তিনি স্বস্তি বোধ করতেন না। বিষয়টি তাকে উদ্বিগ্ন করত। হাকনের দাদা রাজা ওলাভ পঞ্চম মারা যাওয়ার পর ১৯৯১ সালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে তিনি যুবরাজ হন। রাজপরিবারের সদস্যদের মধ্যে সাধারণত যে ধরনের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দেখা যায়, হাকনের ক্ষেত্রে তার কিছুটা ব্যতিক্রম ছিল। তিনি স্থানীয় সরকারি স্কুলে পড়াশোনা করেন। পরে চার বছর নৌবাহিনীতে কাজ করেন। ১৯৯৫ সালে নরওয়ের নৌ একাডেমি থেকে পড়াশোনা শেষ করেন। তার বাবা ও দাদার মতো অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে না গিয়ে হাকন যুক্তরাষ্ট্রে যান। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্কলি ক্যাম্পাসে ভর্তি হয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান পড়েন।

১৯৯৯ সালে নরওয়েতে ফেরার পর হাকনের সঙ্গে মেতে-মারিতের পরিচয় ঘটে। দেশটির ক্রিস্টিয়ানস্যান্ড শহরে একটি সংগীত উৎসবে তাদের দেখা হয়েছিল। শহরটি মেতে-মারিতের নিজ শহর। সাধারণ পারিবারিক ও সামাজিক পটভূমি থেকে উঠে আসা মেতে-মারিতকে তখন সংবাদমাধ্যম ‘ক্রিস্টিয়ানস্যান্ডের সিন্ডারেলা’ নামে অভিহিত করেছিল। ২০০১ সালে তাদের বিয়ের আগে মেতে-মারিত সম্পর্কে তৎকালীন যুবরাজ হাকন বলেছিলেন, তাদের সম্পর্ক এতটাই শক্তিশালী ছিল যে তিনি সেটি ছেড়ে দিতে পারেননি। তবে তাদের সম্পর্ক শুরু থেকেই বিতর্কমুক্ত ছিল না। হাকন ও মেতে-মারিতের সম্পর্কের কথা প্রকাশ্যে আসার পর নরওয়েতে তীব্র আলোচনা শুরু হয়।

কয়েকজন বিশ্লেষক তখন এমন আশঙ্কা করেছিলেন যে এই সম্পর্ক নরওয়ের রাজতন্ত্রের জন্য বড় সংকট তৈরি করতে পারে। তারা ১৯৩৬ সালে ব্রিটিশ রাজা অষ্টম এডওয়ার্ডের ঘটনা টেনেছিলেন। আমেরিকান বিবাহবিচ্ছিন্ন নারী ওয়ালিস সিম্পসনের সঙ্গে সম্পর্কের কারণে এডওয়ার্ড শেষ পর্যন্ত সিংহাসন ছেড়ে দেন। তবে নরওয়ের রাজপরিবারে সাধারণ পরিবারের নারীকে বিয়ে করার ঘটনা মেতে-মারিতের আগে ঘটেছিল। তার প্রায় তিন দশক আগে রাজা হ্যারাল্ড প্রথা ভেঙে রানি সোনিয়াকে বিয়ে করেছিলেন। তবে মেতে-মারিতের ক্ষেত্রে আরো কিছু বিষয় নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। তিনি তখন চার বছর বয়সী এক সন্তানের মা ছিলেন। ওই সন্তানের বাবা কোকেন রাখার অপরাধে সাজা ভোগ করেছিলেন।

