১১:০৬ এম
হাকন অষ্টম, রাজা হ্যারাল্ড পঞ্চমের মৃত্যুর পর নরওয়ের সিংহাসনে অধিষ্ঠিত হয়েছেন। নতুন রাজার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে, তার বাবার মতো মানুষের মধ্যে বিপুল জনপ্রিয়তা বজায় রাখা।
রাজা হ্যারাল্ড সাধারণ নরওয়েজীয়দের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিলেন। দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন জরিপে তার জনপ্রিয়তার প্রমাণ পাওয়া গেছে। মৃত্যুর আগে তার প্রতি মানুষের আবেগ ছিল গভীর। ১৯০৫ সালে সুইডেনের কাছ থেকে স্বাধীন হওয়ার পর নরওয়েতে আধুনিক রাজতন্ত্র পুনরায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
আরও পড়ুন: আমরা মাফিয়া ডন বানাব না: ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল
হাকন হলেন দেশটির রাজতন্ত্রের নেতৃত্ব দেওয়া চতুর্থ রাজা। রাজা হওয়ার পর প্রথম দায়িত্ব হিসেবে তিনি একটি বিশেষ মন্ত্রিসভা বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। সেখানে তিনি নিজের রাজকীয় উপাধি ঘোষণা করেন এবং বাবার মূলমন্ত্র ‘নরওয়ের জন্য সবকিছু’ গ্রহণ করেন।
বিশ্লেষকদের মতে, পূর্বসূরিদের পথ অনুসরণ করার জন্য হাকন যথেষ্ট ভালো অবস্থানে রয়েছেন। যুবরাজ থাকাকালীন তিনি বাবার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন এবং বিভিন্ন রাজকীয় দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা করেছেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে হাকনের দায়িত্ব বেড়েছিল, কারণ হ্যারাল্ড অসুস্থ থাকলে বা দেশের বাইরে থাকলে হাকন অনেক সময় রাজার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। রাজা হ্যারাল্ড তার ছেলে সম্পর্কে নিজের জীবনী ‘দ্য কিং টেলস’-এ লিখেছিলেন, ‘আমি খুবই ভাগ্যবান যে যুবরাজ হাকনই এই দায়িত্ব এগিয়ে নিয়ে যাবে।
আরও পড়ুন: শাহজালাল বিমানবন্দরে ১৫ থেকে ২০ মিনিটে লাগেজ পাচ্ছেন যাত্রীরা: মন্ত্রী
ইতিহাসবিদ ট্রন্ড নোরেন ইসাকসেন বিবিসিকে জানিয়েছেন, হাকন তার বাবার তুলনায় ভিন্ন ধরনের রাজা হবেন। তবে এতে তার প্রতি মানুষের শ্রদ্ধা কমবে না। তিনি বলেন, হ্যারাল্ড ছিলেন অত্যন্ত আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের মানুষ। তার রসবোধ ছিল অসাধারণ এবং মানুষ সেটি খুব পছন্দ করত। অন্যদিকে, হাকন কিছুটা চুপচাপ এবং তার মায়ের মতো স্বভাবের। তবে গত কয়েক বছরে হাকন মানুষের সঙ্গে আরো খোলামেলা হয়েছেন এবং নিজের রসবোধও বেশি প্রকাশ করেছেন। ইসাকসেন উল্লেখ করেন, হাকনের বাবা-মায়ের বয়স বেড়েছে এবং তার স্ত্রী অসুস্থ ছিলেন। ফলে দীর্ঘ সময় ধরে তাকে পরিবারের জন্য বড় দায়িত্ব পালন করতে হয়েছে।
হাকন ১৯৭৩ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি প্রয়াত রাজা হ্যারাল্ড ও রানি সোনিয়ার সবচেয়ে ছোট সন্তান। হাকনের ২২ বছর বয়সী মেয়ে ইনগ্রিড আলেকজান্দ্রা বর্তমানে যুবরানি এবং নরওয়ের সিংহাসনের পরবর্তী উত্তরাধিকারী। উত্তরাধিকার তালিকায় হাকন তার বড় বোন রাজকুমারী মার্থা লুইসের চেয়ে এগিয়ে ছিলেন। ১৯৯০ সালে নরওয়ের সংবিধানে পরিবর্তন আনা হয়, যার ফলে নারী সন্তানদেরও সিংহাসনের উত্তরাধিকারী হওয়ার অধিকার দেওয়া হয়। সেই নিয়ম অনুযায়ী ইনগ্রিড আলেকজান্দ্রা ভবিষ্যতে নরওয়ের রাষ্ট্রপ্রধান হওয়ার পথে রয়েছেন।