অসলোতে একটি ফ্ল্যাটে হাকন ও মেতে-মারিতের একসঙ্গে বসবাস নিয়েও সমালোচনা হয়েছিল। রক্ষণশীল নরওয়েজীয় লুথেরান চার্চও এর সমালোচনা করেছিল। তবে তখনকার জরিপে দেখা যায়, সাধারণ নরওয়েজীয়দের বেশির ভাগ এসব বিষয়কে বড় সমস্যা হিসেবে দেখেননি। মেতে-মারিতের আগের জীবনযাপন ভবিষ্যৎ রাজার স্ত্রী হিসেবে উপযুক্ত কি না, তা নিয়ে অনেকের প্রশ্ন ছিল। বিয়ের তিন দিন আগে দেওয়া এক আবেগঘন সাক্ষাৎকারে মেতে-মারিত তার ‘উচ্ছৃঙ্খল অতীতের’ জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চান। তিনি মাদক ব্যবহারেরও নিন্দা করেন। এর আগে সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছিল, ১৯৯০-এর দশকে অসলোতে তিনি যেসব পার্টিতে যেতেন, সেখানে মাদক সেবন করা হতো। তবে মেতে-মারিত নিজে মাদক নিয়েছিলেন কি না, সে বিষয়ে কিছু বলেননি। এই ঘটনাকে পরে নরওয়ের রাজপরিবারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে দেখা হয়। মেতে-মারিত ধীরে ধীরে সাধারণ মানুষের ভালোবাসা অর্জন করেন।

পরে তাকে এমন একটি আধুনিক রাজতন্ত্রের প্রতীক হিসেবে দেখা হয়, যা পুরোনো রীতিনীতি বদলাতে পারে। হাকন ও মেতে-মারিতের দুই সন্তান- ইনগ্রিড ও রাজকুমার স্ভেরি ম্যাগনুস। যুবরানি হিসেবে মেতে-মারিত বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগেও যুক্ত হন। এর মধ্যে এইচআইভিতে আক্রান্ত মানুষের সহায়তা এবং মানুষের পড়াশোনার দক্ষতা বাড়ানোর উদ্যোগ রয়েছে। ২০১৮ সালে তার ফুসফুসে গুরুতর একটি রোগ ধরা পড়ার পর তার প্রতি মানুষের সহানুভূতিও বেড়ে যায়। হাকন জানিয়েছেন, মেতে-মারিত তাকে নিজের গুটিয়ে থাকা স্বভাব থেকে বেরিয়ে আসতে সাহায্য করেছেন। তিনি স্ত্রীকে নিজের বিশ্লেষণধর্মী মানসিকতার আবেগগত ভারসাম্য হিসেবেও বর্ণনা করেছেন। হাকন লিখেছেন, সামাজিকভাবে তিনি খুব একটা ভালো নন। অন্যদিকে, মেতে-মারিত খুব সহজে মানুষের সঙ্গে মিশতে পারেন এবং কোনো জায়গায় ঢুকেই সবার সঙ্গে ভালোভাবে যোগাযোগ তৈরি করতে পারেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে হাকনের পরিবারকে ঘিরে জনসমক্ষে নজরদারি ও সমালোচনা বেড়েছে।

মারিয়ুস বর্গ হইবির ধর্ষণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ঘটনা রাজপরিবারের ওপর বড় চাপ তৈরি করেছে। অসলোর বাইরে হাকনের স্কাউগুম এস্টেটে এক নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন বলে মামলায় অভিযোগ ওঠে। হইবি রাজপরিবারের সদস্য নন। তবে মেতে-মারিতকে বিয়ের সময় হাকনের বয়সের তুলনায় হইবি খুব ছোট ছিলেন এবং এরপর থেকে তিনি রাজপরিবারের সঙ্গেই বড় হয়েছেন। এ কারণে তাকে দীর্ঘদিন পরিবারের একজন হিসেবে দেখা হয়েছে। রাজপরিবার অবশ্য বারবার স্পষ্ট করেছে, হইবি আনুষ্ঠানিকভাবে রাজপরিবারের সদস্য নন। হইবির বিচার শুরুর কয়েক দিন আগে কিছু নথি প্রকাশ করা হয়। সেখানে দণ্ডিত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে মেতে-মারিতের নিয়মিত যোগাযোগের তথ্য সামনে আসে। পরে এপস্টেইনের সঙ্গে তিন বছরের বন্ধুত্বের জন্য রাজা হ্যারাল্ড ও রানি সোনিয়ার কাছে ক্ষমা চান মেতে-মারিত। তিনি স্বীকার করেন, এ ক্ষেত্রে তার বিচারবোধ ভালো ছিল না।

জাতীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এপস্টেইনের সঙ্গে তার কখনো দেখা না হলেই ভালো হতো। চলতি বছরের শুরুতে করা কয়েকটি জরিপে দেখা যায়, নরওয়ের প্রায় অর্ধেক মানুষ মনে করেন, মেতে-মারিতের রানি হওয়া উচিত নয়। যদিও তার রানি হওয়া আগে থেকেই নিশ্চিত ছিল। হইবির বিচার শেষ হওয়ার দুই দিন পর মেতে-মারিতের ফুসফুস প্রতিস্থাপন করা হয়। তার ফুসফুসের রোগ ধরা পড়ার আট বছর পর এই অস্ত্রোপচার করা হয়। অস্ত্রোপচারের এক বছর না হওয়া পর্যন্ত চিকিৎসকেরা তাকে পুরোপুরি স্থিতিশীল বলে ঘোষণা করবেন না। এ অবস্থায় নতুন রাজা হাকনকে একদিকে দেশের দায়িত্ব সামলাতে হবে, অন্যদিকে অসুস্থ স্ত্রীকে সমর্থন দিতে হবে।

রাজপরিবার বিষয়ক সাময়িকী ‘সে অ হোর’-এর প্রতিবেদক ক্যারোলিন ভাগলে বলেন, এপস্টেইনকে ঘিরে রাজপরিবারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো কী ঘটেছিল, সে বিষয়ে পুরোপুরি খোলামেলা থাকা। এতে জনমনে তৈরি হওয়া নানা ধারণা আরো বড় হওয়ার সুযোগ কমবে। তবে তিনি মনে করেন, একটি বা দুটি কঠিন ঘটনার প্রভাবকে অতিরিক্ত বড় করে দেখা উচিত নয়। তার মতে, শেষ পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে রাজপরিবার এসব ঘটনা কীভাবে সামলায়। হাকন ও পরবর্তী প্রজন্ম কীভাবে হ্যারাল্ড সারা জীবনে মানুষের যে আস্থা অর্জন করেছিলেন, তা ধরে রাখবেন এবং আরো শক্তিশালী করবেন- সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

‘নেটঅ্যাভিসেন’-এর রাজপরিবারবিষয়ক প্রতিবেদক তোভে তালেসেনও মনে করেন, এসব বিতর্ক হাকনের জন্য কঠিন হবে। তবে তার মতে, হাকন এই দায়িত্ব পালনের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। তার বিশ্বাস, ভবিষ্যতে হাকন তার পূর্বসূরি রাজা হাকন সপ্তম, রাজা ওলাভ পঞ্চম এবং রাজা হ্যারাল্ড পঞ্চমের মতোই মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা অর্জন করতে পারবেন। বাবার দীর্ঘ ও জনপ্রিয় রাজত্বের পর হাকনের সামনে এখন নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে। রাজপরিবারকে ঘিরে নানা বিতর্ক এবং স্ত্রীর অসুস্থতার মধ্যেই তাকে দেশের দায়িত্ব নিতে হচ্ছে। এসব পরিস্থিতি তিনি কীভাবে সামলান, সেটিই তার রাজত্বের অন্যতম বড় পরীক্ষা হয়ে উঠতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সুইচিং স্টেশনে আগুন, নাসিরনগরে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শরীফ উদ্দিন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:০৭ এম


ব্রাহ্মণবাড়িয়া সুইচিং স্টেশনে আগুন, নাসিরনগরে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সুইচিং স্টেশনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নাসিরনগরে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। একই সঙ্গে ৩৩ কেভি লাইনে ফল্ট দেখা দেওয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীরা।
শনিবার (২৯ আগস্ট) ভোরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সুইচিং স্টেশনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এরপর থেকেই নাসিরনগরসহ সংশ্লিষ্ট এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছে নাসিরনগর জোনাল অফিস।
নাসিরনগর জোনাল অফিস সূত্রে জানা যায়, ৩৩ কেভি লাইনে ফল্ট থাকায় লাইন চেকিং ও গ্রিডে প্রয়োজনীয় কারিগরি কাজ চলছে। এ কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।
বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীরা দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক করার জন্য কাজ করছেন। এ অবস্থায় গ্রাহকদের ধৈর্য ধরার পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীদের কাজে সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে নাসিরনগর জোনাল অফিস।
বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার কাজ দ্রুতগতিতে চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%