নরওয়ের রাজপরিবারের জন্য কিছুটা অস্থির সময়ে সিংহাসনে বসেছেন হাকন। দেশটির মানুষের মধ্যে রাজতন্ত্র এখনো জনপ্রিয়। আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি ও সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার জন্য নরওয়ের রাজপরিবার দীর্ঘদিন ধরে প্রশংসিত হয়ে আসছে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রাজপরিবার একের পর এক বিতর্কের মুখে পড়েছে। চলতি বছর হাকনের স্ত্রী মেতে-মারিত, যিনি বর্তমানে নরওয়ের রানি, দণ্ডিত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে কয়েক বছর যোগাযোগ রাখার জন্য ক্ষমা চেয়েছেন। এছাড়া, মেতে-মারিতের আগের সম্পর্কের ছেলে মারিয়ুস বর্গ হইবি ধর্ষণসহ বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন এবং তাকে চার বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে তিনি এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছেন।
আরও পড়ুন: সরকারি চাকরিজীবীদের ভাতা নির্ধারণ হবে ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে
ছোটবেলায় নিজের রাজপরিবারের পরিচয় মেনে নিতে হাকনের কিছুটা সমস্যা হতো। ২০২৩ সালে প্রকাশিত আত্মজীবনীতে তিনি ১৯৮০-এর দশকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ার সময়ের কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, রাজপরিবারের সদস্য হওয়া নিয়ে স্কুলে কথা বলতে তিনি স্বস্তি বোধ করতেন না। বিষয়টি তাকে উদ্বিগ্ন করত। হাকনের দাদা রাজা ওলাভ পঞ্চম মারা যাওয়ার পর ১৯৯১ সালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে তিনি যুবরাজ হন। রাজপরিবারের সদস্যদের মধ্যে সাধারণত যে ধরনের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দেখা যায়, হাকনের ক্ষেত্রে তার কিছুটা ব্যতিক্রম ছিল। তিনি স্থানীয় সরকারি স্কুলে পড়াশোনা করেন। পরে চার বছর নৌবাহিনীতে কাজ করেন। ১৯৯৫ সালে নরওয়ের নৌ একাডেমি থেকে পড়াশোনা শেষ করেন। তার বাবা ও দাদার মতো অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে না গিয়ে হাকন যুক্তরাষ্ট্রে যান। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্কলি ক্যাম্পাসে ভর্তি হয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান পড়েন।
১৯৯৯ সালে নরওয়েতে ফেরার পর হাকনের সঙ্গে মেতে-মারিতের পরিচয় ঘটে। দেশটির ক্রিস্টিয়ানস্যান্ড শহরে একটি সংগীত উৎসবে তাদের দেখা হয়েছিল। শহরটি মেতে-মারিতের নিজ শহর। সাধারণ পারিবারিক ও সামাজিক পটভূমি থেকে উঠে আসা মেতে-মারিতকে তখন সংবাদমাধ্যম ‘ক্রিস্টিয়ানস্যান্ডের সিন্ডারেলা’ নামে অভিহিত করেছিল। ২০০১ সালে তাদের বিয়ের আগে মেতে-মারিত সম্পর্কে তৎকালীন যুবরাজ হাকন বলেছিলেন, তাদের সম্পর্ক এতটাই শক্তিশালী ছিল যে তিনি সেটি ছেড়ে দিতে পারেননি। তবে তাদের সম্পর্ক শুরু থেকেই বিতর্কমুক্ত ছিল না। হাকন ও মেতে-মারিতের সম্পর্কের কথা প্রকাশ্যে আসার পর নরওয়েতে তীব্র আলোচনা শুরু হয়।
কয়েকজন বিশ্লেষক তখন এমন আশঙ্কা করেছিলেন যে এই সম্পর্ক নরওয়ের রাজতন্ত্রের জন্য বড় সংকট তৈরি করতে পারে। তারা ১৯৩৬ সালে ব্রিটিশ রাজা অষ্টম এডওয়ার্ডের ঘটনা টেনেছিলেন। আমেরিকান বিবাহবিচ্ছিন্ন নারী ওয়ালিস সিম্পসনের সঙ্গে সম্পর্কের কারণে এডওয়ার্ড শেষ পর্যন্ত সিংহাসন ছেড়ে দেন। তবে নরওয়ের রাজপরিবারে সাধারণ পরিবারের নারীকে বিয়ে করার ঘটনা মেতে-মারিতের আগে ঘটেছিল। তার প্রায় তিন দশক আগে রাজা হ্যারাল্ড প্রথা ভেঙে রানি সোনিয়াকে বিয়ে করেছিলেন। তবে মেতে-মারিতের ক্ষেত্রে আরো কিছু বিষয় নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। তিনি তখন চার বছর বয়সী এক সন্তানের মা ছিলেন। ওই সন্তানের বাবা কোকেন রাখার অপরাধে সাজা ভোগ করেছিলেন।
অসলোতে একটি ফ্ল্যাটে হাকন ও মেতে-মারিতের একসঙ্গে বসবাস নিয়েও সমালোচনা হয়েছিল। রক্ষণশীল নরওয়েজীয় লুথেরান চার্চও এর সমালোচনা করেছিল। তবে তখনকার জরিপে দেখা যায়, সাধারণ নরওয়েজীয়দের বেশির ভাগ এসব বিষয়কে বড় সমস্যা হিসেবে দেখেননি। মেতে-মারিতের আগের জীবনযাপন ভবিষ্যৎ রাজার স্ত্রী হিসেবে উপযুক্ত কি না, তা নিয়ে অনেকের প্রশ্ন ছিল। বিয়ের তিন দিন আগে দেওয়া এক আবেগঘন সাক্ষাৎকারে মেতে-মারিত তার ‘উচ্ছৃঙ্খল অতীতের’ জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চান। তিনি মাদক ব্যবহারেরও নিন্দা করেন। এর আগে সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছিল, ১৯৯০-এর দশকে অসলোতে তিনি যেসব পার্টিতে যেতেন, সেখানে মাদক সেবন করা হতো। তবে মেতে-মারিত নিজে মাদক নিয়েছিলেন কি না, সে বিষয়ে কিছু বলেননি। এই ঘটনাকে পরে নরওয়ের রাজপরিবারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে দেখা হয়। মেতে-মারিত ধীরে ধীরে সাধারণ মানুষের ভালোবাসা অর্জন করেন।
আরও পড়ুন: ইরান যুদ্ধের প্রভাবে মধ্যপ্রাচ্যের পুরোনো রাজনৈতিক কাঠামো বদলাচ্ছে: বিশ্লেষক
পরে তাকে এমন একটি আধুনিক রাজতন্ত্রের প্রতীক হিসেবে দেখা হয়, যা পুরোনো রীতিনীতি বদলাতে পারে। হাকন ও মেতে-মারিতের দুই সন্তান- ইনগ্রিড ও রাজকুমার স্ভেরি ম্যাগনুস। যুবরানি হিসেবে মেতে-মারিত বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগেও যুক্ত হন। এর মধ্যে এইচআইভিতে আক্রান্ত মানুষের সহায়তা এবং মানুষের পড়াশোনার দক্ষতা বাড়ানোর উদ্যোগ রয়েছে। ২০১৮ সালে তার ফুসফুসে গুরুতর একটি রোগ ধরা পড়ার পর তার প্রতি মানুষের সহানুভূতিও বেড়ে যায়। হাকন জানিয়েছেন, মেতে-মারিত তাকে নিজের গুটিয়ে থাকা স্বভাব থেকে বেরিয়ে আসতে সাহায্য করেছেন। তিনি স্ত্রীকে নিজের বিশ্লেষণধর্মী মানসিকতার আবেগগত ভারসাম্য হিসেবেও বর্ণনা করেছেন। হাকন লিখেছেন, সামাজিকভাবে তিনি খুব একটা ভালো নন। অন্যদিকে, মেতে-মারিত খুব সহজে মানুষের সঙ্গে মিশতে পারেন এবং কোনো জায়গায় ঢুকেই সবার সঙ্গে ভালোভাবে যোগাযোগ তৈরি করতে পারেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে হাকনের পরিবারকে ঘিরে জনসমক্ষে নজরদারি ও সমালোচনা বেড়েছে।
মারিয়ুস বর্গ হইবির ধর্ষণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ঘটনা রাজপরিবারের ওপর বড় চাপ তৈরি করেছে। অসলোর বাইরে হাকনের স্কাউগুম এস্টেটে এক নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন বলে মামলায় অভিযোগ ওঠে। হইবি রাজপরিবারের সদস্য নন। তবে মেতে-মারিতকে বিয়ের সময় হাকনের বয়সের তুলনায় হইবি খুব ছোট ছিলেন এবং এরপর থেকে তিনি রাজপরিবারের সঙ্গেই বড় হয়েছেন। এ কারণে তাকে দীর্ঘদিন পরিবারের একজন হিসেবে দেখা হয়েছে। রাজপরিবার অবশ্য বারবার স্পষ্ট করেছে, হইবি আনুষ্ঠানিকভাবে রাজপরিবারের সদস্য নন। হইবির বিচার শুরুর কয়েক দিন আগে কিছু নথি প্রকাশ করা হয়। সেখানে দণ্ডিত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে মেতে-মারিতের নিয়মিত যোগাযোগের তথ্য সামনে আসে। পরে এপস্টেইনের সঙ্গে তিন বছরের বন্ধুত্বের জন্য রাজা হ্যারাল্ড ও রানি সোনিয়ার কাছে ক্ষমা চান মেতে-মারিত। তিনি স্বীকার করেন, এ ক্ষেত্রে তার বিচারবোধ ভালো ছিল না।
জাতীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এপস্টেইনের সঙ্গে তার কখনো দেখা না হলেই ভালো হতো। চলতি বছরের শুরুতে করা কয়েকটি জরিপে দেখা যায়, নরওয়ের প্রায় অর্ধেক মানুষ মনে করেন, মেতে-মারিতের রানি হওয়া উচিত নয়। যদিও তার রানি হওয়া আগে থেকেই নিশ্চিত ছিল। হইবির বিচার শেষ হওয়ার দুই দিন পর মেতে-মারিতের ফুসফুস প্রতিস্থাপন করা হয়। তার ফুসফুসের রোগ ধরা পড়ার আট বছর পর এই অস্ত্রোপচার করা হয়। অস্ত্রোপচারের এক বছর না হওয়া পর্যন্ত চিকিৎসকেরা তাকে পুরোপুরি স্থিতিশীল বলে ঘোষণা করবেন না। এ অবস্থায় নতুন রাজা হাকনকে একদিকে দেশের দায়িত্ব সামলাতে হবে, অন্যদিকে অসুস্থ স্ত্রীকে সমর্থন দিতে হবে।
রাজপরিবার বিষয়ক সাময়িকী ‘সে অ হোর’-এর প্রতিবেদক ক্যারোলিন ভাগলে বলেন, এপস্টেইনকে ঘিরে রাজপরিবারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো কী ঘটেছিল, সে বিষয়ে পুরোপুরি খোলামেলা থাকা। এতে জনমনে তৈরি হওয়া নানা ধারণা আরো বড় হওয়ার সুযোগ কমবে। তবে তিনি মনে করেন, একটি বা দুটি কঠিন ঘটনার প্রভাবকে অতিরিক্ত বড় করে দেখা উচিত নয়। তার মতে, শেষ পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে রাজপরিবার এসব ঘটনা কীভাবে সামলায়। হাকন ও পরবর্তী প্রজন্ম কীভাবে হ্যারাল্ড সারা জীবনে মানুষের যে আস্থা অর্জন করেছিলেন, তা ধরে রাখবেন এবং আরো শক্তিশালী করবেন- সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
আরও পড়ুন: টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বাস দুর্ঘটনায় সুপারভাইজারসহ ২ জন নিহত
‘নেটঅ্যাভিসেন’-এর রাজপরিবারবিষয়ক প্রতিবেদক তোভে তালেসেনও মনে করেন, এসব বিতর্ক হাকনের জন্য কঠিন হবে। তবে তার মতে, হাকন এই দায়িত্ব পালনের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। তার বিশ্বাস, ভবিষ্যতে হাকন তার পূর্বসূরি রাজা হাকন সপ্তম, রাজা ওলাভ পঞ্চম এবং রাজা হ্যারাল্ড পঞ্চমের মতোই মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা অর্জন করতে পারবেন। বাবার দীর্ঘ ও জনপ্রিয় রাজত্বের পর হাকনের সামনে এখন নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে। রাজপরিবারকে ঘিরে নানা বিতর্ক এবং স্ত্রীর অসুস্থতার মধ্যেই তাকে দেশের দায়িত্ব নিতে হচ্ছে। এসব পরিস্থিতি তিনি কীভাবে সামলান, সেটিই তার রাজত্বের অন্যতম বড় পরীক্ষা হয়ে উঠতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন